অনলাইন শপিং,ফ্রিল্যান্সিং ও অন্যান্য কাজ করার জন্য এই ওয়েবসাইটে একটি একাউন্ট থাকতে হবে। একাউন্ট খোলা মানেই টাকা দিতে হবে এমন না। ফ্রিল্যান্সার অথবা বায়ার, এর যে কোন একটি চয়েজ করে একাউন্ট তৈরি করতে হবে।অথবা শপিং সেকশনের যে কোন প্রোডাক্টের এ্যাড টু কার্ট বাটনে ক্লিক করেও আপনি একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন।সাইনআপ করুন এবং কাজ পোষ্ট করুন। ফ্রিল্যান্সারগণ কাজ খুজুন ও বিড করুন।একাউন্ট তৈরি হলে আপনি আপনার দেয়া ইউজার আইডি ও পাসওর্য়াড ব্যবহার করে সাইটে লগইন করতে পারবেন। You must have an account on this website for online shopping, freelancing and other activities. Opening an account does not mean that you have to pay. Freelancer or buyer, you have to create an account by choosing one of them. Or you can create an account by clicking on the add to cart button of any product in the shopping section.Sign up and post work. Freelancers find work and bid. Once the account is created, you can login to the site using your given user ID and password.

We have 79 guests and no members online

All Posts

3417 posts found

Bakar
11 October 2020, 17:06

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে আটকে থাকা
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এবার হচ্ছে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে
জেএসসি ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে তাদের মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন
প্রশ্ন উঠেছে, এইচএসসি ও সমমানের ফরম পূরণে শিক্ষার্থীদের দেওয়া টাকার কী
হবে? তবে আন্ত শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফরম পূরণের বেশির ভাগ
টাকা ব্যয় হয়ে গেছে। বাকি টাকার ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।


শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এইচএসসি পরীক্ষার ফি বাবদ পরীক্ষার্থীদের
কাছ থেকে পত্রপ্রতি ১০০ টাকা, ব্যাবহারিকের ফি বাবদ পত্রপ্রতি ২৫ টাকা,
একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের ফি বাবদ পরীক্ষার্থীপ্রতি ৫০ টাকা, মূল সনদ বাবদ
১০০ টাকা, বয়েজ স্কাউট ও গার্লস গাইড ফি বাবদ ১৫ টাকা এবং জাতীয় শিক্ষা
সপ্তাহ ফি বাবদ পরীক্ষার্থীপ্রতি পাঁচ টাকা নেওয়া হবে। এ ছাড়া অনিয়মিত
শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীপ্রতি ১০০ টাকা অনিয়মিত ফি নির্ধারণ করা
হয়েছে। কেন্দ্র ফি বাবদ প্রতি পরীক্ষার্থীকে ৪০০ টাকা ও ব্যাবহারিক
পরীক্ষার ফি বাবদ পরীক্ষার্থীদের পত্রপ্রতি ২৫ টাকা দিতে হয়েছে।


অর্থাৎ বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে শিক্ষার্থীদের পৃথক
টাকা দিতে হয়েছে। শিক্ষার্থীদের এক হাজার ৫০০ টাকা থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা
পর্যন্ত বোর্ড ফি দিতে হয়েছে। তবে বাস্তবে অনেক কলেজই বোর্ডের ধার্য করা
ফির চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেছে।


শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন
করা হয়েছিল, প্রশ্নপত্র-উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) তৈরি, কেন্দ্র
ব্যবস্থাপনাসহ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছিল। এতে অনেক অর্থ ব্যয় হয়েছে,
যা শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের টাকা দিয়েই করা হয়েছে। এ ছাড়া ভবিষ্যতে
নম্বরপত্র, সনদের জন্যও অর্থের প্রয়োজন হবে।


আন্ত শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক
মু. জিয়াউল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা পরীক্ষার পুরো প্রস্তুতি
নিয়েছিলাম। তাই শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের বেশির ভাগ টাকাই খরচ হয়ে গেছে।
ভবিষ্যতে আরো খরচ আছে। তবে যেহেতু পরীক্ষা হয়নি, তাই কিছু টাকা থাকবে।
কিন্তু এ ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আগে আমরা মূল্যায়নের কাজটি শেষ
করতে চাই।’


0 Share Comment
Bakar
11 October 2020, 17:01

আইপিএলে যে দলে খেলবেন জাহানারা এবং সালমা

আইপিএলে যে দলে খেলবেন জাহানারা এবং সালমা
সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলছে পুরুষদের আইপিএল। করোনাকালের দর্শকবিহীন স্টেডিয়ামে ক্রিকেটাররা খেলে তেমন মজা না পেলেও দর্শকরা ঠিকই টিভিতে আইপিএলের আমেজ পাচ্ছেন। পুরুষদের পর হতে যাচ্ছে মেয়েদের আইপিএল। আগেই জানা গিয়েছিল, এবারের আসরে বাংলাদেশের দুই সেরা তারকা জাহানারা আলম এবং সালমা খাতুন খেলবেন। বিসিবিও সবুজ সংকেত দিয়ে রেখেছে। তবে তখন দলের নাম ঘোষণা করা হয়নি।

এই নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার 'মেয়েদের আইপিএল' খ্যাত ভারতের উইমেন্স টি-টোয়েন্টি চ্যালেঞ্জে সুযোগ পেলেন জাহানারা আলম। বাংলাদেশের দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার জায়গা পেয়েছেন আলাদা দুটি দলে। আজ রবিবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড-বিসিসিআই তিন দলের এই টুর্নামেন্টের সূচি ও স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। গত বছরের মতো এবারও ভেলোসিটি দলের হয়ে খেলবেন জাহানারা। আর প্রথমবার আইপিএল খেলতে যাওয়া সালমার দল ট্রেইলব্লেজার্স।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে টুর্নামেন্টটির তৃতীয় আসর অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ থেকে ৯ নভেম্বর। আনুষ্ঠানিকভাবে ভেন্যু ঘোষণা করা না হলেও শারজায় সবগুলো ম্যাচ হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। আইপিএলের মেয়েদের সংস্করণ হিসেবে এটিকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় ভারত। গত আসরে ভেলোসিটির হয়ে ফাইনালের আগের ম্যাচে ৪ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন জাহানারা। এরপর ফাইনালে দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ২১ রানে নিয়েছিলেন ২ উইকেট। তবে তার দল শিরোপা জিততে ব্যর্থ হয়েছিল।

টুর্নামেন্টে দল থাকবে ৩টি। প্রতিটি দলে নেওয়া হয়েছে ১৫ জন করে ক্রিকেটার। এর মধ্যে বিদেশি চার জন করে। ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউ জিল্যান্ড, বাংলাদেশের পাশাপাশি থাইল্যান্ড থেকেও একজন ক্রিকেটার সুযোগ পেয়েছেন। প্রতিটি দল একবার করে পরস্পরের মুখোমুখি হবে। শীর্ষ দুই দল খেলবে ফাইনালে। প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত আটটায়। ট্রেইলব্লেজার্সকে নেতৃত্ব দেবেন স্মৃতি মান্ধানা আর ভেলোসিটির অধিনায়ক মিতালি রাজ।

টুর্নামেন্টের সূচি:

৪ নভেম্বর: সুপারনোভাস ও ভেলোসিটি

৫ নভেম্বর: ভেলোসিটি ও ট্রেইলব্লেজার্স

৭ নভেম্বর: ট্রেইলব্লেজার্স ও সুপারনোভাস

৯ নভেম্বর: ফাইনাল
0 Share Comment
Bakar
11 October 2020, 17:00

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্বিতীয় দফার করোনা
মহামারি দেখা দেওয়ার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এখনো
করোনাভাইরাসের প্রভাব আছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে আরেকবার হয়তো এই করোনাভাইরাসের
প্রভাব বা প্রার্দুভাব দেখা দিতে পারে। কারণ ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে আবার
নতুন করে দেখা দিচ্ছে।


তিনি বলেন, আমাদের এখন থেকেই সবাইকে সুরক্ষিত থাকতে হবে। সেই সাথে সাথে
আমাদের খাদ্য উৎপাদন অব্যহত রাখতে হবে। সেই দিকে আমরা আহ্বান জানাবো আপনারা
এই ব্যাপারে যার যার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন।


প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০টি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা
প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাভার ক্যান্টনমেন্টে আয়োজিত মূল অনুষ্ঠানে যোগ
দেন।


খাদ্য উৎপাদন আরও বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কৃষিতে আমার
নির্দেশনা ছিল প্রচুর পরিমান খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। কোন মতে যাতে খাদ্য
সংকট দেখা না দেয়।


তিনি বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী একটা
খাদ্য মন্দা দেখা দিচ্ছে। অনেক উন্নত দেশও হিমশীম খাচ্ছে। বাংলাদেশে আমরা
সঠিক সময়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছিলাম বলেই আজকে সেই সমস্যাটা আমাদের দেখা
দিচ্ছে না।


করোনা মোকাবেলায় আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে ধন্যবাদ দেন শেখ হাসিনা।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই করোনাভাইরাসেও আমাদের সেনাবাহিনী দীর্ঘ কয়েকমাস
যাবৎ আমাদের সেনাবাহিনী ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। মানুষের
মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা, তাদের রিলিফ বিতরণ করা, তাদের নানা ধরনের
সহযোগিতা করা, করোনা সম্পর্কে তাদের সচেতনতা সব ব্যাপারেই বিশেষ ভূমিকা
আপনারা পালন করে যাচ্ছেন। সেজন্য তিনি সেনাবাহিনীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
সাথে সাথে তিনি নৌবাহিনী, বিমানবাহিনীর সদস্যদেরকেও ধন্যবাদ জানান। 


