অনলাইন শপিং,ফ্রিল্যান্সিং ও অন্যান্য কাজ করার জন্য এই ওয়েবসাইটে একটি একাউন্ট থাকতে হবে। একাউন্ট খোলা মানেই টাকা দিতে হবে এমন না। ফ্রিল্যান্সার অথবা বায়ার, এর যে কোন একটি চয়েজ করে একাউন্ট তৈরি করতে হবে।অথবা শপিং সেকশনের যে কোন প্রোডাক্টের এ্যাড টু কার্ট বাটনে ক্লিক করেও আপনি একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন।সাইনআপ করুন এবং কাজ পোষ্ট করুন। ফ্রিল্যান্সারগণ কাজ খুজুন ও বিড করুন।একাউন্ট তৈরি হলে আপনি আপনার দেয়া ইউজার আইডি ও পাসওর্য়াড ব্যবহার করে সাইটে লগইন করতে পারবেন। You must have an account on this website for online shopping, freelancing and other activities. Opening an account does not mean that you have to pay. Freelancer or buyer, you have to create an account by choosing one of them. Or you can create an account by clicking on the add to cart button of any product in the shopping section.Sign up and post work. Freelancers find work and bid. Once the account is created, you can login to the site using your given user ID and password.

We have 57 guests and no members online

All Posts

3417 posts found

Deshi Group
13 September 2021, 23:03

খেজুরগাছিয়ার মিনি কক্সবাজার

0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:55

মুখে করে স্বর্ণ পাচার

মুখে করে স্বর্ণ পাচার
শরীরের স্ক্যান করতে গিয়ে মুখের মধ্যে ধাতুর উপস্থিতি টের পেয়েছিলেন শুল্ক দপ্তরের কর্মকর্তারা। উজবেকিস্তান থেকে আসা দুই নাগরিকের মুখ খোলাতেই তার মধ্যে ‘‌স্বর্ণ গহ্বর’‌ দেখে, অবাক হন কর্মকর্তারা।

সোনা পাচার করতে গিয়ে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হল দুই উজবেকিস্তানের নাগরিককে। অভিযুক্তদের মুখের মধ্যে লুকানো ৯৫১ গ্রাম সোনা উদ্ধার করেছে শুল্ক বিভাগের এয়ার ইন্টেলিজেন্স ইউনিট। এমনকী, দাঁতের মাড়ির নীচে সোনার চেনও লুকানো ছিল বলে সূত্রের খবর।

শুল্ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দুবাই হয়ে দিল্লি বিমানবন্দরে নেমেছিল দুই অভিযুক্ত উজবেকিস্তানের নাগরিক। বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় কাস্টমস চেকিংয়ে ধরা পড়ে যান ওই দুই ভিনদেশি পাচারকারী। তারপরই অভিযুক্তদের আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। সোনা উদ্ধারের পর তাদের গ্রেপ্তার করেন বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা।

অন্য দিকে, দিল্লি বিমানবন্দরে জামার কলার ও হাতার ভাঁজে ৫০০ গ্রাম সোনার পেস্ট পাচারের অভিযোগে আরও দুই পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে শুল্ক দপ্তরের কর্মকর্তারা। দুবাই থেকে ফেরার পথে দিল্লি বিমানবন্দরে ওই দুই যাত্রীদের আটক করা হয়।

শুল্ক দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুবাই থেকে আসা দুই যাত্রীর জামার কলার ও হাতার ভাঁজ থেকে ৫৬০ গ্রাম সোনার পেস্ট উদ্ধার করা হয়েছে। শুল্ক দপ্তর সূত্রে আরও জানা গেছে, আটকদের মধ্যে একজন বিহারের দারভাঙ্গা জেলার বাসিন্দা মহম্মদ উমর আলি (‌৩১)‌ ও উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র রাজভর (‌২৬)‌। দুবাই থেকে এফজেড ৪৩১ বিমানে দুবাই থেকে দিল্লিতে নামে অভিযুক্তরা।

তবে শুল্ক দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তল্লাশি ও ব্যাগেজ এক্স-রে করার সময় সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। তবে ওই দুই যাত্রীর উপর সন্দেহ হওয়ায়, তাদের পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করা হয়।
0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:48

গাঙ্গাটিয়া জমিদার বাড়ি

গাঙ্গাটিয়া জমিদার বাড়ি
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে গোবিন্দপুর ইউনিয়নে গাঙ্গাটিয়া জমিদার বাড়ি অবস্থিত। গাঙ্গাটিয়া জমিদার বাড়িটির গোড়াপত্তন শুরু হয় বৃটিশ শাসনামলের শুরুর দিকে। এই জমিদার বাড়িটির প্রতিষ্ঠাতা ভোলানাথ চক্রবর্তী। অন্যান্য জমিদার বাড়ির মতো এটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত না হয়ে এখনো এটি পুরোপুরি টিকে আছে, স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন। কেননা এখনো এই জমিদার বাড়িটির বংশধর এই বাড়িতে বসবাস করছেন।
এখনো এ বাড়িটি প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন বয়ে বেড়াচ্ছে। জমিদার বাড়ির ভেতরের অট্টালিকা চমৎকার কারুকাজ ও নৈপুণ্যে ভরা। তবে বাইরের অংশ জরাজীর্ণ।
জমিদার বাড়ির নহবতখানা, দরবারগৃহ ও একটি মন্দির বিশেষ স্থাপত্যের নিদর্শন হিসেবে উল্লেখযোগ্য। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বাড়িটি দেখতে পর্যটকরা আসেন।
এই জমিদার বাড়িটির বর্তমান বংশধর হচ্ছেন মানবেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী চৌধুরী। তিনি একাই এই বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। তার ভাই তপন চক্রবর্তী কয়েক বছর আগে মারা যান। বর্তমানে এই জমিদার বাড়িটি মানব বাবুর বাড়ি নামেই বেশ পরিচিত। তারা ছিলেন ব্রাহ্মণ বা পুরোহিত। যা হিন্দু ধর্মের শ্রেষ্ঠ ও মর্যাদাসম্পন্ন একটি জাতি। এই জমিদার বংশধররা ছিলেন উচ্চশিক্ষিত।
এই জমিদার বংশের আদি বসবাস ছিল ভারতের কাইন্নকব্জিতে। প্রায় শত বছর আগে তারা সেখান থেকে হোসেনপুরে এসে বসতি স্থাপন করেন। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে এ পরিবারের দীননাথ চক্রবর্তী হোসেনশাহী পরগনার অংশ বিশেষ নীলকর ওয়াইজের কাছ থেকে ক্রয় করে এ পরিবারের প্রথম জমিদারি প্রথার সূচনা করেন। এর কিছুকাল পর অতুলচন্দ্র চক্রবর্তী ‘পত্তনি’ সূত্রে আঠারো বাড়ির জমিদার জ্ঞানদা সুন্দরী চৌধুরাণীর কাছ থেকে দুই আনা-অংশ গাঙ্গাটিয়া জমিদার বাড়ির অন্তর্ভুক্ত করেন। বৃটিশ শাসনামলের শুরু থেকেই তাদের জমিদারিত্ব শুরু হয় এবং দেশ ভাগের পর জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হলে তাদের জমিদারিও শেষ হয়। বর্তমান জমিদার বাড়ি থেকে দক্ষিণে প্রথম তাদের বসতবাড়ি তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে সে বাড়ির পতিত ভিটায় গৌড়ীয় রীতির তৈরি একটি প্রাচীন শিবমন্দির রয়েছে। এ শিবমন্দিরটিই এ বংশের প্রতিষ্ঠিতদের নির্মিত প্রথম মন্দির। এ ছাড়াও বাড়ির সামনে রয়েছে সুবিশাল পুকুর। ব্রাহ্মণ্য ধ্যান-ধারণা, পূজা-পার্বণ, আচার অনুষ্ঠান পালনে এ অঞ্চলে এক সময় বিশেষ প্রভাব প্রতিপত্তি অর্জন করতে সমর্থ হয়েছিল। ইংরেজ আমলেও পরিবারটি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সাহিত্য সাধনায় বিশেষ স্থান অধিকার করেছিল। সাহিত্যিক গবেষক এবং হাইকোর্টের জজ দারনাথ চক্রবর্তী এ পরিবারেরই লোক ছিলেন। এলাকায় তারা মানব দরদি হিসেবে বেশ পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধের সময় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা এই বাড়িটি মুক্তিযোদ্ধাদের গোপন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করতেন। আর এ খবর জানতে পেরে এদেশীয় রাজাকারদের সহায়তায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এই জমিদার বাড়িতে হামলা চালায়। মানবেন্দ্র চক্রবর্তীর বাবা ভূপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের তারা নির্মমভাবে হত্যা করে। বর্তমানে পাকিস্তানি বাহিনী যে জায়গায় ভূপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়েছে সেখানে একটি সমাধি তৈরি করা হয়েছে। জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পর অনেকদিন ধরে কোনো সংস্কার না করার কারণে জমিদার বাড়িটি কিছু কিছু অংশ ভেঙে যায়। পরবর্তীতে বর্তমান জমিদার বংশধর মানবেন্দ্র চক্রবর্তী জমিদার বাড়িটি সংস্কার করে নতুনত্ব করে তোলেন। জমিদার বাড়িতে ঘুরে আসা বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নজরুল ইসলাম খায়রুল বলেন, এই বাড়িটি হোসেনপুর উপজেলার একটি দর্শনীয় স্থান। ঘন নিবিড় ছায়ায় গ্রামীণ পরিবেশে সময় কাটাতে মানুষজনকে আকর্ষণ করে। গাঙ্গাটিয়া জমিদার বাড়ির বর্তমান উত্তরসূরি মানবেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী চৌধুরী বলেন, প্রতিদিনই আমাদের বাড়িটি দেখতে অজস্র মানুষ আসেন। তারা বাড়িটি চারদিক ঘুরে দেখেন ও সময় কাটান।
0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:46

