অনলাইন শপিং,ফ্রিল্যান্সিং ও অন্যান্য কাজ করার জন্য এই ওয়েবসাইটে একটি একাউন্ট থাকতে হবে। একাউন্ট খোলা মানেই টাকা দিতে হবে এমন না। ফ্রিল্যান্সার অথবা বায়ার, এর যে কোন একটি চয়েজ করে একাউন্ট তৈরি করতে হবে।অথবা শপিং সেকশনের যে কোন প্রোডাক্টের এ্যাড টু কার্ট বাটনে ক্লিক করেও আপনি একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন।সাইনআপ করুন এবং কাজ পোষ্ট করুন। ফ্রিল্যান্সারগণ কাজ খুজুন ও বিড করুন।একাউন্ট তৈরি হলে আপনি আপনার দেয়া ইউজার আইডি ও পাসওর্য়াড ব্যবহার করে সাইটে লগইন করতে পারবেন। You must have an account on this website for online shopping, freelancing and other activities. Opening an account does not mean that you have to pay. Freelancer or buyer, you have to create an account by choosing one of them. Or you can create an account by clicking on the add to cart button of any product in the shopping section.Sign up and post work. Freelancers find work and bid. Once the account is created, you can login to the site using your given user ID and password.

We have 57 guests and no members online

All Posts

3417 posts found

Deshi Group
13 September 2021, 17:48

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডে জনবল নিয়োগের
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী
প্রতিষ্ঠানে সহকারী প্রকৌশলী (পুর) পদে মোট ২২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।


অনলাইনে আগামী ৫ অক্টোবর বিকেল ৫টা
পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের Online Recruitment Portal
(rms.bwdb.gov.bd/orms) লগইন করে প্রার্থীরাা আবেদন করতে পারবেন।


আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা- পুরকৌশল,
পানি সম্পদ বা কৃষি কৌশল বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী। এমএস ওয়ার্ড, পাওয়ার পয়েন্ট ও
এক্সেলসহ কম্পিউটার চালনার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।


প্রার্থীর বয়স ২০২০ সালের ২৫ মার্চ
পর্যন্ত ১৮ থেকে ৩০ বছর। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রতিবন্ধী প্রার্থীর
ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর। বেতন স্কেল ২২০০০ থেকে  ৫৩০৬০ টাকা।


0 Share Comment
Deshi Group
13 September 2021, 17:48

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি গভীর
নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরে ঝড়ো হাওয়া বয়ে
যেতে পারে। এ জন্য সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর (তিন নম্বর) সতর্কতা সংকেত
এবং নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর (এক নম্বর) সর্তকতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।


একইসঙ্গে দেশের রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও
সিলেট অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি এবং স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে দুই থেকে তিন ফুট
বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কার কথা বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।


আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মধ্য ও উত্তর
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া সুস্পষ্ট লঘুচাপটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।
এটি আরও ঘনীভূত হয়ে এখন উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে
খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, ঢাকা বিভাগের অনেক
জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেটের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী
দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের
দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি হতে পারে।


এদিকে নদীবন্দরগুলোর জন্য এক সতর্ক
বার্তায় বলা হয়, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী,
কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলগুলোর ওপর দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্বদিক
থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি
বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য এসব এলাকার বন্দরগুলোকে এক নম্বর
সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।


সমুদ্রবন্দরগুলোর সতর্ক বার্তায় বলা হয়,
গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিয় ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে।
এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। নিম্নচাপটি এখন চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৫৮৫
কিলোমিটার পশ্চিম ও দক্ষিণ পশ্চিম দূরে অবস্থান করছে। এছাড়া মোংলা সমুদ্র
বন্দর থেকে ৩৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে, পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৪২৫
কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে এবং কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৫৮৫ কিলোমিটার
পশ্চিম ও দক্ষিণ পশ্চিম দূরে অবস্থান করছে। এটি আরো পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম
দিকে অগ্রসর হতে পারে।


গভীর নিম্নচাপের কেন্দ্রস্থলের ৪৮
কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ৫০ কিলোমিটার,  যা দমকা বা ঝড়ো
হাওয়ার আকারে ৬০ কিলোমিটার পযন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গভীর নিম্নচাপের কেন্দ্রের
কাছে সাগর খুবই উত্তাল।


এজন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা
সমুদ্রবন্দরগুলোকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা
হয়েছে। একইসঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
পাশাপাশি গভীর সাগরে বিচরণ করতে না করা হয়েছে।


এছাড়া সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট,
ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালি, ভোলা ও চট্টগ্রাম বিভাগের
দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ২ থেকে ৩ ফুট বেশি
উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে।


ভারী বৃষ্টির সতর্কতায় বলা হয়, আগামী ২৪
ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে ভারী (৪৪ থেকে ৮৮
মিলিমিটার) থেকে অতি ভারী (৮৯ মিলিমিটারের বেশি) বৃষ্টি হতে পারে।


0 Share Comment
Deshi Group
12 September 2021, 20:45

ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো আরব আমিরাত

ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো আরব আমিরাত
বাংলাদেশসহ ১৫ দেশের ওপর থেকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে এসব দেশের নাগরিকরা উপসাগরীয় দেশটিতে ভ্রমণ করতে পারবেন। এনডিটিভি'র খবর।

শুক্রবার দেশটির সরকার জানিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত দুই ডোজ টিকা নিয়েই আমিরাতে ভ্রমণ করতে পারবেন ১৫ দেশের নাগরিক।

নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে-বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভিয়েতনাম, নামিবিয়া, জাম্বিয়া, কঙ্গো, উগান্ডা, সিয়েরা লিয়ন, লাইবেরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, নাইজেরিয়া ও আফগানিস্তান।

দেশটিতে ভ্রমণ ইচ্ছুক যাত্রীদের বেশ কিছু নিয়ম মানতে হবে। এর মধ্যে ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি অ্যান্ড সিটিজেনশিপের (আইসিএ) ওয়েবসাইটে ঢুকে অবশ্যই আবেদন করতে হবে। এছাড়া আমিরাতে যাওয়ার আগে অনুমোদিত টিকা সার্টিফিকেট উপস্থাপন করতে হবে যাত্রীদের।

বিমান ছাড়ার ৪৮ ঘণ্টা আগে একটি অনুমোদিত স্থান থেকে করোনা পরীক্ষা করাতে হবে। দেশ ছাড়ার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ওই পরীক্ষার নেগেটিভ ফলাফল প্রদর্শন করা আবশ্যক।
0 Share Comment
Deshi Group
12 September 2021, 20:35

আগামী বছরের মাঝামাঝি
সময়ে আফগানিস্তানের
৯৭ ভাগ
মানুষ দারিদ্র্যসীমার
নিচে চলে
যাবে বলে
আশঙ্কা প্রকাশ
করেছে জাতিসংঘ
উন্নয়ন কর্মসূচি
(ইউএনডিপি)। আফগান জনগণকে সহায়তা
করতে দ্রুত
জরুরি পদক্ষেপ
না নিলে
অর্থনৈতিক সংকট দেশটিকে গ্রাস করবে
বলেও শঙ্কা
প্রকাশ করেছে
সংস্থাটি।
আফগানিস্তানের সংবাদমাধ্যম টোলো
নিউজের একটি
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে; ইউএনডিপি সতর্ক
করে বলেছে,
রাজনৈতিক ও
অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের দ্রুত সমাধান না
হলে আফগানদের
৯৭ ভাগ
মানুষ ২০২২
সালের মাঝামাঝিতে
দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যেতে পারে। বিষয়টি
নিয়ে গত
বৃহস্পতিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম
আলজাজিরাও একটি প্রতিবেদনে করেছিল।
ওই প্রতিবেদনে আফগানিস্তানে
কর্মরত ইউএনডিপি’র প্রতিনিধি
আব্দুল্লাহ আল দারদারির বরাত দিয়ে
বলা হয়,
দেশটির নয়
বিলিয়ন ডলার
রিজার্ভ স্থগিত
থাকায় আফগানদের
বাণিজ্যে বড়
ধাক্কা আসতে
পারে।
এ ছাড়া
বাজেট এবং
রিজার্ভেও এর প্রভাব পড়তে পারে। অভ্যন্তরীণ
ও আন্তর্জাতিক
বাণিজ্যও বেশ
ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
গত ৯ সেপ্টেম্বর
ইউএনডিপি একটি
প্রতিবেদন প্রকাশ করে যেখানে দেখা
যায়, আফগানিস্তানের
বর্তমান পরিস্থিতি
দেশটির নাগরিকদের
জীবনে মারাত্মক
প্রভাব ফেলছে। এতে
প্রকট হয়ে
উঠছে অর্থনৈতিক
সংকট।
দেশটির জিডিপির
হিসাবে, সেখানে
দারিদ্র্যের হার ২৫ শতাংশ বেড়ে
যেতে পারে।

দীর্ঘ খরা, কোভিড
পরিস্থিতি, ব্যবসা বাণিজ্যে অচলাবস্থা, বৈদেশিক
রিজার্ভ আটকে
থাকা, পাবলিক
ফাইন্যান্সের পতন এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার
উপর ক্রমবর্ধমান
চাপ দ্রুত
বৃদ্ধি- আফগানিস্তানের
অর্থনৈতিক প্রতিকূলতা প্রবল হতে পারে
বলে মনে
করছে ইউএনডিপি।
জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব
এবং ইউএনডিপি’র এশিয়া
ও প্রশান্ত
মহাসাগরীয় অঞ্চলের ব্যুরোর পরিচালক ক্যানি
উইগনারাজা বলেন, মানবিক ও অর্থনৈতিক
দিক থেকে
আমরা আফগানিস্তানে
একটি বড়
বিপর্যয়ের মুখোমুখি হচ্ছি। অর্ধেকেরও
বেশি মানুষের
মানবিক সহায়তা
প্রয়োজন।
আফগান অর্থনীতির ধস
ঠেকাতে আন্তর্জাতিক
সম্প্রদায়ের প্রতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে
আহ্বান জানিয়েছেন
জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
আগামীকাল সোমবার
জেনেভায় একটি
বৈঠকে যোগদানের
কথা আছে
তার।
সেখানে আফগান
জনগণের জন্য
সহায়তা চাওয়ার
প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

0 Share Comment
Deshi Group
12 September 2021, 20:33

শুরু হলো শ্রেণীকক্ষের পাঠদান, শিক্ষার্থীদের উচ্ছাস

শুরু হলো শ্রেণীকক্ষের পাঠদান, শিক্ষার্থীদের উচ্ছাস
টানা ১৭ মাস বন্ধের পর আজ রোববার খুলেছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। করোনা মহামারীর কারণে দীর্ঘ অচলাবস্থা শেষে দেশজুড়ে সব প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসার শ্রেণীকক্ষে পাঠদান শুরু হওয়ায় প্রাণোচ্ছ্বল শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্ছাস দেখা গেছে। অভিবাবকরাও স্বস্তি অনুভব করছেন।