তিনি বলেন, প্রত্যেকে বিশেষভাবে অবদান রেখে যাচ্ছে।


সেনা সদস্যদেও পেশাগত ভাবে দক্ষতার পাশাপাশি সৎ জীবন যাপনের তাগিদ দিয়ে
শেখ হাসিনা বলেন, সেনাবাহিনী দেশের সম্পদ এবং মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের
প্রতীক। আর কোন সেনাবাহিনী যদি মানুষের আস্থা বিশ্বাস অর্জন করতে না পারে
তাহলে কখনো তারা কোন বিজয় অর্জন করতে পারে না। তাই, আপনাদের সকলকে
পেশাগতভাবে দক্ষ, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে সৎ এবং মঙ্গলময়
জীবনের অধিকারী হতে হবে। দেশপ্রেম ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখেই
দায়িত্ব পালন করতে হবে।


তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ এরা তো আপনাদেরই আপনজন, আপনাদেরই পরিবারের
সদস্য। কাজেই তাদের কল্যাণের কথা চিন্তা করে আপনাদের কাজ করতে হবে। আমাদের
সেনা বাহিনী সব সময় মানুষের পাশে আছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের পাশে
দাঁড়ায়।


বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির 'সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সঙ্গে বৈরীতা নয়'
এর উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও
নিরাপত্তা রক্ষায় সব সময় নিবেদিত প্রাণ। সে জন্য জাতিসংঘ যখনই আমাদের
সশ্রস্ত্র বাহিনীর সদস্য চেয়েছে, পুলিশ বাহিনী চেয়েছে আমরা সেটা দিয়ে
যাচ্ছি-শুধুমাত্র আমরা যেহেতু বিশ্ব শান্তিতে বিশ্বাস করি। সংবিধানকে
সমুন্নত রেখে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।


গৃহহীনদের মুজিববর্ষে জন্য সরকারের কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা
বলেন, গৃহহীনদের ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছি। এদেশে কেউ গরিব-গৃহহীন থাকবে না।
সকলের উন্নত জীবন নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

0 Share Comment
Bakar
11 October 2020, 16:56

৭৭ পেরিয়ে অমিতাভ, তবুও বাড়েনি বয়স

৭৭ পেরিয়ে অমিতাভ, তবুও বাড়েনি বয়স
কিছু মানুষের কাছে বয়সটা হলো জাস্ট নাম্বার ৷ এমনই একজন বলিউডের বিগবি অমিতাভ বচ্চন। এসব মানুষের তালিকায় একেবারে ওপরের সারিতে রয়েছেন তিনি। এবার ১১ অক্টোবর ৭৮-এ পা দিলেন অমিতাভ বচ্চন।

বলিউড সিনেমার ক্ষেত্রে অমিতাভ ঈশ্বর সমান ৷ আর ঈশ্বরের তো বয়স বাড়ে না। আর তা-ই বারবার প্রমাণ করে চলেছেন ৭৮-এর অমিতাভ৷ এবারের জন্মদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ভাষায় ধন্যবাদ দিয়ে অমিতাভ লিখেছেন, ‘এই ১১ তারিখে আপনাদের ভালোবাসা, আপনাদের আশীর্বাদ, সব সময় সঙ্গে থাকাই আমার সবচেয়ে বড় উপহার ৷’

প্রতিবার অমিতাভ এই দিনটিতে জলসার বারান্দায় এসে হাত নেড়ে ভক্তদের দেখা দেন। আজও যেকোনো মুহূর্তে তিনি আসবেন। ভক্তরা তাই সমবেত হচ্ছেন। অমিতাভের নামে একটি মন্দির রয়েছে। প্রতিবারের মতো এবারও সকাল থেকে মন্দিরে উপস্থিত হতে শুরু করেছেন ভক্তরা। মন্দিরও সেজেছে আলোকসজ্জায়।

সিনেমার পর্দা থেকে টেলিভিশনের পর্দায় সমানতালে কাজ করেছেন অমিতাভ ৷ বিজ্ঞাপন থেকে এবার তো ওয়েবসিরিজও৷ যেকোনো ভাষায়, যেকোনো সিনেমায় অমিতাভ একেবারে সেই সত্তরের দশকের নায়কের এনার্জি নিয়েই ক্যামেরার সামনে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
0 Share Comment
Bakar
11 October 2020, 16:53

জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষার ফলের
ভিত্তিতে এবারের এইচএসসি ও সমমানের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত
নিয়েছে সরকার। এ অবস্থায় ২০২০ সালে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি
সমমান পর্যায়ের প্রায় পৌনে দুই লাখ শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন নিয়ে জটিলতা তৈরি
হয়েছে। এসএসসি (ভোকেশনাল) পাস করে জেনারেল কলেজে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরাও
তাদের ফল মূল্যায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে।


কারিগরি শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, এইচএসসি সমমানের বিজনেস ম্যানেজমেন্ট
(বিএম) কলেজ থেকে চলতি বছর প্রায় এক লাখ ১৪ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীর
পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল। আর এইচএসসি-ভোকেশনালে প্রায় আট হাজার ও
ডিপ্লোমা ইন কমার্সে ছিল প্রায় এক হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী। এ ছাড়া ডিপ্লোমা
ইন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অষ্টম পর্বে শুধু মৌখিক পরীক্ষা না হওয়ায় সাত মাস ধরে
অপেক্ষা করছে প্রায় ৪৮ হাজার শিক্ষার্থী। ফলে কারিগরিতে এইচএসসি সমমানের
পরীক্ষার্থী প্রায় এক লাখ ৭২ হাজার শিক্ষার্থী তাদের মূল্যায়ন নিয়ে
উৎকণ্ঠায় রয়েছে।


কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. মোরাদ হোসেন মোল্লা বলেন, ‘কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণ কলেজের চেয়ে ভিন্ন।
বিএম প্রথম বর্ষের প্রকাশিত ফল রয়েছে। আবার এইচএসসি-ভোকেশনালে অনেকের
জেএসসির সার্টিফিকেট নেই। তাই তাদের মূল্যায়নের প্রক্রিয়া-পদ্ধতি নিয়ে আমরা
কাজ করছি। একাধিক প্রস্তাব আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাব। সেখান থেকে
যেটি চূড়ান্ত করা হবে সে অনুসারেই শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে।’


জানা যায়, এইচএসসি (বিএম) দুই বছরের কোর্স। এখানে প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষে
কারিগরি বোর্ড কর্তৃক আলাদা মূল্যায়ন করা হয়। দুই বর্ষের ফল গড় করে
চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে কারিগরি বোর্ড। বিএমের প্রথম বর্ষের ফল বোর্ড গত
বছরই প্রকাশ করেছে; কিন্তু করোনার কারণে দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা আটকে আছে।


শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছে, প্রথম বর্ষের ফল মূল্যায়ন না করে জেএসসি ও
এসএসসির ফলের ভিত্তিতে রেজাল্ট দেওয়া হলে তা ঠিক হবে না। কারণ তাদের প্রথম
বর্ষে বোর্ড কর্তৃক মূল্যায়ন হয়েছে। তাই প্রথম বর্ষের ফলের ভিত্তিতেই
চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করতে হবে। প্রয়োজনে এসএসসি থেকে সামান্য অংশ মূল্যায়নের
আওতায় আসতে পারে।


সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কারিগরিতে শিক্ষার্থী টানতে বয়সের বাধা না
থাকাসহ নানা ছাড় দেয় সরকার। জেএসসির সার্টিফিকেট না থাকলেও শিক্ষার্থীরা
এসএসসি ভোকেশনালে ভর্তি হতে পারে। ফলে ২০২০ সালের এইচএসসি ভোকেশনাল
পরীক্ষার্থীদের অর্ধেকেরই জেএসসি সার্টিফিকেট নেই। এসএসসি ভোকেশনাল পাসের
পর সাধারণ কলেজে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদেরও জেএসসির সার্টিফিকেট নেই। ফলে
এসব শিক্ষার্থীর মূল্যায়নের জন্য এসএসসির সার্টিফিকেট ছাড়া অন্য কিছু হাতে
নেই। কিন্তু শুধু এসএসসির সার্টিফিকেট দিয়ে এইচএসসির মূল্যায়ন যুক্তিযুক্ত
হবে না।


এইচএসসি সমমানের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং চার বছরের কোর্স, যা আটটি
সেমিস্টারে বিভক্ত। সব সেমিস্টারের ফল সমন্বয় করে চূড়ান্ত রেজাল্ট দেওয়া
হয়। শুধু মৌখিক পরীক্ষা না হওয়ায় অষ্টম সেমিস্টারের প্রায় ৪৮ হাজার
শিক্ষার্থী সাত মাস ধরে আটকে আছে।


রাজধানীর মহানগর কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. সলিম উল্লাহ
সেলিম জানালেন আরেক জটিলতার কথা। তিনি বলেন, ‘কারিগরি এইচএসসি সমমানের
পরীক্ষার্থীদের এখনো প্রবেশপত্র দেওয়া হয়নি। আমার জানা মতে, কিছু
শিক্ষার্থী আছে যারা ফরম পূরণের পর দেশের বাইরে চলে গেছে। দু-চারজন
শিক্ষার্থী নানা কারণে মৃত্যুবরণও করতে পারে। এখন সবাইকে পাস করিয়ে দিলে
মৃত বা বিদেশে থাকা শিক্ষার্থীও পাস করে যাবে। তাই ফল ঘোষণার আগে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবেশপত্র দিয়ে শিক্ষার্থীদের বর্তমান অবস্থান
যাচাই করা জরুরি হয়ে পড়েছে।’