সিলেটের নুবায়শা তাক লাগিয়ে দিলো বিশ্ববাসীকে

সিলেটের নুবায়শা তাক লাগিয়ে দিলো বিশ্ববাসীকে
সিলেটের নুবায়শা তাক লাগিয়ে দিলো বিশ্ববাসীকে। বিশ্ব পত্রলিখন প্রতিযোগিতায় নগরীর আনন্দ নিকেতনের ছাত্রী নুবায়শা ইসলাম বিশ্বের লাখ লাখ কিশোর-কিশোরীকে পরাজিত করে বিশ্ব জয় করেছে। বিশ্ব ডাক সংস্থার (ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন-ইউপিইউ) আয়োজিত ৫০তম পত্রলিখন প্রতিযোগিতায় নুবায়শা প্রথম পুরস্কার লাভ করেছে। পত্র লেখার বিষয় ছিল কোভিড-১৯। নুবায়শা তার অনাগত বোনকে উদ্দেশ্য করে লেখা চিঠিতে করোনাকালে মৃত্যুভয়, স্বজন হারানোর ভয়ের কথা উল্লেখ করেও প্রচণ্ড আশাবাদ ব্যক্ত করে একটি ভালো সময়ের জন্য প্রত্যাশা করেছে। সিলেটের আনন্দ নিকেতন স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী চৌদ্দ বছর বয়সী নুবায়শা ইসলাম সুইজারল্যান্ডে গিয়ে পুরস্কার গ্রহণ করবে। তার সাফল্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার নিজের ফেসবুক আইডিতে সবাইকে চিঠিটি পড়ার আমন্ত্রণ জানিয়ে লিখেছেন, ‘নুবায়শাকে অভিনন্দন। পাশাপাশি আমরা তার পিতা-মাতা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেও অভিনন্দন জানাই।
জয় বাংলা। ভালো থাকো আমাদের স্বর্ণকিশোরী।’ নুবায়শা বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট-এর যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এবং সিলেট গ্রামার স্কুলের সিনিয়র শিক্ষিকা জেসমিন আক্তার দম্পতির একমাত্র কন্যা। নুবায়শার শখ বই পড়া এবং তার পছন্দের রং কালো। এদিকে, মাধবপুর এসোসিয়েশন সিলেট-এর পক্ষ থেকে নুবায়শাকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। নুবায়শার বাবা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম মাধবপুর এসোসিয়েশন, সিলেট-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:43

শ্রীলেখা মিত্র

0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:43

রোজীর অনলাইন প্রেমের ফাঁদ

রোজীর অনলাইন প্রেমের ফাঁদ
অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী উম্মে ফাতেমা রোজী (৩৫)। বাড়ি ঝালকাঠিতে। দেখতে সুন্দরী। কথা বলেন ইংরেজি-বাংলায়। মিষ্টি কণ্ঠে কথা বলে যে কাউকে মুগ্ধ করতে পারেন। পরিচয় দেন অস্ট্রেলিয়া ইমিগ্রেশন কনস্যুলার জেনারেল হিসেবে। ওই দেশের প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের কাছ থেকে পুরস্কৃত হয়েছেন বলে ছবি দেখান। অস্ট্রেলিয়ার ইমিগ্রেশনমন্ত্রী এলেক্স হাউকির সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে বলেও প্রচার করেন।
কিন্তু তার এসব প্রচারণার পেছনে কাজ করে ভিন্ন উদ্দেশ্য। কারণ তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বসে বাংলাদেশে প্রতারণার ফাঁদ পাতেন। দেশের বিভিন্ন শ্রেণি- পেশার ব্যক্তির সঙ্গে অনলাইনে মিথ্যা প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তারপর তাদের পরিবারসহ অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে স্থায়ী করার প্রলোভন দেখান। ভালো চাকরি পাইয়ে দেয়ার আশ্বাস দেন। বিশ্বাস করার জন্য ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে ভিসার আবেদন করান। কিন্তু বাস্তবে কারও কোনো ভিসা করাতে বা অস্ট্রেলিয়া নিয়ে যেতে পারেননি। বরং উল্টো ওইসব ব্যক্তির কাছ থেকে বিভিন্ন কথা বলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন। গত কয়েক বছরে অস্ট্রেলিয়া বসে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অসংখ্য ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছেন। তার প্রতারণা থেকে রেহাই পাননি সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। পরিবারের আট সদস্যসহ অস্ট্রেলিয়ায় যেতে চেয়েছিলেন তিনি। এজন্য তিনি রোজীকে ৭৫ লাখ ৩৮ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি তার পরিবার নিয়ে আর অস্ট্রেলিয়া যেতে পারেননি।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অস্ট্রেলিয়া নিয়ে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা হলো- মো. সাইমুন ইসলাম (২৬) ও আশফাকুজ্জামান খন্দকার (২৬)। এই দুজন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী উম্মে ফাতেমা রোজীর সহযোগী। খিলগাঁও থানার একটি মামলায় ঢাকার বনশ্রী এবং শাজাহানপুর থেকে সিআইডির ঢাকা মেট্রো পূর্বের একটি টিম তাদেরকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে অস্ট্রেলিয়া থাকায় এই প্রতারণার মূলহোতা উম্মে ফাতেমা রোজীকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

সিআইডি’র অতিরিক্ত ডিআইজি ইমাম হোসেন এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, উম্মে ফাতেমা রোজী বাংলাদেশি পুরুষদের টার্গেট করে অনলাইনে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন। এরপর দেশে এসে আস্থা অর্জন করেন। দেশে এসে টার্গেট করে অনেক পরিবারের সঙ্গে নিজে থেকে সখ্যতা বাড়ান। তাদেরকে অস্ট্রেলিয়া নিয়ে যাওয়ার লোভ দেখান। প্রস্তাব দেন একা গেলে ১৮ লাখ। আর সস্ত্রীক গেলে ২৩ লাখ। প্রস্তাবে রাজি হলে শুরু হয় প্রতারণা। রোজী অস্ট্রেলিয়া থাকলে প্রতারণার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে তার সহযোগীরা বিভিন্ন ব্যক্তিদের নাম ঠিকানা, পেশার তথ্য তার কাছে পাঠাতো। পরিচয়ের পর সখ্যতা একপর্যায়ে মিথ্যা প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে টার্গেটকৃত ব্যক্তির জাল ভিসা ও টিকিট বানিয়ে গাঢাকা দেয় প্রথমে রোজীর সহযোগীরা। তখন পর্যন্ত ভুক্তভোগী বুঝতে পারেন না তিনি ফাঁদে পড়ছেন। বুঝে ওঠার আগেই রোজী বিভিন্ন কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকা তার হেফাজতে নিয়ে যেতো। আর ভুক্তভোগী অ্যাম্বাসিতে গিয়ে যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে বুঝতে পারেন তার কাগজপত্র ও আবেদন পুরোটাই ভুয়া। আর পরবর্তীতে রোজী বা তার সহযোগীদের গাঢাকা দেয়ার বিষয় থেকেই নিশ্চিত হন তিনি ফাঁদে পড়েছেন।

সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের ৪৭ বছর বয়সী এক আইনজীবী রোজীর ফাঁদে পা দিয়ে প্রতারিত হয়েছেন। তার পরিবারের আট সদস্যসহ অস্ট্রেলিয়ায় যেতে চেয়েছিলেন। এজন্য তিনি দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৭৫ লাখ ৩৮ হাজার টাকা রোজীর অ্যাকাউন্টে দেন। এরপর কাগজপত্র ও ভিসা হাতে পেয়ে সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখতে পান সবগুলোই ভুয়া এবং জাল। পরে তিনি খিলগাঁও থানায় মামলা করেন রোজীর বিরুদ্ধে। এরপরই সামনে আসে তার প্রতারণার ঘটনা।