শিক্ষক ও কর্মচারীরা শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিয়েছেন নানা আয়োজনে। যারা নতুন স্কুলে ভর্তি হয়েছে, তারা আজ প্রথম ক্লাস করেছে। কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিশেষ আয়োজনে শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয়।

এরআগে ক্লাস শুরু করতে মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আলাদা সতর্কতা ও সচেতনতামূলক নির্দেশনা জারি করেছে। এসব নির্দেশনা ও নিয়মের আলোকে শুরু হয় শিক্ষা কার্যক্রম।

প্রতিষ্ঠান খোলার প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন পরিবেশে শ্রেণী কার্যক্রমে স্বাগত জানানোর জন্য স্কুল ও কলেজগুলোতে শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া ছিল। কোনো ধরনের জমায়েত বা অ্যাসেম্বলি না করা এমনকি পড়াশোনায় চাপ না দেওয়ার কথাও বলা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দুই মাসের মধ্যে কোনো ধরনের মূল্যায়ন ও আনুষ্ঠানিক পরীক্ষা না নেয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা রয়েছে। কভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে বা কোনো ধরনের উপসর্গের কারণে যদি শিক্ষার্থীরা ক্লাসে উপস্থিত হতে না পারে, তাহলে (যথাযথ প্রমাণ সাপেক্ষে) তাদের অনুপস্থিত হিসেবে গণ্য করা হবে না। সবার মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আবার মাস্ক পরার কারণে কোনো শিশু শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে কিনা, সে বিষয়ে শিক্ষকদের দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে।

এদিকে, সঠিক সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। রোববার আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে শ্রেণীকক্ষে শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শনে গিয়ে তিনি জানান, স্কুল-কলেজ না খোলার জন্য শয়ে শয়ে বার্তা ছিল। করোনা সংক্রমণের হার কমতে থাকায় কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গুর প্রভাবের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টদের এ ব্যাপারে সচেতন থাকার অনুরোধ করেন।

স্কুল ড্রেস নিয়ে শিক্ষার্থীদের এবং বেতন নিয়ে অভিভাবকদের চাপ না দেওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী। বলেন, শিক্ষার্থীদের বেতন নিয়ে অভিভাবকদের যেন চাপ দেওয়া না হয়। করোনার এই সময়ে অনেকের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
0 Share Comment
Deshi Group
12 September 2021, 20:28

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন,
বৈদ্যুতিক যানবাহনের চার্জিং নীতিমালা গ্রাহকবান্ধব হতে হবে। পুরো বিশ্বে
বর্তমানে অন্যতম আলোচিত বিষয় হলো বৈদ্যুতিক গাড়ি। চার্জিং স্টেশন কেমন হবে,
কি ধরনের ট্যারিফ নির্ধারণ হবে, যানবহনের সার্বিক তথ্য কোথায় -কিভাবে
সংরক্ষিত হবে, এসব বিষয়সমূহ নির্ধারণ করে আমাদের প্রস্তুতি এখন থেকেই নিতে
হবে।
আজ রোববার বৈদ্যুতিক যান চার্জিং বিষয়ক নির্দেশিকা : বিষয়ক ভার্চুয়াল সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 
বিদ্যুৎ 
প্রতিমন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সামনে দাঁড়িয়ে আমরা । নিরাপদ,
টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি এই বিপ্লবের গতিপথ পাল্টে দেবে। আবার অন্যদিকে
বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় পরিবেশ। পরিবেশের ভারসাম্য রাখতে
বৈদ্যুতিক গাড়ির উত্থান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে। এ সময় তিনি প্রত্যেকটি
বিতরণ কোম্পানিতে বৈদ্যুতিক যান চার্জিং বিষয়ক টিম রাখার নির্দেশ দেন।
পেট্রলচালিত
যানের ১ হাজার কিলোমিটার যেতে গড়ে যেখানে ৫ হাজার ৩৭৫ টাকা খরচ হয়। সেখানে
বৈদ্যুতিক যানবাহনের লাগবে ১ হাজার ২৫০ টাকা। বৈদ্যুতিক যানবাহন
পরিবেশবান্ধব এবং যানবাহনের যান্ত্রিক দক্ষতা পেট্রল যানের অনেক বেশি। সভায়
অংশীজনরা সম্বনিতভাবে কাজ করার আশা ব্যক্ত করেন। 

সেমিনারে
বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট  অথরিটি বিআরটিএ) চেয়ারম্যান বলেন, বৈদ্যুতিক
যানবাহনের রেজিস্ট্রেশনের কাজ চলমান। খুব দ্রুতই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাজ
শুরু হবে। আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে আসন্ন যান ব্যবস্থাপনায় নতুন যেসব
প্রযুক্তি সংযোজন করা হবে সেগুলো প্রয়োজনীয়। 
ভার্চুয়াল এই
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের সাথে বিদ্যুৎ সচিব মো, হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল-এর চেয়ারম্যান (সচিব) সত্যজিত কর্মকার,
স্রেডার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড
(পিডিবি)-এর চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন
বোর্ড (আরইবি)-এর চেয়ারম্যান মে.জে. মঈন উদ্দিন (অব.), পাওয়ার সেলের
মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন এবং বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন
প্রতিষ্ঠানের দপ্তর প্রধানগণ সংযুক্ত থেকে বক্তব্য রাখেন।

0 Share Comment
Deshi Group
11 September 2021, 11:40

তালেবান সরকারের শপথ বাতিল

তালেবান সরকারের শপথ বাতিল
তালেবানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে শনিবার তালেবান সরকারের শপথের যে খবর প্রকাশিত হয়েছে সেটিকে গুজব বলে উল্লেখ করেছেন তালেবানের সাংস্কৃতিক কমিশনের সদস্য ইনামুল্লাহ সামঙ্গানি।

তবে কবে এই শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি সামাঙ্গানি। তিনি এক টুইটবার্তায় বলেন, ‘নতুন আফগান সরকারের সূচনা অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। মানুষ যাতে বিভ্রান্ত না হন, সে জন্য ইসলামিক আমিরশাহির নেতৃত্ব মন্ত্রিসভার একাংশ ঘোষণা করেছে। যা ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে।’ খবর রুশ বার্তা সংস্থা তাসের।

১১ সেপ্টেম্বর তালেবান সরকারের শপথের যে খবর বেরিয়েছে সেটিকে গুজব বলে অভিহিত করেন তিনি। এর আগে বেশ কয়েকটি দেশকে সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানায় তালেবান। তবে রাশিয়া ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেবে না বলে নিশ্চিত করেছে।



মঙ্গলবার অন্তর্বর্তী সরকারের মন্ত্রিসভার ঘোষণা করেছিল তালিবান। সেই ক্যাবিনেটের উল্লেখযোগ্য পদাধিকারীদের নাম ঘোষিত হয়েছে। শরিয়তি আইন মেনে সরকার চালানোর কথা জানিয়েছে আফগানিস্তানের দখল নেওয়া তালিবান।
0 Share Comment
Deshi Group
11 September 2021, 11:36

‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯' অনুযায়ী গত জুনের শেষ দিকে সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদবিবরণী জরুরি ভিত্তিতে দাখিলের জন্য নির্দেশ দিয়েছিল সরকার। ওই নির্দেশের আড়াই মাস পেরিয়ে গেলেও কেউ সম্পদবিবরণী দাখিল করেননি। সম্পদের হিসাব চাওয়া হলেও কত দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে চিঠিতে তা উল্লেখ না থাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে রয়েছে গা ছাড়া ভাব।

এ কারণে সময় বেঁধে দিয়ে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পদের হিসাব দাখিল করতে ফের নির্দেশনা জারি করা হবে বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র। তারপরও কেউ হিসাব দাখিল না করলে বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সময় বেঁধে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, প্রয়োজনে মন্ত্রীরাও তাদের সম্পদের হিসাব জমা দেবেন। ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ অনুযায়ী পাঁচ বছর পর পর সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদবিবরণী দাখিল এবং স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা বিক্রির অনুমতি নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু ৩১ বছরেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ নিয়ম মানেননি। এই প্রেক্ষাপটে বিধিমালাটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সম্পদবিবরণী দাখিল ও স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা বিক্রির নিয়ম মানতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব/সচিবদের কাছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে গত ২৪ জুনে চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর আওতাভুক্তদের তাদের নিয়ন্ত্রণকারী প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়/দফতর/অধীন সংস্থায় কর্মরত সব সরকারি কর্মকর্তার সম্পদবিবরণী জমা, ওই সম্পদবিবরণীর ডাটাবেজ তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে স্থাবর সম্পত্তি অর্জন ও বিক্রয়ের অনুমতি নেওয়ার বিষয়ে 'সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯' পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রতিপালনের মাধ্যমে জরুরিভিত্তিতে ব্যবস্থা নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে জানানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা ও তদন্ত অনুবিভাগে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এখন পর্যন্ত কেউই সম্পদবিবরণী জমা দেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শৃঙ্খলা ও তদন্ত অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব এএফএম হায়াতুল্লাহ সময়ের আলোকে বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনে চাকরি করেন তারা সেই মন্ত্রণালয় ও বিভাগে সম্পদের হিসাব জমা দেবেন। ওই মন্ত্রণালয় ও বিভাগ পরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবে। এটা চলমান প্রক্রিয়া। এখনও কেউ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হিসাব জমা দিয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তবে কৃষি, খাদ্য, শিক্ষা, গণপূর্তসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখায় খোঁজ নিয়ে সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, সব কর্মকর্তাই এনবিআরের কাছে রিটার্ন দাখিল করেন। তাই নতুন করে সম্পদের হিসাব দাখিলের প্রয়োজন কী? সরকার চাইলে তো এনবিআরের কাছ থেকেই হিসাব নিতে পারে। সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব দাখিলে অনীহা বেশি। এ ছাড়া সম্পদের হিসাব চাওয়া হলেও কত দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে চিঠিতে বিষয়টি উল্লেখ না থাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে গা ছাড়া ভাব রয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সময়ের আলোকে বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা সবাই রিটার্ন দাখিল করেন। সেখানে যদি কেউ সম্পদ গোপন করেন তা হলে দুদক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে। আর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পদের হিসাব চেয়েছে সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী। তবে আরেকটি বিষয় হচ্ছে সম্পদ বা প্লট-ফ্ল্যাট ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসনের পূর্বানুমতি নিতে হবে। তাই বিধি অনুযায়ী কর্মকর্তাদের জন্য সম্পদের হিসাব দেওয়াটা কোনো সমস্যা নয়।

‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯'-এর 'মূল্যবান স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় উপ-শিরোনামের ১১ বিধিতে বলা হয়েছে, ‘প্রকৃত ব্যবসায়ীর সহিত সরল বিশ্বাসে লেনদেনের ক্ষেত্র ব্যতিরেকে একজন সরকারি কর্মচারী তাহার কর্মস্থল, জেলা বা যে স্থানীয় এলাকার জন্য তিনি নিয়োজিত, ওই এলাকায় বসবাসকারী, স্থাবর সম্পত্তির অধিকারী অথবা ব্যবসা বাণিজ্যরত কোনো ব্যক্তির নিকট পনের হাজার টাকার অধিক মূল্যের কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয়, বিক্রয় বা অন্য কোনো পন্থায় হস্তান্তর করিতে চাহিলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, বিভাগীয় প্রধান বা সরকারের সচিবের নিকট নিজের এ অভিপ্রায় ব্যক্ত করিবেন। সংশ্লিষ্ট কর্মচারী নিজেই বিভাগীয় প্রধান হইলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবের মাধ্যমে এবং সরকারের সচিব হইলে সংস্থাপন (জনপ্রশাসন) মন্ত্রণালয়ের সচিবের মাধ্যমে সরকারের নিকট অভিপ্রায় জানাইবেন। উক্ত অভিপ্রায়ের বক্তব্যে লেনদেনের কারণ ও স্থিরকৃত মূল্যসহ লেনদেনের সম্পূর্ণ বিবরণ এবং ক্রয়-বিক্রয় ব্যতীত অন্য কোনো পদ্ধতিতে হস্তান্তর করা হইলে, উক্ত হস্তান্তরের পদ্ধতি উল্লেখসহ লেনদেনের সম্পূর্ণ বিবরণ থাকিবে। অতঃপর সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ অনুসারে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী কাজ করিবেন। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী তাহার অধস্তন কর্মচারীর সহিত সকল প্রকার লেনদেনের ক্ষেত্রে পরবর্তী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিবেন।'

‘ইমারত নির্মাণ, ইত্যাদি উপ-শিরোনামের ১২(১) বিধিতে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী নির্মাণ ব্যয়ের প্রয়োজনীয় অর্থের উৎসের উল্লেখপূর্বক আবেদনের মাধ্যমে সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণ না করিয়া ব্যবসায়িক বা আবাসিক উদ্দেশ্যে কোনো ইমারত নির্মাণ করিতে পারিবেন না।'

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্পদবিবরণী দাখিলের ক্ষেত্রে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দিতে চায়। তাই শিগগিরই ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে নতুন করে আদেশ জারি করা হবে। তবে যেহেতু প্রধানমন্ত্রী নিজেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী তাই তার মতামত নিয়েই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ডিসেম্বরের পরে সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে যাবে। কারও সম্পদবিবরণী সন্দেহজনক মনে হলে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কেএম আলী আজম সময়ের আলোকে বলেন, সম্পদবিবরণী দাখিল একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রথমে তাগিদ দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে সময় বেঁধে দেওয়া হবে। আশা করা হচ্ছে, সবাই সম্পদবিবরণী দাখিল করবেন। অন্য কাজের মতো সম্পদের হিসাব দেওয়ার বিষয়টিও সরকারি চাকরিজীবীদের রুটিন দায়িত্বের মধ্যে থাকবে। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা অনুযায়ী পাঁচ বছর পরপর সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদবিবরণী দাখিল এবং স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা বিক্রির অনুমতি নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিনেও এটা মানা হয়নি। তাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব দিতে চিঠি দিয়েছি, যাতে আয়বহির্ভূত কোনো সম্পদ আছে কি না, সেটা আমরা চেক করতে পারি। প্রয়োজন হলে সরকারি চাকরিজীবীদের মতো মন্ত্রীরাও সম্পদের হিসাব দেবেন।

0 Share Comment
Deshi Group
11 September 2021, 11:33

‘নীরব এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বরিশাল নগরের তিনটি স্থানকে ।  স্থানগুলো হলো- বরিশালের শের-ই–বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সদর হাসপাতাল ও আবদুর রব সেরনিয়াবাত আইন মহাবিদ্যালয়–সংলগ্ন স্থান। বরিশাল আঞ্চলিক পরিবেশ অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দেয়। 
জানা যায়, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারি প্রকল্পের আওতায় ওই তিনটি প্রতিষ্ঠানসংলগ্ন স্থানকে নীরব এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এখন থেকে সেখানে শব্দদূষণ ও যানবাহনের হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে কারাদণ্ড, জরিমানাসহ উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে বৃহস্পতিবার বিকেলে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এতে অংশ নেন শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. তোতা মিয়া, সহকারী বায়োকেমিস্ট মো. মুনতাছির রহমান, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) বিভাগীয় সমন্বয়কারী মো. রফিকুল আলম। সহায়তা করে জেলা তথ্য অফিস।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তোতা মিয়া বলেন, শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০০৬ অনুসারে নীরব এলাকায় যানবাহন চলাচলকালে হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ এবং তা অমান্য করা দণ্ডনীয় অপরাধ। নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীরা এক মাস কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। পরবর্তী অপরাধের জন্য অনধিক ৬ মাস কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

0 Share Comment
Deshi Group
11 September 2021, 11:31

টুইন টাওয়ারে ভয়াবহ হামলার ২০ বছর আজ

টুইন টাওয়ারে ভয়াবহ হামলার ২০ বছর আজ
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার (টুইন টাওয়ার) হামলার ২০ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ২০০১ সালের এ দিনে পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয় ক্ষমতাধর যুক্তরাষ্ট্র।

পার্ল হারবার হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ভয়াবহতম এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে পরিবর্তন আসে বিশ্বরাজনীতিতে। এর জেরে আফগানিস্তান ও ইরাকে দুটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে জড়ায় যুক্তরাষ্ট্র।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে হামলার পাশাপাশি হামলা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর পেন্টাগনেও। এছাড়া ছিনতাই হওয়া আরও একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল পেনসিলভানিয়ার শাঙ্কসভিলে।

সেদিন স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে, নজিরবিহীন সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছিলেন প্রায় তিন হাজার মানুষ। এদের মধ্যে অন্তত ৭ জন ছিলেন বাংলাদেশি।

স্থানীয় সময় শনিবার সকালে নিহতদের স্মরণে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নিউইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ইতোমধ্যে হামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আনার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

আশঙ্কা করা হচ্ছে নতুন কোন যুদ্ধের ছক আকছে দেশটি। ইতোমধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনা নিয়ে এফবিআইয়ের তদন্ত প্রকাশ্যে আনার ঘোষণা দিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, পুনর্মূল্যায়ন করা কাগজপত্র থেকে এ হামলার সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পৃক্ততা থাকার ব্যাপারে নতুন কোনো তথ্য উপস্থাপন করা হবে। তবে সৌদি সরকার নাইন ইলেভেন হামলার নতুন তদন্তকে স্বাগত জানিয়েছে
0 Share Comment
Deshi Group
11 September 2021, 11:30

চলতি বছর ভারতে নারী নির্যাতনের অভিযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৪৬ শতাংশ। এ পরিসংখ্যানে সবার ওপরে রয়েছে উত্তর প্রদেশ। দ্বিতীয় দেশটির রাজধানী দিল্লি। সম্প্রতি ভারতের জাতীয় মহিলা কমিশন (এনসিডব্লিউ) প্রকাশিত পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে এসব তথ্য। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।
এনসিডব্লিউ’র পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত তাদের কাছে নারী নির্যাতন সম্পর্কিত মোট ১৯ হাজার ৯৫৩টি অভিযোগ জমা পড়েছে। গত বছর একই সময়ে এ ধরনের অভিযোগ এসেছিল ১৩ হাজার ৭১৮টি।
চলতি বছর শুধু জুলাই মাসেই ভারতজুড়ে নারী নির্যাতনের ৩ হাজার ২৪৮টি অভিযোগ পেয়েছে এনসিডব্লিউ। ২০১৫ সালের জুনের পর থেকে এক মাসে আর কখনোই এত বেশি নারী নির্যাতনের অভিযোগ পায়নি তারা।
ভারতের জাতীয় মহিলা কমিশন জানিয়েছে, চলতি বছর সবচেয়ে বেশি নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে উত্তর প্রদেশে। সেখানে মাত্র আট মাসে নারীদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ জমা পড়েছে ১০ হাজার ৮৪টি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দিল্লি। ভারতীয় রাজধানীতে নারী নির্যাতনের অভিযোগ নথিভুক্ত হয়েছে ২ হাজার ১৪৭টি। এছাড়া হরিয়ানায় অভিযোগের সংখ্যা ৯৯৫ এবং মহারাষ্ট্রে ৯৭৪টি।
চলতি বছর ভারতজুড়ে নারী নির্যাতনের যত অভিযোগ পাওয়া গেছে, তার অর্ধেকের বেশিই উত্তর প্রদেশের। এগুলোর বেশিরভাগই নারীদের সম্মানহানি, ঘরোয়া অশান্তি ও যৌতুকের দাবিতে বিবাহিত নারীদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা। এছাড়া, নারীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ এসেছে ১ হাজার ১১৬টি, ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ১ হাজার ২২টি এবং সাইবার অপরাধের অভিযোগ ৫৮৫টি।
অবশ্য এনসিডব্লিউর চেয়ারপারসন রেখা শর্মা মনে করছেন, ভারতে নারী নির্যাতন সংক্রান্ত অভিযোগের সংখ্যা বাড়ার অন্যতম কারণ, মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়া। এখন নারীরা নির্যাতনের ঘটনা চেপে না রেখে অভিযোগ জানাতে আসছেন।
তিনি আরও বলেন, গত বছর জানুয়ারি থেকে আগস্টের তুলনায় চলতি বছর এই আট মাসে দেশজুড়ে নারীদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ ৬৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বিষয়ে নিয়মিত সচেতনতা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে জাতীয় মহিলা কমিশন।

0 Share Comment
Deshi Group
11 September 2021, 11:29

প্রতিদিন নিবন্ধিত মোবাইল হ্যান্ডসেটের ১০% নকল

প্রতিদিন নিবন্ধিত মোবাইল হ্যান্ডসেটের ১০% নকল
ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে তিন দিনের স্মার্টফোন ও ট্যাব এক্সপোর প্রথম দিন বৃহস্পতিবার একটি স্টলে স্মার্টফোন দেখছেন এক দর্শক। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

