অনলাইন শপিং,ফ্রিল্যান্সিং ও অন্যান্য কাজ করার জন্য এই ওয়েবসাইটে একটি একাউন্ট থাকতে হবে। একাউন্ট খোলা মানেই টাকা দিতে হবে এমন না। ফ্রিল্যান্সার অথবা বায়ার, এর যে কোন একটি চয়েজ করে একাউন্ট তৈরি করতে হবে।অথবা শপিং সেকশনের যে কোন প্রোডাক্টের এ্যাড টু কার্ট বাটনে ক্লিক করেও আপনি একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন।সাইনআপ করুন এবং কাজ পোষ্ট করুন। ফ্রিল্যান্সারগণ কাজ খুজুন ও বিড করুন।একাউন্ট তৈরি হলে আপনি আপনার দেয়া ইউজার আইডি ও পাসওর্য়াড ব্যবহার করে সাইটে লগইন করতে পারবেন। You must have an account on this website for online shopping, freelancing and other activities. Opening an account does not mean that you have to pay. Freelancer or buyer, you have to create an account by choosing one of them. Or you can create an account by clicking on the add to cart button of any product in the shopping section.Sign up and post work. Freelancers find work and bid. Once the account is created, you can login to the site using your given user ID and password.

We have 122 guests and no members online

All Posts

3417 posts found

National/International News Group
09 September 2021, 16:46

মুখ দিয়ে রচনা লিখে পুরস্কার পেলো সেই লিতুন জিরা

মুখ দিয়ে রচনা লিখে পুরস্কার পেলো সেই লিতুন জিরা
মণিরামপুরে হাত-পা ছাড়াই জন্ম নেওয়া সেই লিতুন জিরা মুখ দিয়ে লিখে রচনা প্রতিযোগিতায় এবার যশোর জেলা পর্যায়ে পুরস্কার লাভ করেছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসের রচনা প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় এবং স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের রচনা প্রতিযোগিতায় জেলা পর্যায় তৃতীয় স্থানের পুরস্কার লাভ করেছে সে।

বুধবার (৫ সেপ্টেম্ব) যশোর জেলা গণগ্রন্থাগারে এক অনুষ্ঠানে লিতুনকে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম খান, এমএম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ভূগোল বিভাগের অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত) কার্ত্তিক চন্দ্র রায়, গণগ্রন্থাগারের কর্মকর্তা মমতাজ বেগমসহ অনেকে।

লিতুন জিরা উপজেলার সাতনল খানপুর গ্রামের প্রভাষক হাবিবুর রহমান এবং জাহানারা বেগমের একমাত্র মেয়ে। এর আগে ২০২০ খ্রিষ্টাব্দে সাতনল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে লিতুন জিরা জিপিএ-৫ এবং বৃত্তি লাভ করে। বর্তমানে লিতুন জিরা গোপালপুর স্কুল এন্ড কলেজে ৭ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত রয়েছে।
0 Share Comment
Deshi Group
09 September 2021, 13:46

অতিক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কামার, কুমার, জেলে, ভূমিহীন কৃষক, হকার, দোকানি ও রিকশাচালকরা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকার জামাতনবিহীন ঋণ নিতে পারবেন। আর এ ঋণের সুদহার হবে সর্বোচ্চ সাত শতাংশ। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ১০, ৫০ ও ১০০ টাকার হিসাবধারীদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করেছে। গত রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্ট এ-সংক্রান্ত নতুন স্কিম পুনর্গঠন করে সবগুলো তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী বরাবর পাঠানো হয়েছে। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত নি¤œআয়ের মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকা- পুনরুদ্ধারে ঋণসীমা ও তহবিলের পরিমাণ বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ তহবিলের নাম ‘১০, ৫০ ও ১০০ টাকার হিসাবধারী প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষক, নি¤œআয়ের পেশাজীবী, স্কুল ব্যাংকিং হিসাবধারী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য গঠিত পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’। গঠিত ৫০০ কোটি টাকার এ স্কিমের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর যা নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে আবর্তনশীল। তবে প্রয়োজনে মেয়াদ বৃদ্ধি করা যাবে।
ঋণের পরিধি: আর্থিক অন্তর্ভুক্ত কার্যক্রমের আওতায় এ স্কিমের অধীনে ঋণসুবিধা গ্রহণকারী সব গ্রাহকই হবে বিদ্যমান ১০, ৫০ ও ১০০ টাকার হিসাবধারী। এ স্কিমের আওতায় ঋণসুবিধা প্রাপ্তির জন্য নতুন গ্রাহকদের ১০, ৫০ ও ১০০ টাকা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) জমাদানপূর্বক ব্যাংক হিসাব খুলতে হবে।
যারা ঋণ পাবেন: 
>> পাড়া বা মহল্লাভিত্তিক ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও পেশাজীবী (যেমন: চর্মকার, স্বর্ণকার, নাপিত, কামার, কুমার, জেলে, দর্জি, হকার/ফেরিওয়ালা, রিকশাচালক/ভ্যানচালক, ইলেকট্রিক/ইলেকট্রনিক যন্ত্র মেরামতকারী, ইলেক্ট্রিশিয়ান, কাঠমিস্ত্রি, রাজমিস্ত্রি, রংমিস্ত্রি, গ্রিলমিস্ত্রি, প্লাম্বার, আচার/পিঠা প্রস্তুতকারী, ক্ষুদ্র তাঁতী, পশু চিকিৎসক ইত্যাদি) এবং যে কোনো ধরনের আয় উৎসারী কর্মকা-ে জড়িত ব্যক্তি (মুদি ও মনোহরি পণ্যের দোকানি, ভ্রাম্যমাণ কাপড়ের দোকানি, ফ্লেক্সিলোড সেবা প্রদানকারী, চা-পান বিক্রেতা, হাঁস-মুরগি পালনকারী, সবজি উৎপাদনকারী ইত্যাদি এ ঋণ সুবিধার আওতাভুক্ত হিসেবে বিবেচিত হবেন। 
>> যে কোনো দুর্যোগে (প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট) ক্ষতিগ্রস্ত, প্রান্তিক বা ভূমিহীন কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, নিম্ন আয়ের পেশাজীবী এবং চর ও হাওর এলাকায় বসবাসকারী স্বল্পআয়ের জনগোষ্ঠী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এ ঋণসুবিধা পাবেন। 
>> বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি ও মহিলা উদ্যোক্তাগণ যে কোন ধরনের আয় উৎসারী কর্মকান্ডে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এ ঋণ সুবিধা পাবে।
>> স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে আর্থিক অন্তভুর্ক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়ন ও কর্মস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সুবিধাবঞ্চিত ও অসচ্ছল স্কুল ব্যাংকিং হিসাবধারীদের (শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীসহ) বৃত্তিমূলক/কারিগরি/তথ্যপ্রযুক্তিসহ অন্যান্য প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে ব্যাংক উক্ত স্কিমের আওতায় অভিভাবকের পরিশোধ গ্যারান্টির ভিত্তিতে ঋণসুবিধা দিতে পারবে।
ঋণপ্রাপ্তির অযোগ্যতা: খেলাপি ঋণগ্রহীতা এ স্কিমের আওতায় ঋণসুবিধা প্রাপ্য হবেন না। বাংলাদেশ সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের সুদ ভর্তুকির আওতায় অন্য কোনো স্কিমের অধীন ঋণগ্রহীতার প্রাপ্ত ঋণ অসমন্বিত অবস্থায় থাকলে ওই ঋণগ্রহীতা ঋণসুবিধা পাবেন না।
গ্রাহক পর্যায়ে ঋণসীমা: তফসিলি ব্যাংকগুলো এ স্কিমের আওতায় গ্রাহকের প্রয়োজনীয়তা যাচাই সাপেক্ষে একক গ্রাহককে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণসুবিধা দিতে পারবে। গ্রুপ ঋণের ক্ষেত্রে ২-৫ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত গ্রুপকে সদস্য প্রতি সর্বোচ্চ চার লাখ টাকা করে গ্রুপপ্রতি সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা ঋণ দিতে পারবে। এবং গ্রুপ ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে গ্রুপের সদস্যরা ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে ব্যাংকের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে।
পুনঃঅর্থায়নের সুদের হার: অর্থায়নকারী ব্যাংকের অনুকূলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়নের বার্ষিক সুদ বা মুনাফার হার হবে এক শতাংশ।
গ্রাহক পর্যায়ে সুদের হার: ব্যাংক কর্তৃক গ্রাহক পর্যায়ে প্রদত্ত ঋণ/বিনিয়োগের বিপরীতে সুদ/মুনাফার হার হবে বার্ষিক সর্বোচ্চ সাত শতাংশ। গ্রাহকের ঋণ/বিনিয়োগের ক্রমহ্রাসমান স্থিতির ওপর সুদ/মুনাফা আরোপ করতে হবে।
জামানত: এ স্কিমের আওতায় ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো নিরাপত্তা জামানত নেওয়া যাবে না। তবে, প্রত্যেক ঋণগ্রহীতার ঋণের বিপরীতে ঋণগ্রহীতাসহ অনধিক দুইজনের ব্যক্তিগত গ্যারান্টি নেওয়া যাবে;
তিন লাখ টাকা ও তারও বেশি পরিমাণ ঋণসুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যাংক নিজস্ব বিবেচনায় সম্পূর্ণ ঋণের বিপরীতে ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিমের সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। এক্ষেত্রে, ব্যাংক নিজস্ব উৎস থেকে গ্যারান্টি ফি পরিশোধ করবে।
ঋণের মেয়াদ, গ্রেস পিরিয়ড ও পরিশোধ সূচি: ব্যাংক ও গ্রাহক পর্যায়ে উভয় ক্ষেত্রে গ্রেস পিরিয়ড হবে সর্বোচ্চ ছয়মাস। গ্রেস পিরিয়ড বাদে ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ তিন বছর। বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রেস পিরিয়ড বাদে ত্রৈমাসিক কিস্তিতে ব্যাংকগুলো থেকে সুদ/মুনাফা/সার্ভিস চার্জসহ আসল আদায় করবে। ব্যাংকগুলো গ্রেস পিরিয়ড বাদে মাসিক/ত্রৈমাসিক/ষান্মাসিক (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) কিস্তিতে গ্রাহকের কাছ থেকে সুদ/মুনাফাসহ আসল আদায় করবে।
সিআইবি রিপোর্ট: খেলাপি ঋণগ্রহীতার অনুকূলে ঋণ প্রদান না করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সিআইবি রিপোর্ট গ্রহণ করতে হবে। তবে, এ স্কিমের আওতায় তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ/বিনিয়োগ প্রদানের ক্ষেত্রে সিআইবি রিপোর্ট গ্রহণের জন্য কোনো চার্জ/ফি প্রযোজ্য হবে না।
ঋণ বিতরণ ব্যবস্থা: স্কিমের আওতায় ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো তার নিজস্ব শাখা, উপশাখা, এজেন্ট ব্যাংকিং বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) ব্যবস্থা ব্যবহার করতে পারবে। এক্ষেত্রে, ব্যাংকের এজেন্ট/এমএফএস ঋণ বিতরণ ও আদায়ের ক্ষেত্রে স্ব স্ব ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক অনুমোদিত সার্ভিস চার্জ প্রাপ্য হবেন।