সিআইডি সূত্র জানায় পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে আইনজীবীর করা মামলার তদন্ত শুরু করে সিআইডি। মামলার তদন্ত করতে গিয়ে সিআইডি জানতে পারে, দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ান রিলেটিভ স্পন্সর মাইগ্রেশন সাবক্লাস (৮৩৫) পার্মান্যান্ট রেসিডেন্স জাল ভিসা প্রস্তুত করে বাংলাদেশের নিরীহ লোকজনদের অস্ট্রেলিয়াতে পাঠানোর নাম করে প্রতারণা করে আসছিল একটি চক্র। পরে চক্রের সদস্য সাইমুন ও আশফাকুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তাদের মূল হোতা উম্মে ফাতেমা রোজী। তার অস্ট্রেলিয়ান পাসপোর্ট নম্বর চঅ ৯৭৪০৩১২। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন। রোজী অস্ট্রেলিয়া বসে অনলাইনে অনেকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক করতেন। পরে তাদেরকে অস্ট্রেলিয়া নিয়ে যাওয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিতেন। দেশে থাকাকালীন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম এ বি এম খায়রুল ইসলামকে (৪৭), অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন মিথ্যা পরিচয় দেন। বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের জন্য আইনজীবীকে জানান, তিনি অস্ট্রেলিয়া ইমিগ্রেশন কনস্যুলার জেনারেল। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের কাছ থেকে পুরস্কৃত হয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার ইমিগ্রেশনমন্ত্রী এলেক্স হাউকির সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। এসব মিথ্যা পরিচয় দেন রোজী আরও অনেককে। এসব কারণে তার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ে। রোজী তার নিজ অ্যাকাউন্টে ৮ হাজার কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার রয়েছে বলে জাল ব্যাংক স্ট্রেটমেন্ট আইনজীবীর ই-মেইলে পাঠান। অস্ট্রেলিয়ার ইমিগ্রেশন মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আইনজীবীর পরিবারকে ভিসা পাইয়ে দেয়ার আশ্বাস দেন। তার এসব কথা শুনে ও প্রস্তাবে রাজি হয়ে নিজেসহ তার পরিবারে আরও আটজন সদস্যকে অস্টেলিয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রথমে ৭৫ লাখ ৩৮ হাজার টাকা পাঠিয়ে দেন। এরপর রোজীর অন্যতম সহযোগী মো. সাইমুন ইসলাম ও মো. আশফাকুজ্জামান খন্দকার অস্ট্রেলিয়ান অ্যাম্বাসির নিযুক্ত ভিএফএস গ্লোবাল বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেডের প্রতিনিধির মিথ্যা পরিচয় দিয়ে, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অস্ট্রেলিয়া অ্যাম্বাসির লোগোসহ ভিসা সংক্রান্ত সকল প্রকার কাগজ রোজীর মেইলে পাঠায়। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়ান অ্যাম্বাসির জাল ডকুমেন্ট আইনজীবীর মেইলে পাঠিয়ে জমা দিতে বলে। আইনজীবী ভিফিএস গ্লোবাল বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড অফিসে কাগজপত্র জমা দিতে গেলে সেখান থেকে বলা হয় সকল কাগজপত্র জাল।

সিআইডি জানিয়েছে, যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের কাছ থেকে জাল ভিসা প্রস্তুত কাজে ব্যবহৃত একটি কম্পিউটার, অস্ট্রেলিয়ার জাল ভিসা গ্রান্ট নোটিশ সাতটি, ফ্রি চিকিৎসার হেলথ মেডিকেয়ার কার্ড ৫টি ও অস্ট্রেলিয়ার বিমানের টিকিট ৬টি জব্দ করা হয়।
0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:36

হালাল পণ্যের সনদ দেবে বিএসটিআই‌

হালাল পণ্যের সনদ দেবে বিএসটিআই‌
এখন থে‌কে ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক হালাল পণ্যের সনদ দেবে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। বিএসটিআইয়ের সম্পাদক মঈনুদ্দীন মিয়া এ তথ্য নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন। এর আগে গত ৯ই সে‌প্টেম্বর শিল্প মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি গে‌জেট জারি করেছে। গে‌জেটে বলা হয়েছে, প্রক্রিয়াজাত দ্রব্য, প্রসাধন সামগ্রী, ওষুধ ও অন্যান্য সেবার জন্য বিএসটিআইয়ের পক্ষ থেকে হালাল সনদ দেয়া হবে। ক্ষুদ্র শিল্পে সনদ বা নবায়ন ফি এক হাজার টাকা। মাঝারি শিল্পে তিন হাজার ও বৃহৎ শিল্পের ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। জানা গেছে, কোনো প্রক্রিয়াজাত দ্রব্যের গায়ে বা লেবেলে অথবা সেবার অনুকূলে হালাল মার্ক ব্যবহারের উদ্দেশে সনদের জন্য বিএসটিআইয়ের নির্ধারিত ফরমে সংস্থাটির মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করতে হবে। সনদ দেয়া হবে তিন বছরের জন্য।
মেয়াদ শেষে নবায়নের আবেদন করা যাবে। সনদ দেয়ার আগে বিএসটিআইয়ের হালাল নিরীক্ষা দল সবকিছু যাচাই করবে। এরপর হালাল সনদ কমিটি বিএসটিআইয়ের কাছে সুপারিশ করবে। বিএসটিআই সন্তুষ্ট হলে তবেই সনদ দেবে। কোনো শর্তের ব্যত্যয় হলে বিএসটিআই পরে হালাল সনদ স্থগিত বা বাতিল করতে পারবে। সনদের জন্য আবেদন করার সময় প্রতিষ্ঠান ও কারখানার নাম-ঠিকানা, ব্র্যান্ড ও পণ্যের নাম ইত্যাদি উল্লেখ করতে হবে। অন্যদিকে ব্যক্তির ক্ষেত্রে আবেদনকারী স্বয়ং এবং প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মালিক, অংশীদার বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির সই থাকতে হবে। ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়াজাত দ্রব্য, প্রসাধন সামগ্রী, ওষুধ এবং অন্যান্য প্রক্রিয়া বা সেবাকে ‘হালাল’ বলে সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে।
0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:35

গণ্ডারকে উল্টো ঝুলিয়ে রেখে ‘ইগ নোবেল’ জয়

গণ্ডারকে উল্টো ঝুলিয়ে রেখে ‘ইগ নোবেল’ জয় | ছবি: বিবিসি


একটি গণ্ডারকে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখলে তার দেহে কী প্রতিক্রিয়া হয়? এই আজব বিষয়ে গবেষণার জন্য একদল বিজ্ঞানীকে এ বছরের ব্যঙ্গাত্মক ‘ইগ নোবেল পুরস্কার’ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞানভিত্তিক একটি রম্য পত্রিকা অ্যানালস অব ইমপ্রোব্যাবল রিসার্চ- এই ইগ নোবেল পুরস্কারটি দিয়ে থাকে। গণ্ডার সংক্রান্ত এই পরীক্ষাটি তাদের বিচারে ‘পরিবহন গবেষণা’ ক্ষেত্রে নোবেল পুরস্কার পেয়েছে।

এই ব্যঙ্গাত্মক নোবেল পুরস্কার অবশ্যই আসল নোবেল পুরস্কারের মত বিখ্যাত নয়, তবে একেবারে অখ্যাতও নয়।

এটি দেওয়া হয় যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, এবং তাতে আসল নোবেল-পুরস্কারপ্রাপ্তরা এসে ইগ নোবেল বিজয়ীদের পুরস্কার দেন।

অন্য আরো যারা ‌এ পুরস্কার পেয়েছেন- তারাও উদ্ভট বিষয় বেছে নেবার দিক থেকে কিছু কম যান না।

একটি দল গবেষণা করেছেন ফুটপাতে আটকে থাকা চুইংগামের ভেতরে যে ব্যাকটেরিয়া থাকে - তা নিয়ে । আরেক দল গবেষকের বিষয় ছিল- সাবমেরিনের মধ্যে তেলাপোকার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণের উপায় কী।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে এবার অবশ্য এই মজার অনুষ্ঠানটি হয়েছে অনলাইনে।

পত্রিকাটির বক্তব্য- এই পুরস্কারের খবর পড়ে প্রথমে আপনি হাসবেন, কিন্তু তার পর এটি আপনাকে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে বাধ্য করবে।

বলা হচ্ছে, গণ্ডারের গবেষণাটিও ঠিক তেমনি একটি ব্যাপার। কারণ, ১২টি গণ্ডারকে ১০ মিনিট ধরে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখার মত উদ্ভট কাজ আর কি হতে পারে?