দেশে প্রতিদিন এক লাখ ১০ হাজার নতুন মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন হচ্ছে, যেগুলোর মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশই অবৈধ ও নকল বলে ধরা পড়ার কথা জানিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

এ হিসাবে প্রতিদিন গ্রাহকের হাতে আসা ১১ হাজার অবৈধ ও নকল হ্যান্ডসেট চিহ্নিত হচ্ছে। এসব হ্যান্ডসেট নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়া মাত্র গ্রাহকের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বার্তা চলে যাচ্ছে যে, তার সেটটি ‘অবৈধ বা নকল’।

১ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গ্রাহকরা এগুলো ব্যবহারে ছাড় পেলেও ১ অক্টোবর থেকে অবৈধ ও নকল হ্যান্ডসেট বন্ধের প্রক্রিয়ায় যেতে কমিশনের কঠোর অবস্থানে থাকার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন- বিটিআরসি এর চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার।

যে ১০ শতাংশ হ্যান্ডসেট নকল বা অবৈধ বলে চিহ্নিত হচ্ছে- সেগুলোকে নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শহিদুল আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

দেশে নকল ও অবৈধ হ্যান্ডসেট আমদানি ঠেকাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা নিবন্ধনের এ প্রক্রিয়া চালু করেছে। কমিশনের ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার-এনইআইআর এর মাধ্যমে এ কার্যক্রম চলছে।

নিবন্ধনের এ কার্যক্রম শুরুর পর থেকেই বিপুল সংখ্যক অবৈধ ও নকল সেট ধরা পড়ার অবাক করা এ তথ্য মিলছে।

গত ১ জুলাই থেকে এনইআইআর এর কার্যক্রম শুরুর পর ২৪ অগাস্ট পর্যন্ত ৩০ কোটি ৬৬ লাখ এক হাজার হ্যান্ডসেট নিবন্ধন হয়েছে।

এর মধ্যে ৩০ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন মোবাইল ফোন অপারেটরের নেটওয়ার্কে থাকা ৩০ কোটি হ্যান্ডসেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়।

মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীরা এতে বেশ খুশি, কেননা তারা এর সুফল পেতে শুরু করেছেন। তারা বলছেন, এ কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর বৈধ হ্যান্ডসেটের বিক্রি বেড়েছে।

স্পেকট্রাম বিভাগের ডিজি শহিদুল আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বাংলাদেশে এ পর্যন্ত যত হ্যান্ডসেট নেটওয়ার্কে চালু হয়েছে, তার সবই নিবন্ধনে আনা হয়েছে।”

এনইআইআর কার্যক্রম শুরুর পর প্রতিদিন গড়ে এক লাখ ১০ হাজার হ্যান্ডসেট নিবন্ধন হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “এসব হ্যান্ডসেটের আনুমানিক ১০ শতাংশ অবৈধ ও নকল। আর নেটওয়ার্কে অ্যাকটিভ হওয়ার পর সাথে সাথে গ্রাহকদের এসএমএস পাঠানো হচ্ছে। নেটওয়ার্কে আসার দুই থেকে তিন মিনিটের মধ্যে তারা জানতে পারছেন যে তাদের সেটটি বৈধ না অবৈধ।”

অবৈধ সেট বন্ধের প্রক্রিয়া ১ অক্টোবর থেকে পুরোপুরি শুরু হচ্ছে জানিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “অক্টোবর ১ তারিখ থেকে কোন নমনীয়তা থাকবে না, ১ অক্টোবর থেকে অবৈধ ও নকল হ্যান্ডসেট নেটওয়ার্কে সচল থাকতে পারবে না।”

হ্যান্ডসেট আমদানিকারকদের সংগঠন বাংলাদশ মোবাইল ফোন ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন- বিএমপিআইএ এর যুগ্ম সম্পাদক মো. মেজবাহ উদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এনইআইআর কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর অবৈধ ও নকল হ্যান্ডসেট বিক্রি কমছে। কারণ আমরা দেখছি নতুন সেটগুলোর চাহিদা আগের চেয়ে বেড়েছে।”

আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু হলে আরও সুফল পাওয়া যাবে বলে তার প্রত্যাশা।

গত ১ জুলাই অবৈধ ও নকল হ্যান্ডসেট বন্ধে এনইআইআর কার্যক্রম শুরু করে বিটিআরসি। এ প্রক্রিয়ায় ১ জুলাই থেকে যেসব নতুন হ্যান্ডসেট নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে, সেগুলোর মধ্যে কোনোটি অবৈধ হয়ে থাকলে গ্রাহককে তা জানিয়ে তিন মাস সময় দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

পরীক্ষামূলকভাবে তিন মাস ওই সেট নেটওয়ার্কে সচল রেখে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আগেই জানিয়েছিল বিটিআরসি।

কমিশন বলছে, হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের এই প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় এখন থেকে কারো মোবাইল ফোন চুরি বা হারিয়ে গেলে খুব সহজেই তা উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

অবৈধ মোবাইল সেট বন্ধ করা এবং বৈধ সেটের নিবন্ধনে ডিসেম্বরে বিটিআরসির সঙ্গে চুক্তি করে দেশি কোম্পানি সিনেসিস আইটি। চুক্তি অনুযায়ী জুলাইয়ের মধ্যেই তারা এনইআইআর সিস্টেম চালু করে।

এখন থেকে হ্যান্ডসেট কেনা বা বিক্রির আগে যা করতে হবে

>> যে কোনো মাধ্যমে (বিক্রয় কেন্দ্র, অনলাইন বিক্রয় কেন্দ্র, ই-কমার্স সাইট ইত্যাদি) মোবাইল হ্যান্ডসেট কেনার আগে অবশ্যই হ্যান্ডসেটটির বৈধতা যাচাই করতে হবে।

>> সেজন্য একটি পদ্ধতি অনুসরণের পাশাপাশি হ্যান্ডসেটের ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ করতে বলছে বিটিআরসি। মোবাইল হ্যান্ডসেটটি বৈধ হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এনইআইআর সিস্টেমে নিবন্ধিত হয়ে যাবে।

# মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বরটি লিখতে হবে। যেমন: KYD 123456789012345

# আইএমইআই নম্বরটি লেখার পর ১৬০০২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি মেসেজ মোবাইল হ্যান্ডসেটের বৈধতা সম্পর্কে জানিয়ে দেওয়া হবে।
0 Share Comment
Deshi Group
11 September 2021, 11:26

আইনস্টাইন জিহ্বা বের করে ছবি তুলেছিলেন কেন?

আইনস্টাইন জিহ্বা বের করে ছবি তুলেছিলেন কেন?
অ্যালবার্ট আইনস্টাইন। জগদ্বিখ্যাত এই পদার্থবিদের বহু আচরণই অনেকের কাছে বিস্ময়ের। আইনস্টাইনের ছবির প্রসঙ্গ উঠলে চোখের সামনে প্রথমেই ভেসে ওঠে ৭০ বছর আগে তোলা এই ছবিটি। কিন্তু অনেকেই জানেন না কেন জিহ্বা বের করা অবস্থায় এমন অদ্ভুত ছবি তুলেছিলেন তিনি!

৪ মার্চ, ১৮৭৯ সালে জার্মানির উলমা শহরে জন্ম আইনস্টাইনের। ১৯৫১ সালে তিনি আমেরিকায় থাকতেন এবং নিউ জার্সির প্রিন্সটনে ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিতে গবেষণা করতেন।

জন্মদিন উপলক্ষে ওই গবেষণা কেন্দ্রেই তার সহকর্মীরা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে আইনস্টাইনের যোগ দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই গবেষণা কেন্দ্রের বাইরে ভিড় জমাতে শুরু করেছিলেন পাপারাজ্জিরা।
ইনস্টিটিউটের বাইরে আইনস্টাইনের জন্মদিনের ওই মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি করতে তৈরি ছিলেন তারা। সে খবর আইনস্টাইনের কানেও পৌঁছেছিল।

সংবাদমাধ্যম, ক্যামেরার ঝলকানি বরাবরই অপছন্দ ছিল আইনস্টাইনের। পাপারাজ্জিদের এড়িয়ে কোনমতে গাড়িতে উঠে বসে পড়লেও ক্যামেরার ঝলকানি এড়াতে পারেননি।

আইনস্টাইন তখন একদিকে ওই ইনস্টিটিউটের তৎকালীন অধিকর্তা ফ্রাঙ্ক আয়দেলট এবং তার স্ত্রী মেরির মাঝে স্যান্ডউইচের মতো প্রায় লুকিয়ে বসেছিলেন।

পাপারাজ্জিদের ক্যামেরার ঝলক এবং তাদের বিভিন্ন প্রশ্নে বিরক্ত হয়ে বারবারই তাদের ছবি তোলা বন্ধ করার অনুরোধ করছিলেন তিনি। ঠিক সে সময়ই এক চিত্রগ্রাহকের পক্ষ থেকে হাসি মুখে ছবি তোলার অনুরোধ ভেসে আসে।

তিতিবিরক্ত আইনস্টাইন হাসির বদলে জিভ বার করে এই অদ্ভুত ভঙ্গি করেছিলেন। সেটিই চিত্রগ্রাহক আর্থার স্যাসের ক্যামেরায় বন্দি হয়ে যায়। পরবর্তীকালে এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং একটি আইকনিক ছবিতে পরিণত হয়।

তবে ছবিটির বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জনের পিছনে কিন্তু ওই চিত্রগ্রাহকের কোনও হাত ছিল না। আইনস্টাইন নিজেই এটি জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন। ছবিটি তার এতটাই পছন্দ হয়েছিল যে তার একাধিক কপি ওই চিত্রগ্রাহকের কাছ থেকে নিয়েছিলেন তিনি। তারপর গাড়িতে তার দু'পাশে বসে থাকা দু'জনকে কেটে বাদ দিয়ে দেন কপিগুলো থেকে।

এই কপিগুলো পরিচিতদের পাঠাতে শুরু করেন আইনস্টাইন। তাতে ক্যাপশন ছিল, 'বেরিয়ে থাকা জিহ্বাই আমার রাজনৈতিক ধারণার প্রতিবিম্ব।' এরপরই মূলত সেটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

২০০৯ সালে তার সই করা আসল ছবিটি নিলামে বিক্রি হয়। দাম উঠেছিল প্রায় ৫৫ লক্ষ টাকা। আসল ছবিটি ১৯৫১ সালে তোলা হয়েছিল।

এই ছবিটি ছাড়াও তার আরও বেশ কিছু বিষয় অনেককেই বিস্মিত করে। রোজ অন্তত ১০ ঘণ্টা ঘুমোতেন তিনি। তার মতে, এই ঘুমের মধ্যেই তিনি নাকি কঠিন সমস্যার সমাধান করে ফেলতেন।