0 Share Comment
Deshi Group
09 September 2021, 13:44

মরিয়মের মুখে গজাচ্ছে পুরুষের মতো দাড়ি!

মরিয়মের মুখে গজাচ্ছে পুরুষের মতো দাড়ি!
কুড়িগ্রামের মরিয়ম বেগমের মুখে পুরুষের মতো দাড়ি গজিয়েছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই দূর-দূরান্ত থেকে তাকে দেখতে আসছে শত শত উৎসুক মানুষ।



মরিয়ম বেগম রৌমারী সদর ইউনিয়নের চুলিয়ারচর গ্রামের আলী হোসেনের স্ত্রী।

জানা গেছে, ১৫ বছর আগে আলী হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয় মরিয়মের। তারা একই গ্রামের বাসিন্দা। বিয়ের এত বছর পরও তাদের কোনো সন্তান হয়নি। অন্যের জমিতে বসবাস ও দিনমজুরির কাজ করে তাদের সংসার চলে। অভাবের সংসার হলেও দাম্পত্য জীবনে সুখেই ছিলেন মরিয়ম-আলী হোসেন দম্পতি। এরইমধ্যে একদিন মরিয়মের মুখে দাড়ি গজাতে শুরু করে। এতে বিপাকে পড়েন স্বামী আলী হোসেন। চিকিৎসা করালে এ রোগ ভালো হবে জেনেও অর্থের অভাবে স্ত্রীকে উন্নত চিকিৎসা দিতে পারছেন না তিনি। ফলে মরিয়মের মুখের দাড়ি দিনদিন বাড়তে থাকে।

মরিয়ম বেগম বলেন, পুরুষের মতো দাড়ি আমাকে লজ্জায় ফেলে দিয়েছে। আমি মানুষের সামনে যেতে পারছি না। প্রথম দিকে দাড়ি কেটে ফেলতাম। কিন্তু আবার দাড়ি বড় হয়ে যেত। এ কারণে এখন আর কাটি না। আমি চিকিৎসা নিয়ে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চাই।

রেীমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জানান, নারীদের মুখে গোঁফ বা দাড়ি হওয়াকে হিরসুটিজম বলে। যেকোনো বয়সে এটি হতে পারে। অনেক সময় বংশগত কারণে এমনটি হয়ে থাকে। নারীদের শরীরে এন্ড্রোজেন নামক হরমোনের আধিক্যই এ রোগের কারণ। উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে এ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
0 Share Comment
Deshi Group
09 September 2021, 13:42

শাপলা

0 Share Comment
Deshi Group
09 September 2021, 13:39

বুড়ো হয়েই জন্মেছে শিশু, বয়স মায়ের চেয়েও বেশি

বুড়ো হয়েই জন্মেছে শিশু, বয়স মায়ের চেয়েও বেশি
মাত্র ভূমিষ্ঠ সন্তানের নরম ও মসৃণ ত্বক হওয়াটাই স্বাভাবিক কিন্তু, বয়স্ক মানুষের মতো কুঁচকানো মুখ, হাত ও পায়ের চামড়া নিয়েছে এক শিশু। দেখেই বোঝা যায়, অন্য দশটা সদ্যজাত শিশুর মতো নয় এটি। চিকিৎসকরা বলছেন, মায়ের চেয়ে বেশি বয়স নিয়ে জন্ম নিয়েছে এই শিশু।

শিশুটির মায়ের বয় ২০ বছর। অথচ, কন্যা সন্তানের বয়স আরও অনেক বেশি। দক্ষিণ আফ্রিকার পূর্ব কেপের লিবোদের এই ঘটনা এরই মধ্যে হইচই পড়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।



চলতি বছরের জুনে নিজের বাড়িতে দাদুর সহযোগিতায় ভূমিষ্ঠ হয় শিশুটি। সদ্যজাত শিশুটির মা মানসিকভাবে অসুস্থ। জন্মের পরেই কেমন যেন বয়স্ক মানুষের মতো কুঁচকে ছিল শিশুটির মুখ। ফলে ভয় পেয়ে যান সবাই।

এমন পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি মা এবং সন্তানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা দীর্ঘ চিকিৎসার পরে শিশুটিকে সুস্থ করে তোলেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অতি বিরল জিনগত রোগ প্রোজেরিয়া বা হাচিনসন-গিলফোর্ড সিন্ড্রোমে আক্রান্ত হয় শিশুটি। এর ফলে শিশুটির বয়স দ্রুত হারে বাড়ছে।

শিশুটিকে নিয়ে নিয়ে ওই অঞ্চলে জল্পনার শেষ নেই। কেন এমন দেখতে হল সে? তা নিয়ে রটানো হচ্ছে নানা কথা। দেখতে অদ্ভূত হওয়ায় অনেক ধরনের কটূক্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে মা-দাদুকে। শিশুটির রূপ নিয়ে হাসি-মস্করা করার অস্বস্তি বাড়ছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, চলতি বছরের জুনে শিশুটি জন্ম নিলেও, সপ্তাহ খানেক আগে তার কথা প্রকাশ্যে আসে। শিশুটি জন্মের পর থেকে তার পরিবারের সদস্যরা বেশ হতাশ। তবে স্থানীয় প্রশাসন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
0 Share Comment
Deshi Group
09 September 2021, 13:37

মাত্র এক ট্যাবলেটেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ একমাস!

মাত্র এক ট্যাবলেটেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ একমাস!
বর্তমান বিশ্বে চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে পাল্লা দিয়ে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঘটায় এরকম প্রধান পাঁচটি কারণের মধ্যে ডায়াবেটিস অন্যতম। পৃথিবীতে প্রতি ১০ সেকেন্ডে একজন ডায়াবেটিস আক্রান্ত মানুষ মারা যায় এবং প্রতি ১০ সেকেন্ডে দুইজন ডায়াবেটিস রোগী সনাক্ত করা হয়। তাই ডায়াবেটিকসের ভয়াবহতা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা একান্ত জরুরি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১২ হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিসের কারণে আনুমানিক ২২ লক্ষাধিক মৃত্যু হয়েছিল। যার মধ্যে ২০১৯ সালে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১ কোটি। গবেষণায় বলছে ২০৪৫ সালের মধ্যে এটি দ্বিগুণ হবে।

আমেরিকান ডায়াবেটিস এসোসিয়েশনের হিসাব অনুযায়ী, একজন আমেরিকান প্রতিবছর ডায়াবেটিসের চিকিৎসা গ্রহণ করতে প্রায় ১৬৭৫২ ডলার খরচ করেন। বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া যৌথ গবেষণায় উঠে এসেছে। একজন বাংলাদেশী প্রতিবছর ডায়াবেটিসের জন্য খরচ করেন ৭০ হাজার টাকার বেশি।এই পরিসংখ্যানগুলো অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্যসেবা ডায়াবেটিসের ভয়াবহ অবস্থা তুলে ধরে।