কিন্তু নামিবিয়ায় গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পশু চিকিৎসক রবিন র‍্যাটক্লিফ এবং তার সহকারীরা যে গবেষণাটি করেছেন- তাদের লক্ষ্য ছিল পরিষ্কার।

তারা জানতে চেয়েছিলেন, প্রাণীদের যখন পায়ে দড়ি বেঁধে হেলিকপ্টারে করে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় - তা তাদের স্বাস্থ্যের ওপর কী প্রভাব ফেলে।

এবারের ইগ নোবেল পুরস্কার প্রদানের অনুষ্ঠানে যে আসল নোবেল বিজয়ীরা ছিলেন -তাদের মধ্যে আছেস ২০১৮ সালে রসায়নে নোবেল জয়ী ফ্রান্সে আর্নল্ড, ২০০১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল জয়ী কার্ল ওয়েইম্যান, আর ২০০৭-এ অর্থনীতিতে নোবেল পাওয়া এরিক ম্যাসকিন।

পুরস্কার হিসেবে ইগ নোবেলজয়ীরা পেয়েছেন একটি পিডিএফ প্রিন্ট-আউট - যা জোড়া দিয়ে তাদের নিজেদের ট্রফি বানিয়ে নিতে হবে। তাছাড়াও ছিল নগদ অর্থ হিসেবে ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের একটি জিম্বাবুয়েইয়ান জাল ব্যাংক নোট ।
0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:30

জনবল নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। শূন্যপদ
পূরণের লক্ষ্যে যোগ্যতাসম্পন্ন বাংলাদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে আবেদন চাওয়া
হয়েছে। একাধিক পদে ২৩ জনকে নেবে প্রতিষ্ঠানটি। ডাকযোগে করা যাবে আবেদন।

বিভিন্ন বিভাগে নিয়োগ—


১. ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তর  ৩ পদে ৩ জন

২. রেজিস্ট্রার অফিস ৩ পদে ৩ জন

৩. আইটিএন সেন্টার ২ পদে ২ জন

৪. কেমিকৌশল বিভাগ ১ পদে ১ জন

৫. গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ১ পদে ১ জন

৬. কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ১ পদে ১ জন

৭. দুর্ঘটনা রিসার্চ ইনস্টিটিউট ২ পদে ২ জন

৮. ভাইস চ্যান্সেলর অফিস ১ পদে ১ জন

৯. পরিকল্পনা ও উন্নয়ন পরিদপ্তর ১ পদে ১ জন

১০. যন্ত্রকৌশল বিভাগ ১ পদে ১ জন

১১. প্রকৌশল অফিস ১ পদে ১ জন

১২. বুয়েট-জিডপাস ১ পদে ১ জন

১৩. ডিএইআরএস অফিস ২ পদে ৩ জন

১৪. তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ ১ পদে ১ জন

১৫. পানি সম্পদ কৌশল বিভাগ ১ পদে ১ জন


এসব পদের প্রতিটির জন্য রয়েছে আলাদা আলাদা আবেদনের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও বয়সসীমা। নিয়োগের বিস্তারিত জানা যাবে বিজ্ঞপ্তিতে। বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে—


আবেদনের নিয়ম

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন প্ল্যাটফরম
https://regoffice.buet.ac.bd/ -এ থেকে আবেদন করতে হবে অথবা সরাসরি গিয়ে
যোগাযোগ করতে হবে।


আবেদনের শেষ সময়: আগ্রহীরা ২০২১ সালের ৫ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদনপত্র পাঠাতে পারবেন।

0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:28

জনবল নেবে ঠাকুরগাঁও পরিবার-পরিকল্পনা কার্যালয়

জনবল নেবে ঠাকুরগাঁও পরিবার-পরিকল্পনা কার্যালয়
শূন্যপদে জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ঠাকুরগাঁও জেলা পরিবার-পরিকল্পনা কার্যালয়। রাজস্ব খাতের দুটি পদে ৯১ জনবল নেবে প্রতিষ্ঠানটি। তবে এসব পদে শুধু ঠাকুরগাঁও জেলার স্থায়ী বাসিন্দারা আবেদন করতে পারবেন। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন করা যাবে অনলাইনে।

পদের নাম: পরিবারকল্যাণ সহকারী (গ্রেড ১৭)
পদ সংখ্যা: ৮৭ জন (নারী)
আবেদনের যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় পাস।
বেতন: ৯০০০/- থেকে ২১৮০০/-

পদের নাম: আয়া (গ্রেড ২০)
পদ সংখ্যা: ৪ জন (নারী)
আবেদনের যোগ্যতা: ৮ম শ্রেণি বা সমমান পাস।
বেতন: ৮২৫০/- থেকে ২০০১০/-

বয়স: আগ্রহী প্রার্থীর বয়স ২০২০ সালের ২৫ মার্চ হিসাবে ১৮-৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে; প্রতিবন্ধী ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা http://dgfptha.teletalk.com.bd -এ ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়: আগ্রহীরা ২০২১ সালের ১৩ অক্টোবর বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:25

গায়কের কপাল কেটে ২০৪ কোটি টাকার হীরা নিয়ে পালালেন ভক্ত

গায়কের কপাল কেটে ২০৪ কোটি টাকার হীরা নিয়ে পালালেন ভক্ত
অদ্ভুত সব কাণ্ড করে ভক্ত-অনুরাগীদের বিস্মিত করেন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় র‌্যাপার লিল উজি ভার্ট।

হঠাৎ ইচ্ছা হলো নিজের কপালে অমূল্য হীরা বসাবেন। যেটি কপালের টিপ হিসেবে জ্বলজ্বল করবে।

যেমন খুশি তেমন সাজোর মতোই কাণ্ডটি করলেন। সত্যি সত্যিই কপালের ওপর ছুরি-কাঁচি চালিয়ে বসালেন হীরা। যেনতেন হীরা নয়, ১১ ক্যারেটের ২৪ মিলিয়ন ডলার মূল্যের গোলাপি হীরা বসালেন তিনি কপালে।

অর্থাৎ লিল উজির হীরার টিপটির মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় ২০৪ কোটি টাকা!

কিন্তু এত দামি হীরা তার কপালে সইল না। এক লাইভ শোয়ে এসেই ২০৪ কোটির হীরা হারিয়ে ফেললেন এই র্যা প সিঙ্গার।

অবশ্য লিল হীরা হারাননি, শোয়ের দর্শকদের কেউ একজন তার কপাল কেটে হীরা নিয়ে চম্পট দিয়েছে।

সম্প্রতি মিয়ামিতে আয়োজিত রোলিং লাউড ফেস্টিভ্যালে শো’য়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন লিল উজি ভার্ট। শো চলাকালীন গান গাইতে গাইতে তিনি নেমে আসেন দর্শকদের মাঝে। আর সেখানেই ঘটে গেল বিপত্তি।

ওই গান পরিবেশনার সময় তাকে ঘিরে ধরেন শ্রোতারা। ভিড়ের মাঝে আচমকাই কেউ লিলের কপাল থেকে হীরা বের করে নেন! প্রথমে কিছু বুঝে উঠতে পারেননি লিল। এর পরই কপালে ব্যথা অনুভব করেন। দর্শকরা দেখেন লিলের কপাল থেকে রক্ত ঝরছে।

শো থামিয়ে চিকিৎসা নেন লিল। লিল এখন সুস্থই আছেন। কিন্তু হীরে হারিয়ে শোকে মুহ্যমান।

কপালে প্রায় ২০৪ কোটি টাকা মূল্যের হীরা বসিয়ে রাতারাতি আমেরিকার সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে এসেছিলেন লিল। এখন হীরা হারিয়ে ফের সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে উঠে এলেন লিল।



I’ve been paying for a natural pink diamond from Elliot for years now . This one Stone cost so much I’ve been paying for it since 2017. That was the first time I saw a real natural pink diamond. ♦️ A lot of M’s in my face ? ? ???????????????????????
— Uzi London ?☄️?® (@LILUZIVERT) January 30, 2021

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে হীরাটিকে দেখে কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন লিল। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিনি একটি গোলাপি হীরা কিনেছেন জানিয়ে টুইটও করেন। ডিজাইনার ইলিয়ট এলিয়েন্টের কাছ থেকে ২০৪ কোটি টাকার হীরাটি কেনেন। হীরার বীমাও করেন। চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে অস্ত্রোপচার করে তা কপালে বসিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র: সিএনএন
0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:21

বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগে আগ্রহী সার্বিয়া

বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগে আগ্রহী সার্বিয়া
বাংলাদেশ হতে কর্মী নিয়োগের ব্যাপারে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সার্বিয়ার শ্রম মন্ত্রী। সার্বিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শামীম আহসান সার্বিয়ার শ্রম, কর্মসংস্থান, প্রবীণ এবং সামাজিক বিষয়ক মন্ত্রী ডা. দারিজা কিসিচ তেপাভেভিচ এর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আগ্রহের কথা জানান।