তার এমন কিছু স্বভাব ছিল, যেগুলো অনেকের কাছে মোটেই স্বাভাবিক ছিল না। তার মতো একজন বিজ্ঞানী যে এগুলো করতে পারেন, তা কল্পনাও করতে পারতেন না অনেকে। আবার অনেকের মতে, এই স্বভাবগুলোই আইনস্টাইনের মস্তিষ্ককে আরও তীক্ষ্ণ করে তুলেছিল।

তিনি কখনও মোজা পরতেন না। ছোট থেকেই এই অভ্যাস তৈরি হয়েছিল তার। বিশ্বাস করতেন, যা আরামদায়ক সেটাই পরা উচিত। মোজা তার কাছে একেবারেই আরামদায়ক ছিল না।

মস্তিষ্কের সঙ্গে হাত আর চোখের সমন্বয় ঘটানোর জন্য রোজ ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভায়োলিন বাজাতেন। আইনস্টাইনের দাবি ছিল, এতে নাকি কর্টিসল হরমোনের মাত্রা কমে মন চাপমুক্ত থাকে।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

0 Share Comment
Deshi Group
11 September 2021, 11:21

ফ্রান্সে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম তালহা

ফ্রান্সে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম তালহা
খন্দকার মোহাম্মদ তালহাকে ফ্রান্সের নতুন রাষ্ট্রদূত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। তিনি বর্তমানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় শাখার মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তালহা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ব্যবসা প্রশাসন ইনস্টিটিউট থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ ইউনিভার্সিটি থেকে পররাষ্ট্র ও বাণিজ্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। খন্দকার মোহাম্মদ তালহা ফ্রান্সের সাবেক রাষ্ট্রদূত কাজী ইমতিয়াজ হোসেনের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

১৫তম ব্যাচের পররাষ্ট্র ক্যাডারের কর্মকর্তা তালহা কূটনীতিক হিসেবে নিউইয়র্ক ও জেনেভায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এবং লন্ডন ও তেহরানে বাংলাদেশ মিশনে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এর আগে খন্দকার তালহা ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিফ অব প্রটোকল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং দক্ষিণ এশিয়া এবং বহুপাক্ষিক অর্থনৈতিক বিষয়ক শাখায় বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।
0 Share Comment
Deshi Group
11 September 2021, 11:20

কেন ‘সমুদ্রের স্বর্ণ’ বলা হয় এই মাছকে?

কেন ‘সমুদ্রের স্বর্ণ’ বলা হয় এই মাছকে?
ভারতের মহারাষ্ট্রের পালঘরের কয়েকজন মৎস্যজীবী সম্প্রতি সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। তাদের জালে বেশ কিছু ঘোল মাছ ওঠে। আর তা দিয়েই ভাগ্য বদলে যায় তাদের। কোটি টাকায় নিলাম হয় সেই মাছ।

অন্যান্য মাছের মতোই দেখতে, মুখের দিকে সোনালি আভার এই মাছ কেন এত দামি?

দামের জন্যই ‘সমুদ্রের স্বর্ণ’ বলা হয় এই মাছকে। এর বিজ্ঞানসম্মত নাম ‘প্রোটোনিবিয়া ডায়াকানথুস’।
ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, হংকং, সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়—এই সব দেশে এই মাছের চাহিদা খুব বেশি।

এই মাছে রয়েছে ঔষধি গুণ। আর এ কারণেই এর মূল্য এত বেশি। মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ওষুধ উৎপাদন সংস্থাগুলো এই মাছ কিনে নেয়। তারপর এর দেহের প্রায় প্রতিটি অংশ দিয়েই তৈরি হয় ওষুধ।

এই মাছের বায়ু পটকা দিয়ে বৃক্কের নানা রোগ নিরাময়ের ওষুধ তৈরি হয়। বিশেষ করে বৃক্কে (কিডনি) পাথর জমলে, তা দূর করতে নাকি দারুণ উপকারী ঘোল মাছের পটকা থেকে উৎপন্ন ওষুধ।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং যৌন ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে ওই মাছের হৃদয় (হার্ট)। যে কারণে এর হৃদয়কে ‘স্বর্ণের হৃদয়’ও বলা হয়।

মাছের পাখনাও ফেলে দেওয়া যায় না। পাখনা দিয়েও নানা ওষুধ তৈরি হয় এবং দামি মদ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ, ভিটামিন রয়েছে এই সামুদ্রিক মাছে। অস্ত্রপচারের পর দেহের সঙ্গে মিশে যাওয়া সেলাইয়ের সুতো তৈরিতেও ব্যবহার করা হয় এই মাছের শরীরের অংশ।

এই মাছের দাম নির্ভর করে এর ওজন এবং মাছটি পুরুষ না স্ত্রী, তার ওপর। একটি ৩০ কেজির পুরুষ ঘোলের দাম অন্তত চার থেকে পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।

অন্যদিকে, ওই ওজনের একটি স্ত্রী ঘোলের দাম অনেকটাই কম হয়। এক থেকে দু’লাখ টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করে।

দেহের ভিতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের আকার এবং কতটা পুরু তার ওপরও নির্ভর করে দাম।

এর আগে সাড়ে ১৯ কেজির একটি ঘোল মাছ ধরা পড়েছিল ভারতের উড়িষ্যায়। এক ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা সেটি আট হাজার টাকা কেজিতে কিনেছিল। তারপর ২০১৯ সালে ১০ কেজি ওজনের মাছ ধরা পড়েছিল জালে। বিক্রি হয়েছিল কেজি প্রতি ১০ হাজার টাকায়। ১৯ কেজির ওই মাছটিই এখনও পর্যন্ত ভারতে ধরা পড়া সবচেয়ে বড় ঘোল মাছ। সম্প্রতি ভারতের মহারাষ্ট্রের পালঘরের ওই মৎস্যজীবীরা ১৫৭টি ঘোল মাছ পেয়েছেন। যা বিক্রি হয়েছে ১ কোটি ৩৩ লাখ রুপিতে।
0 Share Comment
Deshi Group
11 September 2021, 11:19

বিশ্বের ‘বৃহত্তম সাপ’ এখন আবুধাবিতে

বিশ্বের ‘বৃহত্তম সাপ’ এখন আবুধাবিতে
সম্প্রতি বিশাল একটি সাপের ঠাঁই হয়েছে আবুধাবির দ্য ন্যাশনাল অ্যাকুরিয়ামে। সাপটির বয়স ১৪ বছর, ওজন ১১৫ কেজি। সাত মিটার (২২.৯৬ ফুট) লম্বা সাপটিকে টান করে ধরতে লোক লেগেছিল মোট ১২ জন। ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমানে বিশ্বে প্রদর্শনের জন্য রাখা জীবিত সাপগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড়।

খালিজ টাইমসের খবর অনুসারে, দীর্ঘকায় সাপটি রেটিকিউলেটেড পাইথন বা জালের মতো নকশাযুক্ত অজগর। এটিকে টিএনএ’র প্লাবিত বনাঞ্চল অংশে রাখা হবে। সেখানে আরও আট সহস্রাধিক প্রাণীকে সঙ্গী হিসেবে পাবে অজগরটি।

রেটিকিউলেটেড পাইথনের আদিনিবাস দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়া। এটি বিশ্বের দীর্ঘতম সাপ। তারা উন্মুক্ত পরিবেশে ৫ মিটার বা প্রয়া ১৬ ফুট পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে এযাবৎ রেকর্ড করা সবচেয়ে বড় অজগরটির দৈর্ঘ্য ছিল ১০ মিটার বা প্রায় ৩৩ ফুট।
উল্লেখ্য, অজগর বিষধর নয়। এটি মূলত নিজের প্রকাণ্ড শরীর ব্যবহার করে শিকারকে চেপে মেরে ফেলে, এরপর গিলে খায়। মানুষ শিকারের ক্ষমতা রাখা অল্প কিছু সাপের মধ্যে প্রথমদিকেই নাম আসে অজগরের।
0 Share Comment
Deshi Group
11 September 2021, 11:17

বিশ বছরের যুদ্ধ থেকে যে পাঁচ শিক্ষা পেল পশ্চিমা বিশ্ব

বিশ বছরের যুদ্ধ থেকে যে পাঁচ শিক্ষা পেল পশ্চিমা বিশ্ব
গত বিশ বছর ধরে বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যে লড়াই চলছে, তা থেকে যদি শিক্ষা নেওয়ার মতো কিছু থাকে, কী শিক্ষা আসলে নেওয়া হয়েছে? এই সন্ত্রাসবাদ বিরোধী লড়াইয়ে কোন ধরনের কৌশলে আসলে কাজ হয়েছে- আর কোনটিতে হয়নি?

আফগানিস্তানে আল কায়েদাকে আশ্রয় দিয়েছিল যে তালেবান, তারা যখন আবার দেশটির ক্ষমতায় ফিরে এসেছে, তাতে কি এটা বলা যাবে যে, ১১ সেপ্টেম্বরের সকালে আমাদের জ্ঞান আসলে যতটা ছিল, এখন আমরা তার চেয়ে বেশি জানি?