যদিও ডায়াবেটিস চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত ইনসুলিন অপ্রতিদ্বন্দ্বি। তবে এই ব্যবস্থায় একজন রোগীকে প্রতিদিন একবার করে ইনসুলিন বা একাধিকবার ইনসুলিনের ইঞ্জেকশন নিতে হয়। ডায়াবেটিস চিকিৎসায় খরচ এবং ইনজেকশনের মাধ্যমে ইনসুলিন গ্রহণ।ইনসুলিনের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং এর কার্যকারিতা সম্পর্কে বর্তমান চিকিৎসা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লুএইচও)এর মতে, বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগীদের ৯০-৯৫ শতাংশ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। এবং এদের মধ্যে ৮০ ভাগ রোগী অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশে বসবাস করছে। সুতরাং ৮০ভাগ মানুষের অর্ধেকই ডায়াবেটিকস এর সঠিক চিকিৎসা নিতে পারে না।

ডায়াবেটিস চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল জটিলতা দূর করতে বাংলাদেশ ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার একদল বিজ্ঞানী অনেকদিন থেকেই গ্লুকাগন-লাইক-পেপটাইড-১ (জিএলপি-১) নামক একটি জিন নিয়ে গবেষণা করছিল। এই গবেষণাটি দক্ষিণ কোরিয়ার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ ট্রান্সপর্টেশন, কেরিয়া ইন্সটিটিউট অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি এবং হানিয়াং ইউনিভার্সিটি তে পরিচালিত হয়। এই গবেষণায় নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশি গবেষক শাতিল শাহরিয়ার।ডায়াবেটিকস প্রতিরোধে এই গবেষক দলের মূল লক্ষ্য ছিল এমন এক মৌখিক প্রতিষেধক আবিষ্কার করা।যেটা ইনজেকশনের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে না।

বরং মৌখিকভাবে ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল এর মত গ্রহণ করা যাবে। খুব অল্প মাত্রায় দীর্ঘদিন কাজ করবে। যাতে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা পদ্ধতি সহজ হয় এবং ডায়াবেটিসের চিকিৎসা খরচ অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের রোগীদের সাধ্যের মধ্যে নিয়ে আসা।ডায়াবেটিকস এর সকল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করবে।

যেন ডায়াবেটিসের বিভিন্ন উপসর্গের জন্য বিভিন্ন ওষুধ সেবন করতে না হয়। ইনজেকশন নির্ভর বর্তমান চিকিৎসা ব্যবস্থার মাধ্যমে যেহেতু এই লক্ষণগুলো অসম্ভব। তাই গবেষক দলটি নতুন ড্রাগ মলিকিউল নিয়ে কাজ করার পরিবর্তে জিন থেরাপিতে বেশি আগ্রহী ছিলেন বলে জানান শাতিল শাহরিয়ার। সাধারণত একটি ওষুধ রক্তে যতটুকু মাএায় প্রবেশ করে ঠিক ততটুকুই কাজ করে। কিন্তু জিএলপি-১ জিনের জেনেটিক ট্রান্সফেকশন কোষগুলো ডিএনএ প্রবর্তনের এমন একটি কৌশল যেটার মাধ্যমে শরীরের কোষগুলি থেকে প্রয়োজনমত প্রতিষেধক তৈরি সম্ভব।

সম্প্রতি গবেষণা পত্রটি বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত কমিউনিকেশন এর একটি "ন্যানো লেটার্স" কর্তৃক প্রকাশ পায় এবং প্রকাশিত হয়। আমেরিকার কেমিক্যাল সোসাইটির এই এলিট ক্লাস জার্নাল দাবি করেছে যে বাংলাদেশি গবেষক শাতিল শাহরিয়ারের নেতৃত্বে গবেষক দলটি জিন থেরাপি এবং ন্যানোটেকনোলির সমন্বয়ে ডায়াবেটিসের এমন একটি মৌখিক প্রতিষেধক তৈরি করেছেন, যেটা একবার মৌখিক সেবনের মাধ্যমে মানুষের শরীরে একমাসেরও বেশি সময় ডায়াবেটিসের মাএা নিয়ন্ত্রণে সক্ষম।

এই গবেষণার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে এই প্রতিষেধক ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বহুল ব্যবহৃত ইনসুলিনের চেয়ে হবে সাশ্রয়ী ও ফলপ্রসূ এবং কার্যকরী।ইনসুলিন গ্রহণের আগে যেমন রোগীকে খালি পেটে থাকার প্রয়োজন আছে। এই প্রতিষেধক গ্রহণে সেটার প্রয়োজন নেই।

ইনসুলিনের মতো আবার দিনের মধ্যে একাধিকবার ইনজেকশনের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে না এই প্রতিষেধক। এক ডোজে কাজ করতে সক্ষম একমাস অবধি। সুতরাং ডায়াবেটিস চিকিৎসার খরচ চলে আসবে মানুষের হাতের নাগালে। আর প্রতিদিন সহ্য করতে হবে না ইনজেকশনের অসহনীয় ব্যাথা।

একজন সুস্থ মানুষে শরীরে ইনসুলিন তৈরি হয় এবং কাজ করতে পারে। এই প্রতিষেধকও অনুরূপভাবে কাজ করতে পারবে একজন ডায়াবেটিস রোগীর শরীরে। এখানেই পার্থক্য ইনসুলিনের এই প্রতিষেধকের। ডায়াবেটিস রোগীর শরীরেই তৈরি হবে সক্রিয় ইনসুলিন। তাই বারবার ইন্সুলিন ইঞ্জেকশন করার প্রয়োজন নেই। রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে গেলে যেমন একজন সুস্থ মানুষের শরীর থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী ইনসুলিন উৎপাদিত হয়, ঠিক তেমনি এই প্রতিশোধ সেবনে একজন ডায়াবেটিস রোগীর শরীরেও প্রয়োজনীয় মাত্রায় ইনসুলিন তৈরি হবে। সুতরাং ইনসুলিনের মাত্রাতিরিক্ত ডোজ সংক্রান্ত কোন জটিলতার সম্মুখীন হতে হবে না এখন রোগীকে।

বিখ্যাত জার্নাল "ন্যানো লেটার্স" বলেছে স্বল্পমাত্রার এই প্রতিষেধক ইনসুলিন তৈরি বা দীর্ঘমেয়াদিভাবে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে শুধু করে না বরং ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ পর্যায় আছে এমন রোগীদেরও খাদ্য অভ্যাস প্ররবর্তন, অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি, যকৃত নষ্ট হয়ে যাওয়া, হৃদরোগ এবং উচ্চরক্তচাপ সহ ডায়াবেটিস এর বিভিন্ন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে সক্ষম।

জিএলপি ১ জিনের এই মৌখিক ডোজ মাত্র কয়েকবার সেবনে মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসের মাধ্যমে বারবার ক্ষুধা বা পিপাসা লাগা এবং বারবার খাবার গ্রহণের প্রবণতা হ্রাস করার পাশাপাশি খাবার গ্রহণে পরিপূর্ণতা এবং তৃপ্তি বাড়িয়ে দিতে সক্ষম।তাছাড়া, শরীরের মেদ ও চর্বি কমানোর মাধ্যমে অস্বাভাবিকহারে ওজন বৃদ্ধি ব্যাহত করে। রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা অতিরিক্ত উপস্থিতি হৃদরোগ,স্টোক এবং উচ্চ রক্তচাপসহ অগ্ন্যাশয়ের কোষগুলোকে ধ্বংস করে ডায়াবেটিস রোগীদের মৃত্যু পর্যন্ত ট্রাই গ্লিসারাইড এর মাথা ৫০ শতাংশ কমিয়ে দিতে সক্ষম", এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে গবেষণায়।



সম্প্রতি আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) কোষের জিএলপি-১ রিসেপ্টর সক্রিয় করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এমন দুটি প্রতিষেধক trulicity (ট্রুলিসিটি)এবং tenzeum (ট্যানজিয়াম)কে স্বীকৃতি দিয়েছে। প্রিক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তথ্য অনুযায়ী ট্রুলিসিটির প্লাজমা মাত্রা ডায়াবেটিকস বানরে কেবল মাত্র দুই দিনের জন্য স্থির থাকে।

গবেষণা বলছে, প্রিক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে মৌখিক প্রতিষেধকটি আমেরিকার এফডিএ কর্তৃক স্বীকৃত প্রতিষেধক ট্রুলিসিটির ইনজেকশন এর চেয়ে সাতগুণ বেশি কার্যকরী। কারণ একবার সেবনে ডায়াবেটিস বানরে এই প্রতিষেধক কমপক্ষে ১৪ দিন পর্যন্ত সক্রিয় থাকার প্রমাণ মিলেছে।
এছাড়া এফডিএ এর তথ্য অনুযায়ী, ট্রানজিয়ামের ইনজেকশন প্রিক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ডায়াবেটিকস বানরে প্রতি কেজি ওজনের ৫০ মিলিগ্রাম কার্যকর। অন্যদিকে মৌখিক এই প্রতিষেধক ট্রনজিয়াম ইনজেকশনের তুলনায় ১৭০ শতাংশ কম ডোজে কার্যকরী কারণ প্রিক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে এই প্রতিষেধক মাত্র ০.৩ মিলিগ্রাম প্রতিকেজি শরীরের ওজনে সর্বাধিক কার্যকর।