এ সময় ঢাকা এবং বেলগ্রেডের মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধন এবং বিশেষ করে শ্রম এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার বিপুল সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন; পাশাপাশি উভয়ের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক-চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূতকে বৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ ও আধাদক্ষ কর্মী নিয়োগে সার্বিয়ান কোম্পানিগুলোর গভীর আগ্রহের কথা অবহিত করা হয়। অন্যদিকে সার্বিয়ার ন্যাশনাল এমপ্লোয়িমেন্ট এজেন্সির (National Employment Agency) তথ্যমতে সম্প্রতি বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য ৩০টি ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে ১৪ জন বাংলাদেশি কর্মী একটি জ্বালানি কোম্পানিতে (BEDEM) যোগদানও করেছেন। রাষ্ট্রদূত ৮ সেপ্টেম্বর বিইডিইএম (BEDEM) কোম্পানি পরিদর্শন করেন এবং সংস্থাটির শীর্ষ কর্মকর্তা ও কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। বাংলাদেশি কর্মীরা কোম্পানিতে কাজের পরিবেশ এবং কোম্পানির দেওয়া সুযোগ-সুবিধার ব্যাপারে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:19

দেশে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি বেড়েছে ১৫ শতাংশ

দেশে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি বেড়েছে ১৫ শতাংশ
বাংলাদেশে গত এক বছরে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি বেড়েছে ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। একই সময়ে বিশ্বব্যাপী মোবাইল ইন্টারনেটের গড় গতি গড়ে বেড়েছে ৫৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

মোবাইল ইন্টারনেটে বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে বাংলাদেশের গড় খারাপ হলেও এগিয়ে আছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতি। গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় চলতি বছরের জুলাইয়ে বিশ্বে ব্রডব্যান্ডের সংযোগের গতি বেড়েছে গড়ে ৩১ দশমিক ৮৭ শতাংশ। সম্প্রতি প্রকাশিত ইন্টারনেটের গতি পরীক্ষা ও বিশ্লেষণের প্রতিষ্ঠান ‘ওকলা’র তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি বাড়ার হার ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। অথচ এ সময়ে বিশ্বব্যাপী মোবাইল ইন্টারনেটের গতি গড়ে বেড়েছে ৫৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ২০২০ সালের জুলাইয়ে বিশ্বে মোবাইল ইন্টারনেটের ডাউনলোডের গড় গতি ছিল সেকেন্ডে ৩৪ দশমিক ৫২ মেগাবাইট (এমবিপিএস)। চলতি বছরের জুলাইয়ে এসে তা বেড়ে হয়েছে ৫৫ দশমিক শূন্য ৭ এমবিপিএস। আর বাংলাদেশে গত বছরের জুলাইয়ে মোবাইল ইন্টারনেটের ডাউনলোডের গড় গতি ছিল ১০ দশমিক ৯২ এমবিপিএস। এক বছরের ব্যবধানে তা হয়েছে ১২ দশমিক ৬ এমবিপিএস।

২০২১ সালে মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে শীর্ষ ১০ দেশটি দেশ হলো- সংযুক্ত আরব আমিরাত, দক্ষিণ কোরিয়া, কাতার, চীন, সাইপ্রাস, নরওয়ে, সৌদি আরব, কুয়েত, অস্ট্রেলিয়া ও বুলগেরিয়া।
0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:16

আগামীকাল গ্যাস থাকবে না যেসব জায়গায়

আগামীকাল গ্যাস থাকবে না যেসব জায়গায়
আগামীকাল মঙ্গলবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার কিছু জায়গায় ৮ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।সেসব জায়গায় গ্যাসের পাইপ লাইনের প্রতিস্থাপন করা হবে।

সোমবার তিতাসের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্যাস পাইপলাইন প্রতিস্থাপন কাজের জন্য মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টা উত্তর যাত্রাবাড়ীর মাদ্রাসা রোড এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এই এলাকার আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও সিএনজিসহ সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এছাড়া পাইপলাইন বন্ধ থাকায় এই এলাকার আশপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্প চাপ থাকতে পারে।
0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:08

জনস্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের দায়ে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি
অ্যাবটকে ৫০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার বা ৩১ হাজার ৩৫৩ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
গত ৮ সেপ্টেম্বর সিডনির একটি সমুদ্রসৈকতে মাস্ক ছাড়া অবস্থায় তার একটি ছবি
তুলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন এক ব্যক্তি। এ অভিযোগের ভিত্তিতে নিউ সাউথ
ওয়েলস রাজ্য পুলিশ সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে জরিমানা করে। 


এদিকে পুলিশের সময় নষ্ট করবেন না জানিয়ে জরিমানা প্রদান করার কথা
জানিয়েছেন টনি অ্যাবট। তিনি বলেন, ‘আমি স্বাস্থ্যবিধি মেনেই সামাজিক দূরত্ব
বজায় রেখে শরীরচর্চা করছিলাম। এ সময় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক নয়। তবে আমি এই
জরিমানার বিরুদ্ধে অবস্থান করে পুলিশের সময় নষ্ট করব না।’


প্রত্যক্ষদর্শী একজন জানিয়েছেন, মাস্ক না পরেই টনি অ্যাবট তার এক বন্ধুর
সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করছিলেন। এর আগে মাস্ক না পরার কারণে দেশটির
উপপ্রধানমন্ত্রীকেও জরিমানা করা হয়।


সূত্র : ডেইলি মেইল।

0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:07

যুক্তরাজ্যে প্রবেশে বাংলাদেশিদের জন্য যে রেড অ্যালার্ট দেওয়া হয়েছে,
সেটা বাংলাদেশের প্রতি বৈষম্য এবং পলিটিক্যাল ইস্যুও হতে পারে বলে মন্তব্য
করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।


আজ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের প্রবেশে দেশটির সরকারের রেড অ্যালার্ট
পলিটিক্যাল বিষয় কি না? সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে ড. মোমেন বলেন,
হতে পারে। তা না হলে, কেন তারা সেটা প্রত্যাহার করছে না। এটা আমাদের প্রতি
একটি বৈষম্য।


পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য বলছে, আমাদের জনগণ টিকা কম দিয়েছে
বলে রেড অ্যালার্ট দেওয়া হয়েছে। তবে আমাদের চেয়ে অনেক দেশ টিকা কম দিয়েছে।
তাদের কেন রেড অ্যালার্ট দেওয়া হয়নি।

0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:01

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বেদেনা আক্তার নামে এক নারী একসঙ্গে তিন ছেলে সন্তানের
জন্ম দিয়েছেন। গতকাল রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার
পাইকপাড়ার দি বসুন্ধরা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে
অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি তিন সন্তানের জন্ম দেন। মা ও দুই শিশু সুস্থ্য
রয়েছে। কিছু সমস্যা থাকায় এক শিশুর চিকিৎসা চলছে।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার নাসিরনগর উপজেলার পূর্বপাড়ার নূর ইসলামের
স্ত্রী প্রসব বেদনা নিয়ে বসুন্ধরা হাসপাতালে ভর্তি হন। স্বজনরা জানতেন তার
গর্ভে একসঙ্গে দুই সন্তান রয়েছে। তবে অস্ত্রোপচারের পর তিন সন্তান প্রসব
হয়।


হাসপাতালের চিকিৎসক খোকন দেবনাথ জানান, হাসপাতালের আসার পর প্রসূতির
কিছু শারিরিক সমস্যা ধরা পড়ে। এ অবস্থায় দ্রুত ওনার অস্ত্রোপচার করানো হয়।
জন্ম নেওয়া শিশুদের ওজন কিছুটা কম হওয়ায় ইউকিউবেটরে রাখা হয়েছে। ওই নারী এর
আগে আরো চার সন্তানের জননী।