0 Share Comment
Bakar
11 October 2020, 16:50

বাংলাদেশের একমাত্র ব্যালেন্স ড্রিংকিং ওয়াটার চতুর্থবারের মতো আয়োজন
করেছে “Spa Tour de Rainbow– Photography Competition”। প্রতিযোগিতায়
অংশগ্রহণ করতে ফটোগ্রাফারা তাদের তোলা চারপাশের যেকোনো ছবি জমা দিতে ভিজিট
করতে হবে www.spatourderainbow.com।
সেরা
১০০টি ছবি নিয়ে আয়োজন করা হবে পরবর্তী ধাপ। এভাবে সেরা তিনজন বিজয়ীর মধ্যে
প্রথমজন পাবেন একটি DSLR Camera, দ্বিতীয়জন পাবেন একটি অ্যাকশন ক্যামেরা,
তৃতীয়জন পাবেন একটি মোবাইল ফোন।
সঠিক পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে তরুণ
প্রজন্মের মধ্যে ছবি তোলার আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে তুলতে এই প্রয়াশ। বিস্তারিত
জানতে ভিজিট করুন-http://fb.com/DrinkSpa

Spa - Home | Facebook
Spa, Dhaka, Bangladesh. 445K likes. SPA is pure drinking water. SPA started its journey on April 2006. Now it became highly preferable trusted drinking...
http://fb.com/DrinkSpa
Spa | Tour De Rainbow
http://www.spatourderainbow.com
0 Share Comment
Bakar
11 October 2020, 16:49

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার
দৌলতপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের উপ-নির্বাচন আগামী ২০ অক্টোবর। নির্বাচনে
প্রতীক নিয়ে মাঠে প্রচার-প্রচারণায় রয়েছেন পাঁচ প্রার্থী। প্রার্থী সংখ্যা
পাঁচজন হলেও ওয়ার্ডটিতে ভোটার সংখ্যা মাত্র ১৯!
দৌলতপুর ইউনিয়নের ৮নং
ওয়ার্ডটির অধিকাংশ এলাকা নবগঠিত বিশ্বনাথ পৌরসভায় অন্তর্ভূক্ত হওয়ায়
ভোটারের সংখ্যা একেবারেই কমে এসেছে। মাত্র ১৯ ভোটার নিয়ে উপ-নির্বাচন
আয়োজনের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে স্থানীয় সচেতন মহল।  
জানা গেছে,
গত ২৭ এপ্রিল দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য ছোরাব আলী মারা
যাওয়ায় সেটি শূন্য ঘোষিত হয়। পরে শূন্য ঘোষিত ওয়ার্ডে উপ-নির্বাচনের তফসিল
ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। আগ্রহী প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করলে
যাচাই-বাচাই শেষে বৈধ হওয়া ৫ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। আগামী
২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে
যাচ্ছেন।
সম্প্রতি
এই ওয়ার্ডের ‘চড়চন্ডি, ছত্রিশ উত্তর, মিয়াজানের গাঁও ও হাবড়া’ নামক ভোটার
এলাকা নবগঠিত বিশ্বনাথ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। ফলে
দৌলতপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে বর্তমানে ‘নতুন হাবড়া বাজার ও পুরান হাবড়া
বাজার’ নামে মাত্র দুটি এলাকা রয়েছে। যার ভোটার সংখ্যা মাত্র ১৯। পৌরসভায়
অন্তর্ভূক্ত হওয়া ওই ৪টি এলাকার ভোটাররা উপ-নির্বাচনে ভোট দিতে না পারলে
মাত্র ১৯ জন ভোটারই ২০ অক্টোবর তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
এদিকে,
১৯ ভোটারের জন্য দৌলতপুর ইউপির ৮নং ওয়ার্ডের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে
আগামীতে অনিশ্চয়তায় পড়তে পারে নবগঠিত বিশ্বনাথ পৌরসভা ও ৫টি ইউপি
নির্বাচন-এমটাই মনে করছেন সচেতন মহল। তারা মনে করছেন, ওই ওয়ার্ডে
নির্বাচনের ফলে পরবর্তীতে তৈরি হতে পারে নির্বাচনী জটিলতা। দীর্ঘদিন স্বপদে
থাকতে জটিলতা তৈরি করতে পারেন সুযোগ সন্ধানী জনপ্রতিনিধিরা। পৌরসভায়
অন্তর্ভূক্ত হওয়া এলাকায় কীভাবে একটি ইউপির ওয়ার্ডে উপ-নির্বাচনের আয়োজন
করা হলো- এমন প্রশ্ন তুলে সচেতন মহল বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা গোলাম
সারওয়ার বলেন, ‘ওই ওয়ার্ডের বিশাল অংশ বিশ্বনাথ পৌরসভায় অন্তর্ভূক্ত হওয়ার
ব্যাপারে অবগত ছিলাম না। গত মঙ্গলবার পৌরসভার ওয়ার্ড বিভক্তিকরণের
গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে ওই ওয়ার্ডের উপ-নির্বাচন স্থগিত করার জন্য নির্বাচন
কমিশনে লিখিত পাঠিয়েছি।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরপ্রশাসক বর্ণালী পাল বলেন, ‘বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে মৌখিক ও লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।’

0 Share Comment
Bakar
11 October 2020, 16:47

পদত্যাগ করলেন দুই অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল

পদত্যাগ করলেন দুই অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল
পদত্যাগ করেছেন দুই অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা ও মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির। তারা তাদের পদত্যাগপত্র সলিসিটর কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

আজ রোববার সকালে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল পদ থেকে পদত্যাগ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন মুরাদ রেজা। তিনি বলেন, ‘আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।’ তবে কি কারণে পদত্যাগ করেছেন সে সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।

আর নিজের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির বলেন, ‘একান্ত ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত। এর বাইরে কিছু হয়নি।’

এদিকে, আজ রোববার সকাল থেকে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন বাংলাদেশের ১৬তম অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন। গত বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবু মুহাম্মদ (এএম) আমিন উদ্দিনকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তাকে অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেন। এএম আমিন উদ্দিন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও দুই মেয়াদে সমিতির সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

তার আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দেশের ১৫তম অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি ২০০৯ সাল থেকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
0 Share Comment
Deshi Group
10 October 2020, 21:36

রাজউকের নতুন ড্যাপ :
ঢাকায় আবাসিক ভবন হবে সর্বোচ্চ আটতলা
আবাসিক ভবনের সর্বোচ্চ উচ্চতা
উত্তরায় ৭-৮ তলা, গুলশান, বনানী ও বারিধারায় ৬-৮ তলা
খিলক্ষেত, কুড়িল ও নিকুঞ্জ এলাকায় ৬ তলা
মিরপুরে ৪-৭ তলা, মোহাম্মদপুর ও লালমাটিয়ায় ৫-৮ তলা
পুরান ঢাকায় ৪-৬ তলা

ধানমন্ডিতে এখন সর্বোচ্চ ১৪ তলা পর্যন্ত আবাসিক ভবন নির্মাণ করা যায়। গণপরিসর বা সাধারণ মানুষের জন্য জায়গা না ছাড়লে ব্যক্তি পর্যায়ে এই এলাকায় ৮ তলার ওপর আর ভবন নির্মাণ করা যাবে না। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা রাজউকের নতুন বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনায় (ড্যাপ-২০১৬-২০৩৫) এই প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে এটি চূড়ান্ত হওয়ার কথা। নতুন ড্যাপের মেয়াদ হবে ২০ বছর।
নতুন ড্যাপে আবাসিক ভবনের উচ্চতাসংক্রান্ত প্রস্তাবটি শুধু ধানমন্ডি নয়, কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া ঢাকা শহরের সব এলাকার জন্য তা প্রযোজ্য হবে। আর রাজউকের আওতাধীন নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন এবং সাভার পৌর এলাকায় আবাসিক ভবন হবে সর্বোচ্চ ৬ তলা।

নগর পরিকল্পনাবিদ এবং নতুন ড্যাপ তৈরির সঙ্গে যুক্ত রাজউকের কর্মকর্তারা বলছেন, ঢাকা শহরের স্বার্থেই এই প্রস্তাব যুক্ত করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা শহরের ওপর চাপ কমবে ও নাগরিক সেবার মান বাড়বে। তবে এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন রাজউকেরই কিছু কর্মকর্তা। এ ছাড়া আবাসন ব্যবসায়ীরাও রাজউকের এই প্রস্তাবকে অবাস্তব বলছেন। তাঁদের দাবি, এর বাস্তবায়ন হলে ঢাকা শহরে ফ্ল্যাটের দাম ৩০-৪০ শতাংশ বেড়ে যাবে, আবাসন ব্যবসায় ধস নামবে।
এখন নতুন ড্যাপের বিভিন্ন দিক নিয়ে অংশীজনদের মতামত (শুনানি) নিচ্ছে রাজউক। অনলাইনে রাজউকের ওয়েবসাইটে ও সরাসরি রাজউক কার্যালয়ে গিয়ে মতামত দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এটি আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।
গত ২ সেপ্টেম্বর গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন ড্যাপের খসড়া আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। এতে জনঘনত্ব অনুযায়ী ভবনের এমন উচ্চতা নির্ধারণের পাশাপাশি জরিমানা দিয়ে অনুমোদনহীন ভবন বৈধ করা, ভূমির পুনরুন্নয়ন, ভূমি পুনর্বিন্যাস, উন্নয়ন স্বত্ব প্রতিস্থাপন পন্থা (জলাশয় রক্ষাসংক্রান্ত পরিকল্পনা), ট্রানজিটভিত্তিক (পরিবহনের স্টেশন) উন্নয়নসহ বেশ কিছু নতুন কর্মকৌশল যুক্ত করা হয়েছে, যেগুলো আগের কোনো পরিকল্পনায় ছিল না।
রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) আজহারুল ইসলাম খান প্রথম আলোকে বলেন, শুনানিতে আসা মতামতগুলো নিয়ে ৪ নভেম্বরের পর একটি সেমিনারের আয়োজন করা হবে। এরপর আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন ড্যাপ চূড়ান্ত হবে বলে আশা করছেন তাঁরা। তখন ২০১০ সালে পাস হওয়া ড্যাপের আর কার্যকারিতা থাকবে না।

