অনলাইন শপিং,ফ্রিল্যান্সিং ও অন্যান্য কাজ করার জন্য এই ওয়েবসাইটে একটি একাউন্ট থাকতে হবে। একাউন্ট খোলা মানেই টাকা দিতে হবে এমন না। ফ্রিল্যান্সার অথবা বায়ার, এর যে কোন একটি চয়েজ করে একাউন্ট তৈরি করতে হবে।অথবা শপিং সেকশনের যে কোন প্রোডাক্টের এ্যাড টু কার্ট বাটনে ক্লিক করেও আপনি একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন।সাইনআপ করুন এবং কাজ পোষ্ট করুন। ফ্রিল্যান্সারগণ কাজ খুজুন ও বিড করুন।একাউন্ট তৈরি হলে আপনি আপনার দেয়া ইউজার আইডি ও পাসওর্য়াড ব্যবহার করে সাইটে লগইন করতে পারবেন। You must have an account on this website for online shopping, freelancing and other activities. Opening an account does not mean that you have to pay. Freelancer or buyer, you have to create an account by choosing one of them. Or you can create an account by clicking on the add to cart button of any product in the shopping section.Sign up and post work. Freelancers find work and bid. Once the account is created, you can login to the site using your given user ID and password.

We have 29 guests and no members online

All Posts

3628 posts found

Deshi Group
27 September 2021, 09:58

ইসলামে মসজিদ নির্মাণের বিশেষ গুরুত্ব আছে। হাদিস শরিফে মসজিদ নির্মাণকে জান্নাতে গৃহ নির্মাণের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। মসজিদ নির্মাণের মতো পুণ্যময় কাজ করেছেন নবীরা। নিম্নে যেসব নবী মসজিদ নির্মাণ করেছেন, তাঁদের বিষয়ে আলোচনা করা হলো—
আদম (আ.) : কাবাগৃহ সর্বপ্রথম ফেরেশতারা নির্মাণ করেন। অতঃপর আদম (আ.) তা পুনর্নির্মাণ করেন। কাবা নির্মাণের ৪০ বছর পর আদম (আ.) অথবা তাঁর কোনো সন্তানের দ্বারা বায়তুল মুকাদ্দাস নির্মাণ করা হয়। (বুখারি, হাদিস : ৩৪২৫; মুসলিম, হাদিস : ৫২০)
ইবরাহিম ও ইসমাঈল (আ.) : প্রথম রাসুল নুহ (আ.)-এর সময়ে প্লাবনে বায়তুল্লাহর প্রাচীর বিনষ্ট হয়ে যায়। তবে এর ভিত্তি আগের মতো থেকে যায়। পরবর্তী সময়ে আল্লাহর হুকুমে একই ভিত্তি-ভূমিতে ইবরাহিম (আ.) তা পুনর্নির্মাণ করেন। ইবরাহিম (আ.)-কে কাবাগৃহ নির্মাণ করতে তাঁর পুত্র ইসমাঈল (আ.) সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন। আল্লাহ বলেন, ‘আর স্মরণ করো, যখন ইবরাহিম ও ইসমাঈল বায়তুল্লাহর ভিত্তি উত্তোলন করেছিল, তখন তারা প্রার্থনা করেছিল, হে আমাদের পালনকর্তা, আপনি আমাদের পক্ষ থেকে এটি কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১২৭)
দাউদ (আ.) : ইয়াকুব (আ.) কর্তৃক বায়তুল মুকাদ্দাস নির্মাণের প্রায় হাজার বছর পর দাউদ (আ.) পুনরায় তা নির্মাণ শুরু করেন এবং তাঁর পুত্র সুলায়মান (আ.)-এর কাজ সমাপ্ত করেন। (নবীদের কাহিনি, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৫৯)
আর সুলায়মান (আ.) জিনদের দ্বারা মসজিদের কাজ সম্পন্ন করেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘অতঃপর যখন আমি (আল্লাহ) সুলায়মানের মৃত্যু ঘটালাম, তখন তার মৃত্যুর খবর জিনদের কেউ জানায়নি ঘুণপোকা ছাড়া—যারা সুলায়মানের লাঠি খেয়ে যাচ্ছিল। অতঃপর যখন সে মাটিতে পড়ে গেল, তখন জিনেরা বুঝতে পারল যে যদি তারা অদৃশ্যের জ্ঞান রাখত, তাহলে তারা (বায়তুল মুকাদ্দাস নির্মাণের) লাঞ্ছনাকর শাস্তির মধ্যে আবদ্ধ থাকত না।’ (সুরা সাবা, আয়াত : ১৪)
মুহাম্মদ (সা.) : মহানবী (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় গিয়ে প্রথমে কোবা নামক স্থানে ১৪ দিন অবস্থান করেন এবং সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। এ মসজিদ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, ‘অবশ্যই যে মসজিদ প্রথম দিন থেকে তাকওয়ার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, সেটাই তোমার (সালাতের জন্য) দাঁড়ানোর যথাযোগ্য স্থান। সেখানে এমন সব মানুষ আছে, যারা উত্তমরূপে পরিশুদ্ধ হওয়াকে ভালোবাসে। বস্তুত আল্লাহ পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন।’ (সুরা তাওবা, আয়াত : ১০৮)
কোবা থেকে মদিনায় যাওয়ার পথে আল্লাহ জুমার সালাত ফরজ করেন। ইয়াসরিবের উপকণ্ঠে পৌঁছে বনু সালেম বিন আওফ গোত্রের ‘রানুনা’ উপত্যকায় তিনি প্রথম জুমার সালাত আদায় করেন, যাতে ১০০ জন মুসল্লি শরিক হন। এটা ছিল রাসুল (সা.) কর্তৃক প্রথম জুমা। (আল-বিদায়াহ, আয়াত : ২/২১১)
রাসুল (সা.) মদিনায় গিয়ে মসজিদে নববী নির্মাণ করেন এবং সাহাবিরা তাঁর সঙ্গে তাঁকে সহযোগিতা করেন। আবু সাঈদ খুদরি (রা.) বলেন, (মসজিদে নববী নির্মাণের সময়) আমরা একটা একটা করে কাঁচা ইট বহন করছিলাম আর আম্মার দুটি দুটি করে কাঁচা ইট বহন করছিল। নবী করিম (সা.) তা দেখে তাঁর দেহ থেকে মাটি ঝাড়তে লাগলেন এবং বলতে লাগলেন, আম্মারের জন্য আফসোস, তাকে বিদ্রোহী দল হত্যা করবে।’ (বুখারি, হাদিস : ৪৪৭)

0 Share Comment
Deshi Group
27 September 2021, 09:58

পুরুষের দ্বারা সন্তান জন্ম না দেওয়াটাই আধুনিকতা এবং প্রগতিশীলতা : তসলিমা

পুরুষের দ্বারা সন্তান জন্ম না দেওয়াটাই আধুনিকতা এবং প্রগতিশীলতা : তসলিমা
পশ্চিমবঙ্গের এক সেলেব্রিটি সুন্দরী নায়িকা, অনুমান করা হচ্ছে যে, বয়ফ্রেন্ডের সন্তান গর্ভে ধারণ করেছিল, এবং সেই সন্তান গতকাল প্রসব করেছে। বয়ফ্রেন্ড স্বামীর মতো তার পাশে পাশে আছে। নায়িকার এই সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া, তার সন্তানকে স্বাগত জানানোর আরেক অর্থ এখন প্রগতিশীল হওয়া। আপারক্লাস এবং রিচ সোসাইটিতে এটা বড় কোনো সমস্যা নয়। আপারক্লাস এবং রিচ সোসাইটিতে হিন্দু মুসলমানের সম্পর্কও বড় কোনো সমস্যা নয়।

সমস্যা মধ্যবিত্ত সমাজে। নিম্নবিত্ত সমাজেও সমস্যা। হতদরিদ্রদের মধ্যে এ আবার কোনো সমস্যা নয়। অট্টালিকাবাসি এবং হোমলেসরা মোটামুটি একই রকম স্বাধীনতা অথবা থোড়াই কেয়ার করা ভোগ করে। যে মধ্যবিত্তরা আজ নবাজাতককে স্বাগত জানাচ্ছে তাদের অনেকেই হয়তো বিনা ওয়েডলকে নিজের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের নবাজাতককে স্বাগত জানাবে না বা পড়শির কোনো নবজাতককে স্বাগত জানাবে না, বা পুরুষটি মুসলমান হলে মেয়েটি হিন্দু হলে স্বাগত জানাবে না।

সমাজ থেকে তো কুসংস্কার, পুরুষতন্ত্র, সাম্প্রদায়িতা বিলুপ্ত হয়ে যায়নি। সেলেব্রিটির জীবন আর যা কিছুই হোক সমাজের আয়না নয়। সমাজের আয়না কারা তা আমরা একেবারে জানি না তা নয়। যারা সমাজের ভয়ে জরায়ুর ভেতরে বড় হতে থাকা ভ্রূণকে যে কোনো উপায়ে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়েও দূর করে, গর্ভপাত ঘটায়। ডাস্টবিনে অনেক মৃত অথবা জীবন্ত শিশুকে পাই, সমাজের ভয়ে যারা গোপনে প্রসব করে রাতের অন্ধকারে গোপনে ফেলে রেখে যায়। অথবা অনাকাঙ্ক্ষিত সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য সারাজীবন যারা লাঞ্ছিত হয়, ধিকৃত হয়।

ভয়ংকর পুরুষতান্ত্রিক সমাজে পুরুষের বাচ্চা নেওয়া, সে বিনা বিবাহে হোক, বয়ফ্রেন্ডের হোক, খুব বড় কোনো প্রগতিশীলতা নয়।
আসলে পুরুষের স্পার্ম দ্বারা গর্ভধারণ না করাটাই, সন্তান জন্ম না দেওয়াটাই এই সমাজের জন্য, এই সময়ের জন্য, সবচেয়ে উপযুক্ত আধুনিকতা এবং প্রগতিশীলতা।
0 Share Comment
Deshi Group
27 September 2021, 09:56