যেহেতু প্রতিষেধক সেবনে শরীরের ভেতর থেকে ইনসুলিন ও জিএলপি তৈরি হয় তাই অন্য প্রতিষেধকের উপর নির্ভর নয় আশার কথা এই যে এফডিএ কর্তৃক স্বীকৃত এই দুইটি প্রতিষেধক শুধুমাত্র ইনজেকশন ডোজে কার্যকরী। কিন্তু আবিষ্কৃত এই প্রতিষেধক খুব অল্প মাত্রায় মৌখিক ডোজে কার্যকরী অ্যালোমেট্রিক নীতি জার্নালে যে এটা মানুষের শরীরের রক্তের গ্লুকোজ এক মাস অবধি নিয়ন্ত্রণের রাখবে।

ইঁদুর বানর এবং মানব দেহের বিভিন্ন অংশের উপর গবেষণা করে জানা গেছে, এই প্রতিষেধক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন গ্লুকাগন পেপটাইড (জিএলপি-1) নামক এই ওষুধটি আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন দিয়ে কর্তৃক স্বীকৃত। গবেষণায় পাওয়া যায় এই সফলতা ডায়াবেটিস রোগীদের বর্তমানের বেদনাদায়ক চিকিৎসা অভিজ্ঞতাকে পরিবর্তন এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করতে পারে বলে দাবি আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটির।
0 Share Comment
Deshi Group
09 September 2021, 13:34

বিকল্প জ্বালানীতে বসুন্ধরা এলপিজির আন্তর্জাতিক অর্জন

বিকল্প জ্বালানীতে বসুন্ধরা এলপিজির আন্তর্জাতিক অর্জন
বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়নে অর্জনের পথে 'বিকল্প জ্বালানী' নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক প্রচেষ্টার জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে বসুন্ধরা এলপিজি। সম্প্রতি যুক্তরাজ্য ভিত্তিক অর্থনীতি সাময়িকী ‘বিজনেস ট্যাবলয়েড’ বসুন্ধরা এলপি গ্যাসকে ‘বেস্ট এলপি গ্যাস কোম্পানি’ হিসেবে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। প্রতিবছর নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের এ পুরস্কার দেয় লন্ডন ভিত্তিক অনলাইন সংবাদ ম্যাগাজিন। কোনো প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতে সম্ভাবনা ও দক্ষতা বিবেচনায় নেওয়া হয় বলে জানানো হয়।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ায়, বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফিয়াত সোবহান সকল ভোক্তা, বিক্রেতা, পরিবেশকসহ সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। সেইসঙ্গে এই শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতে আরও দৃঢ়তার সঙ্গে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। বাংলাদেশের প্রথম এলপি গ্যাস কোম্পানি হিসেবে বিগত ২০ বছর ধরে, রান্নার বিকল্প জ্বালানি সরবরাহে হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে এবং প্রায় লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে।

বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের হেড অফ সেলস জাকারিয়া জালাল বলেন, বসুন্ধরা এলপি গ্যাস দুই দশকেরও অধিক সময়ের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দেশে এলপিজি বাজারকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশ এবং বিশ্বব্যাপী ব্র্যান্ডকে শক্তিশালী করার জন্য স্বল্প মেয়াদী এবং দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার প্রতিফলনেই এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। গত দুই দশকে ধারাবাহিকভাবে ‘বেস্টব্র্যান্ড এবং সুপারব্রান্ড’ স্বীকৃতি পাওয়া বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের অর্জনে যুক্ত হলো বিজনেস ট্যাবলয়েডের অ্যাওয়ার্ড।
0 Share Comment
Deshi Group
09 September 2021, 13:33

অনলাইন রিয়েল হিরোস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ইকবাল বিন আনোয়ার

অনলাইন রিয়েল হিরোস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ইকবাল বিন আনোয়ার
অনলাইন রিয়েল হিরোস অ্যাওয়ার্ড-২০২১’- পেলেন এফ এম ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন)। তিনি দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিকস ও অটোমোবাইলস পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক (গেমস অ্যান্ড স্পোর্টস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মিরর ম্যাগাজিনের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ পুরস্কারে তিনি ভূষিত হন।

১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর একটি হোটেলে জমকালো অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্য দিয়ে মিরর এই পুরস্কার প্রদান করে। ৪ ক্যাটাগরিতে দেশের গণ্যমাণ্য ৫৬জন ব্যক্তিবর্গকে রিয়েল হিরোস অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করা হয়। ইকবাল বিন আনোয়ার ‘ফ্রন্টলাইন হিরোস’ এই ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হন।

সাবেক ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রী বীরেন শিকদার (এমপি) ইকবাল বিন আনোয়ারের হাতে ফ্রন্টলাইন হিরোস অ্যাওয়ার্ডটি তুলে দেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. হাসান মুরাদ। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, মিরর ম্যাগাজিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং অনুষ্ঠানের আয়োজক মালা খন্দকার, বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল সালাম মুর্শেদী (এমপি) ছাড়াও বিনোদন জগতের নামিদামি তারকারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ক্রিকেট থেকে কাবাডি- দেশের এহেন কোনো স্পোর্টস ইভেন্ট নেই যেখানে পা পড়েনি ওয়ালটনের। মিরর ম্যাগাজিন ‘ফ্রন্টলাইন হিরোস’ অ্যাওয়ার্ডে এফ এম ইকবাল বিন আনোয়ার ডনকে বেছে নেয়ার পেছনের মূল কারণও এটি। দেশের জনপ্রিয় ক্রীড়া ইভেন্ট ক্রিকেটে স্পন্সরের কোনো অভাব নেই। ফুটবল, হকিতেও অনেকে আগ্রহ নিয়ে স্পন্সরশিপের জন্য এগিয়ে আসে। তবে দেশের বাকি স্পোর্টস ইভেন্টগুলোতে সেভাবে কাউকে চোখে পড়ে না। বহু বছর ধরেই ক্রীড়াঙ্গনে এ দৃশ্য অনেকটা নিপাতনে সিদ্ধের মতো। কিন্তু এ অচলায়নকে ভেঙে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন দিগান্ত উন্মোচন করেছে ওয়ালটন। তৃণমূল থেকে অবহেলিত ফেডারেশন; এমনকি নন অ্যাফিলিয়েটেড অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত স্পোর্টস ইভেন্টগুলোতেও বছরের পর বছর স্পন্সর করে যাচ্ছে ওয়ালটন। আর সেখানে অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন ইকবাল বিন আনোয়ার ডন। জনপ্রিয় ফ্যাশন ম্যাগাজিন মিররের ভাইস প্রেসিডেন্ট মালা খন্দকার আর তার প্যানেল পুরস্কারের জন্য ইকবাল বিন আনোয়ারকে বেছে নিয়েছেন এ কারণেই।

এ বিষয়ে মালা খন্দকার বলেন, আমি মিরর ম্যাগাজিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট। আমি একজন ইভেন্ট অর্গানাইজার। আমি জানি একটা ইভেন্ট আয়োজন করতে কতটা শ্রম দিতে হয়; কষ্ট করতে হয়। সেখানে ডন ভাই তো পুরো ক্রীড়াঙ্গনকে চালিয়ে নিচ্ছেন। বিশেষ করে দেশের অবহেলিত ফেডারেশনগুলোতে তার অবদান চিরস্মরণীয়। আমাদের জাতীয় খেলা কাবাডি। অথচ এই খেলাতে সেভাবে কোনো স্পন্সর এগিয়ে আসে না। ব্যতিক্রম ওয়ালটন এবং এফ এম ইকবাল বিন আনোয়ার ডন। ফ্রন্টলাইন হিরোস অ্যাওয়ার্ডে আমরা ডন ভাইকে পুরস্কৃত করে পেরে নিজেদের ধন্য মনে করছি। একজন যোগ্য, দক্ষ সংগঠক হিসেবেই ডন ভাই এই পুরস্কারটি পেয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, এবারই প্রথম পুরস্কারটি চালু হয়েছে। প্রথমবারই বিভিন্ন মহল থেকে আমরা ব্যাপক উৎসাহ, সহযোগিতা পেয়েছি। এখন থেকে এটি প্রতি বছরই আয়োজনের ইচ্ছা আমাদের রয়েছে।