নাইন ইলেভেনের হামলা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখন্ডে এ যাবতকালের সবচেয়ে ভয়ংকর সন্ত্রাসী হামলা। এ ঘটনার পর যখন দেশটি বিরাট এক ধাক্কা খেয়েছে, তখন অনেকেই বাকি বিশ্বকে দেখা শুরু করলেন একেবারে মোটা দাগের বিচারে- পৃথিবী দুই ভাগে বিভক্ত, ভালো লোক আর খারাপ লোক।
নাইন ইলেভেনের হামলার ঠিক নয়দিন পরই প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ঘোষণা করলেন, “প্রত্যেক দেশ, প্রত্যেক অঞ্চলকে এখন একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আপনারা হয় আমাদের সঙ্গে আছেন, অথবা আপনারা সন্ত্রাসীদের সঙ্গে আছেন।”
তথাকথিত ‘সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধ’ ঘোষণা করা হলো। এই ঘোষণার পর প্রথমে আফগানিস্তান এবং তারপর ইরাকে আক্রমণ চালানো হলো। মধ্যপ্রাচ্যে ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর উত্থান ঘটলো। ইরান সমর্থিত মিলিশিয়াদের বিস্তার ঘটলো। হাজার হাজার সৈনিক এবং তার চেয়ে আরও বহু গুণ বেসামরিক মানুষ নিহত হলো।

সন্ত্রাসবাদ নির্মূল হয়নি- বরং ইউরোপের প্রায় প্রত্যেকটি বড় দেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়েছে।

তবে কিছু সাফল্যও আছে। এখনো পর্যন্ত নাইন ইলেভেনের সঙ্গে তুলনীয় ভয়ংকর কোনও হামলা হয়নি। আফগানিস্তানে আল-কায়েদার ঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে। তাদের নেতাকে পাকিস্তানে খুঁজে বের করে হত্যা করা হয়েছে। আইসিস সিরিয়া এবং ইরাকের একটা বিরাট অঞ্চলে স্বঘোষিত খেলাফতের মাধ্যমে যে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল, তা ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

নীচে যে তালিকা দেওয়া হয়েছে তা নিঃসন্দেহে তর্ক সাপেক্ষ এবং মোটেই পূর্ণাঙ্গ নয়। আমি মধ্যপ্রাচ্য, আফগানিস্তান, ওয়াশিংটন এবং গুয়ানতানামো বে-তে গিয়ে সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধের খবরাখবর সংগ্রহ করতে গিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণে যা দেখেছি, তার ভিত্তিতে এটি তৈরি করেছি।

১. গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করা

নাইন ইলেভেনের হামলার অনেক ক্লু ছিল, কিন্তু কেউই আসলে সময়মতো এসব বিন্দুকে সংযুক্ত করে একটা পূর্ণাঙ্গ ছবি পাওয়ার চেষ্টা করেনি। নাইন ইলেভেনের হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি প্রধান গুপ্তচর সংস্থা, এফবিআই এবং সিআইএ, উভয়েই জানতো যেকোনও একটা হামলার ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

কিন্তু এই দুটি সংস্থা, যার একটি স্বদেশে এবং আরেকটি বিদেশে গুপ্তচরবৃত্তি চালায়, পরস্পরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লিপ্ত ছিল। যার ফলে তারা যা জানতো, তা নিজেদের মধ্যেই রেখে দিয়েছিল, অন্য সংস্থাকে জানতে দেয়নি। নাইন ইলেভেনের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রে যে কমিশন গঠিত হয়, তারা এসব ভুল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করেছে এবং এরপর গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করার ক্ষেত্রে অনেক উন্নতি ঘটেছে।

২০০৬ সালে আমি যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম সেন্টার (এনসিটিসি) সফর করি। তখন আমাকে দেখানো হয়েছিল ১৭টি ভিন্ন ভিন্ন মার্কিন সংস্থার সংগ্রহ করা গোয়েন্দা তথ্য এখন কিভাবে প্রতিদিনই এক জায়গায় রাখা হচ্ছে।

ব্রিটেনও একইভাবে নিজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে: জয়েন্ট টেররিজম অ্যানালিসিস সেন্টার (জেটিএসি)। লন্ডনের এমব্যাংকমেন্টের এক অফিস ভবনে এমআই-ফাইভ, এমআই-সিক্স, প্রতিরক্ষা, পরিবহন, স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য ক্ষেত্রের কয়েক ডজন বিশ্লেষক নিয়মিত এক সঙ্গে বসেন। তারা যুক্তরাজ্যের মানুষের জন্য স্বদেশে এবং বিদেশে যেসব হুমকি আছে, সেগুলো প্রতিনিয়ত পর্যালোচনা করেন।

কিন্তু এই ব্যবস্থা একেবারে নিখুঁত নয়। জয়েন্ট টেররিজম অ্যানালিসিস সেন্টার (জেটিএসি) প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দুই বছর পরই আল-কায়েদা ২০০৫ সালের ৭ জুলাই ব্রিটিশ নাগরিকদের ব্যবহার করে লন্ডনে বোমা হামলা চালালো। এই হামলায় নিহত হয়েছিল ৫০ জনের বেশি।

পরের বছর মধ্য আকাশে কয়েকটি এয়ারলাইনার উড়িয়ে দেওয়ার আরেকটি বড় ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল, কিন্তু পাকিস্তানের সহায়তায় সেটি বানচাল করে দেওয়া সম্ভব হয়। কিন্তু এরপরও ২০১৭ সালে ব্রিটেনে বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে, যার মধ্যে ম্যানচেস্টারের হামলা ছিল অন্যতম।

কাজেই ভালো গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং শেয়ার করার পরও এরকম হামলা বন্ধ করা যায় না, যদি কোন বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে সে বিষয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২০১৫ সালে প্যারিসে যে হামলা হয়েছিল, এটি তার একটি উদাহরণ। ওই হামলায় নিহত হয়েছিল ১৩০ জন। এ ঘটনার বিচার এখন চলছে।

ইউরোপীয় বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো একে অন্যের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান না করার কারণেই মূলত এই হামলা হতে পেরেছিল।

২. কোন মিশনের লক্ষ্য স্থির করা এবং এ থেকে বিচ্যূত না হওয়া

আফগানিস্তানে কেন তালেবানের শাসন ফিরে এলো, তার জন্য যেসব কারণের কথা উল্লেখ করা হয়, তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে এটি: ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরাকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। এই সিদ্ধান্তটি ছিল বিপর্যয় সৃষ্টিকারী, এর ফলে আফগানিস্তানে যা ঘটছিল, তা থেকে সবার দৃষ্টি অন্যদিকে সরে গিয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনের যেসব বিশেষ বাহিনী সাফল্যের সঙ্গে আল-কায়েদার সদস্যদের খুঁজে বের করে দমন করেছিল এবং আফগানিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মিলে তালেবান বিদ্রোহীদের দৌড়ের ওপর রেখেছিল, তাদের সেখান থেকে প্রত্যাহার করে পাঠিয়ে দেওয়া হলো ইরাকে।

এটি তালেবান এবং অন্যান্যদের নতুন করে সংগঠিত হওয়ার এবং আরও বেশি শক্তি সঞ্চয় করে ফিরে আসার সুযোগ করে দিল। ২০০৩ সালের নভেম্বরে আমি আফগানিস্তানের পাকতিয়া প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্রের পদাতিক বাহিনীর একটি ঘাঁটি পরিদর্শন করি। আমেরিকানরাই তখন তাদের মিশনকে ‘অপারেশন ফরগটেন’ বলতে শুরু করে দিয়েছে।

এটা ভুলে যাওয়া খুব সহজ যে, আফগানিস্তানে মূল মিশনটা কিন্তু ছিল বেশ সোজাসাপ্টা এবং সেটা বেশ ভালোভাবেই সম্পন্ন হয়েছিল। তালেবান শাসকরা যখন নাইন-ইলেভেনের হামলার জন্য দায়ীদের হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানালো, যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানের নর্দার্ন এলায়েন্সের (তালেবান শাসন বিরোধী জোট) হাত মেলালো এবং সাফল্যের সঙ্গেই আফগানিস্তান থেকে তালেবান এবং আল কায়েদাকে বিতাড়িত করলো।

কিন্তু এর পরের বছরগুলোতে এই মিশন তার লক্ষ্য হারালো, এটির মনোযোগ বিক্ষিপ্ত হয়ে গেল নানা দিকে।

সে সময় বেশিরভাগ আফগানের জীবনযাত্রার অনেক উন্নতি হলেও ‘জাতি গঠনের’ নামে শত শত কোটি ডলার দুর্নীতি এবং অপচয়ের মাধ্যমে নষ্ট করা হলো।

৩. সতর্কতার সঙ্গে মিত্র বেছে নেয়া

২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরাকের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালায়, তখন ব্রিটেন তার ঘনিষ্ঠতম মিত্রের পেছন পেছন এই যুদ্ধে অংশ নেয়। এর পর ইরাকে দখলদারিত্বের সময় যুক্তরাষ্ট্র যত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ব্রিটেনকে তা মানতে হয়েছে একজন ‘জুনিয়র পার্টনার’ হিসেবে।

ইরাকি সেনাবাহিনী ভেঙে না দেওয়ার কিংবা বাথ পার্টির সব সদস্যকে সরকারি পদে নিষিদ্ধ না করার যে জরুরি আবেদন জানানো হয়েছিল, তা উপেক্ষা করা হয়। এর ফল দাঁড়িয়েছিল মারাত্মক: কর্মহীন হয়ে যাওয়া ইরাকি সামরিক বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সদস্যরা এবং চরমপন্থী জিহাদীরা একজোট হয়ে গেল। এটাই পরে আইসিসে পরিণত হলো।

নাইন ইলেভেনের পর সবার মধ্যে যে আতংক তৈরি হয়েছিল- তার পরিণামে যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটিশ ইন্টেলিজেন্স সংস্থাগুলো এমন সব শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে একযোগে কাজ করা শুরু করলো, যাদের মানবাধিকারের রেকর্ড ভয়ংকর। এই ভুলের খেসারত পরে দিতে হয়েছে।

যেমন, ২০১১ সালে লিবিয়ায় কর্নেল গাদ্দাফিকে যখন উৎখাত করা হলো, তারপর সাংবাদিকরা এমন এক চিঠি খুঁজে পেলেন যেটি এমআই-সিক্সের এক সিনিয়র অফিসার লিখেছিলেন লিবিয়ার এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার কাছে। এতে একজন ইসলামপন্থী ভিন্নমতাবলম্বীকে লিবিয়ায় ফেরত পাঠানো নিয়ে কথা হচ্ছিল, যাতে তাকে গ্রেফতার করে নির্যাতন চালানো যায়।

এখন সহিংস জিহাদি কর্মকাণ্ড সবচেয়ে বাড়বাড়ন্ত আফ্রিকার সেই সব দেশে, যেখানে শাসনব্যবস্থা খুবই খারাপ, বা মোটেই নেই। সেখানে এদের দমনে কাদের সহযোগিতা নেওয়া হবে, সেটা পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

৪. মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা, নতুবা নৈতিক অবস্থান হারানো

মধ্যপ্রাচ্যের মানুষ একটা কথা আমাকে বারবার বলেছেন: “আমরা হয়তো মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি পছন্দ করি না, কিন্তু তাদের দেশে আইনের শাসনকে আমরা সবসময় শ্রদ্ধা করি। তবে গুয়ানতানামো বে’র আগে পর্যন্ত।”

যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সন্দেহভাজনদের, বা কোন কোন ক্ষেত্রে নিরপরাধ লোকজনকে ধরে আনা, যাদেরকে আসলে পুরস্কারের লোভে একধরণের বিক্রি করা হয়েছে- এরপর তাদেরকে ন্যাপি আর গগলস পরিয়ে অর্ধেক পৃথিবী ঘুরিয়ে কিউবার গুয়ানতানামো বে’র এক মার্কিন নৌ ঘাঁটিতে বন্দী করে রাখা- এটি যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা বিশ্বের সুনামের অপূরণীয় ক্ষতি করেছে।

বিনা বিচারে লোকজনকে বন্দী করে রাখার মতো ঘটনা ঘটতো স্বৈরতান্ত্রিক দেশগুলোতে। আরবরা আশা করেনি যে আমেরিকাতেও এটা ঘটতে পারে।