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা শুরু করলেন রচনা ব্যানার্জি

অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা শুরু করলেন রচনা ব্যানার্জি
কয়েকদিন আগেই তিনি ঘোষণা করেছিলেন, বড় সারপ্রাইজ নিয়ে খুব দ্রুতই হাজির হবেন তার অনুরাগীদের সামনে। কথা দিয়ে কথা রাখলেনও। কিন্তু তার সেই বড় চমক দেখে রীতিমতো ক্ষুব্ধ একাংশের মানুষ। ভারতের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে এমনটিই জানা গেছে।

অভিনেত্রী, সঞ্চালিকা রচনা ব্যানার্জি অনলাইনে শাড়ির ব্যবসা শুরু করেছেন। 'রচনা’স ক্রিয়েশন তার বুটিকের নাম। সম্প্রতি নিজের বুটিকের সম্ভার দেখাতে একটি লাইভ করেছিলেন তিনি। প্রথম লাইভেই হাজার হাজার লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার। সেলেব্রিটির কাছ জিনিস কেনার মজা উপভোগও করছিলেন কয়েকজন।

কিন্তু এই দেখেই রীতিমতো রেগে ফুঁসে উঠলেন ছোট ব্যবসায়ী থেকে ছোট ছোট বুটিকের মালিকেরা। তাদের সকলের দাবি, অভিনেত্রীর চড়া দামে শাড়ি বিক্রি। সেই শাড়ি কমদামে বিক্রি করলেও অনেকেই ভরসা করে কেনেন না। তিনি তারকা হয়েও কেন এই পথে আসবেন! তারকারাও যদি এই পথে এসে ব্যবসা শুরু করেন, তাহলে তারা কিভাবে ব্যবসা করে সংসার চালাবেন?

যদিও এতকিছুর পরেও অভিনেত্রী নিজের তরফ থেকে কোনো মন্তব্য করেননি। কিন্তু তার সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন আরও বহু মানুষ। তাদের যুক্তি, তারকা হয়েও ব্যবসা করা যাবে না এমনটা কোথাও লেখা নেই। সর্বোপরি, করোনার প্রভাব সকলের উপরেই পড়েছে। এর আগে লোপামুদ্রা মিত্র, সুদীপা চ্যাটার্জিরাও শাড়ির বুটিক খুলেছেন। দাম যাই হোক, আর পাঁচজনের তাদের বুটিকও রমরমিয়ে চলছে।

রচনা ব্যানার্জি জানান, জনসাধারণের সঙ্গে আরও বেশি করে প্রাথমিক স্তরে যোগাযোগ স্থাপন করতেই নিজে থেকে এমন উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। ছেলেকে বড় করা, ক্যারিয়ারের পাশাপাশি সংসার সামলানোর মতো একাধিক দায়িত্ব এযাবৎকাল পালন করে এসেছেন রচনা। এবার নিজের শখেই শাড়ির সম্ভার নিয়ে হাজির হলেন নারী অনুরাগীদের জন্য।
0 Share Comment
Deshi Group
27 September 2021, 09:55

ঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’ ভারতের উড়িষ্যা ও অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আঘাত হেনেছে। রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলীয় এলাকার স্থলভাগে আঘাত হানে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় গুলাবের তাণ্ডবে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলামে জেলেদের একটি নৌকা ডুবে অন্তত দুই জেলে নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছেন আরো চারজন।
দেশটির আবহাওয়া বিভাগের বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যম জানায়, অন্ধ্রপ্রদেশের উত্তর উপকূল এবং তৎসংলগ্ন দক্ষিণ উপকূলীয় উড়িষ্যায় ঘণ্টায় ৬৫ থেকে ৭৫ কিলোমিটার গতিতে আছড়ে পড়ছে ঘূর্ণিঝড়টি।
আগামী তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি অন্ধ্রপ্রদেশের কলিঙ্গপত্তনম ও উড়িষ্যার গোপালপুর অতিক্রম করতে পারে। ঘূর্ণিঝড় গুলাবের প্রভাবে আগামী দুই দিন তেলেঙ্গানায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় গুলাব অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে ক্রমশ পশ্চিম দিকে সরতে শুরু করেছে। আপাতত উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল অঞ্চলে অবস্থান করছে গুলাবের কেন্দ্র। সেখানে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ৮৫ কিলোমিটার। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বাতাসের গতিবেগ কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ।
এদিকে, ঘূর্ণিঝড় গুলাবের প্রভাবে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে ভারী বর্ষণের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এক পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, গুলাবের প্রভাবে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুরে, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

0 Share Comment
Deshi Group
27 September 2021, 09:50

বজ্রপাত থেকে মানুষ বাঁচাতে ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প

বজ্রপাত থেকে মানুষ বাঁচাতে ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প
বজ্রপাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে ৩০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। টেকনিক্যাল কমিটির পরামর্শে কী কী করা হবে, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে থাকছে অ্যালার্মিং সিস্টেম, হাওর ও ফাঁকা স্থানে ছাউনি তৈরি এবং জনসাধারণকে সচেতন করা। প্রাথমিকভাবে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে দেশের ২৩টি জেলায় এক হাজার ছাউনি তৈরি করা হবে। এই জেলাগুলোকে বজ্রপাতপ্রবণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি বজ্রপাত থেকে মানুষকে রক্ষার বিষয়টি নিয়ে ভাবতে শুরু করেন। এরই মধ্যে দেশের গবেষকদের নিয়ে তাঁরা সেমিনারও করেছেন। সেখান থেকে অনেক পরামর্শ এসেছে। ওই পরামর্শ ও বিদেশের বজ্রনিরোধক সিস্টেমের খোঁজখবর নিয়ে মন্ত্রণালয়ের ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রজেক্ট হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁর অনুমোদন সাপেক্ষে প্রজেক্টটি গতি পাবে।

জানা গেছে, এ প্রজেক্ট বাস্তবায়ন হলে দেশের যে এলাকায় যখন বজ্রপাতের আশঙ্কা দেখা দেবে, তখন ওই এলাকার বাসিন্দাদের মোবাইল ফোনে মেসেজ চলে যাবে যে কখন, কোন জায়গায় বজ্রপাত হবে। অন্তত ৪০ মিনিট আগে সেই তথ্য তাদের জানানো যাবে এবং আবহাওয়া বার্তার মতো প্রচারমাধ্যমেও সেটি প্রচার করা হবে। এতে করে মেসেজ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই এলাকার বাসিন্দারা নিরাপদ স্থানে চলে যেতে পারবে।

সুনামগঞ্জ, সিলেট, সিরাজগঞ্জ, নেত্রকোনা, রাজশাহীসহ দেশের ২৩টি জেলাকে বজ্রপাতপ্রবণ জেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই জেলাগুলোতে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে এক হাজারটি ছাউনি তৈরি করা হবে, যার ওপরে বজ্রপাত নিরোধক দণ্ড ব্যবহার করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান গতকাল রবিবার সচিবালয়ে তাঁর কার্যালয়ে বলেন, ‘বজ্রপাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে একটি প্রজেক্ট নিয়েছি। বজ্রপাতপ্রবণ জেলাগুলোতে লাইটিং ডিটেক্টর সেন্টার বসাব। ৪০ মিনিট আগে সিগন্যাল দেবে। সিগন্যালটি অ্যাপের মাধ্যমে ওই এলাকার বাসিন্দাদের কাছে চলে যাবে। আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করা হবে। ফাঁকা স্থানে এক কিলোমিটর ব্যবধানে আশ্রয়কেন্দ্র করা হবে, যাতে সিগন্যাল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একজন মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে পারে।’

তিনি জানান, প্রজেক্ট তৈরি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর কাজ শুরু করা হবে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, চলতি বছর ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে বজ্রপাতে ২৮২ জন মারা গেছে, যাদের মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিভাগে ৪২, ময়মনসিংহে ৩০, চট্টগ্রামে ২৩, সিলেটে ২৫, রংপুরে ২৭, রাজশাহীতে ১০৪, বরিশালে ১০ ও খুলনায় ২১ জন। সবচেয়ে বেশি মারা গেছে রাজশাহীতে।

এ ছাড়া পরিসংখ্যান বলছে, ২০১১ সালে মারা যায় ১৭৯ জন। ২০১২ সালে ২০১, ২০১৩ সালে ১৮৫, ২০১৪ সালে ১৭০, ২০১৫ সালে ২২৬, ২০১৬ সালে ৩৯১, ২০১৭ সালে ৩০৭, ২০১৮ সালে ৩৫৯, ২০১৯ সালে ১৯৮ জন ও ২০২০ সালে ২৪৭ জন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ অ্যালার্মিং সিস্টেম ও বজ্র নিরোধক দণ্ড ব্যবহার করে হতাহতের সংখ্যা কমাতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশেও সেই সিস্টেম চালু হতে যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে বজ্রপাতের মূল কারণ ভৌগোলিক অবস্থান। বড় বড় গাছ কেটে ফেলাও একটি কারণ। উঁচু গাছপালা বজ্রনিরোধক হিসেবেও কাজ করে। খোলা স্থানে মানুষের কাজ করা এবং বজ্রপাতের বিষয়ে অসচেতনতাও বজ্রপাতে প্রাণহানি বাড়ার জন্য দায়ী। তাপমাত্রা বাড়লেও বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিনিয়র আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ কালের কণ্ঠকে জানান, ‘অ্যালার্ম সিস্টেম করতে পারলে আগে থেকেই মানুষকে সচেতন করা যাবে।’

