অনলাইন শপিং,ফ্রিল্যান্সিং ও অন্যান্য কাজ করার জন্য এই ওয়েবসাইটে একটি একাউন্ট থাকতে হবে। একাউন্ট খোলা মানেই টাকা দিতে হবে এমন না। ফ্রিল্যান্সার অথবা বায়ার, এর যে কোন একটি চয়েজ করে একাউন্ট তৈরি করতে হবে।অথবা শপিং সেকশনের যে কোন প্রোডাক্টের এ্যাড টু কার্ট বাটনে ক্লিক করেও আপনি একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন।সাইনআপ করুন এবং কাজ পোষ্ট করুন। ফ্রিল্যান্সারগণ কাজ খুজুন ও বিড করুন।একাউন্ট তৈরি হলে আপনি আপনার দেয়া ইউজার আইডি ও পাসওর্য়াড ব্যবহার করে সাইটে লগইন করতে পারবেন। You must have an account on this website for online shopping, freelancing and other activities. Opening an account does not mean that you have to pay. Freelancer or buyer, you have to create an account by choosing one of them. Or you can create an account by clicking on the add to cart button of any product in the shopping section.Sign up and post work. Freelancers find work and bid. Once the account is created, you can login to the site using your given user ID and password.

We have 94 guests and no members online

All Posts

3417 posts found

Bakar
19 September 2021, 02:16

বড়শিতে ধরা পড়ল ৩০ কেজি ওজনের কাতল

বড়শিতে ধরা পড়ল ৩০ কেজি ওজনের কাতল
বাবুগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী দুর্গাসাগর দীঘিতে শৌখিন মৎস্য শিকারির বড়শিতে ধরা পড়েছে ৩০ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির একটি কাতলা মাছ। প্রায় তিনঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে মাছটি দীঘির পাড়ে তোলা হয়েছে।

শনিবার সকালে বরগুনার কলেজ রোড এলাকার বাসিন্দা ও শৌখিন মৎস্য শিকারি বাপ্পী সরদার জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে তিনি ও তার বন্ধুরা টিকেট কিনে বড়শি দিয়ে মাছ শিকারে অংশগ্রহণ করেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় তার বড়শিতে মাছটি আটকা পড়ে। প্রায় তিনঘণ্টার চেষ্টায় মাছটি দীঘির পাড়ে আনার পর পুরো দীঘি এলাকায় হইচই পড়ে যায়। তিনি আরও জানান, পরবর্তীতে মাছটি ওজন করে দেখা গেছে ৩০ কেজির একটু বেশি। গত ১০ বছরে দুর্গাসাগর দীঘিতে এতবড় মাছ পাওয়া যায়নি।
0 Share Comment
Bakar
19 September 2021, 02:14

পকেট ক্যালকুলেটর উদ্ভাবক স্যার ক্লাইভের মৃত্যু

পকেট ক্যালকুলেটর উদ্ভাবক স্যার ক্লাইভের মৃত্যু
পকেট ক্যালকুলেটরের উদ্ভাবক স্যার ক্লাইভ সিনক্লেয়ারের জীবনাবসান ঘটেছে সম্প্রতি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। লন্ডনে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন হোম কম্পিউটারের ধারণাকে জনপ্রিয়তা দানকারী এ উদ্ভাবক।

মেয়ে বেলিন্ডা সিনক্লেয়ার জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালে মারা গেছেন স্যার সিনক্লেয়ার। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন তিনি।

বিবিসি’র প্রতিবেদন বলছে, প্রয়াত এ উদ্ভাবকের উদ্ভাবিত পণ্যের তালিকায় রয়েছে জেডএক্স সিরিজের কম্পিউটার, সি৫ বিদ্যুচ্চালিত বাহনের মতো পণ্য। মেয়ে বেলিন্ডা জানিয়েছেন, তার বাবা গত সপ্তাহেও উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছিলেন, “কারণ তিনি তার কাজকে ভালোবাসতেন।

বেলিন্ডা আরও বলেন, তিনি ছিলেন উদ্ভাবনী ও কল্পনাশক্তিপূর্ণ এবং তার জন্য এটি ছিলো রোমাঞ্চ এবং অভিযান।

সিনক্লেয়ারের ‘জেএক্স স্পেকট্রাম কম্পিউটার’ সাশ্রয়ী ব্যক্তিগত কম্পিউটিংকে সাধারণের হাতের নাগালে নিয়ে এসেছিল। গোটা বিশ্বে তাদের লাখো পণ্য বিক্রিও হয়েছিল। তবে, ২০১৩ সালের এক বিবিসি সাক্ষাৎকারে ক্লাইভ সিনক্লেয়ার জানিয়েছিলেন, তিনি ওই সময়ে কোনো কম্পিউটার ব্যবহার করেননি। কারণ হিসেবে বলেছিলেন, “আমি মনোযোগ নষ্টকারী কিছু পছন্দ করি না।”

“আমার যদি একটি কম্পিউটার থাকতো, তাহলে আমি এটা পরিবর্তন করতে পারবো, ওটা পরিবর্তন করতে পারবো, ভাবতে শুরু করতাম। ওই সব ব্যাপারে আমার স্ত্রী আমার জন্য আন্তরিকভাবে খেয়াল রাখে।” – বলেছিলেন এ উদ্ভাবক।

কিন্তু কম্পিউটার নিয়ে সফল হলেও, সফল হয়নি তার বিদ্যুচ্চালিত বাহন। ১৯৮৫ সালে সি৫ উন্মোচন করেন তিনি। ক্রেতারা এর সীমিত পরিসীমা, ধীর গতি, উঁচু স্থানে আরোহণের ব্যর্থতা নিয়ে হতাশ হয়েছিলেন। সি৫ নিয়ে আর্থিক সমস্যার মুখেও পড়েছিলেন ক্লাউভ সিনক্লেয়ার। মৃত্যুকালে স্যার ক্লাইভ তিন সন্তান, পাঁচ নাতি-নাতনি, দুই পৌত্র রেখে গেছেন।
0 Share Comment
Bakar
19 September 2021, 02:11

৯০ বছর গোপন থাকবে বৃটিশ রাজ পরিবারের উইল, কিন্তু কেন?

৯০ বছর গোপন থাকবে বৃটিশ রাজ পরিবারের উইল, কিন্তু কেন?
৯৯ বছর বয়সে গত ৯ এপ্রিল উইন্ডসর প্রাসাদে মৃত্যু হয় প্রিন্স ফিলিপের। রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের প্রয়াত স্বামী প্রিন্স ফিলিপের উইল ৯০ বছর গোপন রাখা হবে বলে নির্দেশ দিল বৃটেনের হাইকোর্টের বিচারক অ্যান্ড্রু ম্যাকফারলেন । রাজার মৃত্যুর পর লন্ডনের হাইকোর্টে ফ্যামিলি ডিভিশনে একটি আবেদন করা হয়েছিল যে, ফিলিপের উইল সিল থাকবে এবং জনসাধারণের জন্য উপলব্ধ হবে না। সার্বভৌমত্বের মর্যাদা রক্ষার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে আদালতের তরফে জানানো হয়েছে । আদালতের পারিবারিক বিভাগের সভাপতি অ্যান্ড্রু ম্যাকফারলেন রাজকীয় অনুরোধের পক্ষে রায় দেন । বিচারক জানান , প্রিন্সের উইলটি সিল করা উচিত এবং উইলের কোনও অনুলিপি রেকর্ডের জন্য তৈরি করা উচিত নয় বা আদালতের ফাইলে রাখা উচিত নয়। তবে এর আগেও রাজাদের উইল গোপন রাখার চল রয়েছে রাজ পরিবারে, কিন্তু সাধারণ মানুষের জ্ঞাতার্থে প্রিন্স ফিলিপের নাম সামনে আনলেন বিচারক অ্যান্ড্রু ম্যাকফারলেন। ম্যাকফারলেন বলেন, "এই ধরণের মানুষের জীবনের সত্যিকারের ব্যক্তিগত দিকগুলির সুরক্ষা বাড়ানোর প্রয়োজন আছে যাতে সার্বভৌম এবং তার পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যদের মর্যাদা বজায় থাকে।"সর্বশেষ যার উইল গোপন করা হয়েছে তিনি হলেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মা এলিজাবেথ এবং তার বোন প্রিন্সেস মার্গারেটের।
এছাড়াও রাজ্ পরিবারের ৩০ টি খামবন্দি গোপন উইল সংরক্ষণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আদালত। যার মধ্যে আছে প্রিন্স ফ্রান্সিস ,রানী মেরির ছোট ভাই এবং রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের বড় কাকার উইল। যিনি ১৯১০ সালে ৪০ বছর বয়সে নিউমোনিয়ায় মারা যান। রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের আইনজীবী এবং অ্যাটর্নি জেনারেল চেয়েছিলেন ফিলিপের উইল ১২৫ বছরের জন্য গোপন রাখার আবেদনে সীলমোহর দেওয়া হোক , কিন্তু বিচারক ৯০ বছর তা গোপন রাখার পক্ষে রায় দেন। প্রায় ৭০ বছর একসঙ্গে জীবন কাটান প্রিন্স ফিলিপ ও ৯৫ বছর বয়সী রানি এলিজাবেথ । বৃটিশ রাজপরিবারের ইতিহাসে তিনি কোনও রাজা বা রাণির সবচেয়ে দীর্ঘদিনের জীবনসঙ্গী ছিলেন।

সূত্র : দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট
0 Share Comment
Bakar
19 September 2021, 02:10