জনঘনত্ব অনুযায়ী ভবনের উচ্চতা
রাজধানীতে এখন ভবন নির্মাণ করা হয় ২০১০ সালের ড্যাপ ও ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুসারে। ২০০৮ সালে করা এই বিধিমালায় জমির আয়তন অনুযায়ী কত তলা বা উচ্চতার ভবন নির্মাণ করা যাবে, তা উল্লেখ আছে। এই বিধিমালার কারণে বেশি উচ্চতার আবাসিক ভবন নির্মাণের সুযোগ তৈরি হয়। উদাহরণ দিয়ে বলা যায়, এর আগের বিধিমালায় (১৯৯৬ সালের) ধানমন্ডিতে যে জমিতে ৬ তলা ভবন নির্মাণ করা যেত, ২০০৮ সালের বিধিমালায় সেই জমিতে ১৪ তলা ভবন হচ্ছে।
নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, ২০০৮ সালের বিধিমালাই ঢাকা শহরের বাসযোগ্যতা হারানোর অন্যতম কারণ। তাঁদের যুক্তি, প্রতিটি এলাকার নিজস্ব ধারণক্ষমতা আছে, যে অনুযায়ীই ভবনের উচ্চতা (ফ্লোর এরিয়া রেশিও) হওয়া উচিত। তা না করে শুধু ভবনের উচ্চতা বাড়ালে ওই এলাকার ধারণক্ষমতার বেশি মানুষ থাকবে, নাগরিক সেবা ভেঙে পড়বে। গত ১২ বছরে যে কাজটি হয়েছে। এই বিধিমালা অনুযায়ী, পুরান ঢাকা, গুলশান, ধানমন্ডি বা পূর্বাচলেও একই উচ্চতার আবাসিক ভবন তৈরি করা যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, প্রতিটি এলাকার চরিত্র ভিন্ন, নাগরিক সেবার মানও এক নয়।
এই সমস্যার সমাধান এবং প্রতিটি এলাকার চরিত্র ও নাগরিক সেবা অনুযায়ী আবাসিক ভবনের উচ্চতা নির্ধারণের জন্যই নতুন ড্যাপে এলাকাভেদে ভবনের উচ্চতা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান রাজউকের কর্মকর্তারা।
নতুন ড্যাপ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, রাজউকের অন্তর্ভুক্ত ১ হাজার ৫২৮ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে মোট ৪৬৮টি (ব্লক) ভাগ করা হয়েছে। পরে জরিপ করে প্রতিটি ব্লকের জনসংখ্যার ধারণক্ষমতা, সড়ক অবকাঠামো, নাগরিক সুবিধা এবং সেখানে উন্নয়নের ধরনের ওপর ভিত্তি করে আবাসিক ভবনের উচ্চতা নির্ধারণ করা হয়েছে। যে ব্লকে নাগরিক সুবিধা ও ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক ভালো, উন্মুক্ত স্থান বেশি, সেই ব্লকের ভবনের উচ্চতা বেশি ধরা হয়েছে। আর যেখানে বিপরীত চিত্র পাওয়া গেছে, সেখানে ভবনের উচ্চতা কম ধরা হয়েছে।

এই হিসাবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের খিলক্ষেত, কুড়িল, নিকুঞ্জ এলাকায় ৬ তলা; উত্তরায় ৭-৮ তলা; গুলশান, বনানী, বারিধারা এলাকা ৬-৮ তলা; মিরপুর এলাকায় ৪-৭ তলা; মোহাম্মদপুর-লালমাটিয়া এলাকায় ৫-৮ তলা উচ্চতার আবাসিক ভবন নির্মাণ করা যাবে। অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন পুরান ঢাকায় ৪-৬ তলা উচ্চতার আবাসিক ভবন নির্মাণ করা যাবে। গাজীপুরের দু-একটি এলাকা ছাড়া বেশির ভাগ এলাকারই আবাসিক ভবনের সর্বোচ্চ উচ্চতা হবে ৪-৬ তলা।
তবে যেসব ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়ে গেছে বা ভবন নির্মাণের অনুমোদন ইতিমধ্যে নেওয়া হয়ে গেছে বা নতুন ড্যাপ চূড়ান্ত হওয়ার আগে নির্মাণ অনুমোদন নেওয়া হবে সে ক্ষেত্রে উচ্চতার এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না। এ ছাড়া নতুন ড্যাপে বলা হয়েছে, পাঁচ বছর পরপর প্রতিটি ব্লকের ধারণক্ষমতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা বা কৌশল যুগোপযোগী করা হবে। এতে কোনো এলাকার রাস্তাঘাট, উন্মুক্ত জায়গা বাড়লে ওই এলাকার ভবনের উচ্চতা বৃদ্ধির অনুমতি দিতে পারবে রাজউক।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, ঢাকা শহরে যে হারে মানুষ বাড়ছে, তার রাশ টেনে না ধরতে পারলে এই শহরকে আর বাঁচানো যাবে না। তাই এলাকাভিত্তিক মানুষের ধারণক্ষমতা বা জনঘনত্ব বিবেচনা নিয়েই ভবন তৈরি করতে হবে। এটি জমির মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখবে। তাঁর মতে, অতি উঁচু ভবন তৈরির সুযোগ থাকলে জমির দাম বেড়ে যায় এবং সুউচ্চ ভবন নির্মাণের খরচও বেশি। তখন সেটি আর সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকে না। ভবনের উচ্চতা নিয়ন্ত্রণ করলে জমির দাম কমার পাশাপাশি ভবন নির্মাণে ব্যয় কমবে। এতে সাধারণ মানুষের আবাসনের সুযোগ বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।

অযৌক্তিক বলছেন আবাসন ব্যবসায়ীরা
নতুন ড্যাপ নিয়ে আপত্তির কথা জানিয়েছে আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। নগর পরিকল্পনাবিদেরা জনঘনত্ব অনুযায়ী আবাসিক ভবনের উচ্চতা নির্ধারণকে ইতিবাচকভাবে দেখলেও সংগঠনটি এই পরিকল্পনাকে সময় উপযোগী নয় বলে মনে করে। তারা বলছে, এই প্রস্তাব অযৌক্তিক।
রিহ্যাবের সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন প্রথম আলোকে বলেছেন, ঢাকা শহরে জমির দাম অনেক বেশি। অতি দামে কেনা জমিতে সর্বোচ্চ ৮ তলা আবাসিক ভবন নির্মাণ করা গেলে ফ্ল্যাটের দাম ৩০-৪০ শতাংশ বেড়ে যাবে। তখন এই ব্যবসা হুমকির মুখে পড়বে।
নতুন ড্যাপে বলা হয়েছে, ৮ তলার ওপর ভবন নির্মাণ করতে গেলে প্রতি বর্গফুটে খরচ বেড়ে যায়, তখন সেটি আর মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে না। এর সঙ্গে দ্বিমত করে আলমগীর শামসুল আলামিনের দাবি, এই তথ্য সঠিক নয়। নতুন ড্যাপ নিয়ে ইতিমধ্যে রাজউক চেয়ারম্যানের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছেন। রিহ্যাবের সঙ্গে আলোচনা না করে ড্যাপ চূড়ান্ত না করতে রাজউক চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করেছেন তাঁরা।

ব্যতিক্রম
ড্যাপে উল্লেখ করা ভবনের উচ্চতা নির্ধারণসংক্রান্ত শর্তটি শুধু আবাসিক ভবনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, অনাবাসিক ভবনের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না। এর পাশাপাশি স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ভবনে নির্দিষ্ট কিছু জায়গা বা ফ্ল্যাট রাখলে, কমিউনিটির মানুষের ব্যবহারের জন্য জায়গা ছাড়লে, উন্নয়ন স্বত্ব বিনিময় করলে নির্ধারিত উচ্চতার চেয়ে বেশি উঁচু আবাসিক ভবন নির্মাণ করা যাবে। আবার কোনো জমি প্লট আকারে ভাগ না করে একসঙ্গে করে ‘ব্লক’ তৈরি করে ভবন নির্মাণ করলে অতিরিক্ত সুবিধা (অনুমতি সাপেক্ষে উচ্চতা বাড়ানো যাবে) পাওয়া যাবে।
এ সম্পর্কে ড্যাপে বলা হয়েছে, দুই একর পর্যন্ত (শূন্য দশমিক ৬৬ থেকে ২ একর) ব্লকের (জমি) ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ জায়গা ছেড়ে দিলে (পার্ক, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান) ১০ তলা উঁচু আবাসিক ভবন নির্মাণ করা যাবে। দুই থেকে পাঁচ একর ব্লকের ৫০ শতাংশ উন্মুক্ত স্থান হিসেবে ছেড়ে দিলে ১৫ তলা এবং পাঁচ একরের বেশি ব্লকের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ জায়গা উন্মুক্ত স্থান হিসেবে ছেড়ে দিলে যত খুশি তত উঁচু আবাসিক ভবন নির্মাণ করা যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের উচ্চতা সীমার ছাড়পত্রের প্রয়োজন হবে।
এ ছাড়া মেট্রোরেল ও বাস র‌্যাপিড ট্রানজিটের জন্য নির্ধারিত স্টেশন, আন্তজেলা বাস টার্মিনাল এবং কমলাপুর রেলস্টেশনের ২০০-৫০০ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বেশি জনঘনত্ব উৎসাহিত করা হবে, ফলে এসব এলাকার আবাসিক ভবনের উচ্চতা বেশি হবে।