মিরর ম্যাগাজিন থেকে ফ্রন্টলাইন হিরোস অ্যাওয়ার্ডটি পেয়ে গর্বিত ওয়ালটনের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক ইকবাল বিন আনোয়ার ডন। অনুভূতি জানিয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি যে কোনো পুরস্কার হলো কাজের স্বীকৃতি। মিরর ম্যাগাজিন আমাকে যে পুরস্কারের ভূষিত করেছে এটি পেয়ে সত্যিই আমি ভীষণ আনন্দিত, গর্বিত। ওয়ালটনের জন্যই মূলত পুরস্কারটি অর্জন করা আমার পক্ষে সম্ভব হয়েছে। এই গর্বের ভাগিদার শুধু আমি একা নই; এ সম্মান আমাদের পুরো ওয়ালটন পরিবারের। আমি মনে করি আমরা ওয়ালটন পরিবার পৃষ্ঠপোষক না; ইনভেস্টর। আর এই ইনভেস্টের ফল তখনই আমরা হাতে পাব; যখন দেশের কোনো ক্রীড়াবিদ বিশ্ব দরবার কে বাংলাদেশের জন্য সাফল্য-সম্মান বয়ে আনবে। পুরস্কার কাজের গতি-পরিধিকে আরো বাড়িয়ে দেয়। অনলাইন রিয়েল হিরোস পুরস্কারটি আমার কাজের গতিকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। মিরর ম্যাগাজিনের সম্মানিত ভাইস প্রেসিডেন্ট মালা খন্দকারকে আমি বিশেষ ধন্যবাদ জানাতে চাই এমন একটি বিরল সম্মানে আমি ভূষিত করেছেন বলে।
0 Share Comment
Deshi Group
09 September 2021, 13:31

ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে আগুন, নিহত ৪০

ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে আগুন, নিহত ৪০
ইন্দোনেশিয়ার একটি কারাগারে ভয়াবহ আগুন লেগেছে। এখন পর্যন্ত সেখান থেকে ৪০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে বানতেন প্রদেশের একটি কারাগারে আগুন লাগে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, দেশটির আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রিকা জানান, তাংগেরাং কারাগারের সি ব্লকে রাত ১টা থেকে ২টার মধ্যে আগুন লাগে। সংশ্লিষ্টরা এখনও সেখানে কাজ করছেন। আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। এ বিষয়ে তদন্ত করা হবে।

তিনি জানান, মাদক সংক্রান্ত মামলার আসামিরা ওই ব্লকে ছিলেন। ওই ব্লকে ধারণ ক্ষমতা ১২২ জনের। তবে ধারণ ক্ষমতার অনেক বেশি আসামি সেখানে ছিলেন।

জাকার্তার কাছে অবস্থিত তাংগেরাং কারাগারটি। সরকারি তথ্য মতে, ৬০০ জনের ধারণ ক্ষমতা থাকলেও ২ হাজারের বেশি আসামি সেখানে রয়েছে।
0 Share Comment
Deshi Group
09 September 2021, 13:30

তালেবান নেতা মোল্লা আখুন্দ যেভাবে প্রধানমন্ত্রী হলেন

তালেবান নেতা মোল্লা আখুন্দ যেভাবে প্রধানমন্ত্রী হলেন
আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার তিন সপ্তাহ পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঘোষণা করে তালেবান। এতে মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দকে প্রধানমন্ত্রী করা হয়েছে। এ সরকারে রয়েছেন আরও ডজনখানেকের বেশি মন্ত্রী।

কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছেন আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী মোল্লা আখুন্দ।

তিনি তালেবানের শক্তিশালী সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা ‘রেহবারি শুরা’ বা নেতৃত্ব পরিষদের প্রধান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

এর আগে তালেবান ১৯৯৬-১৯৯১ সালে আফগানিস্তানে ক্ষমতায় থাকার সময় তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপ-প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) কাবুলে এক সংবাদ সম্মেলনে তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, তালেবান সহ-প্রতিষ্ঠাতা আবদুল গনি বারাদার মোল্লা আখুন্দের ডেপুটি হবেন।

মোল্লা ওমরে সান্নিধ্যে থেকে তালেবানের আন্দোলন-সংগ্রামের একচ্ছত্র নেতা হয়ে উঠেছেন মোল্লা আখুন্দ। তালেবানের সূচনা হয় কান্দাহারে, আখুন্দ সেখানকারই বাসিন্দা।

জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবেদনে আখুন্দকে ওমরের একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

তালেবানের একটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, তালেবানের আধ্যাত্মিক নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি পরিচিত। সামরিক নেতার তুলনায় ধর্মীয় নেতা হিসেবেই তার সুনাম বেশি। তবে সামরিক বিষয়ও তার মতামত গ্রহণ করে তালেবান।

আধুনিক আফগানিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা আহমদ শাহ দুররানি পশতুন বংশদ্ভূত। মোল্লা আখুন্দও একই বংশের।

২০০১ সালে আফগানিস্তান মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক বাহিনীর দখলে চলে যাওয়ার পর তালেবানের যে শুরা গঠিত হয়, মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া তিনি ইসলামবিষয়ক বেশ কিছু বইয়ের লেখক।

0 Share Comment
Deshi Group
09 September 2021, 13:29

অবশেষে ক্ষমা চাইলেন আশরাফ গনি

অবশেষে ক্ষমা চাইলেন আশরাফ গনি
দেশ থেকে পালানোর জন্য আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি আবারও দেশটির জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

বুধবার টুইটারে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি এই ক্ষমা প্রার্থনা করে দাবি করেন, রক্তাক্ত যুদ্ধের ঝুঁকি এড়াতে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের নিরাপত্তা কর্মীদের অনুরোধে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।

গত ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান ছেড়ে পালিয়ে যান আশরাফ গনি। প্রথমে তিনি তাজিকিস্তান পালিয়ে গেছেন বলে খবর বের হয়। পরবর্তীতে জানা যায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।

এ ব্যাপারে সাবেক আফগান প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল কাবুল ত্যাগ করা, কিন্তু আমি বিশ্বাস করতাম, এটাই ছিল বন্দুককে নীরব এবং কাবুল ও এর ৬০ লাখ মানুষকে রক্ষা করার একমাত্র পথ।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে কোটি কোটি ডলার চুরির অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, নিজের নির্দোষিতা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনে তিনি তদন্তকারীদের সামনে হাজির হতে প্রস্তুত।

এর আগে তাজিকিস্তানে সাবেক আফগান রাষ্ট্রদূত জহির আঘবার দাবি করেছিলেন, দেশ ছাড়ার আগে ১৬ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার নিয়ে গেছেন আশরাফ গনি।
0 Share Comment
Deshi Group
09 September 2021, 13:28

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য টাইগারদের দল ঘোষণা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য টাইগারদের দল ঘোষণা
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এছাড়া সংরক্ষিত তালিকায় আছেন দুই ক্রিকেটার।

বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার পর মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রেস কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। তার সঙ্গে ছিলেন অন্য দুই নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন ও আব্দুর রাজ্জাক।

অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশেলে গঠিত দলে চমক নেই কোনো। গত কয়েক মাস ধরে যারা জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি সিরিজগুলো খেলছেন তাদের মধ্য থেকেই ১৫ জনকে বেছে নিয়েছেন নির্বাচকরা। যেখানে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ছাড়াও অভিজ্ঞ খেলোয়াড় হিসেবে মুশফিকুর রহীম, সাকিব আল হাসানরা আছেন সঙ্গত কারণেই।



এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টি দলের নিয়মিত মুখে পরিণত হওয়া মোস্তাফিজুর রহমান, লিটন কুমার দাস, নাইম শেখ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনরাও রয়েছেন বিশ্বকাপ দলে। প্রধান নির্বাচক নান্নু এই দলের ওপর নিজেদের আস্থার কথা জানিয়েছেন।

একনজরে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল: মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), নাঈম শেখ, লিটন দাস, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, আফিফ হোসেন ধ্রুব, সৌম্য সরকার, শেখ মেহেদী হাসান, নুরুল হাসান সোহান, নাসুম আহমেদ, শামীম হোসেন পাটোয়ারি।

স্ট্যান্ডবাই: রুবেল হোসেন ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।
0 Share Comment
Bakar
09 September 2021, 11:46

ঢাকা-কুয়েত ফ্লাইট আজ থেকে

ঢাকা-কুয়েত ফ্লাইট আজ থেকে
দেড় বছর পর অবশেষে বৃহস্পতিবার থেকে চালু হলো ঢাকা-কুয়েতের সরাসরি ১ম ফ্লাইট। বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) কুয়েত এয়ারওয়েজের ওয়েব সাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে সপ্তাহে ৫ দিন ঢাকা-কুয়েত ফ্লাইট পরিচালনা করবে।

তাদের সিডিউল অনুসারে ৯ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) ভোর ৩টা ৩০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কুয়েতের উদ্দেশ্য ছেড়ে আসবে ১ম ফ্লাইটটি।
করোনা মহামারির কারণে কুয়েতের সঙ্গে বাংলাদেশসহ পাঁচটি দেশের সরাসরি বিমান চলাচল বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর বন্ধ থাকা নিষিদ্ধ দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি বিমান চলাচলের অনুমতি দিয়েছিল কুয়েত মন্ত্রিসভা।
কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি নির্দেশনা এবং বিমানবন্দরের যাত্রী উঠা নামার ধারণক্ষমতা সীমিত থাকায় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল নিষিদ্ধ পাঁচ দেশের সঙ্গে বিমান চলাচল।
সবশেষ গত ৫ সেপ্টেম্বর মিসর এবং ৭ সেপ্টেম্বর ইন্ডিয়া থেকে কুয়েতে সরাসরি ফ্লাইট এসে পৌঁছেছে। কুয়েত মন্ত্রিসভা বিমানবন্দরের যাত্রী ক্ষমতা প্রতিদিন ১০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১৫ হাজার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে ফ্লাইটের উচ্চমূল্যের কারণে স্বস্তিতে নেই প্রবাসীরা। সরাসরি ফ্লাইট প্রতি গুনতে হচ্ছে লাখ টাকার উপরে।