গত আগস্টে আফগানিস্তান দখল করেছিল তালেবান । শুরুতে তারা দাবি করেছিল, তারা
বদলে গিয়েছে। নারীর অধিকার কিংবা সর্বোপরি মানবাধিকার রক্ষা করেই চলবে
তারা। যত সময় গিয়েছে তত জেহাদিদের আসল রূপ সামনে আস্তে শুরু করেছে । আর তত
পরিষ্কার হয়ে গেছে, তালেবান আছে তালেবানেই। তাছাড়া সমকামী, রূপান্তরকামী
প্রভৃতি অর্থাত্‍ এককথায় এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায় নিয়ে তারা কোনও
প্রতিশ্রুতিও দেয়নি। তাই আফগানিস্তানের এলজিবিটিকিউ নাগরিকদের বিরুদ্ধে
তালেবান কত কঠোর ধর্মীয় আইন প্রয়োগ করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। কোনো
আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি, কিন্তু জুলাই মাসে জার্মানির বিল্ড
সংবাদপত্রকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একজন তালেবান বিচারক বলেছিলেন,
সমকামিতার জন্য মাত্র দুটি শাস্তি আছে - পাথর ছুঁড়ে বা দেয়ালের নিচে পিষে
মারা ।

সেই কারণে আফগানিস্তানে এই মুহূর্তে ভয়ংকর আশঙ্কার মধ্যে দিন
কাটাচ্ছেন ওই সম্প্রদায়ের মানুষরা। 'আমদের ওরা মেরে ফেলবেই। আমাদের এক্ষুনি
আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।' এমনই কাতর আরজি তাদের। তালেবানের দখলে
আফগানিস্তান চলে আসার পর থেকেই চরম বিপন্ন অবস্থায় এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের
মানুষরা। যে কোনও সময়েই জেহাদিরা তাদের মেরে ফেলবে, এমন আশঙ্কায় কাটছে
দিন। সংবাদ সংস্থা সিএনএনকে ২৫ বছরের এক এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের মানুষ
জানাচ্ছেন, 'তালেবান আমার বাড়িতে এসে শাসিয়ে গিয়েছে। বলেছে, আমি বাড়ি
ফিরলেই ওরা আমাকে খুন করবে। হ্যাঁ, আমরা এলজিবিটি। এটা আমাদের দোষ নয়। ওরা
যেটা করতে পারে তা হলো- আমাদের খুন করা। 'ওই যুবক জানাচ্ছেন, কীভাবে খাদ্য ও
অন্যান্য পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের। কিছু
রূপান্তরকামী মানুষ সিএনএনকে বলেছেন যে, তারা কয়েক সপ্তাহ ধরে বেসমেন্টে
লুকিয়ে দিন কাটাচ্ছেন , নয়তো ঠায় তাকিয়ে আছেন নিজের ফোনের দিকে। কারণ এই
মুহূর্তে বাইরে বেরোনোর পথ খোলা নেই তাদের সামনে। অনেকেরই ভয়, নতুন তালেবান
সরকার আগের আমলের আইন মেনে চলবে। শেষবার ক্ষমতায় থাকার সময় এলজিবিটিকিউদের
প্রাণদণ্ডের বিধান দিয়েছিল তালিবান প্রশাসন। আশঙ্কা, এখনও একই পথ ধরেই
এগোবে তারা। এই মুহূর্তে গোপনে লুকিয়ে থাকতে হচ্ছে তাদের। আফগানিস্তান
সম্পর্কে ২০২০ সালের মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে
যে, রূপান্তরকমীরা "বৈষম্য, আক্রমণ এবং ধর্ষণের" পাশাপাশি আফগান
কর্তৃপক্ষের দ্বারা হয়রানি ও গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হয়েছিল। প্রতিবেদনে
বলা হয়, "সমকামিতাকে ব্যাপকভাবে নিষিদ্ধ এবং অশালীন হিসেবে দেখা হয়েছিল
সেদেশে ।" আগস্টে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, তালেবানের শীর্ষ
সিদ্ধান্ত নির্মাতা ওয়াহিদুল্লাহ হাশিমি বলেছিলেন, মৌলবাদী গোষ্ঠীর অধীনে
দেশটি "শরিয়া আইন দ্বারা পরিচালিত হবে , সেই আইন অনুযায়ী সমকামিতার শাস্তি
মৃত্যুদণ্ড। এই বিপদ থেকে বাঁচতে রাষ্ট্রপুঞ্জের হস্তক্ষেপ চাইছেন
এলজিবিটিকিউরা। তাদের নিয়ে কাজ করা এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা জানাচ্ছে, যতদিন
না তা হচ্ছে ততদিন তালেবানের রক্তচক্ষু এড়িয়েই গোপনে থাকতে হবে এই
সম্প্রদায়ের মানুষদের।

সূত্র : সিএনএন

0 Share Comment
Bakar
19 September 2021, 02:07

শেয়ারবাজারে নতুন আসা আইপিওতে (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) সাধারণ বিনিয়োগকারীরা
এখন থেকে ১০ হাজার টাকার বেশি শেয়ারের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। চাঁদা
গ্রহণের অপেক্ষায় থাকা সেনাকল্যাণ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির আইপিওর মধ্য দিয়ে
নতুন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। কোম্পানিটির আইপিওর সম্মতিপত্রে
(কনসেন্ট লেটার) বিষয়টি উল্লেখ করে দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বর্তমানে
একজন সাধারণ বিনিয়োগকারী আইপিও সর্বনিম্ন ১০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার
টাকার সমপরিমাণ শেয়ারের জন্য আবেদন করতে পারেন। ফলে আবেদনকারীদের মধ্যে
আইপিও শেয়ারপ্রাপ্তিতে কমবেশি হয়। শেয়ারপ্রাপ্তির এ ব্যবধান কমিয়ে আনতে
সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য আইপিওতে আবেদন ১০ হাজার টাকায় নির্দিষ্ট করে
দেয়া হচ্ছে। ফলে আবেদনকারী সব বিনিয়োগকারী আইপিওতে সমানসংখ্যক শেয়ার পাবেন।

বিএসইসির
মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, সাধারণ
বিনিয়োগকারীরা যাতে আইপিওতে বেশি শেয়ার পান, সে জন্য এ বিধান করা হয়েছে।
ফলে কেউ চাইলে বেশি টাকার আবেদন করতে পারবেন না, বেশি শেয়ারও পাবেন না।
নতুন এ শর্ত কোম্পানিগুলোর আইপিওর সম্মতিপত্রে উল্লেখ করে দেয়া হবে।

এরই মধ্যে সেনাকল্যাণ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির আইপিওর সম্মতিপত্রে এ শর্ত যুক্ত করে দেয়া হয়েছে।

ঢাকা
স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, সেনাকল্যাণ ইনস্যুরেন্সের
আইপিওর চাঁদা গ্রহণ শুরু হবে আগামী ৩ অক্টোবর। আইপিওতে কোম্পানিটির প্রতিটি
শেয়ার ১০ টাকা অভিহিত মূল্য বা ফেসভ্যালুতে বিক্রি হবে। কোম্পানিটি ১ কোটি
৬০ লাখ শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে।

এদিকে গত
এপ্রিল থেকে শেয়ারবাজারে আইপিওর ক্ষেত্রে লটারি প্রথা তুলে দিয়েছে বিএসইসি।
লটারি পদ্ধতির বদলে আবেদনকারীদের মধ্যে আনুপাতিক হারে শেয়ার বরাদ্দ দেয়া
হচ্ছে। এত দিন একজন বিনিয়োগকারী ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক
পরিমাণ হিসাবে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার শেয়ারের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এখন গুণিতকের বদলে ১০ হাজার টাকা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে

আইপিও
আবেদনের নতুন বিধান অনুযায়ী, আইপিওতে আবেদনের আগে প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর বা
আবেদনকারীর বাজারমূল্যে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা সেকেন্ডারি বাজারে
তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ থাকতে হবে।

0 Share Comment
Bakar
19 September 2021, 01:55

১০ই অক্টোবর থেকে শুটিংয়ে পরীমনি

১০ই অক্টোবর থেকে শুটিংয়ে পরীমনি
গুঞ্জন আগে থেকেই ছিল, তরুণ চিত্রনায়ক শরিফুল রাজের নায়িকা হচ্ছেন আলোচিত নায়িকা পরীমনি। এবার সেই গুঞ্জন সত্যি হলো। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় পরী চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন গুণী নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘গুনিন’- শিরোনামের একটি সিনেমায়। এ ছবিতে প্রথমবার শরিফুল রাজের সঙ্গে জুটি বাঁধছেন পরী। কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের ছোটগল্প অবলম্বনে এটি নির্মিত হচ্ছে। এ ছবির শুটিংয়ে ১০ই অক্টোবর থেকে অংশ নেবেন পরীমনি। এর শুটিং হবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও মানিকগঞ্জে। ওয়েব ফিল্মটি প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, জেল থেকে বের হওয়ার দুইদিন পরে সেলিম ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হলে তিনি এই প্রস্তাব দেন।
তখন জেল থেকে মাত্র বেরিয়েছি। সবকিছু মিলে সময়টা ভালো যাচ্ছিল না। সেলিম ভাইয়ের এমন প্রস্তাবে চোখে পানি চলে এসেছিল। পরী আরও বলেন, আমি চেষ্টা করবো নিজের শতভাগ দিয়ে কাজটি করার। এরই মধ্যে এর প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেছি। আর সেলিম ভাইয়ের ‘স্বপ্নজাল’- এ অভিনয় করে অনেক প্রশংসা পেয়েছি। এবারের গল্পটিও চমৎকার। আশা করছি খুব ভালো কিছু হবে। ৫০ বছর আগের কৃষিজীবী একটি গ্রামের গল্প নিয়ে ‘গুনিন’- সিনেমার গল্প। জিন-ভূত তাড়ানো সেই গ্রামের রক্ষণশীল সমাজের মুসলমান এক নারী রাবেয়া। দেশের একটি ওটিটি প্ল্যাটফরমের প্রযোজনায় আজাদ আবুল কালাম, দিলারা জামান, ইরেশ যাকেরসহ আরও কয়েকজন শিল্পীর অভিনয়ের কথা রয়েছে।
0 Share Comment
Bakar
19 September 2021, 01:52

এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ন্ত্রণে দেশে শীঘ্রই ভ্যাকসিন নীতিমালা প্রণয়ন
করা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।


শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা
ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ও ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি জোরদারকরণ বিষয়ে উচ্চ
পর্যায়ের এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান মন্ত্রী।


প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট
(বিএলআরআই) এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) যৌথভাবে এ সেমিনার
আয়োজন করে।


সেমিনারে মন্ত্রী বলেন, খুব শীঘ্রই কারিগরী কমিটি গঠন করে ভ্যাকসিন
নীতিমালা প্রণয়নের কাজ হাতে নেওয়া হবে। যে ভ্যাকসিন আমাদের দেশে উৎপাদন
হচ্ছে সে ভ্যাকসিনের মান আরো উন্নত করে এর পরিসর বাড়ানো হবে। যে সব রোগের
ক্ষেত্রে আরো ভ্যাকসিনেশন দরকার সে সব রোগের ভ্যাকসিন উৎপাদন বাড়ানো হবে।
আমাদের সক্ষমতা রয়েছে। প্রয়োজনে আরো বৈজ্ঞানিক গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করা
হবে।


মেধাবী জাতি তৈরিতে পুষ্টিমানসমৃদ্ধ খাবার দরকার। সেক্ষেত্রে মাংস, মাছ,
দুধ, ডিম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ পণ্যগুলো যদি গুণগত মানসম্পন্ন না হয়,
শুধু উৎপাদন বাড়িয়ে মেধাবী জাতি সৃষ্টি করা যাবে না। সে জন্য মানসম্পন্ন
পণ্য তৈরিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা কাজ করছি। আমাদের
আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাগার রয়েছে, এর পরিসর আরো বাড়ানো হবে। কী কী
প্রক্রিয়ায় গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধি করা যায়, সে বিষয়গুলোও গভীরভাবে
বিবেচনা করা হচ্ছে, যোগ করেন মন্ত্রী।


এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতকে আমরা উন্নত-সমৃদ্ধ করতে চাই।
এ খাত বেকারত্ব দূর করায় বড় ধরনের ভূমিকা রাখছে, মানুষের পুষ্টি ও আমিষের
চাহিদা মেটাতে ভূমিকা রাখছে, খাবারের একটি বড় যোগান দিচ্ছে, গ্রামীণ
অর্থনীতি সচল রাখতে ভূমিকা রাখছে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রেও এ খাত
একটি বড় ধরনের সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন করবে। এ খাতকে আমরা যত সমৃদ্ধ এবং
গুণগত মানে উন্নত করতে পারবো, এ খাত ততই আমাদের কল্যাণ বয়ে আনবে।


এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ কঠোর অবস্থানে উল্লেখ করে
মন্ত্রী আরো যোগ করেন, একসময় দেশে বার্ড ফ্লু নিয়ে শঙ্কিত অবস্থা ছিল।
সেখান থেকে অমাদের উত্তরণ হয়েছে। প্রতিবেশি দেশ থেকে কোনভাবে যেন বার্ড
ফ্লু সংক্রমণ ঘটতে না পারে সে জন্য সীমান্তে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে।
জুনোটিক রোগ নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি জায়গায় প্রতিটি স্তরে সরকার পদক্ষেপ
নিচ্ছে।


সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে যার যার অবস্থান থেকে গুণগত সামর্থ্য কাজে লাগাতে
হবে। বিশেষজ্ঞদের মতামত ও পরামর্শের আলোকে প্রাণিসম্পদ খাতকে আরো সমৃদ্ধ
করার লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি, জানান মন্ত্রী।


প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. শেখ আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক
মাহমুদ। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড.
মো. আবদুল জলিল ও এফএও’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি সিম্পসন। স্বাগত
বক্তব্য প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মনজুর
মোহাম্মদ শাহজাদা।

 

সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড.
রফিকুল ইসলাম ও বিএলআরআই-এর মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আব্দুস
সামাদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুবোল বোস মনি, মোঃ
তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলমসহ মন্ত্রণালয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও
বিএলআরআই-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,
প্রাণিসম্পদ খাতের বিজ্ঞানী, গবেষক ও উদ্যোক্তাগণ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।

0 Share Comment
Bakar
19 September 2021, 01:52

বহু বিয়ে করেছেন যেসব বলিউড তারকা

বহু বিয়ে করেছেন যেসব বলিউড তারকা
বিয়ে ও বিচ্ছেদ জীবনেরই অংশ। অন্য সাধারণ মানুষের মতো তারকাদের জীবনেও বিয়ে-বিচ্ছেদ আসে। কেউ কেউ একের অধিক বিয়েও করেছেন। আজ বহু বিয়ের তারকাদের নিয়ে তৈরি করা হলো এই প্রতিবেদন।

সঞ্জয় দত্ত: নানা বিতর্কে ঘেরা তার জীবন। তবুও দর্শকদের হৃদয়ের রাজা সঞ্জুবাবা। প্রথম বিয়ে করেছিলেন ১৯৮৭ সালে। স্ত্রীর নাম ছিল রিচা শর্মা। ১৯৯৬ সালে ভেঙে যায় সেই সংসার। এর দুই বছর পর সঞ্জয় বিয়ে করেন রিয়া পিল্লাইকে। সেই বিয়ে টিকেছিল ১০ বছর। ২০০৮ সালে বিবাহবিচ্ছেদ করেন তারা। সর্বশেষ ২০০৮ সালেই সঞ্জয় বিয়ে করেন মান্যতাকে। বর্তমানে এই সংসারেই আছেন মুন্নাভাই।

ধর্মেন্দ্র: বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে বিয়ে করেছেন দুটি। ১৯৫৪ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে প্রথম বিয়ে করেন ধর্মেন্দ্র। স্ত্রীর নাম ছিল প্রকাশ কৌর। ১৯৮০ সালে তিনি বিয়ে করেন বলিউডের ড্রিমগার্ল খ্যাত হেমা মালিনীকে। এখনো তাদের সংসার টিকে আছে।

আমির খান: মিস্টার পারফেকশনিস্ট হিসেবে খ্যাত এ অভিনেতা। দুটি বিয়ে করেছেন, দুটোতেই হয়েছে বিচ্ছেদ। প্রথম বিয়ে করেন রীনা দত্তকে। সেটা ১৯৮৬ সালের কথা। দীর্ঘ ১৬ বছর সংসার করার পর ২০০২ সালে ডিভোর্স করেন আমির। এরপর ২০০৫ সালে কিরণ রাওকে বিয়ে করেন অভিনেতা। সেই বিয়েও ভাঙে ১৬ বছর পর গত জুলাই মাসে।

যোগিতা বালি: বর্তমানে তিনি কিংবদন্তি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর স্ত্রী। ১৯৭৯ সাল থেকে সংসার করছেন তারা। তবে এর আগে ১৯৭৬ সালে কিশোর কুমারকে বিয়ে করেছিলেন এই অভিনেত্রী। দুই বছর টিকেছিল সেই সংসার।

সাইফ আলী খান: পতৌদির ছোট নবাব তিনি। বলিউডে তার বিচরণ সেই নব্বই দশকের শুরুর সময় থেকে। ব্যক্তিগত জীবনে সাইফ প্রথম বিয়ে করেছিলেন অভিনেত্রী অমৃতা সিংকে। ১৯৯১ সালে তারা বিয়ে করেন। দীর্ঘ ১৩ বছর সংসার করার পর ২০০৪ সালে বিবাহবিচ্ছেদ করেন সাইফ-অমৃতা। এরপর সাইফ বিয়ে করেন কারিনা কাপুরকে। ২০১২ সাল থেকে তারা সুখে সংসার করছেন।
0 Share Comment
Bakar
19 September 2021, 01:50

আপত্তিকর কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত ও অপসারণের জন্য ফেসবুক, ইউটিউবসহ
অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালাবে বাংলাদেশ
টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।


নাগরিকদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায়
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেন উচ্চ
আদালত। নানা সমালোচনার মুখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ ইন্টারনেটভিত্তিক সব
ওয়েবসাইট ২৪ ঘণ্টা নজরদারির আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে বিটিআরসি।


বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যামসুন্দর শিকদার বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই সাইবার
সিকিউরিটি সেল নামে একটি বিশেষ সেল গঠন করছি। নজরদারির চালানোর জন্য
প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করছি। শুধু নাগরিকদের ব্যক্তি ছবি কিংবা
ভিডিও নয়; এই সেলের মাধ্যমে সামাজিক মাধ্যম ও সব ওয়েবসাইটে সরকার ও
রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচার, সামাজিক রাজনৈতিক পর্ণগ্রাফি'সহ আপত্তিকর কনটেন্ট
সবকিছুই নজরদারি করা যাবে।


ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আফজাল হোসেন বলেন, এর ফলে সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমকে যারা অপব্যবহার করছে কিংবা যেসব আপত্তিকর কনটেন্ট, ভিডিওর ফলে
শিশুরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তা দ্রুত অপসারণে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।


গত এক বছরে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রায় পাঁচ হাজার
আপত্তিকর কনটেন্ট অপসারণ করেছে বিটিআরসি। বিটিআরসির ৪৩১ টি লিংক বন্ধ করার
অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ৬২টি লিংক বন্ধ করেছে ইউটিউব। এ ছাড়া সিটিডিআরের
মাধ্যমে বন্ধ করা হয় ১ এ হাজার ৬০টি ওয়েবসাইট এবং লিংক।


প্রসঙ্গত, সম্প্রতি চিত্রনায়িকা পরীমনি ও পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম
সাকলায়েনের ব্যক্তিগত ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে দেশজুড়ে শুরু তোলপাড়।
 কলেজছাত্রী মুনিয়া ও জেকেজি হেলথকেয়ারের ডা. সাবরিনার ব্যক্তিগত ছবি ও
ভিডিও ফাঁস হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

0 Share Comment
Bakar
19 September 2021, 01:50

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলার পর ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ
জায়গাগুলোতে ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরা বসানো হবে।
একইসঙ্গে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে রাখা হবে বিশেষ নজর।
ক্যাম্পাসগুলোতে ‘নৈরাজ্য’ ও ‘জঙ্গিবাদ প্রচার’ হওয়ার আশঙ্কা সংক্রান্ত
কোনো তথ্য আছে কি-না জানতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।