অন্যান্য কর্মকৌশল
জনঘনত্ব বিন্যাস ছাড়াও নতুন ড্যাপে বেশ কয়েকটি কর্মকৌশল বা পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে জরিমানা দিয়ে অনুমোদনহীন ভবনের বৈধ করা। রাজউক সূত্রে জানা গেছে, সংস্থাটির আওতাধীন এলাকায় নির্মিত ভবনের অন্তত ৮০ শতাংশ কোনো না কোনোভাবে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়েছে। এসব ভবনের মালিকদের নিয়ম মানতে বাধ্য করতে পারেনি রাজউক। এমন অবস্থায় জরিমানা দিয়ে অবৈধ ভবন বা ভবনের অবৈধ অংশ বৈধ করার সুযোগ থাকছে। অনুমোদন নেই কিন্তু নির্মাণের বিধি অনুসরণ করেছে আবার অনুমোদন আছে কিন্তু বিধি মানা হয়নি এবং অনুমোদনও নেই, বিধিও মানেনি—এই তিন ধরনের ভবন জরিমানা দিয়ে বৈধতা পাবে। তবে মহাপরিকল্পনার ব্যত্যয় ঘটিয়ে নির্মাণ করা ভবন এই সুবিধা পাবে না।
উন্নয়ন স্বত্ব প্রতিস্থাপন পন্থার ক্ষেত্রে কৃষি বা জলাভূমির মালিককে একটি সনদ দেওয়া হবে। যেমন কারও জমি যদি জলাভূমির অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাহলে ওই ভূমির একটি বাজারদর নির্ধারণ করে রাজউক একটি সনদ দেবে। এই সনদ তিনি চাইলে অন্য ব্যক্তির কাছে বিক্রি করতে পারবেন। তবে জলাভূমির শ্রেণি পরিবর্তন করা যাবে না। আবার যে ব্যক্তি সনদ কিনবেন, সেই ব্যক্তি ওই জলাভূমির মালিক হবেন না। তবে ওই সনদ দেখিয়ে তিনি (যিনি কিনেছেন) অন্য জায়গায় ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সুবিধা (ভবনের উচ্চতা বাড়ানো) পাবেন। এতে জলাভূমি রক্ষা করা সহজ হবে বলে মনে করে রাজউক।

আগের ড্যাপ বাস্তবায়িত হয়নি
ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে এর আগে ২০১০ সালে প্রথম ড্যাপ পাস করে সরকার। কিন্তু ড্যাপ পাসের পর আবাসন ব্যবসায়ীসহ প্রভাবশালীদের চাপে এটি চূড়ান্ত করতে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করতে বাধ্য হয় সরকার। এই কমিটি গত ১০ বছরেও ড্যাপ চূড়ান্ত না করে উল্টো ড্যাপে দুই শতাধিক সংশোধনী আনে। এসব সংশোধনীর মাধ্যমে কার্যত জলাভূমি ভরাটের বৈধতা দেওয়া হয়। প্রথম ড্যাপের মেয়াদ ছিল ২০১৫ সাল পর্যন্ত। পরে অরও দুই বছর মেয়াদ বাড়ানো হয়। এখন বলা হচ্ছে নতুন ড্যাপ চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত আগের ড্যাপ কার্যকর থাকবে।
নতুন ড্যাপ চূড়ান্ত করার আগে সবার মতামত নেওয়ার বিষয়টিকে ইতিবাচক বলেই মনে করেন নগর গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এখন পেশাজীবী, বিশেষজ্ঞ ও নাগরিকদের দায়িত্ব হচ্ছে এটি পর্যালোচনা করে মতামত দেওয়া। তারপরই বলা যাবে, নতুন ড্যাপ কেমন হলো।
এই নগরবিদ বলেন, ২০১০ সালের ড্যাপেও অনেক ভালো ভালো সুপারিশ করা হয়েছিল। সেগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্ব ছিল রাজউকের। কিন্তু কেন বাস্তবায়ন করা যায়নি, তা খতিয়ে দেখা উচিত। তাঁর মতে, শুধু ভালো পরিকল্পনা হলেই হবে না, বাস্তবায়নের সদিচ্ছাও থাকতে হবে। না হলে কোনো পরিকল্পনাতেই লাভ হবে না।

0 Share Comment
Deshi Group
10 October 2020, 21:34

দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং উন্নয়নের চলমান ধারাকে অব্যাহত রাখতে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিহার করতে বলেছে পুলিশ। আজ শনিবার পুলিশ সদর দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে সরকার ও রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সদিচ্ছা থাকার পরও একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। দেশ ও জনগণের স্বার্থে যে কোনো মূল্যে অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বাংলা‌দেশ পু‌লিশ ‘বদ্ধপরিকর’।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো জঘন্য ও ঘৃণ্য অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে যুব সমাজের মধ্যে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সামগ্রিক চলমান বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। দেশের সামাজিক শৃঙ্খলা ও শান্তি নিশ্চিত করতে ধর্ষণসহ নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনায় সর্বোচ্চ পেশাদারি, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পু‌লিশ কাজ করছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসব মামলার তদন্ত শেষ করে বিচারের জন্য তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে। আদালতের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ সকল ঘৃণ্য অপরাধীর যথোপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত হবে বলেও মনে করে পুলিশ সদর দপ্তর।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, সরকার ও রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সদিচ্ছা সত্ত্বেও একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তৎপর রয়েছে।’ এতে বলা হয়, জনগণের প্রত্যাশাকে কৌশলে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়ে গোষ্ঠী ও দলগত হীন স্বার্থ চরিতার্থ করা। পুলিশ সদর দপ্তর সবাইকে রাষ্ট্র বিরোধী যেকোনো কর্মকাণ্ড সতর্কভাবে পরিহারের জন্য সবিশেষ অনুরোধ করেছে।
পুলিশ বলেছে, সরকার জন-আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে দ্রুততার সঙ্গে আইন সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সংগতি রেখে সরকারও দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপরাধীদের শাস্তি প্রত্যাশা করে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক তীক্ষ্ণ নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

0 Share Comment
Deshi Group
10 October 2020, 21:31

৪৯ বছর বয়সেই ১৫০ সন্তানের বাবা

৪৯ বছর বয়সেই ১৫০ সন্তানের বাবা
নাম তার জো, বয়স মাত্র ৪৯। এই বয়সেই বিশ্বজুড়ে ১৫০ সন্তানের বাবা হয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক ব্যক্তি। শুধুমাত্র লকডাউনেই পাঁচসন্তানের ‘পিতা’ হয়েছেন তিনি।

আমেরিকা, আর্জেন্টিনা, ইতালি, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইনসহ বিভিন্ন দেশে গিয়ে স্পার্ম ডোনেট করেন তিনি। ২০০৮ সালে তিনি এই কাজ শুরু করেন। এতদিন তিনি যে ১৫০ জনকে স্পার্ম দিয়েছেন তাদের মধ্যে অর্ধেক নারীকে দিয়েছেন কৃত্রিমভাবে। বাকিদের সরাসরি স্পার্ম ডোনেট করেছেন তিনি। এদের মধ্যে অনেক নারীই বিবাহিত, কিন্তু তাদের স্বামীরা ‘নিস্ফল’ অর্থাৎ সন্তানের বাবা হতে অক্ষম।

রুপালি পর্দার ভিকি ডোনারের মতোই এটাও এক স্পার্ম ডোনারের গল্প। করোনা বা লকডাউন তাকে আটকাতে পারেনি। এই মহামারীর মাঝেও কাজ চালিয়ে গিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই স্পার্ম ডোনার।

তিনি জানিয়েছেন, লকডাউনেও থেমে থাকেননি তিনি। করোনা তথা লকডাউনের সময় তিনি ছয়জনকে স্পার্ম ডোনেট করেছেন। তাদের মধ্যে তাদের মধ্যে পাঁচজন বর্তমানে গর্ভবতী। আর একজন ইতোমধ্যেই সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তাকে স্পার্ম দিয়েছিলেন গত বছরের শেষের দিক।

জো জানিয়েছেন, ২০২০ সালে মোট ১০ জন নারীকে স্পার্ম ডোনেট করবেন। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে ইতোমধ্যে স্পার্ম দিয়েছেন। তারা বর্তমানে সবাই গর্ভবতী। এই সপ্তাহেই আরও পাঁচজনকে স্পার্ম দেওয়ার জন্য বর্তমানে তিনি লন্ডনে অবস্থান করছেন।

জো লকডাউনের পুরো সময়টাই আর্জেন্টিনায় ছিলেন। সেখানে কয়েকজন নারীকে স্পার্ম দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে লকডাউনে আটকে পড়েন তিনি।

জো বলেন, “সারা বিশ্বে ১৫০ শিশুর বাবা আমি। চলতি বছরে আমার ডোনেট করা স্পার্মে ১০ জন নারী গর্ভবতী হয়েছেন। একটি শিশু দিন কয়েক আগে জন্মগ্রহণ করেছে। করোনার জন্য আমি একটু স্লো হয়েছিলাম বটে! তবে থেমে যাইনি।”

তিনি আরও বলেন, “সন্তানদের জন্মাতে দেখলে আমার খুব ভাল লাগে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখি আমার চেহারার সঙ্গে ওদের মিল রয়েছে।”

জো জানিয়েছেন, “এ কাজটি ঝুঁকিপূর্ণ। নানা ধরনের যৌনবাহিত রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে তিনি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। এছাড়াও যদি কোনও নারী স্পার্ম নেওয়ার আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে বলেন, তবে তিনি তা করান।” সূত্র: মিরর

0 Share Comment
Deshi Group
10 October 2020, 21:30

উড়ে উড়ে ডাক্তার পৌঁছে যাবেন রোগীর কাছে

উড়ে উড়ে ডাক্তার পৌঁছে যাবেন রোগীর কাছে
ইংল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের এক গ্রামে পাহাড় থেকে পড়ে মারাত্মক আহত হয় ১০ বছরের একটি মেয়ে৷ তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দরকার৷ এ খবর পান প্রযুক্তিবিদ রিচার্ড ব্রাউনিং৷ কিন্তু কী উপায়ে দ্রুত পৌঁছানো যায় আহত মেয়েটির কাছে?