বাংলাদেশে বজ্রপাতে মৃত্যু বাড়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, একের পর এক গাছ কেটে ফেলার কারণে এই সমস্যা বাড়ছে। গাছ বজ্রপাত নিরোধক হিসেবে কাজ করত।’ তিনি আরো জানান, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বজ্রপাত নিরোধক দণ্ড ব্যবহার করা হয়।
0 Share Comment
Deshi Group
27 September 2021, 09:41

উত্তর আটলান্টিকের দেশ আইসল্যান্ড

0 Share Comment
Deshi Group
27 September 2021, 09:39

অমিতাভের সঙ্গে

0 Share Comment
Deshi Group
27 September 2021, 09:35

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জনবল নিয়োগের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ‘দুর্নীতিবিষয়ক জাতীয় থানা জরিপ ২০২১’ পরিচালনার জন্য জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
পদের নাম: মাঠ তত্ত্বাবধায়ক
পদসংখ্যা: ন্যূনতম ২০ জন
সময়: নভেম্বর ২০২১ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২২ (৭৫ দিন)
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক/সমমান ডিগ্রি থাকতে হবে। জরিপকাজের দুই বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তথ্য সংগ্রহের জন্য অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন থাকতে হবে। বয়স সর্বোচ্চ ৩৭ বছর।
বেতন: দৈনিক ২৩৫০ টাকা
যেভাবে আবেদন: অনলাইনে https://career.ti-bangladesh.org লিংকে ঢুকে আবেদন করতে হবে।
আবেদনের শেষ তারিখ: ৫ অক্টোবর ২০২১

0 Share Comment
Deshi Group
27 September 2021, 09:30

সোনালি মাছের শহরে

সোনালি মাছের শহরে
হংকংয়ের কওলন শহরের মংককের টুংচুইয়ের ফুটপাত ধরে হাঁটতে থাকলে মনে হবে যেন এক স্বপ্নরাজ্যে এসে পড়েছি! এটি বিখ্যাত ‘গোল্ডফিশ স্ট্রিট’ যা ছোট বড় সবার ভীষণ পছন্দের ঘুরে বেড়ানোর জায়গা। প্রায় ৩০০ মিটার রাস্তাজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অজস্র দোকান, যার অধিকাংশই গোল্ডফিশের। এসব দোকানের অ্যাকুরিয়াম এবং ফুটপাতে পলিব্যাগে ঝুলিয়ে রাখা থাকে গোল্ডফিশ।

এই রাস্তা ধরে হাঁটলে দেখা যাবে গোল্ডফিশকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা স্থানীয়দের জীবনযাপন। গোল্ডফিশের এই রাজ্য ঘুরে দেখার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময় সন্ধ্যার পরের মুহূর্তগুলো। কারণ এই সময় চারপাশের আলো গোল্ডফিশের সোনালি শরীরে পড়ে এক অন্যরকম ঝলমলে আবহ তৈরি করে।

গোল্ডফিশকে পুরো চীন, হংকং, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারে সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির প্রতীক ও জীবনের অংশ হিসেবে দেখা হয়। অধিকাংশ বাড়িতে অ্যাকুরিয়ামে গোল্ডফিশ দেখা যায় এবং অনেকেই গোল্ডফিশের ছবি আঁকা তৈজসপত্র ব্যবহার করেন।
অনেক দেশেই গোল্ডফিশ আকৃতির মজাদার বিস্কুট বানানো হয়, যা বাচ্চারা ভীষণ পছন্দ করে। এই বিস্কুট তৈরিতে পনির, মাখন, গম ও ভুট্টার ময়দা, মধু ব্যবহার করা হয়। চীন, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় গোল্ডফিশ ভাজি ও রান্না করে খাওয়া হয়।

গোল্ডফিশ একটি রঙিন মাছ। বিশ্বের অন্যতম নামিদামি প্রজাতির মাছ। এই মাছ সচরাচর ছোট আকৃতির হয়ে থাকে। গোল্ডফিশ পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের মাছ হলেও বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই পাওয়া যায়। পৃথিবীতে প্রায় ১২৫ প্রজাতির গোল্ডফিশ আছে। এই মাছ ২৫ বছর পর্যন্ত বাঁচে এবং ৪০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বড় হয়। যুক্তরাজ্যের নর্থ ইয়র্কশায়ারে ১৯৯৯ সালে একটি গোল্ডফিশ ৪৩ বছর বয়সে মারা গিয়েছিল। এটি গোল্ডফিশ বেঁচে থাকার রেকর্ড।

অ্যাকুরিয়ামে পালন করা অধিকাংশ মাছই গোল্ডফিশ প্রজাতির। যেমন: কমেট, ওয়াকিন, জাইকিন, সাবানকিন, ওরান্ডা, ব্ল্যাক মোর, ফান্টাইল, রুইকিন, ভেইল টেইল, রানচু ইত্যাদি। গোল্ডফিশ সাধারণত ডিম্বাকৃতি ও লম্বা দৈহিক গঠনের হয়ে থাকে। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার দিক থেকে লম্বা দৈহিক কাঠামোর গোল্ডফিশগুলো বেশ শক্তিশালী।


সুইডেনে প্রচলিত আছে যে, গোল্ডফিশের স্মৃতিশক্তি মাত্র তিন সেকেন্ডের। তাই কেউ কোনো কিছু মনে না রাখতে পারলে কখনো কখনো তাকে মজা করে ‘গোল্ডফিশ মেমোরি’ বলে ডাকা হয়। আসলে গোল্ডফিশের স্মৃতিশক্তি এত কম নয়। গোল্ডফিশ কোনো ঘটনা কমপক্ষে তিন মাস পর্যন্ত মনে রাখতে পারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, অধিকাংশ গোল্ডফিশের স্মরণকাল ১২ দিন পর্যন্ত হতে পারে।
0 Share Comment
Deshi Group
27 September 2021, 09:27

৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী স্কুলে আসছে না

৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী স্কুলে আসছে না
প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি সামান্য কমেছে। তবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতি উল্লেখযোগ্য আকারে বাড়ছে। করোনার সংক্রমণের কারণে দীর্ঘ ১৭ মাসের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কমসংখ্যক শ্রেণির শিক্ষার্থীকে স্কুলে আসার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এরপরও উপস্থিতি তুলনামূলক অনেক কম। সারা দেশের উপস্থিতির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৪০ ভাগ শিক্ষার্থীই স্কুলে যাচ্ছে না।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা জানিয়েছেন, করোনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যে উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে চালু হয়েছিল বিচ্ছিন্নভাবে কিছু স্থানে শিক্ষার্থী করোনা সংক্রমণ হওয়ায় অভিভাবকদের মধ্যে কিছুটা ভীতি কাজ করছে। এ কারণেই অনুপস্থিত সংখ্যা কিছুটা হলেও বাড়ছে। এছাড়া যারা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীর অভিভাবকরা মনে করেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গেলে সময় অপচয় হবে। শেষ মুহূর্তে বাসায় বসে পড়তেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে তারা। এছাড়া পরীক্ষায় বসার আগমুহূর্তে কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চাইছেন না তারা।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালুর দিন থেকেই মাঠ পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) মাধ্যমিক সংযুক্ত ৫ম শ্রেণি, ১০ম, এসএসসি পরীক্ষার্থী, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির উপস্থিতি, অনুপস্থিতির তথ্য সংগ্রহ করছে। এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সারা দেশের প্রাথমিক স্কুলের তথ্য সংগ্রহ করছে।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল শুরু হয়। ঐ দিন ৬৭ শতাংশ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল। এর মধ্যে সর্বোচ্চ উপস্থিত ছিল মাধ্যমিক সংযুক্ত ৫ম শ্রেণিতে ৭১ শতাংশ। এছাড়া ঐ দিন ১০ম শ্রেণিতে ৭৬ শতাংশ, এসএসসি পরীক্ষার্থী ৬৯ শতাংশ, একাদশ শ্রেণিতে ৫৯ শতাংশ এবং দ্বাদশ শ্রেণিতে ৫৩ শতাংশ শিক্ষার্থী উপস্থিত দেখা গেছে।

কিন্তু এর পর থেকেই উপস্থিতির হার কমতে থাকে। ২০ সেপ্টেম্বরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঐদিন সার্বিক উপস্থিতি ছিল ৫৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। এদিন দশম শ্রেণিকে ৫৪ শতাংশ, এসএসসি পরীক্ষার্থী ৬৩ শতাংশ, একাদশ শ্রেণি ৫২ শতাংশ এবং দ্বাদশ শ্রেণিতে ৪৪ শতাংশ উপস্থিত ছিল।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর উপস্থিত ছিল ৫৬ শতাংশ। ঐ দিন সবচেয়ে কম শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল দ্বাদশ শ্রেণিতে ৪২ শতাংশ। এছাড়া ১৩ সেপ্টেম্বর ৬২ শতাংশ, ১৪ সেপ্টেম্বর ৫৩ শতাংশ, ১৫ সেপ্টেম্বর ৬০ শতাংশ, ১৬ সেপ্টেম্বর ৬০ শতাংশ, ১৮ সেপ্টেম্বর ৫৮ শতাংশ, ১৯ সেপ্টেম্বর ৫৮ শতাংশ, ২১ সেপ্টেম্বর ৫৯ শতাংশ, ২২ সেপ্টেম্বর ৫৭ শতাংশ, ২৩ সেপ্টেম্বর ৫৭ শতাংশ উপস্থিত ছিল।
মাউশির পরিচালক অধ্যাপক মো. আমির হোসেন ইত্তেফাককে বলেন, উপস্থিতি স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কিছুটা কম। সব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। কেন শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাচ্ছে না সে বিষয়ে খবর নেওয়া হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিচ্ছিন্ন দু-একটি স্থান থেকে করোনা সংক্রমণের খবর মিলেছে। এছাড়া সব স্থানেই পরিবেশ স্বাভাবিক।

এছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী উপস্থিতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক উত্পল কুমার দাশ। এছাড়া অন্যান্য শ্রেণিতে উপস্থিতি ৭৫ থেকে ৭৮ শতাংশ। তিনি জানান, উপস্থিতি একেবারে খারাপ নয়। তবে উপস্থিতির চেয়ে আমরা এখন বেশি নজর দিচ্ছি লার্নিং গ্যাপের দিকে। ১৭ মাস সরাসরি ক্লাস হয়নি। যারা আগে প্রথম শ্রেণিতে পড়ত, তারা এখন দ্বিতীয় শ্রেণিতে উঠছে। অনেক গ্যাপ রয়ে গেছে। কীভাবে লার্নিং গ্যাপ কমানো যায় সে লক্ষ্যে কাজ করছি। আর করোনা সংক্রমণের কোনো খবর আমাদের কাছে নেই বলে জানান এ কর্মকর্তা।
অন্যদিকে, স্কুল খুলে দেওয়ার পর বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে শিক্ষার্থী করোনার সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। উত্তরবঙ্গের জেলা ঠাকুরগাঁওতে দুটি আলাদা স্কুলের ১৩ জন শিক্ষার্থী করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। এরা সবাই চতুর্থ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বগুড়া জিলা স্কুলের দুই শিক্ষার্থীর করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে দুজন দশম শ্রেণির ছাত্র। এতে বাকি ছাত্রদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

রাজধানীর নিকটস্থ বছিলা উচ্চবিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর করোনা সংক্রমণ হবার পর ঐ শ্রেণির পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। কুমিল্লার ড. মনসুর উদ্দিন মহিলা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের তিন শিক্ষার্থীর করোনা সংক্রমণ হওয়ার খবর মিলেছে।

নজরুল আমিন নামে এক অভিভাবক জানান, করোনা সংক্রমণের খবরে কিছুটা উদ্বেগের মধ্যে আছি। সন্তানকে স্কুলে পাঠানো দরকার আবার ঝুঁকিও রয়েছে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। কোথায় কীসংখ্যক শিক্ষার্থী আক্রান্ত হয়েছে সে চিত্র প্রকাশ করা উচিত। নইলে সোশ্যাল মিডিয়ার ভুল তথ্যের কারণে অভিভাবকরা বিভ্রান্ত হতে পারেন।

এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি শনিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, সামাজিক মাধ্যমে অনেকে বিভিন্ন স্কুলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য দিলেও বাস্তবে অনুসন্ধান করে তার সত্যতা পাওয়া যায়নি। তিনি জানিয়েছেন, প্রতিটি ঘটনা আমলে নিয়ে সরকার তদন্ত করে দেখছে। কেউ করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগও গ্রহণ করেছেন তারা। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যদি প্রয়োজন হয়, তা হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আমরা আবার বন্ধ করে দেব। কোনো দ্বিধা করব না। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোথাও সে রকম পরিস্থিতি তেমনভাবে উদ্ভব হয়নি। যদি কোথাও হয়, নিশ্চয়ই আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

আর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম সাংবাদিকদের বলছেন, প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে করোনা ভাইরাস পাওয়ার খবর পাওয়ার পরেই আমরা নিয়মিত খোঁজখবর নিচ্ছি। অন্য শিক্ষার্থী কারও মধ্যে কোনো উপসর্গ আছে কি না সেদিকেও নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে। প্রাথমিকের চার জন শিক্ষার্থী করোনায় সংক্রমিত হয়েছে বলে অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।


মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, কারো কোন ধরণের অসুস্থ হবার উপসর্গ থাকলে তাকে স্কুলে আসতে নিষেধ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জ্বর বা অন্য কোন উপসর্গ থাকলে স্কুলে আসছে না। এ কারণে শিক্ষার্থী উপস্থিতি কম। এখনও ড্রপ আউট সংখ্যা বের করা যাবে না বলে তিনি জানান।
0 Share Comment
National/International News Group
26 September 2021, 21:47

উত্তরবাংলাকে সবুজে পরিণত করেছে বিএমডিএ

উত্তরবাংলাকে সবুজে পরিণত করেছে বিএমডিএ
১৯৮৫ সালের আগে আমাদের এলাকায় বছরে একটি ফসল হতো। সেটাও বৃষ্টির পানিতে। একরে ১৫ থেকে ২০ মণ ধান হতো। তবে যেবার বৃষ্টি সময়মতো হতো না সেবার কোনো ফসলে ঘরে আসতো না। এখন একরে ৮০ থেকে ৯০ মণ পর্যস্ত ধান হচ্ছে। কিছু কিছু জমিতে তিনটির বেশি ফসল হয়। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের স্থাপিত গভীর নলকূপের পানি গম, ধান, শাক-সবজি, আমের বাগানসহ সব ধরনের ফসল উৎপাদনের ব্যবহার হয়। সুপেয় পানিও সরবরাহ করছে এই বিএমডিএ। ১৯৯০ সালের আগেও মরুর মতো ছিল এলাকা। এখন সব পাল্টে সবুজে পরিণত হয়েছে।

কথাগুলো বলছিলেন নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলার শিতল ডাঙ্গা গ্রামের প্রবীণ কৃষক আব্দুল লতিফ (৭০)।

উপজেলার রামরামপুর (জঙ্গলি মাঠ) গ্রামের কৃষক সাইফুল ইসলাম (৫৫) বলেন, সাপাহারে শত শত হেক্টর এলাকাজুড়ে আমের চাষ হয়। এটাকে সৃষ্টিকর্তা বাঁচিয়ে রাখছে বিএমডিএ’র পানির মাধ্যমে। পানির সঠিক সেচব্যবস্থা থাকায় আম পুষ্ট এ সুমিষ্ট হয়। আম এই দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছে। এমনকি ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও রপ্তানি হচ্ছে সাপাহারের আম। এই সাফল্যের দাবিদার কৃষি সম্পাসারণ কার্যালয় ও বিএমডিএ।

বিএমডিএ’র সাপাহার কার্যালয়ের সহকারী প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম জানান, উপজেলায় ৩২৩টি নলকূপসহ এলএলপি, সৌর শক্তি চালিত এলএলপি, খাস মজা খাল পুনঃখনন, খাবার পানি সরবরাহের জন্য ওভারহেড ট্যাংক নির্মাণ, বনায়নসহ পানির সঠিক ব্যবহারে কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
উত্তরবাংলাকে সবুজে পরিণত করেছে বিএমডিএ
১৯৮৫ সালে পূর্বে লাল কংকরময় মাটির উঁচু-নিচু টিলা, ছায়াহীন এক রুক্ষ প্রান্তর বরেন্দ্র অঞ্চল। চোখের দৃষ্টিসীমায় রোদে পোড়া বিরান ফসলের মাঠ। কোথাও পানির ছিটেফোটাও নেই। চৈত্রের কাঠফাটা রোদে প্রাণ ওষ্ঠাগত শীর্ণকায় কৃষক, তার চেয়ে অধিক শীর্ণকায় তার হালের বলদ। দূরে বহুদূরে তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে, মাঝে মাঝে বাবলা আর ক্যাকটাসের বেড়া। এই হলো বরেন্দ্র ভূমি।

তবে ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় প্রাচীনকালে বরেন্দ্র ভূমির চিত্র ভিন্ন ছিল। খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০ অব্দ থেকে শুরু করে বৌদ্ধ ধর্ম ও কৃষ্টির প্রসারকালে এ অঞ্চল কৃষি ও শিল্পসমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল। এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশও সেসময় বেশ চমৎকার ছিল।

ইতিহাসবিদ নেলসনের (১৯২৩) মতে বরেন্দ্র অঞ্চল জঙ্গলে পরিপূর্ণ ছিল। উইলিয়াম হান্টারের (১৮৭৬) বর্ণনামতে বাংলার প্রায় সব ধরনের গাছই এ অঞ্চলে পাওয়া যেত। আম, জাম, তেঁতুল, তাল, খেজুর, বট, পাইকড়, শিমুল, বাবলা, বরই, বাঁশ, বেতসহ অসংখ্য লতাগুল্মের প্রাচুর্য ছিল এ বরেন্দ্র ভূমিতে।

কিন্তু বৃটিশ শাসনামলের সময় লোকসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে কৃষি জমির সম্প্রসারণ, বসতবাড়ি স্থাপন, শিল্পে কাঁচামালের যোগান, আসবাবপত্র ও গৃহনির্মাণ সামগ্রী, জ্বালানী হিসেবে কাঠের ব্যাপক ব্যবহার, রাস্তা, বাঁধ ইত্যাদি অবকাঠামো নির্মাণের কারণে তিলে তিলে ধ্বংস হয়েছে অত্র এলাকার বনভূমি। মূলত ওই সময় থেকেই এ অঞ্চল মরূকরণ প্রক্রিয়ার শুরু হয়।

পরিবেশের স্বাভাবিক নিয়মে এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যায়। দেশের বাৎসরিক গড় বৃষ্টিপাত যেখানে ২৫০০ মি.মি. সেখানে এ অঞ্চলে তা ১৪০০ মি.মি. এর বেশি নয়। ভাটির দেশ হওয়ায় উজানের দেশ থেকে নেমে আসা প্রায় সকল নদীতে বাঁধ সৃষ্টি/স্থাপন করায় অধিকাংশ নদীই (মহানন্দা, আত্রাই, পূর্ণভবা, শিব, পাগলা, করোতোয়া, তিস্তা) শুকনো মৌসুমে প্রায়ই শুকিয়ে যায়। এছাড়াও নদী বা খালে পানির প্রবাহ না থাকায়/কমে যাওয়ায় পলি জমে অধিকাংশ নদ-নালা, খাল-বিল ভরাট হয়ে পর্যাপ্ত পানি ধারণ ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলে। ফলে এ অঞ্চলে ভূ-উপরিস্থ পানির উৎসও খুবই অপ্রতুল হয়ে পড়ে।