জানা গেছে, দীর্ঘদিন পর বিশ্ববিদ্যালয় খুললে নানান সমস্যা আসতে পারে।
সেগুলো মোকাবিলায় উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন
(ইউজিসি)। বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।


বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলার পর সার্বিক পরিস্থিতি
পর্যবেক্ষণে কর্তৃপক্ষ গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায়
আনবে। তাছাড়া ক্যাম্পাসের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নিরাপত্তা
সংশ্লিষ্টদের নজরদারি থাকবে। তবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিঘ্ন হয়
এমন কিছুই হবে না। করোনার কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে সব
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে ২৭ সেপ্টেম্বরের পর একাডেমিক
কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে পারে বলে জানিয়েছেন
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।


এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেশের সব
বিশ্ববিদ্যালয়কে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নজরদারির আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছে।
পুনরায় চালু হওয়ার পর যেনো কোনো ধরনের ‘অরাজক পরিস্থিতি’ তৈরি না হয়,
সেজন্য এ নির্দেশ দেয়া হয়। প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয় ওই
চিঠিতে।


একইসঙ্গে, মন্ত্রণালয় থেকে ইউজিসিকে সরকারি ও বেসরকারি
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কোনো ধরনের ‘জঙ্গিবাদ প্রচার’ হচ্ছে কি-না, সে
ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর নির্দেশ দেয়া
হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল
প্রবেশপথসহ ক্যাম্পাসের স্পর্শকাতর জায়গাগুলো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায়
আনবে।


একইসঙ্গে, যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসনের
সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গত বৃহস্পতিবার ইউজিসি ও
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের এক ভার্চুয়াল বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া
হয়। বৈঠক শেষে মঞ্জুরি কমিশনের দুই সদস্য বিষয়টি জানান।


জানতে চাইলে বৈঠকের সভাপতি ও মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক দিল আফরোজা
বেগম বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর কী করণীয় তা ঠিক করতে একটি গোপন
বৈঠক ছিলো। তাই, আমি এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করবো না।


এর আগে গত সপ্তাহে পাঠানো এক চিঠিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষকে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়কে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নজরদারির আওতায়
আনার নির্দেশ দেয়। এগুলো পুনরায় চালু হওয়ার পর যেনো কোনো ধরনের অরাজক
পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেজন্য এ নির্দেশ দেয়া হয়।


এছাড়া, প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয় ওই চিঠিতে। গত ২
সেপ্টেম্বর নিরাপত্তা-সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির এক বৈঠক নেয়া সিদ্ধান্তের
উদ্ধৃতি দিয়ে মন্ত্রণালয় গত ৯ সেপ্টেম্বর ইউজিসিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে
এসব তথ্য সংগ্রহের জন্য এই চিঠি পাঠায়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মঞ্জুরি কমিশন ও
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের মধ্যে এক সভার পর গত মঙ্গলবার সরকার
এই সিদ্ধান্ত নেয় যে, যদি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে
তাদের সব শিক্ষার্থীর করোনার টিকার অনলাইন নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পারে,
তাহলে তারা সরাসরি ক্লাস শুরু করতে পারবে।


ওই সিদ্ধান্ত অনুসারে, একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের অনুমোদন সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পুনরায় চালু হতে পারে।


এর আগে গত ২৬ আগস্ট সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের সব
সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের করোনা ভাইরাসের টিকা দেয়া
নিশ্চিত করার পর ১৫ অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সশরীরে
ক্লাস শুরু করতে পারবে।


এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী
ওবায়দুল কাদের অভিযোগ করেন, ষড়যন্ত্রকারীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কেন্দ্র করে দেশে
বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগ
কর্মীদের সতর্ক থাকার এবং তুচ্ছ বিষয়ে নিজেদের মধ্যে বিবাদে না জড়ানোর
আহ্বান জানান।


ওই সভায় উপস্থিত কয়েকজন উপাচার্য জানান, পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আছে।
তারপরও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সভায় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে
যোগাযোগ রাখা এবং প্রবেশপথসহ ক্যাম্পাসের স্পর্শকাতর জায়গাগুলোতে সিসিটিভি
ক্যামেরা বসানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে।


এছাড়া, যদি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর ব্যাপারে
সমস্যায় পড়ে, তাহলে ইউজিসি থেকে তাদের সহযোগিতা করা হবে বলে সভায় জানানো
হয়।


জানতে চাইলে মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, সভায়
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পুনরায় চালু হওয়ার পর সেগুলো পরিচালনার ব্যাপারে আলোচনা
হয়েছে।


ক্যাম্পাসে সম্ভাব্য নৈরাজ্য ও জঙ্গিবাদ প্রচারের বিষয়ে আলোচনার জন্য
সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল কি-না, জানতে চাইলে অধ্যাপক সাজ্জাদ বলেন, নৈরাজ্য
নিয়ে আমি কোনো উদ্বেগ দেখছি না। এ ব্যাপারে কোনো উপাচার্য সরাসরি কথা বলতে
রাজি হননি।

0 Share Comment
Bakar
19 September 2021, 01:49

স্কুলে যেতেও অনুমতি পেল না আফগান মেয়েরা

স্কুলে যেতেও অনুমতি পেল না আফগান মেয়েরা
তালেবানের নবগঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে রাখা হয়নি কোনো নারী সদস্যকে। সেই সাথে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে নারী-পুরুষের সহশিক্ষা কার্যক্রম।

ভয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে নারী ফুটবল দলটিও। তালেবান নিয়ন্ত্রিত আফগানিস্তানে নারীদের প্রতি ‘না’ বলার এই তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে স্কুলগামী ছাত্রীরাও।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জারি করা নতুন এক আদেশে তালেবান জানিয়েছে, শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) থেকে শুধু পুরুষ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাবেন।

নতুন আদেশে তালেবানের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী আব্দুল বাকি হাক্কানি বলেছেন, গ্রেড ৭ থেকে ১২ পর্যন্ত শুধু ছেলেদের জন্য শনিবার থেকে স্কুল খোলা হবে।

ব্রিটিশ এই সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, ওই আদেশে মেয়েদের বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

যদিও এর আগে তালেবানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ছেলে-মেয়েরা স্কুলে যেতে পারবে, তবে তাদের শ্রেণীকক্ষ আলাদা হবে এবং বাধ্যতামূলকভাবে শরীয়াভিত্তিক পোশাক পরতে হবে। কিন্তু এখন স্কুল খোলার আদেশে কেবল ছেলেদেরই স্কুলে যেতে বলেছে ওই গোষ্ঠীটি।
0 Share Comment
Bakar
19 September 2021, 01:48

‘পদ্মা সেতুতে বিএনপি নেতাদের হাঁটার দৃশ্য দেখার অপেক্ষায় আছি’

‘পদ্মা সেতুতে বিএনপি নেতাদের হাঁটার দৃশ্য দেখার অপেক্ষায় আছি’
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাসান মাহমুদ বলেছেন, সেই দিনের অপেক্ষায় আছি যেদিন বিএনপি নেতারা এই পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে যাতায়াত করবে।

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার ব্রজগোপাল টাউন হলে সাবেক এমপি অধ্যক্ষ মরহুম এম এম নজরুল ইসলামের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বপ্ন দেখে কোনো লাভ নেই। তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর কখনো হবে না। সংবিধান অনুযায়ী আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনেই হবে আগামী সংসদ নির্বাচন।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন কোনো দলের অধীনে নয়। নির্বাচন কমিশন স্বাধীন। স্বাধীনভাবেই তারা নির্বাচন পরিচালনা করে থাকে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বিএনপি নেতারা বলেছিল পদ্মা সেতু হবে না কিন্তু শেখ হাসিনার সরকার সেই পদ্মা সেতু বানিয়ে দেখিয়েছে। আমি সেই দিনের অপেক্ষায় আছি যেদিন বিএনপি নেতারা এই পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে যাতায়াত করবে।

এ সময় ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, গ্রামে বসে এখন সার বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়। মোবাইলের মাধ্যমে ঘরে বসেই টাকা লেনদেন করতে পারে সাধারণ মানুষ। ঘরে বসেই স্কুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন করতে পরছে। এটাই হচ্ছে শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব। আলোচনা সভায় ভোলা জেলা প্রশাসক তৌফিক এলাহি চৌধুরিসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
0 Share Comment
Bakar
19 September 2021, 01:46

অতিরিক্ত কাজের চাপে বছরে ১৯ লাখ প্রাণহানি, বলছে গবেষণা

অতিরিক্ত কাজের চাপে বছরে ১৯ লাখ প্রাণহানি, বলছে গবেষণা
কর্মক্ষেত্র সম্পর্কিত অসুস্থতা এবং আঘাতে বছরে প্রায় ২০ লাখ লোকের মৃত্যু হচ্ছে। মূলত দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে এই প্রাণহানি ঘটছে। এমনটাই উঠে এসেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) যৌথ গবেষণায়।

মহামারি পরিস্থিতির মধ্যে এই মৃত্যু ঝুঁকি আরও খারাপ হবে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে ২০০০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক রোগব্যাধি, আঘাত ও কর্মক্ষেত্রে চাপের ফলে মৃত্যুর হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। তবে করোনা মহামারির ফলে কর্মক্ষেত্রে কাজের পরিবেশের নাটকীয় পরিবর্তনের প্রভাব এই প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য ও শ্রম সংস্থার যৌথ মূল্যায়ন বলছে, ২০১৬ সালে দুনিয়াজুড়ে কাজের সঙ্গে জড়িত এমন প্রায় ১৯ লাখ লোকের মৃত্যু হয়েছে।