0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:01

অটোমোবাইলে বাংলাদেশি তারকা ইছমাইল করিম চৌধুরী

অটোমোবাইলে বাংলাদেশি তারকা ইছমাইল করিম চৌধুরী
একসময় যাঁকে কেউ কাজেই নিতে চায়নি, সেই ইছমাইলের অটোমোবাইল ওয়ার্কশপে এখন ৩১৫ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। অসামান্য মেধার গুণে দেশ-বিদেশে খ্যাতি কুড়ানো ইছমাইল করীম চৌধুরী এমনকি নিজে গাড়ি তৈরির স্বপ্নও দেখছেন। ইছমাইল চীেধুরী মনে করেন, ‘সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন বাংলাদেশ গাড়ি রপ্তানি করবে।’ সেই স্বপ্নের পথ ধরে ধীরে ধীরে এগিয়েও যাচ্ছেন ইছমাইল। অটোমোবাইলের ওয়ার্কশপ ডিলার পরবর্তী ক্যাটাগরিতে মাসে সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতার খেতাব এখন তাঁর ঝুলিতে। তিনিই প্রথম বাংলাদেশি, যিনি একসঙ্গে টয়োটা, লেক্সাস ও মার্সিডিস বেঞ্জের সনদপ্রাপ্ত। তাঁরই ঝুলিতে লেক্সাসের এশিয়ার শ্রেষ্ঠ প্রকৌশলী পদক।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাড়ি। বাবা করীম হোসেন। বড় তিন ভাই উচ্চশিক্ষার পথে হাঁটলেও ইছমাইল পা বাড়ান হাতে-কলমে শিক্ষার পথে। এসএসসি পাসের পর ভর্তি হন কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে। বিষয় পাওয়ার টেকনোলজি। কৃতিত্বের সঙ্গে কোর্স সম্পন্ন করলেও বিপাকে পড়েন ১৯৯৮ সালে ইন্টার্ন করা নিয়ে। অনেকের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন, প্রায় সবাই তাঁকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। শেষে পরীক্ষার মাধ্যমে নাভানায় ইন্টার্ন করার সুযোগ পান। দক্ষতায় মুগ্ধ হয়ে নাভানা গ্রুপ ইছমাইলকে নিয়মিত কর্মী হিসেবে নিয়োগ দেয়।

চাকরি পাওয়ার পর ইছমাইল করীম চৌধুরী আরো বড় স্বপ্ন দেখা শুরু করেন। দিনে অফিস, রাতে নীলক্ষেত থেকে কম টাকায় কেনা পুরনো বই কিনে রাতে গাড়ির ম্যানুফ্যাকচারিং আত্মস্থ করতেন। বাংলাদেশ যখন নেট দুনিয়ায় প্রবেশ করে তখন ইছমাইল সাইবার ক্যাফেতে বসে বিভিন্ন গাড়ি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করতেন। এভাবে ধীরে ধীরে অন্যদের ছাড়িয়ে পৌঁছে যান অনন্য উচ্চতায়।

নাভানায় থাকাকালে পরীক্ষা দিয়ে টয়োটা টেকনিশিয়ান হিসেবে সনদপ্রাপ্ত হন, যা দেশের জন্য ছিল একটি রেকর্ড। কারণ আগে অনেকেই এই পরীক্ষায় অংশ নিলেও পাস মার্ক পেতে ব্যর্থ হন। এরপর ধাপে ধাপে প্রো-টেকনিশিয়ান ও মাস্টার টেকনিশিয়ান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ইছমাইল চৌধুরী। টয়োটা কম্পানি তাঁর দক্ষতায় মুগ্ধ হয়ে লেক্সাস গাড়ির ওপর উচ্চতর ট্রেনিংয়ে জন্য বাহরাইন (তৎকালীন এশিয়ার ট্রেনিং সেন্টার) পাঠায়। এশীয় অঞ্চলের সেই ট্রেনিংয়ে ১৭ প্রতিযোগীর মধ্যে পরীক্ষায় প্রথম হয়ে তিনি তাক লাগিয়ে দেন। তাঁর এ সাফল্যে অভিভূত হয়ে লেক্সাস ইছমাইলকে বাংলাদেশের ইনচার্জ বানিয়ে দেয়। এত দিন লেক্সাস গাড়ির জটিলতা হলে দুবাই কিংবা সিঙ্গাপুর থেকে টেকনিশিয়ান আনতে হতো! সেই যুগের অবসান হয় ইছমাইল চৌধুরীর হাত ধরে।

ইছমাইলকে তখনো টানছে আরো বড় কিছু করার স্বপ্ন। সাড়ে পাঁচ বছরের মাথায় নাভানার পাট চুকিয়ে যোগ দেন র‍্যাংগস গ্রুপের র‍্যানকন মটরসে। এবার হাইটেক ডায়াগনসিস কোর্স সম্পন্ন করে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সনদ তালিকায় নিজের জায়গা করে নেন ইছমাইল। এখানে একটি মজার ঘটনা ঘটে তাঁর জীবনে। ইছমাইল চৌধুরী বলেন, “মার্সিডিজ বেঞ্জ কম্পানির একটি হাইপ্রফাইল টিম বাংলাদেশ সফরে আসে ডিলার মুল্যায়ন করতে। প্রথমে তারা ম্যানেজারের মৌখিক পরীক্ষা নেয়, জানতে চায় তাঁর কোন কর্মীটি পরীক্ষায় প্রথম হবে? জবাবে ম্যানেজার প্রদীপ কুমার অন্য দুজনকে এগিয়ে রেখে আমাকে রাখেন তৃতীয় নম্বরে। ম্যানেজার সেদিন বলেছিলেন, ‘বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার যিনি, তিনিই প্রথম হবেন, আরেকজন দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন, তাই তিনি দ্বিতীয় হবেন। ও তো (ইছমাইল) মাত্র ছয় মাস হয় এখানে এসেছে!।’ সেই পরীক্ষায় আমি সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছিলাম। এতে মালিক পর্যন্ত আমার নাম পৌঁছে যায়।”

ইসলাম বলেন, ‘এ পর্যায়ে চিন্তা করলাম ওপরে উঠতে গেলে দক্ষতার পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হবে। তাই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হই। দিনে চাকরি আর রাত জেগে পড়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করি। ল্যানকনের চাকরির দেড় বছরের মাথায় প্যাসিফিক মোটরস থেকে অফার আসে। আমি প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে প্যাসিফিক মোটরসের মালিক র্যাংগস গ্রুপে ফোন করে আমাকে নিযে যান। যোগদান করেই জাপানে গেলাম ট্রেনিং নিতে। ৪৫ দিনের এওটিএস মেইনটেন্যান্সে ট্রেনিং করি। এন-স্টেপ-২ পরীক্ষায় প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে উত্তীর্ণ হই। এরপর ইউকে থেকে ইলেকট্রিক্যাল ও হাইব্রিড গাড়ির ওপর বিশেষ ট্রেনিং গ্রহণ করি।। এভাবে বিভিন্ন সময়ে আমেরিকা, কানাডা, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে মোট ১২টি উচ্চ পর্যায়ের কোর্সে অংশ নেন ইছমাইল।

এই পর্যায়ে এসে জীবনে আরো একটি বড় বাঁক আসে স্বপ্নবিলাসী এই মানুষটির। ইছমাইল বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই মনে স্বপ্ন অঙ্কুরিত হচ্ছিল নিজে কিছু করা। কারণ দেখতাম, এই সেক্টরটি এখনো অন্ধকারাচ্ছন্ন। অন্ধকারে অল্প আলোও নজরে আসে। চার বন্ধু মিলে ২০০৮ সালে তেজগাঁওয়ে একটি গ্যারেজ দিই। তখন আমার কাছে বলতে গেলে কিছুই জমা ছিল না, ধারদেনা করে অংশীদারি নিই। বছরখানেকের মধ্যে অনেক গাড়ি আসতে থাকে গ্যারেজে। গাড়ির লাইন ওয়ার্কশপ ছাড়িয়ে রাস্তা পর্যন্ত চলে যায়। আরো জায়গা নেওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু পার্টনাররা পিছিয়ে থাকেন। এতে টানাপড়েন শুরু হলে তাঁদের বলি হয় বিনিয়োগ বাড়ান, না হয় আরো পার্টনার নেন; তা না হলে আমার শেয়ার আপনারা কিনে নেন। শেষ পর্যন্ত বড় ভাইদের সঙ্গে পরামর্শ করে ২০০৯ সালে নিজের মাল্টিব্র্যান্ড ওয়ার্কশপের যাত্রা শুরু করি। বর্তমানে এক লাখ স্পেসের ওয়ার্কশপ আমাদের। আমরাই প্রথম এক ছাতার নিচে সব ধরনের গাড়ির সার্ভিসিং নিয়ে এসেছি। গ্রাহক সেবার মাধ্যমে কয়েক বছরেই আমরা (লোকাল ওয়ার্কশপ ক্যাটাগরিতে) সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতার খেতাব অর্জন করেছি। শুধু কোনো এক মাসে নয়, ধারাবাহিকভাবে এই অর্জন ধরে রাখতে পেরেছি শুধু গ্রাহক সন্তুষ্টির মাধ্যমে।’

সাফল্যের মূলমন্ত্র কী—এমন প্রশ্নের জবাবে এই তরুণ উদ্যোক্তা বলেন, ‘মাল্টিব্র্যান্ডের মূলমন্ত্র হচ্ছে, কেউ এককভাবে নয়, প্রত্যেকেই মালিক। কর্মী-মালিকে কোনো ভেদাভেদ নেই। দুপুরের খাবার, বিকেলের নাশতা সবার সমান। সবাই এক টেবিলে বসে দুপুরের খাবার সারেন। কর্মীদের কল্যাণে প্রভিডেন্ট ফান্ড গঠন করা হয়েছে, অনেকেই রাজি হচ্ছিলেন না, আমরা তাঁদের বুঝিয়ে রাজি করিয়েছি। করোনাকালেও কাউকে ছাঁটাই করা হয়নি, যাঁরা গ্রামে ফিরে গিয়েছিলেন তাঁদেরও ৫০ শতাংশ বেতন দিয়েছি। যে কারণে কর্মীরা মাল্টিব্র্যান্ডকে আপন করে নিয়েছেন।’