এরপর যা ঘটেছিল, তা ছিল আরও মারাত্মক। সিআইএ এসব জায়গায় ওয়াটারবোর্ডিং (বন্দীদের মাথায় পানি ঢেলে তারা পানিতে ডুবে যাচ্ছে এমন এক অনুভূতি তৈরি করা) এবং আরও নানা রকম কৌশলে বন্দীদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছিল জিজ্ঞাসাবাদের সময়। ওবামা প্রশাসন এসে এসব বন্ধ করেছিল, কিন্তু ততদিনে ক্ষতি যা হওয়ার তা হয়ে গেছে।

৫. বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা থাকা

নাইন ইলেভেনের আগে পশ্চিমা দেশগুলো অন্য যেসব দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছে, তুলনামূলকভাবে সেগুলো ছিল অনেক দ্রুত এবং সহজ। সিয়েরা লিওন, কসোভো, বা এমনকি ১৯৯১ সালের ডেজার্ট স্টর্ম অভিযান- এই সবগুলো অভিযান শেষ করার একটা নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা ছিল।

কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আফগানিস্তান এবং ইরাকে যে আক্রমণ চালানো হলো, তার পরিণামে যে যুদ্ধ শুরু হলো, তাকে বলা হচ্ছিল ‘চিরকালের যুদ্ধ’। ২০০১ এবং ২০০৩ সালে যারা এই যুদ্ধ শুরু করেছিল, তারা কেউ ধারণা করতে পারেনি যে দুই দশক পরও এই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।

সোজা কথায় বললে, পশ্চিমা দেশগুলো আসলে বুঝতেই পারেনি যে তার কীসের মধ্যে গিয়ে পড়ছে, এবং সেখান থেকে বেরিয়ে আসার কোন বাস্তবসম্মত পরিকল্পনাও ছিল না।

এতে কোনও সন্দেহ নেই যে, পশ্চিমা দেশগুলো যদি ২০০১ সালে আফগানিস্তান থেকে তালেবান এবং আল-কায়েদাকে হটিয়ে না দিত, তাহলে সেখান থেকে আরও অনেক আক্রমণ চালানো হতো। আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী মিশন ব্যর্থ হয়নি, তবে দেশ গঠনের কাজ কখনোই শেষ হয়নি।

আর এখন আফগানিস্তানের একটা ছবিই বেশিরভাগ মানুষের মনে গেঁথে থাকবে: সেটি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর সি-১৭ পরিবহন বিমানের সঙ্গে সঙ্গে রানওয়ে ধরে ছুটতে থাকা মরিয়া আফগানদের ছবি। তারা এমন এক দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছিল, যে দেশটিকে পশ্চিমা বিশ্ব বলতে গেলে প্রায় পরিত্যাগ করেছে।
0 Share Comment
Deshi Group
11 September 2021, 11:16

পদ্মায় জেলের জালে বিলুপ্ত প্রজাতির ১১ কেজির ঢাই মাছ

পদ্মায় জেলের জালে বিলুপ্ত প্রজাতির ১১ কেজির ঢাই মাছ
রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিলুপ্ত প্রজাতির বিশাল এক ঢাই মাছ। পদ্মার ঘোলা পানিতে মূলত ঢাই মাছের আবাস থাকলেও বর্তমানে তা বিলুপ্ত প্রায়। আগের পদ্মার ‘ভরা যৌবনে’ প্রায়ই এই মাছ পাওয়া যেত। বর্তমানে এই মাছটি বিলুপ্তপ্রায়।

গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মার নদীর দৌলতদিয়া এলাকায় আজ শনিবার সকালে রাম হলাদারের জালে বড় আকৃতির একটি ঢাই মাছ ধরা পড়ে। পরে স্থানীয় মৎস্য আড়তে মাছটি বিক্রির জন্য নিয়ে গেলে সেটির ওজন হয় ১১ কেজি।

পরে দৌলতদিয়া মৎস্য আড়ত থেকে ৩ হাজার ১০০ টাকা কেজি দরে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের মৎস্য ব্যবসায়ী মো. শাজাহান মিয়া ৩৪ হাজার ১০০ টাকা দিয়ে মাছটি ক্রয় করেন।
স্থানীয়রা জানান, ঢাই মাছ বর্তমানে বিলুপ্ত প্রজাতির মাছ। এক সময় পদ্মায় অনেক ঢাই মাছ পাওয়া যেতো। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মাছটি এখন খুব কম পাওয়া যায়। তাই স্থানীয়রা মাছটি দেখতে ভিড় করেন।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের শাকিল-সোহান মৎস্য দোকানের মাছ ব্যাবসায়ী মো. শাজাহান শেখ বলেন, প্রতিদিনের মতো দৌলতিদিয়া মৎস্য আড়তে মাছ কিনতে যাই। এসময় বিলুপ্ত প্রজাতির ঢাই মাছ দেখে সর্বোচ্চ দামে মাছটি ক্রয় করি।

রাজবাড়ীর (ভারপ্রাপ্ত )জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান বলেন, ঢাই মাছটি প্রায় বিলুপ্তির পথে। বর্তমানে পদ্মায় মাঝে মাঝে ঢাই মাছ পাওয়া যাচ্ছে। ঢাই মাছ কিভাবে রক্ষা করা যায় সেই ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চেষ্টা করা হবে।

0 Share Comment
Bakar
11 September 2021, 09:07

যেভাবে এনআইডি ছাড়া কেনা যাবে দুটি সিম

যেভাবে এনআইডি ছাড়া কেনা যাবে দুটি সিম
একজন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদের বিপরীতে সর্বোচ্চ দুটি সিম কার্ড কিনতে পারবেন। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এই সিম কার্ডগুলো ক্রয় পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে নিবন্ধন করতে হবে। কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া এনআইডির কপি দিয়ে অপারেটরের কাছ থেকে নিবন্ধন করা না হলে সেগুলো ব্লক করে দেওয়া হতে পারে।

সিম কার্ড ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধ দমনের বিষয়ে সম্প্রতি এক বৈঠকে বিটিআরসি এই সিদ্ধান্ত জানায়। বর্তমানে একজন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী তার এনআইডি কার্ডের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম কার্ড কিনতে পারেন।

একইসঙ্গে যাদের এনআইডি বা স্মার্ট এনআইডি নেই, তাদেরকে পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদের বিপরীতে সিম কার্ড কেনার অনুমোদন দিয়েছে বিটিআরসি।

এখন পর্যন্ত বিটিআরসির সেন্ট্রাল বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন মনিটরিং প্ল্যাটফর্মে একই ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন ও পাসপোর্টের তথ্যের সংযুক্তি নেই। তবে এখন পর্যন্ত দেশে বিক্রি হওয়া সব সিম কার্ডের নথি সংরক্ষিত আছে।

যেহেতু এনআইডি, স্মার্ট এনআইডি, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও জন্ম নিবন্ধন সনদের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের কোনো উপায় নেই, তাই একজন গ্রাহক চাইলে এই পাঁচ ধরণের নথির বিপরীতে ১৫টি করে সর্বমোট ৭৫টি সিম কার্ডের মালিক হতে পারেন। যা সরকারের নীতিমালার বিরোধী।

বিটিআরসি সূত্র জানিয়েছে, বিটিআরসির নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এই সংখ্যাটি কমে আসবে। ইতিমধ্যে মোবাইল অপারেটরদের এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে বলেছে।



বিকল্প নথি দিয়ে কেনা সিমের ছয় মাসের সময়সীমা শেষ হওয়ার একমাস আগে গ্রাহকের মোবাইলে একটি মেসেজ পাঠিয়ে তারিখটি আবারও জানিয়ে দিতে হবে। এছাড়া, এনআইডি অথবা স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে পুননিবন্ধনের ক্ষেত্রেও এসএমএস পাঠানো হবে। যদি নিবন্ধন করা না হয়, তাহলে ফোন নম্বরগুলো বন্ধ হয়ে যাবে।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার এ প্রসঙ্গে বলেন, সিম কার্ডের অপব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধমূলক কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য এই উদ্যোগটি নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘এই বিষয়টিকে একটি আইনের আওতায় আনা হবে। আইনটি বাংলাদেশি ও বিদেশি সবার জন্যই প্রযোজ্য হবে।’

কমিশন সূত্র জানায়, বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্দেশনা জারি করার ৯০ দিনের মধ্যেই বিকল্প নথি দিয়ে কেনা অতিরিক্ত সিম কার্ডগুলোর নিবন্ধন বাতিল করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
0 Share Comment
Bakar
11 September 2021, 09:06

জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় যে পরিবর্তন আনছে ফ্রান্স

জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় যে পরিবর্তন আনছে ফ্রান্স
ফ্রান্সে ২৫ বছর বয়স থেকে সব নারী জন্মনিয়ন্ত্রণের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বিনামূল্যে পাবেন। আগামী ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এ সুবিধা চালু হবে। খবর- দ্যা ইন্ডিপেনডেন্টর।



স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার এ পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অলিভার ভেরান।

ফ্রান্সের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা স্বল্প পরিসরে জন্মনিয়ন্ত্রণ খরচ বহন করে। বর্তমানে ফ্রান্সে ১৮ বছর বয়সী নারী এবং এর চেয়ে কম বয়সীরা বিনামূল্যে জন্মনিয়ন্ত্রণের সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন। দেশটিতে ১ হাজার জনে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের মধ্যে গর্ভপাতের সংখ্যা ২০১২ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ৬ শতাংশ থেকে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে।

ফ্রান্সে ২৫ বছরের পর বাবা-মার সঙ্গে হেলথ ইন্স্যুরেন্স সুবিধা পান না তরুণরা। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে সেটি বাতিল করা হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, 'একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক তরুণীর মধ্যে গর্ভনিরোধের ব্যবহার হ্রাস পেয়েছে এবং এর প্রধান কারণ হলো অর্থ। এতে অনেক বেশি খরচ হয়। এটা অগ্রহণযোগ্য যে নারীরা নিজেদের রক্ষা করতে পারে না, গর্ভনিরোধ করতে পারে না যদি তাদের পছন্দ হয়, শুধু খরচ বহন করতে না পারার কারণে।' যদিও পুরুষদের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নিয়ে তিনি কিছু বলেননি।
0 Share Comment
Bakar
11 September 2021, 09:04