এসব নানা কারণে এ অঞ্চলের জমিগুলো ছিল বৃষ্টিনির্ভর একফসলী। যথ সময়ে বৃষ্টিপাত না হলে একটি ফসল উৎপাদনও ব্যহত হতো। বৃষ্টিনির্ভর বোনা আমন ফসলের পর বছরের বাকি সময় জমিগুলো গোচারণভূমি হিসেবে ব্যবহৃত হতো। দীর্ঘ কাদাস্তর ভেদ করে মাটির গভীর আধার থেকে ভূ-গর্ভস্থ পানির উত্তোলনও সহজ ছিল না। তাই সেচ কার্যক্রম তো দূরের কথা এলাকাবাসী খাবার পানিসহ গৃহস্থালীর নানা কাজে পুকুর, খাল বিলের পানি ব্যবহার করতো। ঠিকভাবে ফসল উৎপাদন না হওয়ায় এ এলাকার জনসাধারণ অত্যন্ত দরিদ্র ছিল। তারা তিন বেলা পেটপুরে খেতে পেত না। এমনকি অনেক জোতদারেরাও অভাবি ছিল। তাই কাজের সন্ধানে এখানকার জনসাধারণ নিয়মিত অন্যত্র গমন করতো।

মাটির গঠন এবং ভূ-গর্ভস্থ পানি স্তরের স্বল্পতার কারণে এ অঞ্চলে প্রচলিত গভীর নলকূপ দিয়ে সেচ কাজ সম্ভব ছিল না। সেই প্রেক্ষিতে ১৯৮৫ সালে এ অঞ্চলের তৎকালীন বিএডিসি’র প্রকৌশলীগণ এক বিশেষ ধরণের গভীর নলকূপ উদ্ভাবন করে ভূ-গর্ভস্থ পানি দিয়ে সেচের সুযোগ সৃষ্টি করেন। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) আওতায় বরেন্দ্র সমন্বিত এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প (ইওঅউচ) এর মাধ্যমে এ অঞ্চলে উন্নয়নের যাত্রা শুরু হয়।
উত্তরবাংলাকে সবুজে পরিণত করেছে বিএমডিএ
প্রাথমিকভাবে এ প্রকল্পের মাধ্যমে রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ১৫টি উপজেলায় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। গভীর নলকূপ স্থাপন ও পুকুর-খাল খননের মাধ্যমে সেচ সুবিধা সৃষ্টি করা, বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে মরু প্রক্রিয়া রোধ করা এবং উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করা ও যাতায়াতের জন্য ফিডার রোড নির্মাণ করা ছিল এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

সময়ের স্বল্পতা, অর্থায়নের প্রতিকুলতাসহ নানাবিধ প্রশাসনিক জটিলতায় প্রকল্পের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়, কিন্তু অল্প সংখ্যক হলেও উল্লেখিত কার্যক্রমসমূহ এ এলাকার মানুষের মনে বিরাট আশার আলো জাগায়। বরেন্দ্র এলাকার বিরানভূমিতে সোনালী ফসলের অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। সেই সম্ভাবনাকে বাস্তব রূপ দিতে পরবর্তীতে সমগ্র বরেন্দ্র এলাকার উন্নয়নের জন্য ১৯৯২ সালের ১৫ জানুয়ারি রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার সকল (২৫টি) উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করে বিএমডিএ নামে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আলাদা একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করা হয়।

মনিটরিং বিভাগ থেকে জানা গেছে, বর্তমানে ২০১৮ সালে জারি করা ‘বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ আইন-২০১৮’ এর মাধ্যমে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি (সকল) জেলাকেই বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধিক্ষেত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ওই আইন অনুসারে কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও নির্বাহী পরিচালককে সদস্য-সচিব করে ১৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

এছাড়া আইন অনুযায়ী কৃষিমন্ত্রীকে সভাপতি করে প্রতিমন্ত্রী, বরেন্দ্র এলাকার সকল সংসদ সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিএডিসি, বিএমডিএ ও বিএআরসি’র চেয়ারম্যান, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, কৃষি সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও নির্বাহী প্রধানগণ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের সমন্বয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়েছে। এছাড়া ১ হাজার ৮৯৪ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী কর্মরত। যাদের মধ্যে ১৯৪ জন সহকারী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী রয়েছে। এসব নিয়ে এগিয়ে চলেছে এক সময়ের বেসরকারিভাবে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানটি।

বিএমডিএ’র নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুর রশিদ জানান, বরেন্দ্র এলাকার উন্নয়ন কৃষি ও কৃষি পরিবেশে এবং সেচ অবকাঠামো উন্নয়নসহ সেচ এলাকা ও আবাদী জমি সম্প্রসারণ, মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন ও বিপণন এবং পরিবেশ উন্নয়নে ফলদসহ অন্যান্য বৃক্ষরোপণে কাজ শুরু করে কৃষি সেক্টরে সফলতার সাথে এগিয়ে চলেছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। বরেন্দ্র এলাকাকে দেশের শস্যভাণ্ডারে রুপান্তর এবং মরুময়তা রোধকল্পে বনায়ন ও সম্পূরক সেচের জন্য খাল-দিঘী পুনঃখনন ছাড়াও গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবস্থা উন্নয়নের মাধ্যমে পণ্য বাজারকরণ এবং জীবণযাত্রার মান উন্নয়ন করার কাজ শুরু করে বিএমডিএ।

তিনি বলেন, সেচে ভূ-উপরিস্থ ও ভূ-গর্ভস্থ পানি সম্পদের উন্নয়ন ও যথাযথ ব্যবহার, কৃষি যান্ত্রিকিকরণ, বীজ উৎপাদন, সরবরাহ শস্যের বহুমুখীকরণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছ রোপন ও সংরক্ষণ, সীমিত আকারে সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও রক্ষাবেক্ষণ, সেচযন্ত্র স্থাপন এবং লোকালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্দেশ্যে বিএমডিএ’র কার্যক্রম শুরু করা হয়।

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ১৬ জেলায় ১৫৭৯৩টি গভীর নলকূপ স্থাপন করেছে। ১৩৫০১ কিলোমিটার এলাকায় সেচের পানি বিতরণ ব্যবস্থা নির্মাণ, ৫৩২টি এলএলপি স্থাপন, ১১৯টি সৌরশক্তি চালিত এলএলপি, ২০২৪ কি.মি. খাস/মজা খাল পুনঃখনন, ৭৪৯টি ক্রসড্যাম নির্মাণ, ১১টি নদীতে পল্টুন স্থাপন, ৩১৪০টি খাস/মজা পুকুর পুনঃখনন, ১০৮৫০ হেক্টর জলাবদ্ধতা নিরসন- নওগাঁ জেলার রক্তদহ বিল, টেপাবিল, মনছুর বিল এবং রাজশাহী জেলার ছত্রগাছা বিল, দেবর বিল ইত্যাদি বিলের ৫৭২টি সোলার ডাগওয়েল নির্মাণ এবং ১১৪৪ কি.মি. সংযোগ রাস্তা নির্মাণ করেছে।

১৫৭৯টি পরিবারের খাবারপানি সরবরাহের জন্য ওভারহেড ট্যাংক নির্মাণ, বনায়নের লক্ষ্যে ২ কোটি ৫৮ লাখ গাছ লাগানো, প্রতি বছর ৬০০ মে. টন বীজ উৎপাদন, ১ লাখ ৪৮ হাজার ২১৮ কৃষককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ১৫৫৪১টি গভীর নলকূপ ও এলএলপি ৫১৬টি সেচযন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে আবাদযোগ্য জমি দাঁড়িয়েছে ২৬ লাখ ৪১ হাজার ১৬ হেক্টর এবং সেচকৃত জমি ২২ লাল ৭ হাজার ৪৯৯ হেক্টর (আবাদযোগ্য জমির ৮৩.৫১%)। প্রায় ৯ লাখ ৮৯ হাজার কৃষক পরিবার উপকৃত হচ্ছে এই প্রতিষ্ঠান থেকে। এছাড়া ২০২০-২১ অর্থবছরে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পসমূহ রয়েছে আরও আটটি।
0 Share Comment
National/International News Group
26 September 2021, 21:44

ঐশ্বরিয়ার মতো কিন্তু ঐশ্বরিয়া নন

ঐশ্বরিয়ার মতো কিন্তু ঐশ্বরিয়া নন
ঐশ্বরিয়ার মতো দেখতে পাকিস্তানের আমনা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম
ঐশ্বরিয়ার মতো কিন্তু ঐশ্বরিয়া নন
বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের মতো দেখতে আরেকজনকে খুঁজে পাওয়া গেছে। ইনস্টাগ্রাম
ঐশ্বরিয়ার মতো কিন্তু ঐশ্বরিয়া নন
বলা হয়, প্রতিটি মানুষেরই তার মত হুবহু দেখতে আরও সাতজন মানুষ রয়েছে। ইনস্টাগ্রাম
ঐশ্বরিয়ার মতো কিন্তু ঐশ্বরিয়া নন
পাকিস্তানি বিউটি ব্লগার আমনা ইমরানের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার আকর্ষণীয় সাদৃশ্য ঝড় তুলেছে ইন্টারনেট দুনিয়ায়।
ঐশ্বরিয়ার মতো কিন্তু ঐশ্বরিয়া নন
আমনা প্রায়ই ঐশ্বরিয়ার বিভিন্ন সময়ের সাজের মেকআপ পুণরায় তৈরি করেন।
0 Share Comment
National/International News Group
26 September 2021, 21:37