সপ্তাহে ৫৫ ঘণ্টার অধিক সময় কাজ করা দীর্ঘ কর্মঘণ্টা হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এটি একটি প্রধান ঝুঁকি। ২০১৬ সালে এই দীর্ঘ কর্মঘণ্টাজনিত কারণে সাড়ে সাত লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯টি পেশাগত ঝুঁকির কারণে এসব প্রাণহানি ঘটছে। এর মধ্যে দীর্ঘ সময় আসনে বসে থাকার মতো বিষয়গুলো রয়েছে। এ ছাড়া কর্মক্ষেত্রে গ্যাস, ধোঁয়া ও বাতাসের অন্যান্য দুষণের সংস্পর্শে আসায় স্বাস্থ্য বিপর্যয় ঘটছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গ্যাব্রিয়েসাস এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এটা খুবই মর্মান্তিক যে চাকুরি ও কর্মক্ষেত্রে পরিবেশের কারণে অনেক মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।’

মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে কর্মক্ষেত্র সম্পর্কিত কারণে মৃতদের মধ্যে ৮২ শতাংশের মৃত্যু হয়েছে দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে।
0 Share Comment
Bakar
19 September 2021, 01:44

তথ্য মতে, আওয়ামী লীগ টানা তৃতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। ক্ষমতার
দীর্ঘ সময়ে দলটির ‘লীগ’ শব্দ ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্য কিংবা
‘মুক্তিযোদ্ধা’ নাম ব্যবহার করে আট শতাধিক ভুঁইফোঁড় সংগঠন গড়ে উঠেছে। এদের
অধিকাংশ সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয় নেই। নেই নিজস্ব কার্যক্রম। দলের
প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতা, এমপি-মন্ত্রীদের পৃষ্ঠপোষকতা ও ছত্রছায়ায়
চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, তদবির বাণিজ্য, কমিটি বাণিজ্য ও ক্ষমতার সিন্ডিকেট
তৈরি এবং অপব্যবহার করছে। অনুমোদনবিহীন এসব রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা নানা
সময়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত হলেও সংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে
পারেনি আওয়ামী লীগ। যা নিয়ে বারবার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে
ক্ষমতাসীন দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের।


আওয়ামী লীগের যত অনুমোদনহীন সংগঠন : জননেত্রী শেখ
হাসিনা কেন্দ্রীয় লীগ, জননেত্রী শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় সংসদ, আওয়ামী সমবায়
লীগ, আওয়ামী তৃণমূল লীগ, আওয়ামী ছিন্নমূল হকার্স লীগ, আওয়ামী সংস্কৃতি লীগ,
আওয়ামী মোটরচালক লীগ, আওয়ামী তরুণ লীগ, আওয়ামী রিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য
লীগ, আওয়ামী যুব হকার্স লীগ, আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ, আওয়ামী
পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা লীগ, আওয়ামী পরিবহন শ্রমিক লীগ, আওয়ামী নৌকার মাঝি
শ্রমিক লীগ, আওয়ামী ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী লীগ, আওয়ামী যুব সাংস্কৃতকি জোট,
বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনা গবেষণা পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ, বঙ্গবন্ধু
একাডেমি, বঙ্গবন্ধু নাগরিক সংহতি পরষিদ, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, বঙ্গবন্ধু
লেখক লীগ, বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম লীগ, বঙ্গবন্ধু যুব পরিষদ, বঙ্গবন্ধু ছাত্র
পরিষদ, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ, বঙ্গবন্ধু বাস্তুহারা লীগ,
বঙ্গবন্ধু আওয়ামী হকার্স ফেডারেশন, বঙ্গবন্ধুর চিন্তাধারা বাস্তবায়ন পরিষদ,
বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদ, বঙ্গবন্ধু গ্রাম ডাক্তার পরিষদ,
বাংলাদেশ আওয়ামী তৃণমূল লীগ, বঙ্গবন্ধু নাগরিক সংহতি পরিষদ, বঙ্গবন্ধু
গবষেণা পরিষদ, বঙ্গবন্ধু আদর্শ পরিষদ, আমরা মুজিব সেনা, আমরা মুজিব হবো,
চেতনায় মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সৈনিক লীগ, মুক্তিযোদ্ধা তরুণ লীগ, নৌকার সমর্থক
গোষ্ঠী, দেশীয় চিকিৎসক লীগ, ছিন্নমূল মৎস্যজীবী লীগ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী লীগ,
নৌকার নতুন প্রজন্ম, ডিজিটাল ছাত্রলীগ, ডিজিটাল আওয়ামী প্রজন্ম লীগ,
ডিজিটাল আওয়ামী ওলামা লীগ, বাংলাদশে আওয়ামী পর্যটন লীগ, ঠিকানা বাংলাদেশ,
জনতার প্রত্যাশা, রাসেল মেমোরিয়াল একাডেমি, জননেত্রী পরিষদ, দেশরত্ন পরিষদ,
বঙ্গমাতা পরিষদ, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পরিষদ, আমরা নৌকার
প্রজন্ম, আওয়ামী শিশু যুবক সাংস্কৃতিক জোট, তৃণমূল লীগ, একুশে আগস্ট ঘাতক
নির্মূল কমিটি ও আওয়ামী প্রচার লীগ।

0 Share Comment
Deshi Group
18 September 2021, 13:36

প্রতিবাদের নতুন হাতিয়ার ট্যাক্সিক্যাবে ছাদবাগান

প্রতিবাদের নতুন হাতিয়ার ট্যাক্সিক্যাবে ছাদবাগান


মহামারীর কারণে নানাভাবে বিপদে পড়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ। ২০১১ সালের ভয়াবহ বন্যা ও রাজনৈতিক নানা অস্থিরতার পরও বর্তমান সময়ের মতো খারাপ অবস্থায় আগে কখনো পড়েনি থাইল্যান্ডের মানুষ। নতুন পরিস্থিতিতে ব্যাংককের রাস্তায় ভাড়ায়চালিত ট্যাক্সিগুলোর ছাদে দেখা মিলছে সবজি বাগান। কভিড-১৯ মহামারীকালে অলস বসে থাকা ট্যাক্সিক্যাবগুলোর ছাদে চাষ করা হয়েছে সবজি। এটি কেবল সবজির আপাত সংস্থানের উপায় নয়, চালকদের এক ধরনের প্রতিবাদও।

দুটি ট্যাক্সি পরিষেবা প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা গত সপ্তাহে এ কাজ শুরু করেছেন। একটি বাঁশের ফ্রেমের মধ্যে প্লাস্টিকের ব্যাগ বসিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ক্ষেত্র। এরপর তাতে মাটি ও সার দিয়ে বোনা হচ্ছে বিভিন্ন জাতের সবজির বীজ। এর মধ্যে আছে টমেটো, শসা, বরবটি ইত্যাদি।

মহামারীর কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো থাইল্যান্ডেও ট্যাক্সিক্যাবের চালকরা বেশ ভালো রকমের মন্দার শিকার হন। এমন পরিস্থিতিতে তাদের এ উদ্যোগ যেমন সহজেই চোখে পড়ে তেমনি তাদের দুর্দশার কথাও মনে করিয়ে দেয়।

দেশটির রচাপ্রুক ও বোভর্ন নামে দুটি সমবায় সমিতির অধীন মাত্র ৫০০টি ট্যাক্সিক্যাব এখন ব্যাংককের রাস্তায় চলছে। প্রায় আড়াই হাজারের মতো গাড়ি অলস বসে আছে বলে জানান সমিতির নির্বাহী থাপাকর্ন আসসাওয়ালার্টকুল।

সেখানে এখন কম ভাড়ায় যাত্রী পারাপারের জন্য অপেক্ষায় থাকেন চালকরা। ফলে চালকদের আয় আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে। অনেকেই আছেন যারা প্রতিদিনের গাড়ির জমার টাকাও দিতে পারেন না। এমনকি এ পরিস্থিতিতে সমিতি গাড়ির জন্য জমার পরিমাণও অর্ধেক করে দিয়েছে। দেশীয় মুদ্রায় তা ৩০০ বাথ বা ৯ ডলার ৯ সেন্ট। যদিও এ অর্থও সারা দিনে অনেক চালকই আয় করতে পারেন না। ফলে গাড়িগুলো পড়ে থাকে, অলস, নিঃসঙ্গ।

এমন অনেক চালক আছেন, যারা ট্যাক্সি চালানোই বন্ধ করে দিয়েছেন। বিশেষ করে গত বছর যখন প্রথম মহামারী শুরু হলো তখন অনেকেই গাড়ি ছেড়ে দিয়ে গ্রামে পরিবার-পরিজনের কাছে চলে গেছেন। সে সময় অবশ্য শহর ছাড়ার কারণ ছিল নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভয়। কিন্তু যখন দ্বিতীয় দফায় মহামারীর আঘাত এল, তখন আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি অনেকেই। গাড়ি জমা দিয়ে ফিরে গেছেন পুরনো ঠিকানায়।

থাপাকর্ন আসসাওয়ালার্টকুল বলেন, এমন পরিস্থিতি হয়েছিল যে অনেক চালক শহরের যেকোনো একটি জায়গায় কিংবা গ্যাসস্টেশনে গাড়ি ফেলে রেখে চলে গেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে ট্যাক্সি পরিষেবা প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক সংকটে পড়ে। এসব বাহন কিনতে তাদের যে পরিমাণ ঋণ নিতে হয়েছিল, তা পরিশোধ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। রচাপ্রুক ও বোভর্ন সমবায় সমিতির এখনো ৬ কোটি ৮ লাখ ডলারের দেনা রয়েছে। তা কীভাবে পরিশোধ করা হবে সেটিই এখন ভাবাচ্ছে সমিতির কর্তাদের। এখন পর্যন্ত সরকারও কোনো আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেয়নি।