এদিকে সরাসরি ফ্লাইট চালু না হলেও তুর্কি, সৌদি, বাহরাইন হয়ে ট্রানজিটের রুটে কুয়েত ফিরছেন অনেক প্রবাসী।
0 Share Comment
Bakar
09 September 2021, 11:43

নতুন নিয়ম মানতে গেমিং কোম্পানিগুলোকে চাপ দিচ্ছে চীন

নতুন নিয়ম মানতে গেমিং কোম্পানিগুলোকে চাপ দিচ্ছে চীন
চীনে গেমিং কোম্পানিগুলোকে তলব করেছে দেশটির সরকার। গত মাসে ভিডিও গেম নিয়ে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে দেশটি। এ নিয়ম মানতে কোম্পানিগুলোকে চাপ দেওয়া হচ্ছে। যারা মানবে না তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এসব জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

গত মাসে ১৮ বছরের কমবয়সীদের জন্য সপ্তাহে তিনঘণ্টার বেশি গেম খেলা নিষিদ্ধ করেছে চীন। টেকনোলজি, শিক্ষা এবং সম্পদের ওপর ক্রমেই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।


কমবয়সীদের গেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করতে বুধবার গেমিং কোম্পানিগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে চীন। কোম্পানিগুলোর মধ্যে টেনসেন্ট এবং নেটএজও রয়েছে। এছাড়া সেলফ মিডিয়ার ওপরও কঠোর হচ্ছে দেশটি। যেসব মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে অরিজিনাল কনটেন্ট তৈরি করা হলেও তা কোনো কর্তৃপক্ষের অধীনে নয়- সেগুলোকে সেলফ মিডিয়া বলা হয়।


গত ২৭ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত এমন এক হাজার ৭৯৩ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এসব আইডি থেকে ক্ষতিকর তথ্য ছড়ানো হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।
0 Share Comment
Bakar
09 September 2021, 11:40

নীল রঙের গলদা চিংড়ি পেলেন স্কটল্যান্ডের মৎসজীবি

নীল রঙের গলদা চিংড়ি পেলেন স্কটল্যান্ডের মৎসজীবি
সাধারণত গলদা চিংড়ি কালচে সবুজ, ছাই রঙ বা লাল হয়।জানা যায় যে, প্রায় দশ লক্ষ গলদা চিংড়ির মধ্যে একটির রং হয় উজ্জ্বল নীল। এমনই এক বিরল নীল গলদা চিংড়ি ধরলেন স্কটল্যান্ডের জেলে রিকি গ্রিনহউই।

এমন চিংড়ি যে ভীষণই বিরল, তা জানতেন ৪৭ বছরের অভিজ্ঞ মৎসজীবি। তাই এই চিংড়িটি অন্যান্য চিংড়ির সঙ্গে রাখেননি তিনি। আলাদা বড় পাত্রে, সমুদ্রের জল, এয়ার পাম্প দিয়ে রেখেছেন তিনি। এরই মধ্যে স্কটল্যান্ডের ম্যাকডাফ অ্যাকোয়ারিয়াম প্রদর্শন কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন তিনি।তাদের এই চিংড়িটি নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছেন।

রিকি জানান, 'আমি জানি এটা খুবই বিরল। অ্যাকোয়ারিয়াম কর্তৃপক্ষ এটি জনগণের দেখার জন্য নিয়ে গেলে আমি সবচেয়ে খুশি হব। আর তা না হলে আমি একে আবার সমুদ্রেই ছেড়ে দেব। এত সুন্দর ও বিরল প্রাণীকে রান্না করে খাওয়ার পক্ষপাতী আমি নই।'


ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে রিকির পোস্ট।সকলেই অ্যাকোয়ারিয়ামে এই চিংড়িটি প্রদর্শনের জন্য অনুরোধ করেছেন। প্রসঙ্গত, ম্যাকডাফ অ্যাকোয়ারিয়ামে সুবিশাল স্থানে সামুদ্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করে সেখানে বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছের প্রদর্শন ও দেখাশোনা করা হয়। এছাড়া সেখানে স্বাদু জলের মাছেরও প্রদর্শনী আছে। সেখানে এই নীল লবস্টার থাকলে যে তা আকর্ষণের অন্যতম কারণ হবে, তা বলাই বাহুল্য।
0 Share Comment
Bakar
09 September 2021, 11:38

দাদি-নাতির প্রেম, অবশেষে বিয়ে

দাদি-নাতির প্রেম, অবশেষে বিয়ে
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ৫৫ বছর বয়সী দাদির সঙ্গে ২০ বছর বয়সী প্রতিবেশী নাতির সঙ্গে বিয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড়হিত ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামের ৫৫ বছর বয়সী দাদির স্বামী ৫ বছর পূর্বে মারা যাওয়ার পর একই গ্রামের প্রতিবেশী আব্দুর রশিদের পুত্র ফারুক মিয়া (২০) এর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে বৃহস্পতিবার ২ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে তাদেরকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ওই মহিলার ছেলে এনামুল হক হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে এনামুল এলাকার লোকজন ডেকে বিষয়টি জানান। পরদিন শুক্রবার ৩ সেপ্টেম্বর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সালিশে বসে নাতি ফারুক হোসেনের সাথে দাদি শিরিন আক্তারের বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। ওই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সোমবার রাতে দাদির সাথে নাতির বিয়ে রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়।



বড়হিত ইউপি সদস্য খাইরুল ইসলাম জানান, নওপাড়া গ্রামের এনামুল হক এর বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে প্রতিবেশী ফারুকের সাথে তার মায়ের অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে রাতের বেলায় হাতে নাতে ধরা পরার পর দুইজনের সম্মতিতে কাজীর মাধ্যমে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়। নাতির সঙ্গে দাদির বিয়ের পর এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করা হয়।


দাদি-নাতির বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বড়হিত ইউনিয়নের কাজী মোহাম্মদ নুরুল্লাহ জানান, সোমবার সন্ধ্যায় নওপাড়া গ্রামে বিয়ের রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়েছে। বিয়েতে পাঁচ লক্ষ টাকার দেনমোহর ধার্য করা হয়েছে।
0 Share Comment
Bakar
09 September 2021, 11:36

বঙ্গবন্ধুর ভাষণ পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হাইকোর্টের নির্দেশ

বঙ্গবন্ধুর ভাষণ পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হাইকোর্টের নির্দেশ
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতির জনকের ৭ মার্চের ভাষণের আঙ্গুল উঁচানোর ভাস্কর্য স্থাপনের জন্য বলেছেন আদালত। এছাড়া ভাস্কর্য স্থাপনের জন্য একটি কমিটি করতে বলা হয়েছে।


বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি সাহেদ নুর উদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। রিটকারী আইনজীবী ড. বশির আহমেদ আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 Share Comment
Bakar
09 September 2021, 11:35

প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন ভেষজ উদ্ভিদ অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী

0 Share Comment
Bakar
09 September 2021, 11:32

ভুট্টা

0 Share Comment
Bakar
09 September 2021, 11:20

জানুয়ারি থেকে কোয়ারেন্টাইন ছাড়াই থাইল্যান্ড যাওয়া যাবে

জানুয়ারি থেকে কোয়ারেন্টাইন ছাড়াই থাইল্যান্ড যাওয়া যাবে-ছবি: সংগৃহীত
করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ থাইল্যান্ড তাদের সীমান্ত বন্ধ রেখেছে। পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী অক্টোবরে সীমান্ত খুলে দেওয়া কথা ছিলো। কিন্তু নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী জানুয়ারীতে খুলে দেওয়া হবে থাইল্যান্ড। সেসময় লাগবে না কোনো কোয়ারেন্টাইন। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্যাংকক পোস্ট।
জানুয়ারি থেকে কোয়ারেন্টাইন ছাড়াই থাইল্যান্ড যাওয়া যাবে-ছবি: সংগৃহীত
প্রতিবেদনে বলা হয়, সীমান্ত খুলে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে থাইল্যান্ডের পর্যটন ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। তাদের আশা, আগামী জানুয়ারির মধ্যেই হার্ড ইমিউনিটি অর্জন করবে থাইল্যান্ডের মানুষ। যাতে করে নতুন করে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশংকা কম। সেরকম কিছু হলে জানুয়ারিতেই সীমান্ত খুলে দেওয়া হবে। তখন কাউকে কোয়ারেন্টাইন নিয়ম মানতে হবে না।
জানুয়ারি থেকে কোয়ারেন্টাইন ছাড়াই থাইল্যান্ড যাওয়া যাবে-ছবি: সংগৃহীত
এ প্রসঙ্গে পর্যটন ও ক্রীড়া মন্ত্রী ফিফাত রাতচাকিতপ্রাকার্ন জানান, বর্তমানে থাইল্যান্ডে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী অক্টোবরে সীমান্ত খুলে দেওয়ার কথা থাকলেও এখনো অনেকে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেনি। যার কারণে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আরও সময়ের প্রয়োজন। তবে আশা করছি নভেম্বর থেকেই পর্যটকরা কিছু জায়গায় যেতে পারবে।
জানুয়ারি থেকে কোয়ারেন্টাইন ছাড়াই থাইল্যান্ড যাওয়া যাবে-ছবি: সংগৃহীত
তিনি জানান, নভেম্বরের ১ তারিখ থেকে শুদেহু নিরাপদ স্থানগুলোতে পর্যটকরা যেতে পারবেন। এছাড়া অন্যান্য দেশের পর্যটকরা আগামী জানুয়ারি থেকে কোনো কোয়ারেন্টাইন ছাড়াই থাইল্যান্ড আসতে পারবে।
0 Share Comment
Bakar
09 September 2021, 11:15