কিয়ারা আদভানি

0 Share Comment
National/International News Group
26 September 2021, 21:37

মিথিলা

0 Share Comment
National/International News Group
26 September 2021, 21:15

চিনির দাম নির্ধারণ করে দিল বাংলাদেশ সুগার রিফাইনারস অ্যাসোসিয়েশন। প্রতি
কেজি খোলা চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৭৪ টাকা ও প্রতি কেজি প্যাকেটজাত
চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অপরিশোধিত চিনির
আন্তর্জাতিক বাজারদর এবং স্থানীয় পরিশোধনকারী মিলসমূহের উৎপাদন ব্যয়
বিবেচনায় এনে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের
সঙ্গে আলোচনা করে আজ বৃহস্পতিবার এই দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ সুগার
রিফাইনারস অ্যাসোসিয়েশন।
৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম
বাড়তে থাকায় প্রতি কেজি খোলা চিনির দাম ৮৫ টাকা ও প্যাকেটজাত চিনির দাম ৯৮
টাকা করার প্রস্তাব করে বাংলাদেশ সুগার রিফাইনারস অ্যাসোসিয়েশন। ওই দিন
সংস্থাটি জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত ও পরিশোধিত চিনির মূল্য
ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও
দেশের চাহিদা এবং জোগানের মধ্যে ভারসাম্য রাখার স্বার্থে চিনি আমদানি করে
যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। যেহেতু আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ছে, তাই দেশীয়
বাজারে তার প্রভাব পড়াই স্বাভাবিক। এ অবস্থায় প্রতি কেজি খোলা চিনির দাম ৮৫
টাকা ও প্যাকেটজাত চিনির দাম ৯৮ টাকা করার প্রস্তাব পুনর্নির্ধারণের
প্রস্তাব করা হলো। তবে আজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সর্বোচ্চ
খুচরা মূল্য ৭৪ টাকা ও প্রতি কেজি প্যাকেটজাত চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য
৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হলো।
এদিকে আজ রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা
যায়, অনেক দোকানেই বিভিন্ন কোম্পানির চিনির প্যাকেটে যে দাম লেখা আছে, তা
মুছে বিক্রি করা হচ্ছে। মোহাম্মদপুরের টাউন হল ও কাটাসুর বাজার ঘুরে দেখা
যায়, প্রতি কেজি খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায় এবং প্যাকেটজাত চিনি
বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮৪ থেকে ৮৬ টাকায়। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের
(টিসিবি) আজকের তথ্য অনুযায়ী রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি চিনি
বিক্রি হচ্ছে ৭৮ থেকে ৮০ টাকায়।

0 Share Comment
National/International News Group
26 September 2021, 21:07

আপনিও কি পরনিন্দা ও পরচর্চা করেন, কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা

আপনিও কি পরনিন্দা ও পরচর্চা করেন, কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা
আপনার চারপাশে কি পরনিন্দা করে এরকম মনুষ রয়েছে? অথবা নিজেই কি পরনিন্দা সবার আড়ালে করে থাকেন? গবেষণায় প্রমাণিত, পরনিন্দা ও পরচর্চা করা একেবারেই খারাপ নয় যদি তা অন্য কারোর জন্য ক্ষতিকারক না হয়।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, গসিপের রয়েছে উপকারও। তাই সুযোগ পেলেই কারও নামে গসিপ করতে ইচ্ছে করলে সেটা করতেই পারেন, কিন্তু গসিপ ততক্ষণই ভাল যচক্ষণ তা অন্য কারোর জন্য ক্ষতিকারক না হয়। খবর জি নিউজের।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, গসিপ করলে নাকি শরীর, মন থাকবে চাঙ্গা। গসিপ মন হালকা করে।

রোজকার জীবনে অনেকের সঙ্গেই আলাপ ঘটে। সব সময়ই সবাই মন জিততে পারে না। অনেক সময় অপছন্দের ব্য়ক্তির সঙ্গেই কথা বলতে বাধ্য হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অবস্থায় নির্দিষ্ট ব্য়ক্তির উপর রাগ চেপে না রেখে, তার নামে বিন্দাস হয়ে গসিপ করুন। দেখবেন, হালকাও থাকবেন আর চাপ যাবে কমেও। তবে হ্যাঁ, দেখে নেবেন যার সঙ্গে গসিপ করছেন, সে যেন বিশ্বাসী হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গসিপ করুন মন খুলে, কিন্তু সচেতনভাবে শব্দ প্রয়োগ করুন। উলটো দিকের লোকটা ঠিক কেমন, সেটা বুঝেই গসিপ করবেন। তবে অফিসে গসিপ করার সময় সাবধানতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। অফিসের পরিস্থিতি বুঝে তবেই গসিপে অংশ নিন। অফিসে নিজে থাকুন সচেতন। আপনার উলটো দিকের লোকটা ঠিক কী ভাবছে সেটাও গসিপের মধ্য়ে দিয়ে জেনে যাবেন।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, গসিপ মানে অন্যের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নেওয়ার একটা দারুণ হাতিয়ার। যার সঙ্গে গসিপ করছেন, তার অবস্থায় নিজেকে রাখুন, তাহলেই ধরতে পারবেন আপনার ভুলগুলো।

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এর গবেষণায় প্রমাণিত, রাগ, আক্রোশ, মানসিক চাপ থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যায় গসিপের মাধ্যমে। এমন বন্ধুকে বেছে নিন, যার সঙ্গে গসিপ করলে আপনার মন হালকা হয়ে যাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গসিপ এক ধরনের স্ট্রেস বাস্টার। তবে মাথায় রাখুন, আপনার গসিপে যদি কেউ গভীরভাবে আঘাত পায়, তাহলে কিন্তু সেই গসিপ একেবারেই ভাল নয়! তাই গসিপ করুন সাবধানে।
0 Share Comment
National/International News Group
26 September 2021, 21:05

সাবেক প্রতিমন্ত্রী মান্নান দম্পতির বিচার শুরু

সাবেক প্রতিমন্ত্রী মান্নান দম্পতির বিচার শুরু
আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতির মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খান ও তার স্ত্রী হাসিনা সুলতানার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আলী হোসেন এ অভিযোগ গঠন করেন।

রবিবার শুনানির দিন মান্নান খান ও তার স্ত্রী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এরপর তাদের পক্ষে মামলাটিতে অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান। এসময় আসামিরা আদালতে নিজেদেরকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে মীর আহমেদ আলী সালাম অভিযোগ গঠনের জন্য আবেদন জানান। পরে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত মামলাটির অভিযোগ গঠন করে আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

জানা যায়, ২০১৪ সালের ২১ আগস্ট মান্নান খানের বিরুদ্ধে প্রথমে ৭৫ লাখ ৪ হাজার টাকার আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর দুই দিন পর ২৪ আগস্ট মান্নান খান আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। এছাড়া দুদক একই বছরের ২১ অক্টোবর তার স্ত্রী হাসিনা সুলতানার বিরুদ্ধে এক কোটি ৮৬ লাখ ৫৩ হাজার টাকা সম্পদের তথ্য গোপন ও তিন কোটি ৪৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করে। তিনিও সেসময় আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।

পরে তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১১ আগস্ট মান্নান খানের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। অভিযোগপত্রে তাঁর অবৈধ সম্পদের পরিমাণ বেড়ে ২ কোটি ৬৬ লাখ ৭ হাজার টাকা এবং ৩১ লাখ ৪৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া তদন্তে হাসিনা সুলতানার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে উল্লেখ করে ২০১৫ সালের ৯ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

আব্দুল মান্নান খান ঢাকা-১ আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ২০০৮ এর নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
0 Share Comment
National/International News Group
26 September 2021, 21:04

ভারত-ইংল্যান্ডের স্থগিত টেস্ট হবে আগামী বছর

ভারত-ইংল্যান্ডের স্থগিত টেস্ট হবে আগামী বছর
বাতিল হয়ে গিয়েছিল ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ভারত-ইংল্যান্ড পঞ্চম টেস্ট ম্যাচ। সেই টেস্টের বল না গড়ালেও তা নিয়ে কালি খরচ হয়েছিল প্রচুর। এবার ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড ও ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আগামী বছরের গ্রীষ্মে হবে স্থগিত হওয়া সেই টেস্ট ম্যাচটি। একটি ক্রিকেট সংক্রান্ত ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে এমনটাই জানা গেছে।

সূচি অনুযায়ী সেই সময়ে ইংল্যান্ড সফরে যাবে ভারতীয় দল। তবে আগামী বছর একটি টেস্ট হলেও সেটি শেষ না হওয়া পাঁচ ম্যাচের সিরিজের মধ্যে ধরা হবে নাকি নতুন একটি টেস্ট হিসেবে ধরা হবে, সেই সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি।

ভারতীয় দলের জুনিয়র ফিজিওথেরাপিস্ট যোগেশ পারমারের করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই ম্যানচেষ্টার টেস্ট নিয়ে ঘোরতর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। ভারতীয় বোর্ডের কাছে ম্যাঞ্চেস্টার টেস্টে ওয়াকওভার দেওয়ার জন্য ইসিবি অনুরোধ করে। বিরাট কোহলিরা এই অনুরোধ পত্রপাঠ খারিজ করে দেন। টেস্টের আগের দিন রাতে গোটা ভারতীয় টিমের করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।

ম্যানচেস্টারে ভারত বনাম ইংল্যান্ড পঞ্চম টেস্ট বাতিল হওয়ায় ইসিবির মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। হাই প্রোফাইল সিরিজের নির্ণায়ক ম্যাচ আয়োজিত না হওয়ায় বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির মুখে ইসিবি। ইংল্যান্ডের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, এই ম্যাচ না হওয়ায় প্রায় ২০ মিলিয়ন ইউরো লোকসান হচ্ছে ইংল্যান্ড বোর্ডের। ভারতীয় মুদ্রায় যার অর্থমূল্য প্রায় ২০০ কোটি টাকা। ইংল্যান্ড বোর্ড শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চাইছিল যে কোনওভাবে ম্যাচটি হোক। কিন্তু তা আর সম্ভব হয়নি। আগামী বছরের গ্রীষ্মে ফের সেই টেস্ট ম্যাচ হলে ইসিবির পক্ষে আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলেই মনে করছেন অনেকে।