এ মুহূর্তে যদি যথাযথ সহায়তা পাওয়া না যায় তাহলে গভীর সংকটে পড়বে বলে জানান সমিতির কর্মকর্তা থাপাকর্ন। তিনি বলেন, কর্মীরা যে ক্যাবের ছাদে বাগান করছেন, সেটি এক ধরনের প্রতিবাদ আসলে। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের দুরবস্থার কথা যেমন তুলে ধরছেন তেমনি কিছু সময়ের জন্য হলেও নিজেদের সবজির বন্দোবস্ত করছেন।
0 Share Comment
Deshi Group
18 September 2021, 13:34

দেশী ও বিদেশী স্টার্টআপদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে নতুন উদ্ভাবন বা উদ্ভাবনী স্টার্টআপ খুঁজে বের করতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে আইডিয়া প্রকল্প আয়োজন করছে ‘বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্ট (BIG) ২০২১’। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের দিকনির্দেশনায় ও পরামর্শে বিগ ২০২১ 
অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশেষভাবে। এ আয়োজনের একটি বড় আকর্ষণ হলো, ১৩ পর্বের একটি শ্বাসরুদ্ধকর রিয়েলিটি শো বিগ ২০২১।
স্টার্টআপদের নিয়ে আইসিটি বিভাগের এ রিয়েলিটি শোতে প্রতিযোগীরা মুখোমুখি হবেন দেশ-বিদেশের প্রতিষ্ঠিত বিজনেস আইকনদের, যারা বিচারক হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিটি পর্ব থেকে বাছাই করবেন দুটি করে স্টার্টআপ। এ রিয়েলিটি শো থেকে নির্বাচিত সেরা ২৬টি স্টার্টআপ পাবে ১০ লাখ টাকা করে ‘গ্র্যান্ট’। পাশাপাশি দেয়া হবে বিগ ২০২১-এর ফাইনাল রাউন্ডের জন্য মনোনয়ন। শুধু রিয়েলিটি শোর মাধ্যমে সেরা ২৬ স্টার্টআপকে দেয়া হবে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা অনুদান। এছাড়া বিগ ২০২১-এর আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে নির্বাচিত সেরা ১০টি স্টার্টআপকেও ১০ লাখ টাকা করে মোট ১ কোটি টাকার সমমানের গ্র্যান্ট প্রদান করবে বিগ ২০২১-এর আয়োজক কর্তৃপক্ষ।
ঢাকার বাংলাদেশ ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনে (বিএফডিসি) গত ২৩ জুন থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনের শুটিং চলে টানা পাঁচদিন। এই পুরো আয়োজন আইডিয়া প্রকল্পের তত্ত্বাবধানে গ্রে অ্যাডভার্টাইজিং বাংলাদেশ লিমিটেড ও উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডের মাধ্যমে ঘুড্ডি এনিমোর শুভ্র খানের নির্দেশনায় সম্পন্ন হয়। আইডিয়া প্রকল্পের পরিচালক ও যুগ্ম সচিব মো. আব্দুর রাকিবের নেতৃত্বে বিগ ২০২১-এর সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন প্রকল্পের জ্যেষ্ঠ পরামর্শক সিদ্ধার্থ গোস্বামী। এ অনুষ্ঠানের চিফ অব রিয়েলিটি শো ও বিগ ২০২১-এর সহ-সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন আইসিটি বিভাগের আইডিয়া প্রকল্পের কমিউনিকেশনসবিষয়ক পরামর্শক সোহাগ চন্দ্র দাস।

বিভিন্ন পর্বে বেসিস, বিসিএস, ই-ক্যাব সভাপতি সহপ্রতিষ্ঠিত ২২ জন বিচারকের উপস্থিতি অনলাইন ও অফলাইনে দেখা যাবে। ২০২১-এর অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে বিগ ২০২১-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি-বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের উপস্থিতিও এ অনুষ্ঠানে আশা করা হচ্ছে।
স্টার্টআপদের নিয়ে শ্বাসরুদ্ধকর ১৩ পর্বের এ রিয়েলিটি শো প্রচারিত হচ্ছে প্রতি শুক্র ও শনিবার রাত ৮টায় বেসরকারি টিভি চ্যানেল ‘ডিবিসি নিউজ’-এর পর্দায়।


0 Share Comment
Deshi Group
18 September 2021, 13:32

হাতে সিগারেট,ছোট পোশাক,বেপরোয়া পরীমণি এবং সোহেল তাজের পোস্ট

হাতে সিগারেট,ছোট পোশাক,বেপরোয়া পরীমণি এবং সোহেল তাজের পোস্ট
জেলমুক্তির দিন হাতে মেহেন্দি দিয়ে প্রতিবাদের ভাষা লিখেছেন। আদালতে হাজিরা দেওয়ার সময়েও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। সম্প্রতি,পরীমনি তাঁর আগামী ছবি ‘প্রীতিলতা’র পরিচালক রাশিদ পলাশের জন্মদিনে বেগুনি রঙে নিজেকে সাজিয়েছিলেন। সেই সাজে ঝলসে গিয়েছে নেটমাধ্যম। এ বার তিনি জ্বলন্ত সিগারেট হাতে ছোট পোশাকে সিংহাসনের মতো চেয়ারে বসে। চোখে সাদা রিমলেস চশমা। স্পষ্ট দৃশ্যমান তাঁর উন্মুক্ত দুই পা!

বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ মেনে ছবির সঙ্গে নায়িকা লিখেছেন, ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে তিনিও জ্বলন্ত সিগারেট ঠোঁটে ঠেকাননি। তাঁর দু’আঙুলের ফাঁকে সিগারেট পুড়েছে কেবল। এতেই কাবু অভিনেত্রীর অনুরাগীরা। এক লক্ষ ২৪ হাজার জন এই পোস্টে সাহসী পরীমণিকে দেখে হতভম্ব। আরও এক বার নায়িকা ভাইরাল।

এই ছবিকে নিয়েও মন্তব্যের ঢেউ চোখে পড়ার মতো। অনেকে কানে আঙুল দেওয়ার মতোই রসিকতা করেছেন। বেশির ভাগ ক্ষুব্ধ।

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা সোহেল তাজ তাঁর নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে পরীমনির এ ধরনের কাজের সমালোচনা করেছেন।

সোহেল তাজ লিখেছেন, ‘একজন সেলিব্রেটির কাছ থেকে এ রকম অশোভন আচরণ কাম্য নয়। আমাদের ছেলে মেয়েদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে……’

শুক্রবার সোহেল তাজ এই পোস্টটি দেন।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা ও প্রথম আলো
0 Share Comment
Deshi Group
18 September 2021, 13:32

মৃত্যুর ৫ বছর পর সেন্সর পেল দীতির সিনেমা

মৃত্যুর ৫ বছর পর সেন্সর পেল দীতির সিনেমা
ঢাকাই সিনেমার শক্তিমান অভিনেত্রী পারভিন সুলতানা দিতি মারা গেছেন ২০১৬ সালের ২০ মার্চ। মৃত্যুর পাঁচ বছর পর অবশেষে সেন্সর পেলো তার অভিনীত দেশপ্রেমের সিনেমা ‘এ দেশ তোমার আমার’। এটি পরিচালনা করেছেন এফ আই মানিক। বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টম্বর) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড সিনেমাটিকে ছাড়পত্র দিয়েছে বলে ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন সিনেমাটির অভিনেতা এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। তিনি বলেন, ‘অনেক আগেই সিনেমাটির কাজ শেষ হয়েছিল। এরপর সেন্সর বোর্ডে জমা দেওয়া হয়। সিনেমাটির কিছু দৃশ্যে সেন্সর বোর্ড কারেকশন করতে বলে। সেটা করার পর অবশেষে সিনেমাটি আজ ছাড়পত্র পেয়েছে। প্রায় ১০ বছর আগে সিনেমাটির শুটিং শুরু হয়েছিল। এত বছর পর অবশেষে সিনেমাটি মুক্তি পাবে ভেবেই ভালো লাগছে।’

জায়েদ খান আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের কিংবদন্তি অভিনেত্রী দিতির সর্বশেষ সিনেমা এটি। এতে কাজ করতে গিয়ে তার সঙ্গে আমাদের প্রত্যেকেরই অনেক স্মৃতির জন্ম হয়েছিল। সেই সময়টার কথা খুব মনে পড়ছে। তিনি মারা যাওয়ার পরও আমরা সিনেমাটির শুটিং করেছি। আশা করি সিনেমাটি দর্শকের ভালো লাগবে।’ জানা যায়, সিনেমাটি শুরুতে ৩৫ মিলিমিটারে শুটিং করা হয়। পরে ডিজিটালে ট্রান্সফার করা হয়েছে। এতে দিতি, জায়েদ খান ছাড়াও অভিনয় করেছেন রোমানা, ডিপজল’সহ অনেকে।
0 Share Comment
Deshi Group
18 September 2021, 13:30

প্রসূনের পেজ হ্যাকড, ছড়ানো হচ্ছে অশ্লীল ছবি

প্রসূনের পেজ হ্যাকড, ছড়ানো হচ্ছে অশ্লীল ছবি
প্রসূন আজাদের অফিশিয়াল পেজটি পড়েছে হ্যাকারদের কবলে। আর সেখান থেকে অশ্লীল ছবি পোস্ট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এই অভিনেত্রী। জানান, ২০১৪ সালে ভক্তদের জন্য পেজটি তৈরি করেছিলেন। গতকাল (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে এটি হ্যাকাররা নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। তিন লাখ ফলোয়ারের এই পেজ থেকে ছড়ানো হচ্ছে অশ্লীল ছবি ও পোস্ট। যা নিয়ে বিব্রত এই শিল্পী। তিনি বলেন, ‘‘আমি নিয়মিত সময় না দিলেও কিছু মানুষ এই পেজের মাধ্যমে আমার খোঁজখবর রাখতেন। গতকাল রাত থেকে অসংখ্য মানুষ আমাকে ফোন করছেন। বলছেন, ‘আমি কেন পেজ থেকে অশ্লীল ছবি আপলোড করছি।’ আমি বলতে চাই, এটি এখন আর আমার কাছে নেই। পেজটি হ্যাক হয়েছে।’’