যে কারণে ‘গুনিন’ ছবি থেকে সরে দাঁড়ালেন নুসরাত ফারিয়া

যে কারণে ‘গুনিন’ ছবি থেকে সরে দাঁড়ালেন নুসরাত ফারিয়া
প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের ‘গুনিন’ ছোটগল্প অবলম্বনে বানানো হবে চলচ্চিত্র। ‘গুনিন’ নামের এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করছেন গুণী নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিম। এতে অভিনয় করার কথা ছিলো ঢালিউড অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়ার। সম্প্রতি তার সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিও সম্পন্ন হয়। তবে ছবিটি থেকে সরে দাঁড়ালেন এই নায়িকা।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন নুসরাত নিজেই। কেনো সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়ালেন সেটার কারণও স্পষ্ট করেছেন ফারিয়া।


ফারিয়া জানান, এটা খুবই দুঃখজনক যে ‘গুনিন’ সিনেমাটি আমি করছি না। সেলিম ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। মিউচুয়ালি আমরা এই সিদ্ধান্তটা নিয়েছি। সিডিউলজনিত একটা কারণে এই সিনেমা থেকে সরে দাঁড়াতে হলো। আসলে সময়টা মিলছে না। ওনাদের একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজটা করতে হবে। এই সিনেমাটি না করতে পারাটা দুর্ভাগ্যজনক বিষয় বলেও উল্লেখ করেন ফারিয়া।

যে কারণে ‘গুনিন’ ছবি থেকে সরে দাঁড়ালেন নুসরাত ফারিয়া


এটি একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। এর আগে ফারিয়া ছাড়াও এই চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পী হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হন ইরেশ যাকের, মোস্তফা মনোয়ার, আজাদ আবুল কালাম, এবং ‘নেটওয়ার্কের বাইরে’ খ্যাত অভিনেতা শরীফুল রাজ।
0 Share Comment
Bakar
09 September 2021, 11:10

মুখের ইশারায় চলবে ফোন

মুখের ইশারায় চলবে ফোন
মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগলের অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েডে বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের জন্য টুলস নিয়ে এসেছে। অ্যান্ড্রয়েড ১২-এর চতুর্থ বেটা সংস্করণের অংশ হিসাবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাক্সেসিবিলিটি শ্যুটের বেটা সংস্করণে ফোনকে নতুনভাবে নিয়ন্ত্রণের সুযোগ আনা হয়েছে। খবর এনগ্যাজেট।



খবরে বলা হয়, ‘ক্যামেরা সুইচেস’ নামের নতুন অ্যাক্সেসিবিলিটি ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর মুখ দিয়েই ফোন নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। ব্যবহারকারী হাসি দিলে কিংবা চোখের ভ্রু ওপরে উঠালে ফোনের নোটিফিকেশন প্যানেল অথবা কুইক সেটিংস ওপেন হবে। এ ছাড়া হাঁ করলে আগে বা পিছে স্ক্রল হবে।

এক্সডিএ ডেভেলপারসে বলা হয়েছে, নতুন এ আপডেটের মাধ্যমে মুখের ছয়টি অভিব্যক্তির মাধ্যমে ফোনে একডজনের অধিক কাজ করা যাবে। রয়েছে মুখের নড়াচড়ার আকার শনাক্তের সুবিধা, যার মাধ্যমে অহেতুক কোনো অ্যাকশন চালু রোধ করা যাবে। অ্যান্ড্রয়েড অ্যাক্সেসিবিলিটি শ্যুটের সুইচ অ্যাক্সেস ফিচারের ওপর ভিত্তি করে ক্যামের সুইচেস তৈরি করা হয়েছে। টাচস্ক্রিণ ব্যবহার ছাড়াই সুইচ অ্যাক্সেস ফিচারে ডিভাইসে বেশকিছু কাজ করা যায়।
0 Share Comment
Bakar
09 September 2021, 11:08

মঙ্গল গ্রহে জমি কিনলেন লালমনিরহাটের এলাহান উদ্দিন

মঙ্গল গ্রহে জমি কিনলেন লালমনিরহাটের এলাহান উদ্দিন
মঙ্গল গ্রহে জমি কিনলেন লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার ইঞ্জিনিয়ার এলাহান উদ্দিন। সেই জমির দলিলও পেয়েছেন হাতে। ম্যাপেও উল্লেখ রয়েছে কোথায় আছে তার জমি।



এই বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ার এলাহান উদ্দিন বলেন, প্রযুক্তি থেমে নেই, মঙ্গল গ্রহে সফলভাবে অবতরণ করেছে নাসার (NASA) ‘মার্স ২০২০ পার্সিভেরেন্স’ (Mars 2020 Perseverance) রোভারটি। পৃথিবীতে বসেই মঙ্গলে বাসস্থান গড়ার জন্য কাজ করছে একদল বিজ্ঞানী। বিজ্ঞানীদের এই কাজেও সাক্ষী হয়ে থাকবে বাংলাদেশ। যেহেতু মঙ্গল গ্রহের গবেষণায় কাজ করেন বিখ্যাত বিজ্ঞানিরা। তাই তাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের নাম বিশ্ব গবেষণায় ছড়ানোই আমার মূল লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, আমরা পিছিয়ে থাকতে চাই না। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মতো, মঙ্গল গ্রহেও পা রাখবে বাংলাদেশীরা। যদি কোন দিন বাংলাদেশী বিজ্ঞানিরা মঙ্গল গ্রহে পা রাখতে পারে, তাদের গবেষণার কাজে উৎসর্গ করা হবে সেই জমি।



জানা গেছে, মঙ্গলে জমি কেনার তালিকায় রয়েছেন বিশ্বের আরও ১ কোটি ৩২ হাজার ২৯৫ জন। আগামী ২০২৩-এ চার নভোচারীর প্রথম দলটি যাবে মঙ্গলে। ২০২৩ নাগাদ মঙ্গল অভিযানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে নেদারল্যান্ডসের কোম্পানি ‘মার্স ওয়ান’। সেই লক্ষ্যে টিকেটও বিক্রি শুরু করেছে তারা।

এই খবরে নানান বিতর্ক ও সমালোচনা থাকা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত আবেদন করেছে দুই লাখের বেশি মানুষ। তাদের মধ্যে এক লাখ ৫৮ হাজার জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুসারে, আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে প্রথম ৪০ জনকে নির্বাচন করা হবে। প্রশিক্ষণ শেষে চূড়ান্তভাবে চারজনকে বাছাই করা হবে।

এদিকে যে প্রতিষ্ঠান থেকে মঙ্গল গ্রহে পূর্বে জমি কিনেছেন সাবেক তিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচডব্লিউবুশ, জিমি কাটার ও রোলান্ড রিগ্যান, সেই প্রতিষ্ঠানের মালিক ডেনিস হোপ-এর কাছ থেকে জমি কিনেছেন ইঞ্জিনিয়ার এলাহান উদ্দিন।
0 Share Comment
Bakar
09 September 2021, 11:06

মা ও শিশুমৃত্যু হ্রাসে সফল বাংলাদেশ

মা ও শিশুমৃত্যু হ্রাসে সফল বাংলাদেশ
৫০ বছরে শিশু মৃত্যুহার
৮৫ ভাগ কমেছে
লক্ষ্য মাতৃমৃত্যু ৫০-এর নিচে নামিয়ে আনা
সাফল্যের জন্য এমডিজি অ্যাওয়ার্ড অর্জন
প্রতিবেশী ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে
৫০ বছরে মা ও শিশু মৃত্যুহার কমেছে। মা ও শিশু মৃত্যুহার হ্রাসে উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। ধারাবাহিক সাফল্যে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে। ২০১৯ সালের ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স অব বাংলাদেশের তথ্যমতে, ২০০৪ সালে প্রতি হাজারে জীবিত জন্মে মাতৃ মৃত্যুহার ছিলো ৩ দশমিক ২০ শতাংশ। বর্তমানে সেটা কমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৬৫ শতাংশে।



এদিকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মা ও শিশু মৃত্যুহার কমানোর কৌশলপত্রের তথ্যমতে, ২০০৯ সালে প্রতি লাখ সন্তান প্রসবে মাতৃ মৃত্যুহার ছিলো ২৫৯ জন। সম্প্রতি সংখ্যাটা কমে দাঁড়িয়েছে ১৬৫ জনে। গত ১০ বছরে মাতৃ মৃত্যুহার কমেছে প্রতি লাখ জীবিত জন্মে প্রায় ৯৪ জন।

এদিকে শিশু মৃত্যুহারও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। স্বাধীনতার সময় শিশু মৃত্যুহার ছিলো এক হাজার জনের মধ্যে ১৪১ জন। এখন তা ২১। অর্থাৎ শিশু মৃত্যুর হার কমেছে ৮৫ শতাংশ। শিশু মৃত্যুহার হ্রাসে সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমডিজি অ্যাওয়ার্ড-২০১০ অর্জন করেছে।

গত ৫০ বছরে মা ও শিশুস্বাস্থ্যের উন্নতিতে বাংলাদেশের অর্জন গুরুত্বপূর্ণ। শিশু মৃত্যুহার হ্রাসে ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। শূন্য থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুর মৃত্যুহার কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্যকে ইতোমধ্যে জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) স্বীকৃতি দিয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের টার্গেট নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সরকারের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে মাতৃমৃত্যু প্রতি হাজারে ৫০ জনের নিচে নামিয়ে আনা।



বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, ১৯৭২ সালে এক হাজার শিশু জন্ম নেয়ার পর ১৪১টি শিশু মারা যেতো বয়স এক বছর পূর্ণ হওয়ার আগে। আর এখন মারা যায় ২১টি শিশু। পাকিস্তানে এখন শিশু মৃত্যুর হার ৫৫। বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশি। অথচ বাংলাদেশের স্বাধীনতার বছরে পাকিস্তানে শিশু মৃত্যুর হার বাংলাদেশের চেয়ে কম ছিলো। সংখ্যাটি ছিলো ১৩৯। জনস্বাস্থ্যবিদরা বলছেন, স্বাধীনতার পর গত ৫০ বছরে দেশের প্রতিটি সূচকে বাংলাদেশের অভাবনীয় সাফল্য মিলেছে।

এক্ষেত্রে মা ও শিশু মৃত্যুহার হ্রাসেও পিছিয়ে নেই। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভূমিকা রয়েছে দেশের পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাঠকর্মীদের। তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতনতা তৈরি, জরুরি ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং পরামর্শ প্রদান।

এছাড়াও স্বাধীন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, নারী শিক্ষার প্রসার, নিরাপদ মাতৃত্ব গ্রহণ, কমিউনিটি ক্লিনিক ও টেলিমেডিসিন সেবার প্রদান, প্রাতিষ্ঠানিক সন্তান জন্মদান, সন্তান প্রসব পরবর্তী সেবা প্রদান, সমপ্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি, ডায়রিয়াজনিত রোগনিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি, পুষ্টি কর্মসূচি শিশুস্বাস্থ্যের উন্নতিতে ভূমিকা রেখেছে। কৃমিনাশক, ভিটামিন ‘এ’ কর্মসূচি শিশুদের অবস্থার উন্নতি করেছে।



সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে স্বাধীনতার পর থেকেই মাতৃস্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, শিশুপুষ্টি এসব বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিয়েছিল। দেশের সংবিধানে, বিভিন্ন সময়ে নেয়া পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, স্বাস্থ্যনীতি এবং সর্বশেষ স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত কর্মসূচিতে এসব বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়।

গত ৫০ বছরে ধারাবাহিকভাবে এসব কাজ হয়ে এসেছে। তার ধারাবাহিকতায় এখনো প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের তত্ত্বাবধায়নে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানুর নেতৃত্বে একদল দক্ষ কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। ফলে মা ও নবজাতকের সব সূচকে বাংলাদেশের উন্নতি ঘটছে।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন বার্ষিক গ্লোবাল চাইল্ড হুড রিপোর্ট ২০১৯ শীর্ষক প্রতিবেদনে দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপালে গত দুই দশকে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা অনেক হ্রাস পেয়েছে। চারটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি অর্জন করেছে, যেখানে ভুটানের শিশু মৃত্যুহার কমেছে ৬০ শতাংশ, নেপালে ৫৯ শতাংশ এবং ভারতের ৫৭ শতাংশ। আর বাংলাদেশে শিশুমৃত্যুর হার কমিয়েছে ৬৩ শতাংশ।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত ২৪ বছরে দেশে শিশু মৃত্যুহার ৭৩ শতাংশ কমেছে। এসডিজি অনুযায়ী, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে শূন্য থেকে এক মাস বয়সি শিশু মৃত্যুহার প্রতি হাজারে ১২ জনে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। বর্তমানে এই সংখ্যা ২৮ জন। তবে, শূন্য থেকে পাঁচ বছর বয়সি শিশু মৃত্যুহার প্রতি হাজারে ৩৮ জন। এদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ২০৩৫ সালের মধ্যে জীবিত জন্মানো শিশু মৃত্যুহার প্রতি হাজারে ২০ জনে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ জনমিতি ও স্বাস্থ্য জরিপ ২০১৭-১৮ (বিডিএইচএস) প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, শিশুপুষ্টির সূচকে দেশ উন্নতি করেছে।



শিশু যদি ধারাবাহিকভাবে অপুষ্টিতে ভোগে, তাহলে তার উচ্চতা বয়সের তুলনায় কমে যায়, শিশু খর্বাকৃতির হয়। খর্বকায় শিশুর হার দেশে ক্রমাগত কমছে। বয়সের তুলনায় কম ওজনের শিশুর হারও কমেছে। ২০০৭ সালে ছিলো ৪১ শতাংশ। আর এখন তা ২২ শতাংশ। অন্যদিকে হঠাৎ তীব্র অপুষ্টির শিকার হওয়া শিশুর হারও আগের চেয়ে কমেছে। এসব শিশুর উচ্চতার তুলনায় ওজন কম থাকে। এই প্রথম এই হার এক অঙ্কে নেমে এসেছে। দেশে পাঁচ বছরের কম কৃশকায় (ওয়াসটিং) শিশুর হার ৮ শতাংশ। ২০১৪ ও ২০০৭ সালে তা ছিলো যথাক্রমে ১৪ ও ১৭ শতাংশ।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, সরকার মাতৃ ও শিশু মৃত্যুরোধে সকল সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করেছে। আর এই কারণেই দেশে মাতৃ ও শিশুমৃত্যু উভয়ই কমেছে। ২০১৭ সালে গর্ভকালীন মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি লাখে ১৭৬ জন থাকলেও বর্তমানে তা ১৭২ জন। এছাড়া ২০১৫ সালে প্রতি হাজার নবজাতকের মধ্যে মৃত্যুহার ২০ জন থাকলেও বর্তমানে তা হ্রাস পেয়ে ১৮ দশমিক ৪ ভাগে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আমাদের ২০৩০ সালের মধ্যে প্রিম্যাচুউরড এ শিশু মৃত্যুহারের লক্ষ্যমাত্রা ১২ দেয়া আছে। স্বাস্থ্যসেবা খাতের সবাই সঠিকভাবে সঠিক কাজটি করলে এই অপরিণত শিশু মৃত্যুহারের লক্ষ্যমাত্রা আগামী দুই বছরেই অর্জন করা সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে দেশের সব সরকারি হাসপাতালেই গর্ভবতী মায়েদের জন্য ২৪ ঘণ্টা ডেলিভারি সুবিধাও রাখা হবে।
0 Share Comment
Bakar
09 September 2021, 11:04

আফগান সরকারকে এখনই স্বীকৃতি দিচ্ছে না বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আফগান সরকারকে এখনই স্বীকৃতি দিচ্ছে না বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জানিয়েছেন, আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তীকালীন তালেবান সরকারকে বাংলাদেশ এখনই স্বীকৃতি দিচ্ছে না।



বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মন্ত্রণালয়ে তালেবান ইস্যুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি ।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আফগানিস্তানের উন্নয়নে জাতিসংঘ ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) উদ্যোগ নিলে সে বিষয়ে সমর্থন দেবে বাংলাদেশ।’

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) আফগানিস্তানে অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণা দিয়েছে তালেবান। দেশটির নতুন রাষ্ট্রপ্রধান হচ্ছেন সংগঠনটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ।

গত ১৫ আগস্ট আশরাফ ঘানির সরকারকে হটিয়ে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলে নেয় তালেবান। এরপর গত ৩০ আগস্ট মধ্যরাতে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার পর আফগানিস্তানে পুরোপুরিভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে তালেবান।



আফগানিস্তান বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন বলেন, যদি তালেবান সরকার গঠন করে, আর সেই সরকার যদি জনগণের সরকার হয়। তবে সেই সরকারকে গ্রহণ করবে বাংলাদেশ।
0 Share Comment
$
$