আগামী বছরের ইংল্যান্ড সফরে ভারতীয় দল ১ জুলাই থেকে ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি- টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। সেই সময়ে আরও একটি উইন্ডো বের করে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের স্থগিত হওয়া টেস্ট ম্যাচটি হবে। সেই টেস্ট ম্যাচটাই সিরিজের শেষ টেস্ট বলে ধরা হবে। সিরিজে ভারত ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে।
0 Share Comment
National/International News Group
26 September 2021, 21:03

জেসুসের গোলে চেলসিকে হারাল ম্যানসিটি

জেসুসের গোলে চেলসিকে হারাল ম্যানসিটি
নিজেদের ঘরের মাঠে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হারের মুখ দেখতে হল চেলসিকে। স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে শনিবার প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল চেলসি এবং সিটি। নিজেদের ঘরের মাঠে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে মাঠে নেমে চেলসি ফুটবলাররা গোট ম্যাচেই ব্য়াকফুটে ছিল।

অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক খেলায় চেলসির ফুটবলাররা ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। পেপ গুয়ার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটি এদিন ম্যাচের প্রথম থেকেই চেলসির উপর আধিপত্য বজায় রাখে। গ্যাব্রিয়েল জেসুসের একমাত্র গোলে জিতে ম্যাচ থেকে পুরো পয়েন্ট তুলে নিল সিটি‌। ম্যাচের প্রথমার্ধে সিটির বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে থেকে চেলসির গোল লক্ষ্য আক্রমণ শানাতে থাকলেও ব্লুজদের জমাট ডিফেন্স পেপ গুয়ার্দিওলার দলকে গোল করতে দেয়নি।। এদিনকার ম্যাচে ৬০ শতাংশের বেশি সময় বল নিজেদের দখলে রাখতে সক্ষম হয় সিটির ফুটবলাররা।

সিটির ফুটবলাররা গোলের উদ্দেশ্যে মোট ১৫টি শট নেয়। যার মধ্যে মাত্র চারটি ছিল টার্গেটে। অন্যদিকে রক্ষণ নিয়ে ব্যস্ত চেলসি প্রতিপক্ষের পোস্টে শট নিয়েছে মাত্র পাঁচটি। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৩ তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড জেসুসের গোলে সিটি এগিয়ে যায়। জোয়াও ক্যানসেলোর জোরালো শটে ডি-বক্সে বল পেয়ে জায়গা বানিয়ে প্রতিপক্ষের তিনজন ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে নিচু শটে গোলটি করেন জেসুস। ছয় ম্যাচে চার জয় ও এক ড্রয়ে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত লিগ টেবিলে দুইয়ে রয়েছে সিটি। সমান পয়েন্ট পেলেও গোল পার্থক্যে পিছিয়ে থাকায় লিগ তালিকায় তিনে রয়েছে চেলসি।

সিটির পরের ম্যাচ আরেক খেতাব জয়ের তীব্র দাবিদার লিভারপুলের বিরুদ্ধে। চেলসি ঘরে স্বাগত জানাবে রাল্ফ হাসেনহুটেলের সাউদাম্পটনকে।

গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালসহ তিন ম্যাচেই চেলসির ম্যানেজার থমাস টুচেলের কাছে পরাজিত হতে হয় পেপ গুয়ার্দিওলাকে। জার্মান ম্যানেজার ইংল্যান্ডে কোচিং করাতে আসার পর এই প্রথম তাকে হারাতে সক্ষম হলেন পেপ।
0 Share Comment
National/International News Group
26 September 2021, 21:01

৬৪ জেলার শিশুরা শুভেচ্ছা জানাবে প্রধানমন্ত্রীকে

৬৪ জেলার শিশুরা শুভেচ্ছা জানাবে প্রধানমন্ত্রীকে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫ তম জন্মদিন উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) প্রচারিত হবে বিশেষ আলেখ্যানুষ্ঠান ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনা’। মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠানটি রাত ৯টায় প্রচারিত হবে। ড. নুজহাত চৌধুরীর উপস্থাপনায় এটি প্রযোজনা করেছেন মাহফুজা আক্তার।

অনুষ্ঠানটি নাট্যাংশ, নাচ, গান, আবৃত্তি, গ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে সাজানো হয়েছে। ৬৪টি জেলার ৬৪ জন শিশু একমঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাবে। ১৯ জন শিশু ‘৭৫’ শুভ জন্মদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’ লেখা কেক কাটবে।
শিশুদের কণ্ঠে পরিবেশিত হবে ‘আলো আমার আলো’ এবং ‘এদিন আজি কোনো ঘরেগো খুলে দিলো’ গান দুটি। কবির বকুলের লেখা ‘এই মেয়ে সেই মেয়ে’ এবং ‘৫২ আমার মা এবং ৭১ আমার বাবা’ শিরোনামের দুটি গানও থাকছে। নিমা রহমানের কণ্ঠে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করবে তামান্না রহমান ও তার দল।
অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করবেন আসাদুজ্জামান নূর। ‘স্মৃতির দক্ষিণ দুয়ার’ থেকে প্রধানমন্ত্রীর লেখা অংশবিশেষ পাঠ করবেন মনিরা ইউসুফ মেমী। ‘একজন সাধারণ শিশুর স্বপ্ন’ শিরোনামে একটি নাট্যাংশও থাকছে এই অনুষ্ঠানে।
0 Share Comment
National/International News Group
26 September 2021, 21:00

ডেসটিনি-যুবকের গ্রাহক অর্ধেক টাকা ফেরত পেতে পারে

ডেসটিনি-যুবকের গ্রাহক অর্ধেক টাকা ফেরত পেতে পারে
ডেসটিনি ও যুবকের প্রতারিত গ্রাহকরা অন্তত ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ টাকা ফেরত পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন আয়োজিত ‘প্রতিযোগিতা আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টিতে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গুটি কয়েক অসৎ প্রতিষ্ঠানের কারণে ই-কমার্স বন্ধ করে দেয়ার সুযোগ নেই। ডিজিটাল বাণিজ্য বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই। যে সব প্রতিষ্ঠান মানুষকে প্রতারিত করেছে, সেগুলোর অনেক সম্পদ আছে। সম্পদগুলো বিক্রয় করলে অনেকের পাওনা পরিশোধ করা সম্ভব। এগুলো বিষয় মাথায় রেখে সরকার কাজ করছে। ডেসটিনি ও যুবকের অনেক সম্পদ রয়েছে। সম্পদগুলোর দামও বেড়েছে অনেক। ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করলেও যে টাকা পাওয়া যাবে, তা দিয়ে গ্রাহকদের অন্তত ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ টাকা ফেরত দেওয়া যাবে।

বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারস মো. মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সদস্য বি এম সালে উদ্দীন, ড. মো. মনজুর কাদির, নাসরিন বেগম, কমিশনের উপদেষ্টা ব্যারিষ্টার মাফরুহ মুরফি, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) এর প্রেসিডেন্ট সারমিন রিনভি এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশেদুল ইসলাম।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, করোনাকালীন ই-কমার্স ভোক্তাদের সেবায় কাজ করে সুনাম অর্জন করেছে। বিগত দু’টি ঈদুল আযহায় কোরবানির পশু ক্রয়-বিক্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সরকার যথাযথ আইন প্রনয়ণ করে সুশৃঙ্খলভাবে ই-বাণিজ্য পরিচালনা করার জন্য কাজ করছে। ই-কমার্স বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রচার মাধ্যম তথা সাংবাদিকদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ই-কমার্স সম্পর্কে মানুষের ধারনা পরিষ্কার থাকা প্রয়োজন। এ জন্য মানুষের সচেতনতা বাড়াতে হবে, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সাংবাদিকরা এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতে পারেন। দেশের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান মানুষকে প্রতারিত করার চেষ্টা করছে। ই-কমার্স বিষয়ে মানুষকে সচেতন হতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন বাণিজ্যি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি নতুন প্রতিষ্ঠান। বাণিজ্য ক্ষেত্রে বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। এটি নির্দিষ্ট আইনের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। এ কমিশনের জনবল এবং সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা আছে। এ কমিশনকে মক্তিশালী করতে সরকার কাজ করছে। এ কমিশন প্রচার মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের উপর ভিত্তি করে স্বপ্রণোদিত ভাবে অনেক বিষয়ে তদন্ত করে এবং ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে। পৃথিবীর অনেক দেশেই বাণিজ্য ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে প্রতিযোগিতা কমিশন কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন শক্তিশালী হবে।
0 Share Comment
National/International News Group
26 September 2021, 20:55

সোমবার যেসব অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বন্ধ হয়ে যাবে!