গ্রাহকসেবা বিবেচনায়ও ইছমাইল স্থাপন করেছেন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, ‘এই সেক্টরে বড় একটি অন্ধকার অংশ রয়ে গেছে! আমরাই প্রথম কাল্পনিক ভাউচার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করেছি, যা বিল আসবে তা-ই ভাউচার, ড্রাইভার কিংবা কারো প্ররোচনায় বেশি বিল করা হয় না। এতে অনেকটা বিড়ম্বনাও পোহাতে হয়েছে, অনেক করপোরেট গ্রাহক ছুটে গেছে আমাদের কাছ থেকে, কিন্তু আমরা ছিলাম অবিচল, তার ফল পেতে শুরু করেছি। অনেকেই আবার ফিরে এসেছে তাদের ভুল বুঝতে পেরে।’

ইছমাইল বলেন, ‘আমরা যেসব সার্ভিস দিচ্ছি, ছয় মাসের মধ্যে যদি একই সমস্যা হয় তাহলে ফ্রি সার্ভিসিং করা হয়। সেবা নেওয়া গাড়িগুলোর ডাটাবেইস সংরক্ষণ করা হয়। একটি গাড়ি কয়েক বছর পরে এলেও এক ক্লিকে তার আদ্যোপান্ত পাওয়া যাবে। এতে করে গাড়ির সার্ভিস সহজ হবে। জোর দেওয়া হয় সঠিক ডায়াগনসিসেও। তাই উন্নত ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে গড়া হয়েছে ওয়ার্কশপ। টেকনিশিয়ানদের নিয়মিত ট্রেনিংয় দিয়ে আপডেট করা হয়।’ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন, ‘একসময় লেক্সাস, মার্সিডিজ বেঞ্জের মতো ব্র্যান্ডগুলোতে সমস্যা হলে বিদেশ থেকে টেকনিশিয়ান আনতে হতো। এতে লাখ লাখ টাকা খরচ হতো, সেই সমস্যা দূর করেছি। এখন বিদেশ থেকে গাড়ি আমদানি করতে হচ্ছে। আশা করছি, একসময় বাংলাদেশে তৈরি গাড়ি বিদেশে রপ্তানি হবে।’

ইছমাইল বিশ্বাস করে, কঠোর শ্রমই সাফল্যের মূলমন্ত্র। বিশাল ওয়ার্কশপের মালিক হয়েও বস বনে যাননি। এখন সকাল ৭টায় অফিসে এসে দিনের কাজ শুরু করেন, চলে গভীর রাত পর্যন্ত। দুপুরে কর্মীদের সঙ্গে এক টেবিলে বসেই খাবার সারেন। তাই কখনোই কোনো কাজে পিছিয়ে যেতে হয়নি। অনেক সুহৃদ এগিয়ে এসেছেন ত্রাতা হিসেবে। মাল্টিব্র্যান্ড ওয়ার্কশপ এখন গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ হওয়ার পথে হাঁটতে শুরু করেছে। তাঁর হাতে প্রতিষ্ঠিত মাল্টিব্র্যান্ড অটোপার্টস, মাল্টিব্র্যান্ড ইনফোটেক এবং মাল্টিব্র্যান্ড মিত্সুবিশি সুনামের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

ইছমাইল চৌধুরী মনে করেন, এই শিল্পের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রেনিং দিয়ে দক্ষ লোক তৈরি করতে পারলে যেমন দেশে চাহিদা রয়েছে, তেমনি বিদেশেও উচ্চ বেতনের প্রচুর সুযোগ রয়েছে। তাঁর ওয়ার্কশপেই কেউ কেউ লক্ষাধিক টাকা বেতন পাচ্ছেন।

মেধাবী এই গাড়ির প্রযুক্তিবিদ বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়া যেমন গাড়ির সংখ্যা বেড়েছে, তেমনি ব্যাপক প্রসার ঘটেছে অটোমোবাইল সেক্টরের। সারা দেশে ছোট-বড় ৩৫ হাজারের মতো ওয়ার্কশপ রয়েছে। এতে প্রায় ১২ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে।
0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 22:00

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি চান এসপিরা

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি চান এসপিরা
ফেসবুক ও ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহির আওতায় আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন পুলিশ সুপাররা (এসপি)। পুলিশ হেডকোয়টার্সে চলমান 'ক্রাইম কনফারেন্সে' তাঁরা এ দাবি জানান।

পুলিশের সব রেঞ্জ ডিআইজি, এসপি, কমিশনার ও উপ-কমিশনারদের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ পুলিশের দুই দিনব্যাপী (১২-১৩ সেপ্টেম্বর) অপরাধ পর্যালোচনা সভা 'ক্রাইম কনফারেন্স' শুরু হয়েছে গতকাল রবিবার। এ ক্রাইম কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এম খুরশীদ হোসেন।

কনফারেন্সের শুরুর দিন জানুয়ারি-মার্চ ও এপ্রিল-জুন দুই কোয়ার্টারের সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি, যেমন- ডকাতি, দস্যুতা, খুন, দ্রুত বিচার আইনে মামলা, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা, অপহরণ, সিঁধেল চুরি, দাঙ্গা, মাদক, অস্ত্র ও গাড়ি উদ্ধার ইত্যাদির তথ্য তুলে ধরা হয়। এসব তথ্য তুলে ধরেন ডিআইজি (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) এ ওয়াই এম বেলালুর রহমান।

পুলিশ সুপাররা তাদের বক্তব্যে এসব অপরাধ দমনে ফেসবুক ও ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহির আওতায় আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেনে।

সভায় উপস্থিত থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পুলিশ সুপার জানান, সম্প্রতি দেশে ও দেশের বাইরে থেকে একটি মহল বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করে নানামুখী অপতৎপরতা শুরু করেছে। এ বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা করলেও এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। কারণ এই দুর্বৃত্তরা দেশের বাইরে অবস্থান করে দেশ ও সরকার, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বাহিনী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে। তাদের এসব অপতৎপরতা রোধে ফেসবুক, টুইটার ও ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনার পরামর্শ দেন তারা।

অপর একজন এসপি জানান, প্রযুক্তির অপব্যবহারের কারণে দেশে কিশোর অপরাধ মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে পূর্বে ধারণা না থাকায় এসব কিশোর অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা চান পুলিশ সুপাররা। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ বিষয়ে পুলিশের সব ক্রাইম ইউনিটে একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়।
0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 18:06

বিদ্যুতের পিক আওয়ার বিবেচনায় প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত
সারা দেশের সব সিএনজি স্টেশনে গ্যাস বিক্রি বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ বিভাগ।


সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


সহকারী সচিব সায়মা আক্তার স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,
গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসমূহের গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের স্বল্প ও
দীর্ঘমিয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়।


গত ১৯ জুলাই গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর গ্যাসের চাহিদা ও
সরবরাহের স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন নিয়ে বৈঠকে সিএনজি
স্টেশন বন্ধের এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও
খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টার উপস্থিতিতে এবং প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠিত সভাটি হয়।


সেদিনের নেয়া সিদ্ধান্তটি ছিল, বিদ্যুতের দৈনিক পিক-আওয়ারে সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখতে হবে।


এছাড়াও বিষয়টি সবাইকে জানাতে কমপক্ষে তিনটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়।

0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 18:06

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, ২০২৩ সাল থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার আসছে।


সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পরিমার্জিত
কারিকুলামের বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী ডা.
দীপু মনি। 


এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে শিক্ষামন্ত্রী জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা উপস্থাপন করেন।


শিক্ষামন্ত্রী জানান, পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী-পিইসি এবং
অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট-জেএসসি পরীক্ষা থাকবে না। সাময়িক
পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ষষ্ঠ শ্রেণিতে উন্নীত করা হবে। এতদিন নবম ও
দশম শ্রেণির কারিকুলামে এসএসসি পরীক্ষা হলেও ২০২৩ সাল থেকে পরিমার্জিত
কারিকুলামে শুধু দশম শ্রেণির সিলেবাসে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
হবে। এইচএসসি ফল হবে একাদশ ও দ্বাদশের ফল মিলিয়ে। এইচএসসির নাম ও গ্রেডিং
পদ্ধতিতেও আনা হচ্ছে পরিবর্তন।