একটি বিশেষ স্যুট গায়ে দেন ব্রাউনিং৷ বৈদ্যুতিক এ স্যুটটির সুইচ চালু করার সাথে সাথে উঁচু পর্বতের উপর দিয়ে ঠিক ৯০ সেকেন্ডে ডাক্তারসহ গন্তব্যে পৌঁছে যান তিনি৷

অনেকেই হয়তো ভাবছেন হলিউডের কোনো মুভির গল্প এটি৷ না, আসলে এটি যুক্তরাজ্যের গ্র্যাভেটি ইন্ডাস্ট্রি নামে একটি প্রযুক্তি কম্পানির উদ্যোগ৷ কম্পানিটি ডাক্তারদের জন্য আবিষ্কার করেছে এমন জেট স্যুট৷ পাহাড়ি বা প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসা পৌঁছে দিতেই তাদের এ উদ্যোগ৷

আহত বা অসুস্থ রোগীর কাছে দ্রুত ডাক্তার পৌঁছালে রোগীর সেরে ওঠার সম্ভাবনা বেড়ে যায়৷ গ্র্যাভেটি ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগটির কার্যকারিতা যাচাই করতে প্রথমবারের মতো পাহাড় থেকে পড়ে যাওয়া মেয়েটির চিকিৎসা দিতে যান প্যারামেডিকেরা৷

রোগীর কাছে দ্রুত পৌঁছাতে জেট স্যুটটি অনেক কার্যকর৷ এটি জীবন বাঁচাতে সাহায্য করবে, বলেন হেলিকপ্টার প্যারামেডিক অ্যান্ডি লসন৷

স্যুটটি ঘণ্টায় ৫১ কিলোমিটার বেগে ১২ হাজার ফুট ওপর দিয়ে উড়তে পারে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি৷

ইংল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের লেক ডিস্ট্রিক্ট অঞ্চল হাইকারদের খুব প্রিয়৷ এ কারণে প্রচুর হাইকার যান সেখানে এবং প্রায়ই দুর্ঘটনাও ঘটে৷ পর্বতবেষ্টিত এ অঞ্চলে ভবিষ্যতে ডাক্তাররা জেট স্যুট পরে দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে কম সময়ে রোগীর কাছে পৌঁছাবেন৷ সূত্র : ডয়েচে ভেলে।
0 Share Comment
Deshi Group
10 October 2020, 21:28

‘শয়তানের রূপ’ নিতে নিজের নাক কেটে ফেললেন এই ব্যক্তি

‘শয়তানের রূপ’ নিতে নিজের নাক কেটে ফেললেন এই ব্যক্তি
অনেকেই আছেন যারা নিজের রূপে সন্তুষ্ট থাকতে না পেরে, নিজেকে বিভিন্ন ভাবে সাজিয়ে তোলেন। তা করতে গিয়ে কিছু মানুষ এমন কাজ করেন, যার জেরে তাদের দেখতে আরও অদ্ভুত লাগে। পছন্দসই রূপ পেতে দেহের বিভিন্ন অঙ্গের বদল ঘটাতেও পিছপা হন না তারা। সম্প্রতি এমনই কাণ্ড করেছে ব্রাজিলের এক ব্যক্তি, যা নিয়ে আলোচনায় মেতেছেন নেটিজেনরা।

ব্রাজিলের বাসিন্দা মিকেল ফারো দো প্রাদো। ৪৪ বছরের এই ব্যক্তি নিজেকে বিদঘুটে সাজে তুলে ধরতে পছন্দ করেন। নিজের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের পরিবর্তন করতেও ভালবাসেন তিনি। প্রাদোর সাজের সাক্ষ্য বহন করছে তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট। সারা মুখে ট্যাটু ছাড়াও চুলের বিভিন্ন পরিবর্তন, দাঁত পাল্টে ফেলা, মুখমণ্ডলের বিভিন্ন অংশে ছিদ্র ও কৃত্রিম শিং— এসব আগেই করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি নিজের চেহারা বদল ঘটাতে নাকের একাংশ কেটে বাদ দিয়েছেন। তা দেখেই চমকে গিয়েছেন নেটিজেনরা।

অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে নাকের সামনের অংশ কেটে বাদ দিয়েছেন তিনি। তার ‘শয়তানি রূপ’ আরও জোরদার করতেই এই কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন। তার স্ত্রীর দাবি,প্রাদো হলেন বিশ্বের তৃতীয় ব্যক্তি যিনি এই কাজ করলেন।

জানা গেছে, প্রাদো একজন ট্যাটু শিল্পী। তিনি দাবি করেন, তার যন্ত্রণা সহ্য করার শক্তি প্রবল। তাই ট্যাটু বা এই সব পরিবর্তন করতে তার নাকি কোনও অসুবিধা হয় না। তবে প্রাদোই একমাত্র নয়, যিনি লুকস বদলাতে নিজের অঙ্গ কেটে বাদ দিলেন।

এর আগে জার্মানির স্যান্ড্রো নামের এক ব্যক্তি নিজের দুই কান কেটে বাদ দিয়েছেন। কান ছাড়াও তার জিভ, হাতের মতো অংশে এমন পরিবর্তন করেছেন, যা নজর কেড়েছিল নেটিজেনদের। সূত্র: দ্য সান
0 Share Comment
Deshi Group
10 October 2020, 21:27

দেখা মিলল মানুষের মতো এক বিরল প্রাণীর

দেখা মিলল মানুষের মতো এক বিরল প্রাণীর
সামাজিক যোগাগোগ মাধ্যমে পাওয়া গেল অদ্ভূত দেখতে চারপেয়ে এক প্রাণীর কিছু ছবি। যার মুখটা মানুষের মতো, গায়ে আরমাডিলোর মতো বর্ম, আঙুলগুলো ব্যাঙের মতো। সেইসঙ্গে কিছু মানুষের ছবি, যাঁরা কোনও কিছুর আঘাতে রক্তাক্ত। সঙ্গে লেখা বর্ণনায় দাবি করা হচ্ছে- বিরল ওই প্রাণীর হামলায় আহত হচ্ছেন অনেকেই।

সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া এসব পোস্টের কোথাও বলা হচ্ছে- ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ে ওই প্রাণীটিকে দেখা গেছে। কেউ কেউ আবার লিখেছেন- রাজস্থান ও গুজরাটের খেতে এই জীবটির দেখা মিলেছে। অস্ত্র নিয়ে চাষ করতে যাওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে চাষীদেরকে। অন্য এক জায়গায় বলা হয়েছে- এই প্রাণীটির নাম ‘কুইয়া বাঘ’।

কোথায় ছড়িয়েছে?
ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে হিন্দি ও বাংলায় লেখা এমন বেশ কিছু পোস্ট। শুধু হিন্দিতে লেখা পোস্টে বলা হয়েছে- এই ঘটনা গুজরাট ও রাজস্থানের। আর বাংলায় লেখা পোস্টে দাবি করা হয়েছে- এই ঘটনা পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড় ও সংলগ্ন জঙ্গলের।

তবে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম বলছে- এই তথ্য সঠিক নয়। ছবিটিতে যে জীবটিকে দেখা যাচ্ছে- ভূ-ভারত তো দূরে থাক, গোটা বিশ্বে এমন কোনও প্রাণীই আদতে নেই। পুরুলিয়ায় স্থানীয় মানুষজনের ভাষ্য মতে, এক ধরনের গিরগিটিকে তারা ‘কুইয়া বাঘ’ বলে ডাকেন। যেমন- স্থানীয় বিশ্বজিৎ দাশগুপ্ত বলছিলেন, “একটু মোটা, একটু সবজেটে রঙের এক রকম গিরগিটি আছে, যাকে আমরা কুইয়া বাঘ বলে ডাকি। তবে এমন কোনও প্রাণী দেখিনি।”

এ নিয়ে বিধাননগর সরকারি কলেজের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক অরূপ দত্তগুপ্ত বলছেন, “জীবজগতে এমন কোনও প্রাণীর অস্বিত্বই নেই। সরীসৃপদের সামনে-পিছনে চার পায়েই পাঁচটা করে আঙুল থাকে। আর স্যালামান্ডার জাতীয় উভচর প্রাণীদের সামনের পায়ে চারটে এবং পিছনের পায়ে পাঁচটা আঙুল থাকে। কিন্তু ছবিতে থাকা প্রাণীটির চেহারার বৈশিষ্ট্য এর কোনওটির সঙ্গেই মেলে না। আবার প্রাণীটির গায়ের উপরের অংশে কিছু স্তন্যপায়ী বা সরীসৃপের মতো বর্ম থাকলেও শরীরের নীচের দিকে কোনও আঁশ নেই।”

চোখ দুটো সরীসৃপ বা স্যালামান্ডারের মতো মুখের দু’পাশে নয়। অধ্যাপক দত্তগুপ্তের মতে, “ছবিতে থাকা প্রাণীটি আসলে সুকুমার রায়ের বকচ্ছপ বা হাঁসজারুর মতো, কল্পনা-জাত।”

সত্যিটা কী?
গুগল ইমেজ সার্চে ওই প্রাণীটির ছবি দিয়ে বেশ কিছু পুরনো ওয়েবসাইট লিঙ্কের সন্ধান মেলে। দেখা যায় যে- ২০১৮ সালের অক্টোবরেও অদ্ভূত দেখতে প্রাণীটির এই ছবিগুলোই ভাইরাল হয়েছিল। তখন একাধিক জায়গায় এটিকে ‘বুশি বেবি’ বলে দাবি করা হয়।

ছবিগুলো প্রথম আপলোড হয় ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর লাইরা মাগানুকো বলে এক ইটালীয় ভাস্করের ফেসবুক প্রোফাইলে। শিল্পী হাইপার রিয়েলিটি নিয়ে কাজ করেন, সিলিকোনের তৈরি এমনই সব ভাস্কর্যে নিজের কল্পনাকে ফুটিয়ে তোলেন।

সুতরাং পুরুলিয়া থেকে গুজরাট- এমন কোনও প্রাণীর দেখা পাওয়া যায়নি। আর তাই তার হামলা করারও প্রশ্ন ওঠে না। সূত্র- আনন্দবাজার।
0 Share Comment
Deshi Group
10 October 2020, 21:25

ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে লম্বা খেলোয়াড় পেসার মোহাম্মদ ইরফান

ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে লম্বা খেলোয়াড় পেসার মোহাম্মদ ইরফান
৭ ফুট ১ ইঞ্চি উচ্চতার পেসার মোহাম্মদ ইরফান পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে মাঠ মাতিয়েছেন । ক্রিকেটের ইতিহাসে তিনিই সবচেয়ে লম্বা খেলোয়াড়। ইরফানের সেই রেকর্ড ভেঙে দিতে চান আরেক পাকিস্তানি মুদাসসির গুজ্জার। ২১ বছর বয়সী এই পেসারের উচ্চতা ৭ ফুট ৬ ইঞ্চি। পাকিস্তান সুপার লীগের দল লাহোর কালান্দার্সে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি।

বৃটিশ ট্যাবলয়েড ডেইলি মেইলের রিপোর্ট অনুযায়ী মুদাসসিসের বাবা মা মাঝারি গড়নের। তার বাবার উচ্চতা সাড়ে ৫ ফুট। মায়ের ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি।

কিন্তু গ্রোথ হরমোনের অস্বাভাবিকতার কারণে হাইস্কুলের গণ্ডি পার হতে না হতেই ৭ ফুট ছাড়িয়ে যায় মুদাসসিরের উচ্চতা। মুদাসসির বলেন, ‘স্কুল ও আশপাশের এলাকায় আমিই ছিলাম সবচেয়ে লম্বা বালক। দশম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই আমার উচ্চতা হয়ে যায় ৬ ফুট। এরপর যখন হাইস্কুলে ছিলাম, তখন ৭ ফুটের বেশি। বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন আমার বাবা-মা। তারা বুঝতে পারছিলেন না কেন আমি এত লম্বা হচ্ছি। আমার ভাইবোনদের ছাড়িয়ে যাচ্ছি। এটা পরবর্তীতে আমার জন্য কোনো সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে কিনা এ নিয়েও দুশ্চিন্তা করতেন তারা।’
ডাক্তার দেখানোর পর মুদাসসির জানতে পারেন হরমোন জনিত কারণে এমনটি হয়েছে। মুদাসসির বলেন, ‘আমার উচ্চতা ৭ ফুটের বেশি হবে কিনা সেটা অবশ্য বলেননি ডাক্তাররা। দেড় বছর আগে শেষবার যখন আমি উচ্চতা মেপেছিলাম তখন ছিল ৭ ফুট ৬ ইঞ্চি। এরপর আর শারীরিক বৃদ্ধি ঘটেনি আমার।’
বেশি লম্বা হওয়ায় নানা বিড়ম্বনাও পোহাতে হয় মুদাসসিরকে। তিনি বলেন, ‘আমার বাল্যকাল স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু স্কুলের ছেলেরা এই সেই বলে আমাকে ক্ষেপাতো। স্কুলে যাওয়া-আসাতেও বিপত্তি। ঠিকমত বাসের সিটে বসতে পারতাম না। রিকশাতেও সমস্যা হতো। আমি খুব বেশি লম্বা হওয়ায় আমার পা আটকে যায় সবখানে। তাছাড়া আমার পায়ের মাপের জুতা পাওয়াও কঠিন। আমাকে অর্ডার দিয়ে জুতা ও কাপড়-চোপড় বানিয়ে নিতে হয়।’
এত অসুবিধার পরও লম্বা হওয়াটাকে নিজের জন্য আশীর্বাদই মনে করেন মুদাসসির। তিনি বলেন, ‘আমার উচ্চতা আমার জন্য আশীর্বাদ। আমি দ্রুত দৌড়াতে পারি, দ্রুততম বোলারও হতে পারবো। বোলার হওয়ার মিশন নিয়ে ৭ মাস আগে অনুশীলন শুরু করি। করোনা মহামারির কারণে আপাতত আমার অনুশীলন বন্ধ আছে। আশা করি, একদিন আমি হবো বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা বোলার।’
0 Share Comment
Deshi Group
10 October 2020, 21:24

লম্বা পায়ের জন্য গিনেস বুকে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাকি কুরিন নামের এক কিশোরী

লম্বা পায়ের জন্য গিনেস বুকে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাকি কুরিন নামের এক কিশোরী
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ম্যাকি কুরিন নামের এক কিশোরী বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পায়ের জন্য রেকর্ড গড়েছে । প্রথম দেখাতেই ১৭ বছর বয়সী এই কিশোরীর লম্বা পায়ের বিষয়টি সবার নজরে পড়বে। এর মধ্যেই সে দু’টি রেকর্ড অর্জন করেছে। ম্যাকি কুরিন নারীদের মধ্যে সবচেয়ে লম্বা পা এবং কিশোরীদের মধ্যেও সবচেয়ে লম্বা পায়ের কারণে গিনেস বুকে দু’টি রেকর্ড গড়েছে।

ম্যাকি কুরিন বিশাল আকৃতির এই পা নিয়ে কখনো কখনো বিড়ম্বনায় পড়েন। ঘরের দরজা দিয়ে বের হওয়া বা গাড়িতে চড়া থেকে শুরু করে পোশাক কিনতে গেলেও ভোগান্তি পোহাতে হয় তাকে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অনুযায়ী, ম্যাকি কুরিন’র বাম পায়ের উচ্চতা ১৩৫ দশমিক ২৬৭ সেন্টিমিটার বা ৫৩ দশমিক ২৫৫ ইঞ্চি এবং তার ডান পায়ের উচ্চতা ১৩৪ দশমিক ৩ সেন্টিমিটার বা ৫২ দশমিক ৮৭৪ ইঞ্চি।

তবে ম্যাকি জানিয়েছে, নিজেকে আড়াল করা মোটেও উচিত নয়। যেসব ব্যক্তির অস্বাভাবিক শারীরিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে তাদের এ নিয়ে সংকোচবোধ করারও কিছু নেই। তার এই রেকর্ডটি সব লম্বা নারীদের অনুপ্রাণিত করবে বলেও জানান ম্যাকি। মেয়ের এই রেকর্ড সম্পর্কে তার মা জানিয়েছেন, অন্যান্য বাচ্চাদের চেয়ে ম্যাকি যে বেশ খানিকটা লম্বা তিনি আগেই তা বুঝতে পেরেছিলেন। কারণ মাত্র ১৮ মাস বয়সেই ২ ফুট ১১ ইঞ্চি ছিল ম্যাকির উচ্চতা।

ইতোমধ্যেই ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটকে বেশ জনপ্রিয় ম্যাকি। সে ভবিষ্যতে মডেল হিসেবে কাজ করতে চায়। বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা মডেল হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করতে চায় ম্যাকি। এর আগে রাশিয়ার একেতেরিনা লিসিনার দখলে এই রেকর্ড ছিল। লম্বায় ওই রুশ তরুণীর পায়ের দৈর্ঘ্য ছিল ৫২.২ ইঞ্চি। কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পায়ের জন্য এবার তার ওই রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে ম্যাকি কুরিন।
0 Share Comment
Deshi Group
10 October 2020, 21:22

প্রতি বছর ‘‌কুমারি’ মেয়ে বিয়ে করেন এই রাজা

প্রতি বছর ‘‌কুমারি’ মেয়ে বিয়ে করেন এই রাজা
এখনও বিশ্বে এমন একটি দেশ রয়েছে, যেখানে রাজতন্ত্র কায়েম এবং সেখানকার রাজা প্রতি বছর একজন ‘‌কুমারি’ মেয়েকে বিয়েও করেন। এমনকি এই বিয়ের জন্য আয়োজিত হয় কুমারি মেয়েদের বিশেষ প্যারেডও।‌ শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

বর্তমানে বিশ্বের খুব কম জায়গাতেই রাজতন্ত্র রয়েছে। থাকলেও প্রশাসনিক বা সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রায় নেই বললেই চলে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং মোজাম্বিকের সীমান্তে অবস্থিত ছোট্ট একটি দেশ ইসোয়াতিনি বা সোয়াজিল্যান্ডে রাজতন্ত্র রয়েছে। আর সেখানকার শাসনভারও থাকে রাজার হাতে।

১৯৪০ সাল থেকে সে দেশে চলে আসছে এই নিয়ম। বিয়ের আগে মেয়েদের কুমারিত্ব বাঁচাতে এবং আরও বেশ কিছু কারণে এই নিয়ম চালু হয়েছিল। বর্তমানে সে দেশের রাজা কিং এমসাতি তৃতীয়‌। ১৯৮৬ সালে ১৮ বছর বয়সে রাজা হন তিনি। তারপর থেকে প্রতিবছরই একজন কুমারি মেয়েকে বিয়ে করছেন তিনি। এর মধ্যে তিনজন স্ত্রীকে ডিভোর্সও দিয়েছেন তিনি। ৩০–এরও বেশি সন্তান রয়েছে তার।

কিন্তু কীভাবে রানিকে বেছে নেন রাজা?‌ নিয়মানুযায়ী দেশের সব কুমারি মেয়েকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় রানিদের থাকা জায়গা লুদজিদিনি রয়্যাল রেসিডেন্সে। তারপর সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয় এনগাবেজওয়েনি রাজকীয় বাসস্থানে।

এরপর পরবর্তীতে এমবাবানের রয়্যাল প্যালাসে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য প্যারেডের। সেখানে কুমারিত্বের প্রতীক হিসেবে ছুরি হাতে অংশ নেন ওই কুমারি মেয়েরা। অনুষ্ঠান দেখতে আসা অতিথি এবং রাজার সামনে পদযাত্রায় অংশ নেন। এরপরই রাজা তাদের মধ্যে থেকেই একজনকে নতুন রানি হিসেবে বেছে নেন। আজব মনে হলেও পুরো দেশের মানুষ কিন্তু বেশ উৎসাহের সঙ্গে যোগ দেয় এই অনুষ্ঠানে।