এক্সট্রিম স্পিকারের বৈচিত্রময় ১৭টি নতুন মডেল বাজারে

এক্সট্রিম স্পিকারের বৈচিত্রময় ১৭টি নতুন মডেল বাজারে
একটা সময় স্পিকার কেবল কম্পিউটার এর সাথে ব্যবহৃত হতো, কিন্তু এখন স্পিকার অনেকটা আমাদের লাইফস্টাইলের অংশ হয়ে গেছে। পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে স্পিকার ঘরের ডেকোরেশন বর্ধনেও ভূমিকা রাখছে। বাসায় বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন ধরনের স্পিকার ব্যবহার হচ্ছে যেমন- ডেস্কটপ পিসি, ল্যাপটপ, টিভি, অনলাইন ক্লাস, আউটিং, ক্যাম্পিং, উৎসব কিংবা পার্টি, প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রয়োজন অনুযায়ী নিত্য নতুন ডিজাইনের স্পিকার ব্যবহার হচ্ছে এবং এই সকল ধরনের প্রয়োজনকে মাথায় রেখেই স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লি: বাজারে নিয়ে এসেছে এক্সট্রিম ব্রান্ডের নতুন স্পিকার লাইনআপ।

নতুন এই লাইনআপে রয়েছে সর্বমোট ১৭ মডেল। বাংলাদেশের বাজারে ইউজারদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে প্রতিটি মডেল প্রস্তুত করা হয়েছে।

তাছাড়াও পূর্বে স্পিকারগুলোর মডেল নাম্বার দিয়ে পরিচয় করানো হলেও এবার নতুন প্রতিটি মডেলের জন্য পৃথক নামকরণ করা হয়েছে। নতুন এই ১৭টি মডেলের নাম হচ্ছে ফ্যান্টম, তুফান, রিও, রক, বোল্ট, জুপিটার, ফ্ল্যাশ, উইলো, সারগাম, ট্রায়ো, স্পার্টা, টাইগার, চিল, জলসা, ম্যাক্সিম, ডুয়ো এবং সিসিলি। বৈচিত্র্যময় নামের এসব স্পিকারগুলোর ফিচারও যথেষ্ঠ বৈচিত্র্যময়।

উডেন ডিজাইনে তৈরি এসব স্পিকারের প্রায় সবগুলোতেই থাকছে এফএম, ব্লুটুথ, রিমোর্ট কন্ট্রোল, ডিসপ্লে স্ক্রীন, উইএসবি এবং এসডি কার্ড ব্যবহারের সুবিধা। মডেলভেদে ইউজারগন ট্রলি, মাইক, এবং পার্টি লাইটের মত ফিচার উপভোগ করতে পারবেন। এসব স্পিকারের খুচরা মূল্য সর্বনিম্ন ৩,০০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১২,০০০ টাকার মধ্যে নির্ধারন করা হয়েছে। প্রতিটি স্পিকারেই থাকছে ১ বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা।
0 Share Comment
Bakar
11 September 2021, 09:03

আইসল্যান্ডে বিশ্বের বৃহত্তম কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণকারী প্লান্ট চালু

আইসল্যান্ডে বিশ্বের বৃহত্তম কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণকারী প্লান্ট চালু
আইসল্যান্ডে চালু হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণকারী প্লান্ট।


বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) চালু হওয়া এই প্ল্যান্টের নাম 'ওরকা'। আইসল্যান্ডের ভাষায় যার অর্থ 'শক্তি'। প্লান্টটি ৪টি উইনিটে বিভক্ত। যার প্রতিটি ২টি করে ধাতব বাক্স দিয়ে তৈরি। দেখতে অনেকটা জাহাজের পণ্যবাহী কন্টেইনারের মতো।

সুইজারল্যান্ডের ক্লাইমওয়ার্কস ও আইসল্যান্ডের কার্বফিক্স যৌথভাবে এটি নির্মাণ করেছে।

কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্লান্টটি তার সক্ষমতা নিয়ে কাজ শুরু করলে বছরে ৪ হাজার টন কার্বন ডাই-অক্সাইড বাতাস থেকে শোষণ করবে।



যুক্তরাষ্ট্রের এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সির (ইপিএ) মতে, সেটি প্রায় ৮৭০টি গাড়ি থেকে নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের সমান।

কার্বন ডাই-অক্সাইড সংগ্রহের জন্য প্লান্টটি একটি ফ্যান ব্যবহার করে কালেকটরের মাধ্যমে বাতাস টানবে। যার মধ্যে একটি ফিল্টার সংযুক্ত রয়েছে।

ফিল্টারটি একবার কার্বন ডাই-অক্সাইডে পূর্ণ হয়ে গেছে সংগ্রহ বন্ধ হয়ে যাবে। এরপর তাপমাত্রা বাড়িয়ে অত্যন্ত ঘন অবস্থায় গ্যাস সংগ্রহ করা হয়। এরপর সেই কার্বন ডাই-অক্সাড পানির সঙ্গে মিশিয়ে মাটির এক হাজার মিটার গভীরে ব্যাসল্ট রকের নিচে চাপা দেওয়া হবে।

অত্যাধুনিক এই প্রযুক্তিগুলি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একটি প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে বলে বিশ্বাস বিশেষজ্ঞদের। তবে সমালোচকদের যুক্তি, প্রযুক্তি এখনও প্রচুর ব্যয়বহুল এবং এর মাধ্যমে সঠিকভাবে কাজ করতে কয়েক দশক সময় লাগতে পারে
0 Share Comment
Bakar
11 September 2021, 09:03

২৭ রানে হারলো বাংলাদেশ

২৭ রানে হারলো বাংলাদেশ
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে ২৭ রানের ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। তবে তিন ম্যাচ জিতে আগেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে টাইগাররা।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে কিউইদের দারুণ শুরু এনে দেন দুই ওপেনার ফিন অ্যালেন ও রাচিন রবীন্দ্রা। মাত্র ৫.৪ ওভারে দলীয় স্কোর ৫৮ রানে দাঁড় করান তারা। এরপরই জোড়া আঘাত হানেন টাইগার পেসার শরীফুল ইসলাম। প্রথমেই রবীন্দ্রাকে আউট করেন তিনি। তার দুর্দান্ত ডেলিভারিতে মুশফিকের হাতে ক্যাচ তুলে দেন কিউই ওপেনার। এই ওভারের শেষ বলে দারণ এক ডেলিভারিতে অ্যালেনকে প্যাভিলিয়নে পাঠিয়ে দেন শরীফুল। এর পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় সফরকারীরা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ১৬১ রান সংগ্রহ করে নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ দুই উইকেট শিকার করেন শরীফুল ইসলাম।

১৬২ রানের লক্ষে খেলতে নেমে দলীয় ২৬ রানে বিদায় নেন লিটন দাস। ১০ রান করে এজাজ প্যাটেলের বলে আউট হন তিনি। সুযোগ পেয়ে সদ্ব্যবহার করতে পারেননি সৌম্য সরকার। কোল ম্যাককনচির বলে মাত্র ৪ রান করে আউট হন তিনি। বড় ইনিংস খেলার ইঙ্গিত দিয়েও ফিরে যান কট-বিহাইন্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মোহাম্মদ নাঈম। আউটি হওয়ার আগে তিনি ২১ বলে ২৩ রান করেন। সিরিজের মতো এ ম্যাচেও ব্যর্থ মুশফিকুর রহিম। মাত্র তিন রান করে রাচিন রবীন্দ্রার বলে বিদায় নেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। তার বিদায়ের সময় বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ছিল চার উইকেটে ৪৬ রান।

এরপর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও আফিফ হোসেনের জুটি বাংলাদেশকে খেলায় ফিরিয়ে আনে। পঞ্চম উইকেটের জুটিতে ৪৩ বলে ৬৩ রান সংগ্রহ করের তারা। এ সময়ই ছন্দপতন ঘটে। সাজঘরে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ। তার ব্যাট থেকে আসে ২১ বলে ২৩ রান। অন্যরা আসা যাওয়ার মিছিলে থাকলেও অপর প্রান্ত আগলে রাখেন আফিফ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৪ রান তুলতে পারে স্বাগতিকরা। ৩৩ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন আফিফ।
0 Share Comment
Bakar
11 September 2021, 09:00

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আশঙ্কা

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আশঙ্কা
আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং এর কাছাকাছি মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় লঘুচাপের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়া অফিস জানায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

দেশের অভ্যন্তরীণ নদী বন্দর সমূহের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চল সমূহের উপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘন্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সূত্র: বাসস
0 Share Comment
Bakar
11 September 2021, 08:56

স্বামীর ঘর ছেড়ে ২৫ বার পালিয়ে গিয়েছেন। প্রত্যেকবারই নতুন প্রেমিকের হাত ধরে। তবু স্ত্রী হিসেবে তাকেই গ্রহণ করতে চান স্বামী।
ভারতের আসামের নওগাঁ জেলার বাসিন্দা ওই মহিলা ও তার স্বামীর দাম্পত্য জীবন ১০ বছরের। তিনটি সন্তানও আছে তাদের। যার মধ্যে ছোটজনের বয়স তিন মাস। গত ৪ সেপ্টেম্বর তিন মাসের ওই শিশুটিকে প্রতিবেশীর বাড়িতে রেখে চলে যান ওই মহিলা।
তার শ্বশুরের অভিযোগ, এই নিয়ে ২৫ বার বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন তার পুত্রবধূ। আর প্রতি বারই তিনি ঘর ছেড়েছেন নতুন প্রেমিকের সঙ্গে।
স্ত্রী সঙ্গে করে ২২ হাজার টাকা এবং দামি গয়নাও নিয়ে গিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তার স্বামী। মহিলার স্বামী গ্যারেজে কাজ করেন। বাসায় ফিরে এসেই দেখেন স্ত্রী ও তার ছোট শিশুটি বাড়িতে নেই। খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন এক প্রতিবেশীর বাড়িতে শিশুটিকে রেখে গিয়েছেন তার স্ত্রী। ছাগলের খাবার আনতে যাচ্ছেন বলে তিনি শিশুটিকে রেখে যান। তার পর আর ফেরেননি।
মহিলার স্বামী বলেন, বাড়ি ফিরে দেখি আমার টাকা এবং নিজের গয়নাও নিয়ে গিয়েছে স্ত্রী। বুঝতে পারি আবার পালিয়ে গিয়েছে ও।
যদিও এর পরও স্ত্রী আগের মতো ফিরে এলে তাঁকে মেনে নেবেন বলে জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি।
এরই মধ্যে আসামের এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে গেছে। অনেকে সেখানে মন্তব্য করেছে, প্রথমে ভেবেছিলাম ওই মহিলার স্বামী পাগল! পুরো ঘটনাটা পড়ে বুঝা যায় গৃহকর্ম আর সন্তানদের দেখভালের জন্যই স্ত্রীকে দরকার ওর। 
সূত্র: আনন্দবাজার

0 Share Comment
$
$