তিনি অনুরোধ করে আরও বললেন, ‘আমি যখন অভিনয় করেছি বা এখনও খুব কম কাজ করি। চেষ্টা করি, খুব মনোযোগ দিয়ে কাজটা করতে। যারা পেজে যুক্ত হয়েছেন তারা আমার কাজের কারণে যুক্ত। সবার কাছে অনুরোধ, ওই পেজের কোনও অ্যাক্টিভিটিজের জন্য আমাকে দায়ী করবেন না। আমার মা-সহ অনেকেই আমাকে ফোন দিচ্ছেন। আমি খুবই বিব্রত। বুঝতে হবে, আমিও একটা সমাজে থাকি। দয়া করে, আপনারা আমাকে ভেবে ওই পেজে আর যুক্ত থাকবেন না।’ প্রসূন দীর্ঘদিন ধরে কাজে অনিয়মিত। ২০১৬ সাল থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। এরমধ্যে গেল কয়েক বছর মিলিয়ে ৪টি সিনেমা করলেও নাটকে প্রায় অনুপস্থিত ছিলেন। ছবিগুলো হলো নুরুল আলম আতিকের ‘মানুষের বাগান’, রাশিদ পলাশের ‘পদ্মপুরাণ’, জায়েদ রেজওয়ানের ‘মৃত্যুপুরী’ এবং নিশীথ সূর্যের ‘পায়রার চিঠি’। সম্প্রতি তিনি বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন।
0 Share Comment
Deshi Group
18 September 2021, 13:29

পিএইচডি, মাস্টার্স মূল্যহীন, জানালেন আফগানিস্তানের শিক্ষামন্ত্রী

পিএইচডি, মাস্টার্স মূল্যহীন, জানালেন আফগানিস্তানের শিক্ষামন্ত্রী
সরকার ঘোষণার পরেই তালেবানের শিক্ষামন্ত্রী শেখ মৌলবি নুরুল্লা মুনির জানিয়ে দিলেন পিএইচডি, মাস্টার্স ডিগ্রির কোনও মূল্য নেই। তিনি বলেছেন, ‘‘এখনকার দিনে পিএইচডি এবং মাস্টার্স ডিগ্রি মূল্যহীন। কারণ মোল্লা ও তালেবান নেতাদের কারও পিএইচডি, মাস্টার্স এমনকি হাইস্কুলের ডিগ্রিও নেই। কিন্তু তাঁরাই শ্রেষ্ঠ।’’ মুনিরের এই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা শুরু হয়েছে। আফগানদের একাংশের আশঙ্কা, গত ২০ বছরে আফগানিস্তানে যে শিক্ষাব্যবস্থা চালু হয়েছিল, এই তালেবানি শাসনে তা ভেঙে পড়তে পারে।

এর আগে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানে তালেবানি শাসনে মেয়েদের স্কুলে যাওয়ার অধিকার ছিল না। কিন্তু এ বার কাবুলের দখল নেওয়ার পরেই তারা জানিয়ে দেয়, মেয়েরা স্কুল-কলেজে যেতে পারবেন। তবে শরিয়তি আইন মেনে। অর্থাৎ হিজাব পরতে হবে তাঁদের। ছেলে-মেয়েদের আলাদা বসতে হবে বলেও জানায় তারা। তালেবানের এই নির্দেশ মেনে নেন ছাত্রীরা। কিন্তু পরবর্তীকালে তালেবান জানায়, শুধু হিজাব নয় আবায়া ও নিকাবও পরতে হবে তাঁদের। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন ছাত্রছাত্রীদের একাংশ। ফলে কাবুলে বিশ্ববিদ্যালয় খুললেও ক্লাসরুম প্রায় ফাঁকা। তালেবানি ফতোয়ার প্রতিবাদ করেছেন অধ্যাপকরাও।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা
0 Share Comment
Deshi Group
18 September 2021, 13:26

ভাইরাসের ভয়, ভূতুড়ে শহরে একাই থাকেন শিল্পপতি

ভাইরাসের ভয়, ভূতুড়ে শহরে একাই থাকেন শিল্পপতি
প্লেন বানানো আর তাতে চেপে উড়ে যাওয়া তার কাছে বাঁ হাতের খেলা। ভাঙাচোরা, ফেলে দেওয়া জিনিস দিয়েও বানিয়ে ফেলতে পারেন প্লেন। তবে বড়াই করা ইভো জারস্কাইয়ের স্বভাব নয়। তিনি মার্জিত ভাবে কথা বলেন। প্রশংসা শুনলে লজ্জা পান। আর বেদম ভয় পান এক অজানা ভাইরাসের কথা ভেবে।

ইভো একটা গোটা শহরে একা থাকেন। ঠিকই পড়ছেন। একটা গোটা শহরের তিনিই একমাত্র বাসিন্দা। তবে ইভো বাড়িতে নয়, ‘গুহা’য় থাকেন। গত ১৩ বছর ধরে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

ইভোর ধারণা, খুব শীঘ্রই এক জম্বি ভাইরাস দখল নেবে গোটা পৃথিবীর। এখন যেমন অতিমারির ভয়ে বিশ্ব ঘরবন্দি। তখনও নাকি জম্বি ভাইরাস থেকে পালানোর পথ পাবেন না কেউ। ইভো তাই সব ঝামেলার মূল কারণকেই ছেঁটে ফেলতে চেয়েছেন। জনরহিত হয়ে থাকতে চেয়েছেন। একা থাকা শিখতে চেয়েছেন।

সেই ভাবনা থেকেই ২০০৭ সালে জনমানবহীন এক শহরে আসেন ইভো। শহরের নাম লুসিন। আমেরিকার উটাহ-র লালমাটির রুক্ষ এই শহরে শেষ জনবসতি ছিল ১৯৭০ সালে। তার পর থেকে পরিত্যক্ত ছিল শহরটি। ইভো এখানেই আসেন একা থাকবেন বলে।
ভাইরাসের ভয়, ভূতুড়ে শহরে একাই থাকেন শিল্পপতি
শহরের প্রান্তে বানিয়ে ফেলেন নিজের ‘গুহা’। দৈর্ঘ্যে ১০০ ফুট, প্রস্থে ৫০ ফুট সেই ‘গুহা’য় অবশ্য আধুনিক ব্যবস্থার খামতি নেই। এই ‘গুহা’য় বিদ্যুৎ সংযোগ আছে। ইন্টারনেট আছে। আছে টিভি। এমনকি নিয়মিত জলের সরবরাহও।

আসলে প্রাকৃতিক কোনও গুহা নয়। কাঠ মাটি দিয়ে এই গুহা নিজেই বানিয়েছিলেন ইভো। নাম দেন ‘ম্যান কেভ’। গুহার আরও একটি বিশেষত্ব হল, এটি অতিরিক্ত দেওয়াল বর্জিত। কারণ ইভো দেওয়াল পছন্দ করেন না।

জনবিবর্জিত শহরে থাকেন। ভয়ও পান। তাই আত্মরক্ষারও ভরপুর ব্যবস্থা আছে ইভোর ম্যান কেভে। রয়েছে আধুনিক অস্ত্র-শস্ত্র। রাইফেল এমনকি পিস্তলও।

গুহা লাগোয়া হ্যাঙারে থাকে ইভোর সাধের প্লেন। দিনের একটা বড় সময় এই প্লেন নিয়েই ভাবনাচিন্তা চলে ইভোর। কারণ এই প্লেনই তার বাঁচার একমাত্র উপায়। তার কল্পিত ভাইরাস এলে এই প্লেনে চড়েই অন্য কোথাও পালিয়ে যাবেন তিনি।

ইভোর এই ভয়কে বিকার বলে মনে হতে পারে। কিন্তু বিকারগ্রস্ত মনের অধিকারী কি সফল শিল্পপতি হন? ইভো একজন সফল শিল্পপতি। প্লেন, হেলিকপ্টারের প্রপেলার বানায় তার সংস্থা। বিমান তৈরির দুনিয়ায় ইভোর সংস্থার প্রপেলারের বেশ নাম আর চাহিদাও আছে।
ভাইরাসের ভয়, ভূতুড়ে শহরে একাই থাকেন শিল্পপতি
ইভো অবশ্য জানিয়েছেন, ব্যবসার কথা ভেবে প্রপেলার বানানোর কাজ শুরু করেননি তিনি। প্লেন বানানোর শখ থেকেই তৈরি করতে শুরু করেছিলেন। পরে দেখলেন, তার বানানো প্রপেলার অনেকেই কিনতে চাইছেন। চাহিদার জোগান দিতে বেশি প্রপেলার বানানো শুরু করেন ইভো। সেখান থেকেই রমরমা ব্যবসা।

প্রতিভাবান ইভো হঠাৎ জম্বি ভাইরাসের কথা ভাবলেন কেন? কেনই বা তিনি দিন রাত পালিয়ে যাওয়ার ফন্দি আঁটেন? তা জানতে আরও একটু পিছিয়ে যেতে হবে।

এখন আমেরিকায় থাকলেও আদতে ইভো চেকস্লোভাকিয়ার মানুষ। সে দেশে যখন রাজনৈতিক অভ্যূত্থান পুরোদমে চলছে, তখন সেখান থেকে পালিয়ে এসেছিলেন তিনি। পালানোর জন্য প্লেন বানিয়েছিলেন নিজে হাতে। ভাঙাচোরা, ফেলে দেওয়া জিনিস দিয়ে তৈরি ওই প্লেন উড়িয়ে চেকস্লোভাকিয়া থেকে সোজা আমেরিকায় এসে পৌঁছন ইভো। পরিবারকে জানিয়ে আসেননি। পরিবারের কাছে আর ফিরেও জাননি।