সোমবার যেসব অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বন্ধ হয়ে যাবে!
আগামীকাল সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) থেকে আপডেট না হওয়ায় অনেক অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বন্ধ হয়ে যাবে। গুগল বলছে, ওই সকল ফোনে জরুরি অ্যাপ যেমন- ইউটিউব, ড্রাইভ ও জিমেইল ব্যবহার করা যাবে না। একই সঙ্গে পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন সাপোর্ট করবে না। এতে করে লাখ লাখ ব্যবহারকারী এ সমস্যায় পড়বেন।
গুগল জানিয়েছে, অ্যান্ড্রয়েড ২.৩.৭ অথবা কম ভার্সনের অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে গুগল অ্যাকাউন্টে লগইন করা যাবে না। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর হবে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েডে ভার্সান ১.০, ১.১, ১.৫ কাপকেক, ১.৬ ডোনাট, ২.০ এক্লেয়ার, ২.২ ফ্রোয়ো ও ২.৩ জিঞ্জারব্রেড।
এ জন্য ব্যবহারকারীদের ফোন আপগ্রেড করার অনুরোধ জানিয়েছে গুগল। ২ সেপ্টেম্বরের পর অ্যান্ড্রয়েডের এই ধরনের ভার্সনযুক্ত ফোনের ব্যবহারকারীরা গুগলের অ্যাপ যেমন- জিমেইল, ইউটিউব, গুগল ম্যাপ ইত্যাদিতে লগইন করার সময় USERNAME OR PASSWORD ERROR দেখাবে।
এছাড়াও যদি কোন ব্যবহারকারী সেই ফোনে একটি নতুন গুগল অ্যাকাউন্ট ক্রিয়েট করে অথবা নতুন অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করে বা ফ্যাক্টরি রিসেট করে, প্রতিটি ক্ষেত্রেও এই এরর মেসেজ দেখাবে। পাশাপাশি পুরোনো ভার্সন ব্যবহারকারীরাও গুগল অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করার পরেও এই এরর মেসেজ দেখবেন।
0 Share Comment
National/International News Group
26 September 2021, 20:50

পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দলে আসছে পরিবর্তন

পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দলে আসছে পরিবর্তন
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত পাকিস্তান দলে কয়েকটি পরিবর্তন আসতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি।
বিশ্বকাপ দল ঘোষণার পর দেশটির সাবেক খেলোয়াড় ও অধিনায়করা দল নির্বাচন নিয়ে সমালোচনা করেছেন। তাছাড়া সমর্থকরাও এ দল নিয়ে খুশি না।
পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আফ্রিদি জানিয়েছেন পিসিবির কয়েকজনের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। সেসব ব্যাক্তিদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন পরিবর্তন আসার বিষয়টি। তবে তিনি কারো নাম বলেননি।
এ ব্যপারে শহিদ আফ্রিদি বলেন, 'আমি দল নির্বাচন নিয়ে অবাক হয়েছি। দুই-তিন জন আছে তারা কিভাবে দলে সুযোগ পেল আমি বুঝি না। তাছাড়া বেশ কয়েকজন যোগ্য খেলোয়াড় ছাড়া কিভাবে দল গঠন করল এটিও বুঝি না আমি।'
'আমি কিছু তথ্য জানতে পেরেছি। পিসিবি বিশ্বকাপের আগে দলে পরিবর্তন আনবে।'
এদিকে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে মাঠে গড়াবে বিশ্বকাপ। ১০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশগুলো তাদের স্কোয়াডে পরিবর্তন আনতে পারবে।
পাকিস্তান বিশ্বকাপে তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ২৪ অক্টোবর। নিজেদের প্রথম ম্যাচেই তারা মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি ভারতের।
পাকিস্তানের বিশ্বকাপ দল : বাবর আজম (অধিনায়ক), শাদাব খান, আসিফ আলী, আজম খান (উইকেটকিপার), হারিস রউফ, হাসান আলী, ইমদ ওয়াসিম, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ হাফিজ, মোহাম্মদ হাসনাইন, মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ রিজওয়ান, মোহাম্মদ ওয়াসিম, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও শোয়েব মাকসুদ।

রিজার্ভ ক্রিকেটার : ফকর জামান, শাহনওয়াজ দাহানি ও উসমান কাদির।
0 Share Comment
National/International News Group
26 September 2021, 20:49

অক্টোপাস খান রোনালদো, এটি পছন্দ না সতীর্থদের

অক্টোপাস খান রোনালদো, এটি পছন্দ না সতীর্থদের
ডায়েটের ব্যপারে বেশ কঠোর ফুটবল সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। নিয়ম করে দিনে ছয়বার খাবার খান তিনি। ডায়েটের ব্যপারে কঠোরতা দেখে তার নতুন ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তার কাছেই পছন্দের খাবারের তালিকা চেয়ে নিয়েছে।

রোনালদোর পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে বাকালহাউ, যেটি ডিম দিয়ে তৈরি করা হয়। এই খাবারটি রোনালদোর সতীর্থরা বেশ ভালোভাবেই নিয়েছেন। কারণ শরীরের জন্য এটি বেশ উপকারী।
ডিম দিয়ে তৈরি এই বিশেষ খাবারের পাশাপাশি ম্যানইউ ক্যান্টিনে অক্টোপাস রান্নার ব্যবস্থাও করিয়েছেন রোনালদো। তবে তার অক্টোপাস খাওয়ার বিষয়টি নিয়ে খুব বেশি খুশি হতে পারেননি তার সতীর্থরা। যদিও রোনালদোর ফিট থাকার পেছনে এ অক্টোপাস বেশ কাজে দেয়। উপকার হলেও রোনালদোর বেশিরভাগ সতীর্থ অক্টোপাস খেতে অপরাগতা দেখিয়েছেন। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ক্লাবের ভেতরের একজন ব্যক্তি দি সানকে এ বিষয়টি জানিয়েছেন। সে ব্যক্তি বলেন, 'রোনালদো অক্টোপাস খেতেও ভালোবাসে। কিন্তু দলের বেশিরভাগ এটির ধারে কাছেও যাবে না, এটি রোনালদোকে ফিট রাখার ক্ষেত্রে দারুণ কাজে দিলেও।'
এদিকে রোনালদো বাড়িতে বসে যে খাবারগুলো খান, তাকে সেই ঠিক একই খাবারের স্বাদ দিতে চেস্টা করেন ম্যানইউর রাঁধুনীরা। সূত্র : দি সান।
0 Share Comment
National/International News Group
26 September 2021, 20:48

উচ্চাভিলাষী করাচি উপকূলীয় পরিকল্পনা অনুমোদন সিপিইসি প্যানেলের

উচ্চাভিলাষী করাচি উপকূলীয় পরিকল্পনা অনুমোদন সিপিইসি প্যানেলের
এটিকে ‘গেম-চেঞ্জার’ আখ্যা দিয়ে, পাকিস্তান সরকার শনিবার চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর (সিপিইসি)-এর আওতায় করাচির উপকূলরেখার পুনর্নির্মাণের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা উন্মোচন করেছে। এর জন্য সরাসরি ৩৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে চীন। এর লক্ষ্য হল নতুন সমুদ্রসৈকতের সঙ্গে শহরের সাথে সমুদ্রপথের সংযোগ করা।

করাচি কোস্টাল কমপ্রিহেনসিভ ডেভেলপমেন্ট জোন (কেসিসিডিজেড) - করাচি পোর্ট ট্রাস্ট (কেপিটি) এর পশ্চিমাঞ্চলীয় জলাভূমিতে ৬৪০ হেক্টর জুড়ে বিস্তৃত প্রাচীনতম শহর পুনর্নির্মাণ করছে। এটি হলো সিপিইসি প্রকল্পের সর্বশেষ সংযোজন যার উদ্দেশ্য করাচিকে একটি অতি আধুনিক শহুরে অবকাঠামো অঞ্চল প্রদান করা, এটিকে বিশ্বের শীর্ষ বন্দর শহরগুলির মধ্যে রাখা।
প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মন্ত্রিসভার একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য প্রকল্পের কিছু বিবরণ শেয়ার করেছেন এবং দাবি করেছেন যে এটি ‘বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারীদের জন্যও প্রচুর সম্ভাবনা’ বহন করে। ‘এবং এই প্রকল্পের সবচেয়ে ভাল বিষয় হল যে, এটি সম্পূর্ণরূপে কোন ঋণ ছাড়াই বিদেশী (চীনা) বিনিয়োগের উপর ভিত্তি করে তৈরি হচ্ছে,’ পাকিস্তানের সমুদ্র বিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ আলী জাইদি ডনকে বলেছিলেন।
তিনি বলেন, ‘চীনারা এত দ্রুত কাজ করে এবং আমি অনুমান করি যে, প্রকল্পটি সম্পন্ন করতে পাঁচ বা ছয় বছরের বেশি সময় লাগবে না। সম্মত পরিকল্পনার অধীনে, আমরা মাছার কলোনী থেকে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার পরিবারকে স্থানান্তরিত করব। বিশ্বাস করুন এটি পাকিস্তানের জন্য একটি বিশাল বিষয়। এটা বিশাল কিছু। এটি পাকিস্তানের সমুদ্র অর্থনীতিতে বহুগুণ সুবিধা নিয়ে আসবে এবং আমাদের উপকূলীয় উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করবে।’

তিনি জানান, সামুদ্রিক বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি কেসিসিডিজেড-এর সুযোগের জন্য জোরালোভাবে তাকিয়েছিলেন এবং সিপিইসি প্রকল্পে এটি অন্তর্ভুক্ত করার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছিলেন। এই উদ্দেশ্যে, তিনি যোগ করেন, তিনি প্রতিবেশী দেশের বেশ কয়েকটি চীনা কোম্পানি, বিনিয়োগকারী এবং কর্মকর্তাদের সাথে পরামর্শ করেছিলেন এবং তার প্রচেষ্টা অবশেষে ফল পেয়েছিল।

প্রকল্পটি একটি অত্যাধুনিক মাছ ধরার বন্দরও স্থাপন করবে, যেখানে একটি বিশ্বমানের মৎস্য রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল থাকবে যাতে পাকিস্তানের বাণিজ্য সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। এতে বলা হয়েছে, এটি সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ব্যাপক উন্নতি ঘটাবে এবং লায়রি নদীর মোহনায় একটি পানি শোধনাগার স্থাপন করে দূষণ কমাবে। কেসিসিডিজেড পাকিস্তানের অর্থনীতিতে অবদান রাখবে এবং দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে উন্নয়ন ও শিল্প সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে। সূত্র: ডন।
0 Share Comment
$
$