ডা. দীপু মনি জানান, পরিমার্জিত শিক্ষাক্রমের খসড়া অনুমোদন দিয়েছেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শ্রেণিকক্ষেই পাঠদান সম্পন্ন করার ব্যবস্থা রেখে
পরিমার্জিত কারিকুলাম প্রণয়ন করা হয়েছে। আগামী বছর পরিমার্জিত
শিক্ষাক্রমের পাইলটিং চলবে। ২০২৩ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক
স্তরে তা বাস্তবায়ন করা হবে এবং ২০২৫ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন সম্পন্ন করা
হবে। এক্ষেত্রে প্রাথমিকে প্রথম শ্রেণি আর মাধ্যমিকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পাইলটিং
শুরু হবে।


তিনি বলেন, এতদিন নবম ও দশম শ্রেণির কারিকুলাম অনুযায়ী এসএসসি ও সমমানের
পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতো। পরিমার্জিত কারিকুলামে শুধু দশম শ্রেণিতে যা
পড়ানো হবে, তার ওপরে ভিত্তি করে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নবম ও দশম শ্রেণিতে মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসায়
শিক্ষা নামে বিভাগ তুলে দেয়া হচ্ছে। একটি সমন্বিত পাঠ্যক্রম থাকবে এই
পর্যায়ে। দশম শ্রেণি পর্যন্ত ১০টি বিষয় ঠিক করা হয়েছে। সেগুলোই সবাই পড়বে।
একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে গিয়ে ঐচ্ছিক বিষয়গুলো শিক্ষার্থীরা পড়বে। অর্থাৎ
উচ্চমাধ্যমিক থেকে বিজ্ঞান, মানবিক, বাণিজ্যে বিভাজন হবে।


ডা. দীপুমনি বলেন, পরিমার্জিত কারিকুলামে দশম, একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণি
শেষে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় বসবে। দশম শ্রেণি সমাপনী পরীক্ষা এসএসসি ফল
হিসেবে বিবেচ্য হবে। এছাড়া একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ফল মিলিয়ে প্রকাশ করা
হবে এইচএসসির ফল।


শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দক্ষতা অর্জনের বিভিন্ন কৌশল এই পরিমার্জিত
কারিকুলামে বলা আছে। শিখন সময় প্রাথমিকে কতটা, মাধ্যমিকে কতটা হবে তা বলা
আছে। আমরা সামষ্টিক মূল্যায়নের পাশাপাশি ধারাবাহিক মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব
দিয়েছি।


সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান নওফেল, মাধ্যমিক ও উচ্চ
শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা
বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 18:05

নতুন সম্পর্কের সূচনা মাহির, তবু টাইমলাইনজুড়ে শুধুই প্রাক্তন

নতুন সম্পর্কের সূচনা মাহির, তবু টাইমলাইনজুড়ে শুধুই প্রাক্তন
সব গুঞ্জনকে সত্যি করে বিয়ে করলেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা মাহিয়া মাহি।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুকে দ্বিতীয় বিয়ের কথা প্রকাশ্যে এনেছেন হালের আলোচিত এই অভিনেত্রী। রাকিব সরকার নামে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকে বিয়ে করেছেন মাহি।

পাত্রের নাম রাকিব সরকার। তিনি গাজীপুরের ব্যবসায়ী এবং রাজনীতিবিদ।

অবশ্য ১৩ সেপ্টেম্বর সারপ্রাইজ দেবেন বলে আগেই অনুরাগীদের জানিয়েছিলেন মাহি। যেমন কথা, তেমন কাজ। রোববার ঘড়ির কাঁটা ১২ টায় পোঁছাতেই নিজের নতুন জীবনের সূচনা করেন মাহি।

নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে মাহি নিজেই জানান তার বিয়ের কথা। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। আজ ১৩/০৯/২১ ইং, ১২টা ৫ মিনিটে আমাদের বিবাহ সম্পন্ন হলো। এর আগের সব কথা আসলেই গুজব ছিলো। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন এটাই একমাত্র চাওয়া’
নতুন সম্পর্কের সূচনা মাহির, তবু টাইমলাইনজুড়ে শুধুই প্রাক্তন
এর আগে ২০১৬ সালে জমকালো আয়োজনে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহি। এর কয়েক বছর পর থেকেই তার বিয়ে বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা গেলেও তা তিনি অস্বীকার করে আসছিলেন। এরপর গত মে মাসে মাহি নিজেই ফেসবুকে অপুর সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদের খবর জানান।

অন্যদিকে প্রথম স্বামী অপুও জানালেন তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটেছে। এরপর গুঞ্জন ওঠে মাহি কামরুজ্জামান সরকার রাকিব নামের এক রাজনীতিক-ব্যবসায়ীকে বিয়ে করছেন।

স্বামীকে অপুকে ডিভোর্স দেওয়ার পরেও মাহির টাইমলাইনজুড়ে অপুর বন্দনা। প্রাক্তন স্বামীর ছবি এখনো রয়ে গিয়েছে তার টাইমলাইনে। গত মার্চে পোস্ট করা এই ছবিগুলো এখন অতীত।

মাহি রোববার রাতে বিয়ের ঘোষণা দিলেও একটি সূত্র জানাচ্ছে মাসখানেক পূর্বেই বিয়ে হয়েছে রাকিবের সঙ্গে। মাহির টাইমলাইনে হলুদের কয়েকটি ছবি দেখা যাচ্ছে যেসব জুনে পোস্ট করা। গত মার্চে স্বামী অপুর সঙ্গে কোনো রিসোর্টে গিয়েছিলেন। সেই ছবিগুলো এখনো জ্বলজ্বল করছে। মাহি এখনো রেখে দিয়েছেন ছবিগুলো।
0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 17:49

মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের অপব্যবহার রোধে বিকাশের কর্মশালা

মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের অপব্যবহার রোধে বিকাশের কর্মশালা


মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় সেবাকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে চট্টগ্রামে পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে কর্মশালা আয়োজন করেছে বিকাশ।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ২৫০ তদন্ত কর্মকর্তা ও বিকাশের কর্মকর্তাদের নিয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সার্বিক সহায়তায় দামপাড়া পুলিশ লাইনে সম্প্রতি এই কর্মশালা আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিকাশের ইভিপি ও হেড অব এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স এ কে এম মনিরুল করিম।

কমপ্লায়েন্স মেনে যথাযথ পদ্ধতিতে এমএফএসের ব্যবহার নিশ্চিত করতে, আর্থিকখাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঠেকাতে ও এমএফএস সেবার অপব্যবহার রোধে সারা দেশের বিভিন্ন জেলায় ধারাবাহিক সচেতনতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে এ সমন্বয় কর্মশালা আয়োজিত হলো।

কর্মশালায় এমএফএস অপব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধসমূহ, অপরাধী চিহ্নিতকরণে প্রয়োজনীয় তথ্য সহায়তা এবং অপরাধী চক্র চিহ্নিতকরণের উপায় ও অপব্যবহার রোধে বিকাশের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এছাড়াও কর্মশালায় আর্থিক খাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঠেকাতে সচেতনতার মাধ্যমে কমপ্লায়েন্স পরিপূর্ণরূপে পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এমএফএস সেবার অপব্যবহার রোধে স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে কিভাবে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে পারেন সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 17:49

সর্বশেষ সরকারি বিধি মোতাবেক রণিখাই হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে  শূন্যপদে ১ জন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। 


আগ্রহী প্রার্থীদের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১৫
দিনের মধ্যে ১ হাজার টাকার অফেরৎযোগ্য পে-অর্ডার (কৃষি ব্যাংক),
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও মোবাইল নম্বরসহ সভাপতি বরাবর আবেদন করতে হবে।


যোগাযোগঃ সভাপতি, রণিখাই হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়, রণিখাই কামালবস্তি, কোম্পানীগঞ্জ, সিলেট‌।


মোবাইল : ০১৭১১-৩৮৮৫৮৯।


0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 17:49

জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২১
অনুযায়ী সরকারি বিধি মোতাবেক ঐতিহ্যবাহী মুন্সি কাদিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪
পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। 


পদের বিবরণ


১। কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর

২। নিরাপত্তাকর্মী

৩। আয়া

৪। অফিস সহায়ক


প্রত্যেক পদে ১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। 


আগ্রহী প্রার্থীদের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১৫
দিনের মধ্যে ২ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, শিক্ষাগত যোগ্যতার
মূল সনদের সত্যায়িত ফটোকপি ও ৩০০ টাকার পোস্টাল অর্ডারসহ (অফেরৎযোগ্য)
প্রধান শিক্ষক বরাবর আবেদন করতে হবে।


যোগাযোগঃ প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত ), ঐতিহ্যবাহী মুন্সি কাদিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়, মুন্সি কাদিরপুর, শিবচর, মাদারীপুর।


মোবাইল- ০১৭১৮-২৭৮৪৮৩।


0 Share Comment
$
$