ইভোর পলায়ন প্রবণতা সেই তখন থেকেই। আমেরিকায় এসে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে শুরু করেছিলেন। পাশাপাশি চলছিল নিজের প্লেন তৈরির পরিকল্পনাও। ২০০৭ সালে হঠাৎই তার মনে হয় সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার ঠিক বনিবনা হচ্ছে না। আবার পালিয়ে যান ইভো। চলে আসেন লুসিনে।
একসময় একটি রেলরোডকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা শ্রমিকদের বস্তি লুসিন তখন পরিত্যক্ত শহর। সেখানে এসে একা থাকতে থাকতে আরও নানারকম ধারণা জমতে থাকে ইভোর মনে। ইভো ভাবেন এককালে রেলরোড ঘিরে গড়ে ওঠা জমজমাট জনবসতি যদি কয়েক বছরে এমন পরিত্যক্ত হতে পারে, তবে পৃথিবীর যে কোনও শহরেরই এই পরিণতি হতে পারে।

গত বছর করোনা অতিমারি পরিস্থিতি এই ধারণা আরও দৃঢ় করে ইভোর। করোনার থেকেও সাঙ্ঘাতিক এক জম্বি ভাইরাসের কল্পনা করে তার থেকে পালানোর প্রস্তুতি শুরু করেন ইভো। লুসিনে আসা অবধি ছোটখাটো নানা রকম প্রকল্পের কথা ভেবেছেন। তার কিছু কিছু বাস্তবায়িতও করেছেন। বিদ্যুতের ব্যাপারে স্বনির্ভর হওয়া তার মধ্যে অন্যতম। অতিমারির পর থেকে আপাতত পালিয়ে যাওয়ার প্লেন বানানোই তাঁর ভাবনার মূলে।

ইভোর স্বস্তি একটাই। জম্বি ভাইরাস যখন আসবে তিনি অনায়াসে তাকে টেক্কা দিয়ে পালিয়ে যাবেন। আবার কোনও জনরহিত এলাকায় গড়ে তুলবেন নিজের গুহা।
0 Share Comment
Deshi Group
18 September 2021, 13:23

ফুলগাছ দিয়ে বিস্ময়কর দৃশ্যশিল্প

0 Share Comment
Deshi Group
18 September 2021, 13:19

কাজল আগারওয়াল

0 Share Comment
Deshi Group
18 September 2021, 13:03

নতুন শিক্ষাক্রমে হিজড়াদের জন্য যা থাকছে

নতুন শিক্ষাক্রমে হিজড়াদের জন্য যা থাকছে
হিজড়াদের শিক্ষার পরিবেশ তৈরি এবং তা নিশ্চিত করতে পরিমার্জিত নতুন শিক্ষাক্রমে ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। শিক্ষাক্রম অনুযায়ী পাঠ্যবইয়ে হিজড়াদের প্রতি সাধারণ শিক্ষার্থীদের মনো-সামাজিক পরিবর্তনের বিষয় সংযুক্ত করা হবে।

সহপাঠীরা যেন হিজড়াদের প্রতি সহনশীল ও ন্যায়সঙ্গত আচরণ করে সে লক্ষ্যেও কার্যক্রমও হাতে নেওয়া হবে। পরিচালনা করা হবে প্রকল্পভিত্তিক শিখন কার্যক্রম।

নতুন শিক্ষাক্রমে যেকোনও লিঙ্গ পরিচয়বহনকারী শিক্ষার্থীরা দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবে। তাদের লেখাপড়ার স্বাভাবিক পরিবেশও নিশ্চিত করবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. মশিউজ্জামান বলেন, ‘অটিস্টিক শিশু ও হিজড়াদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে কারিকুলামে ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে।

হিজড়াদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তার প্রতি সহপাঠীদের সহনশীল আচরণ প্রয়োজন সবার আগে। হিজড়াদের নিয়ে স্বচ্ছ ধারণা তৈরিরও ব্যবস্থা থাকবে। সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ে তাদের বিষয় যুক্ত করা হবে। এ ছাড়া প্রকল্পভিত্তিক শিখন ব্যবস্থাও হাতে নেওয়া হবে।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, আগে হিজড়াদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে বাধা না থাকলেও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ছিল না। ফলে শিক্ষার্থী যখন বুঝতে পারতো সে হিজড়া তখন সামাজিক বাধার কারণেই স্কুল থেকে ঝরে পড়তো। হিজড়া পরিচয় জানাজানি হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও পেতো না ভর্তির সুযোগ।

এ বিষয়ে গণস্বাক্ষরতা অভিযানের উপ-পরিচালক কে এম এনামুল হক বলেন, ‘হিজড়াদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তিতে বাধা ছিল না। কিন্তু যখন হিজড়া পরিচয় সবাই জানে, তখন সে বিদ্যালয়ে যেতে পারে না।

তাই সামাজিক বাধা দূর করতে হবে। হিজড়াদের আত্তীকরণের ব্যবস্থা নিতে হবে। হিজড়া হিসেবে ভর্তির ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধাও থাকতে হবে। কোনও প্রতিষ্ঠান ভর্তি না করাতে চাইলে ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে এই উদ্যোগ কাগজে-কলমেই থেকে যাবে।’

ড. মশিউজ্জামান বলেন, ‘জেন্ডার আইডেন্টিটি নিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বচ্ছ ধারণা প্রয়োজন। হিজড়ারাও যে আমাদের মতো মানুষ, তারাও যে সমান সম্মান ও অধিকার ভোগ করবে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের এটা বোঝানো প্রয়োজন।’

সমাজকল্যাণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, দেশের স্কুলগামী হিজড়া শিক্ষার্থীদের জন্য চার স্তরে উপবৃত্তির ব্যবস্থা রয়েছে। প্রাথমিকে প্রত্যেককে মাসে ৭০০ টাকা, মাধ্যমিকে ৮০০ ও উচ্চ মাধ্যমিকে ১০০০ টাকা করে এবং উচ্চতর শিক্ষায় ১ হাজার ২০০ টাকা হারে উপবৃত্তি দেওয়া হয়।
0 Share Comment
Deshi Group
18 September 2021, 13:01

বির্তক উস্কে সিঁদুর মাথায় নুসরাত

বির্তক উস্কে সিঁদুর মাথায় নুসরাত
বিয়ে, স্বামী, প্রেমিক থেকে শুরু করে সন্তান, সন্তানের বাবা, বিগত কয়েকমাসে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বারবার সমালোচনার মুখে পড়েছেন অভিনেতা সাংসদ নুসরাত জাহান। চর্চা থামছেই না। বাড়ছে অনুরাগীদের কৌতুহল। এবার আরও এক জল্পনা শুরু সাংসদ-অভিনেতাকে নিয়ে। এনা সাহার প্রযোজনা সংস্থা জারেক এন্টারটেনমেন্টের বিশ্বকর্মা পুজোয় একসঙ্গে উপস্থিত হলেন নুসরাত জাহান এবং যশ দাশগুপ্ত। শুক্রবার তাদের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই ফের গুঞ্জন।

সত্যিই যশকে বিয়ে করেছেন নুসরাত জাহান? এদিন তার সিঁথির সিঁদুর সেই তরজাই উসকে দিল আরও একবার। হালকা গোলাপি রঙের সালোয়াল কামিজ, কানে সোনার ঝুমকো দুলে চমৎকার লাগছিল ঈশান জননীকে। মাতৃত্বের আলোয় ঝলমল করছিলেন তারকা-সাংসদ। যশের পরনে হালকা নীল শার্ট ও জিনস। পুজোয় গিয়ে একসঙ্গে ছবিও তুললেন। খবর জি নিউজের।

সেই ছবিই সোশ্যাল মিডিয়ায় আসতেই কানাঘুষো শুরু হয়ে গিয়েছে। তাহলে কি নিখিলের মন্তব্যই সত্যি? আগেই নিখিল জানিয়েছিলেন, দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরে বিয়ে করেছেন নুসরাত ও যশ। সেদিন নুসরতের পরনে ছিল নিখিলের রঙ্গোলির শাড়়ি। তার সত্যতা অবশ্য জানা যায়নি। কয়েকদিন আগে ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন নুসরাত। সেখানেও নায়িকার সিঁথিতে জ্বলজ্বল করছে সিঁদুর।

ডিসেম্বর মাসে রাজস্থানে তোলা এই ভিডিও নিয়ে তখনও জলঘোলা কম হয়নি। নুসরাত-নিখিলের বিচ্ছেদের খবরের রোল ওঠে। কিন্তু শুক্রবার সন্ধ্যায় যে ছবি প্রকাশ্যে এসেছে তাতে চমকে উঠেছেন সকলে। এদিকে নিখিলের সঙ্গে মামলার নিষ্পত্তি হয়নি এখনও। তারই মাঝে একের পর এক বিতর্ক সামলে নিচ্ছেন নুসরাত জাহান।

নুসরাতের সন্তানের বাবা কে? এই প্রশ্নে সমাজের একাংশ যখন তার দিকে আঙুল তুলেছে তখন তার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। বলেছিলেন, “কার ঔরসজাত সন্তান সেটা বড় কথা নয়। বরং নুসরাত যে মা হতে চেয়েছেন, এত সমালোচনা-বিতর্কের পরও নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়াননি, সেটাই বড় কথা।”

কিন্তু ঈশানের বার্থ সার্টিফিকেটে যশের নাম উল্লেখ থাকার পর এই তসলিমা নাসরিনই অবশ্য মন্তব্য করেন, “আমি অবাক হব না যদি কোনওদিন প্রকাশ হয় যে গোপনে সে যশকে বিয়েও করেছেন।” আক্ষেপ করে বলেছিলেন, “কলকাতার অভিনেত্রী নুসরাত যতটা না বিপ্লবী তার চেয়ে বেশি ভেবে নিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম নুসরাত তার সন্তানকে শুধু নিজের সন্তান হিসেবে পরিচয় দেবে। কার স্পার্ম সে নিয়েছে গর্ভবতী হওয়ার জন্য, সেটা মোটেও উল্লেখযোগ্য বিষয় হবে না। কিন্তু না, নুসরাত আসলে অন্য যে কোনও রমণীর মতোই রমণী। সে সন্তানের বার্থ সার্টিফিকেটে সন্তানের পিতার নাম উল্লেখ করেছে।”
0 Share Comment
$
$