সূত্র: চ্যানেল আফ্রিকা, ডেইলি হান্ট
0 Share Comment
Deshi Group
10 October 2020, 21:20

সৌদি আরবের আল আহসা, বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্বনির্ভর মরুদ্যান

সৌদি আরবের আল আহসা, বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্বনির্ভর মরুদ্যান
সৌদি আরবের আল আহসাকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্বনির্ভর মরুদ্যান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে গিনেস বুকস কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার এই স্বীকৃতি পাওয়ার পর আনন্দে মাতেন আল আহসার বাসিন্দারা। খবর আরব নিউজের।

অত্যন্ত যত্ন ও কঠোর পরিশ্রমের পরই এমন সফলতা মিলেছে বলে মত স্থানীয়দের। সেখানে লাখ লাখ খেজুর গাছ রয়েছে। এর বিস্তৃতি ৩২.৯ বর্গমাইল এবং ২৮০টি পানির প্রস্রবণ থেকে পানি সরবরাহ করা হয়।

এই অঞ্চলে উৎপাদিত খেজুর সৌদি আরবসহ বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। হালকা সবুজ ও শীতল আবহাওয়া আল আহসাকে সৌদির অন্যতম পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে।

আল-আহসায় লাইসেন্সধারী ট্যুর গাইড মুহাম্মদ আলখুদায়েরি বলেন, তিনি আশা করেন যে এই জাতীয় নামী সংস্থার স্বীকৃতি আরও বেশি লোককে মরুদ্যান পরিদর্শন করতে এবং এর সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করতে উদ্বুদ্ধ করবে।

তিনি বলেন, আল আহসা মরুদ্যানটি ৬০০০ বছরেরও বেশি পুরনো। এত বছর ধরে এটি আগের মতই প্রাণবন্ত এবং সমৃদ্ধ রয়েছে। কিছু গাছ হাজার বছরের পুরনো। বিশেষত এত বছর ধরে এই অঞ্চলটি রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে যে পরিমাণ ভালবাসা এবং শ্রম ছিল সেটিকে কেন্দ্র করে এই ধরনের অর্জন স্বাভাবিক।

আলখুদায়েরি বলেন, আল আহসায় ফলদায়ক খেজুর গাছের সংখ্যা ২৫ লাখ ছাড়িয়েছে। অনেক বাসিন্দা এই খেজুর গাছের ওপর নির্ভরশীল এবং সেগুলোর সর্বোচ্চ যত্ন নেন।

তিনি জানান, আল আহসার লোকেরা তাদের খেজুরের জন্য গর্ববোধ করে। এসব খেজুর গাছের বিভিন্ন অংশ দিয়ে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করে সরবরাহ করা হয়। আল আহসার বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার জন্য এই খেজুর গাছগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আল আহসায় একটি খেজুর খামারের মালিক ও পরিচালক মুহাম্মদ আলমেলহেম বলেন, আমাদের হাতের তালুর সঙ্গে আমাদের খামারের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তারা আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় নেয়ামত। আমরা তাদের যত্ন নিই এবং তারা আমাদের দেখাশোনা করে।
তিনি জানান, আপনি এত মিষ্টি স্বাদের খেজুর পৃথিবীর কোথাও পাবেন না। এটি আমাদের পরিশ্রমের মাধ্যমে পেয়েছি। এগুলো খাওয়ার জন্যও সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ জায়গা এটি।

আলমেলহেম বলেন, তিনি আশা করেন যে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস দ্বারা স্বীকৃতি আরও বেশি লোককে এই অঞ্চলটি দেখার জন্য উৎসাহিত করবে, কারণ এখানে পর্যটকদের দেখার মতো অনেক কিছু রয়েছে।
0 Share Comment
Deshi Group
10 October 2020, 21:18

দিলীপ কুমার ও রাজ কাপুরের বাড়িকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ঘোষণা

দিলীপ কুমার ও রাজ কাপুরের বাড়িকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ঘোষণা
দিলীপ কুমার ও রাজ কাপুর ভারতীয় চলচ্চিত্রের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম। কিংবদন্তী এই দুই অভিনেতার পৈতৃক ভিটা কিনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রশাসন। এই দুই তারকার বাড়ি বর্তমানে অযত্ন, অবহেলায় রয়েছে। এ বাড়িগুলো দেখভালের জন্য কোনো উত্তরসূরিও নেই। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পাকিস্তান সরকার বাড়ি দুটি কিনে রাষ্ট্রীয় সংরক্ষণে নেবে বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে বাড়ি দুটিকে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বলেও ঘোষণা করেছে পাকিস্তান সরকার।

এদিকে দিলীপ কুমারের স্ত্রী পাকিস্তান সরকারের এমন সিদ্ধান্তে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। সায়রা বানু ইকনমিক টাইমসকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আমি প্রাদেশিক সরকারের এমন উদ্যোগকে শুভেচ্ছা জানাই। অত্যন্ত আনন্দিত যে, আমার স্বপ্ন এতদিনে সত্যি হতে চলেছে। মাশাল্লাহ।

সায়রা আরও জানান, কয়েক বছর আগে তিনি ও দিলীপ কুমার সেই বাড়িতে গিয়েছিলেন এবং শৈশবের স্মৃতিস্মরণ করে নস্টালজিয়ায় ভেসে অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন।

খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের অন্তর্গত কিসা খওয়ানি বাজার এলাকায় অবস্থিত রাজ কাপুর ও দিলীপ কুমারের পৈতৃক ভিটা। দীর্ঘদিন অযত্নে থাকায় এগুলোর অবস্থা এখন ভালো নয়। সেখানকার প্রাদেশিক সরকার তা ভেঙে না দিয়ে সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলো কিনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তারই আওতায় উপমহাদেশের খ্যাতিমান এই দুই অভিনেতার বাড়ি কিনে নিচ্ছে পাকিস্তান সরকার। দেশটির প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে ভবন দুটিকে জাতীয় ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হবে। বাড়ি দুটিতে তৈরি করা হবে স্মারক ভবন।

রাজ কাপুর ও দিলীপ কুমার- দুজনেরই জন্ম পাকিস্তানের পেশোয়ারে। ১৯৪৭ সালে ভারত আর পাকিস্তান ভাগ হওয়ার সময় এই দুই অভিনেতা ভারতে চলে যান। সাদাকালো থেকে রঙিন-টানা কয়েক দশক হিন্দি চলচ্চিত্রের দুনিয়ায় সফলভাবে রাজত্ব করেন। সূত্র: এনডিটিভি।
0 Share Comment
Deshi Group
10 October 2020, 21:15

করোনার সঙ্গে লড়তে যে বার্তা দিলেন সালমান খান

করোনার সঙ্গে লড়তে যে বার্তা দিলেন সালমান খান
করোনারর সঙ্গে লড়াই করতে নরেন্দ্র মোদির কথা মেনে চলুন বলে ভক্তদের বার্তা দেন সালমান খান। নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে টুইট কড়ে সালমান বলেন, করোনারর সঙ্গে লড়াই করতে নরেন্দ্র মোদিকে সঙ্গ দিন, নরেন্দ্র মোদির কথা মেনে চলুন। করোনা থেকে বাঁচতে নিজেদের মধ্যে ৬ ফিটের দূরত্ব বজায় রাখুন। মাস্ক পরুন। বার বার হাত ধুয়ে ফেলুন। স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করুন হাত।

এদিকে, লকডাউন পর্ব উঠে যাওয়ার পর এবার বিগ বস ১৪’র শ্যুটিং শুরু করেছেন সালমান খান। এবার মুম্বাইয়ের গোরেগাঁও ফিল্মসিটিতে বিগ বসের সেট তৈরি করা হয়েছে। সেখানেই আপাতত শ্যুটিং চলছে ভারতীয় টেলিভিশনের গ্র্যান্ড রিয়েলিটি শোয়ের। জীবনে এই প্রথমবার বাড়ির বাইরে বের হয়ে শ্যুটিং করতে ভয় পাচ্ছেন বলে সম্প্রতি জানান সালমান খান।

তিনি বলেন, বাড়িতে তার বয়ষ্ক বাবা, মা রয়েছেন। ভাগ্নিও খুব ছোট। সেই কারণেই করোনা সংক্রমণের ভয়ে তিনি বাড়ির বাইরে বের হতে ভয় পাচ্ছিলেন বলেও জানান সালমান। সম্প্রতি বলিউডের বেশ কয়েকজন তারকা করোনায় আক্রান্ত হন। অমিতাভ বচ্চন থেকে শুরু ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন, কণিকা কাপুর, মালাইকা আরোরা, অর্জুন কাপুররা করোনায় আক্রান্ত হন।
0 Share Comment
Deshi Group
10 October 2020, 21:11

অভিনেতা শ্যামল মাওলা নতুন করে আবার বিয়ের পিড়িতে

অভিনেতা শ্যামল মাওলা নতুন করে আবার বিয়ের পিড়িতে
ছোট পর্দার অভিনেতা শ্যামল মাওলা নতুন করে আবার বিয়ের পিড়িতে বসলেন ।

শনিবার (১০ অক্টোবর) পারিবারিক আয়োজনে দীর্ঘদিনের বন্ধু মাহা শিকদারের সঙ্গে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরেছেন এ অভিনেতা।

শনিবার সন্ধ্যায় এনটিভি অনলাইনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শ্যামল মাওলা।

তিনি বলেন, ‘আমার বিয়ে হয়ে গেছে। করোনার কারণে যেভাবে বিয়ে হয়, সেভাবেই হয়েছে। মানে দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে। এখন আর বেশি কিছু বলতে পারছি না, দোয়া করবেন আমাদের জন্য।’

জানা গেছে, শ্যামল মাওলার বর্তমান স্ত্রী একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে পড়াশোনা করছেন। মিডিয়াতেও বেশ কিছু কাজ করেছেন।

এর আগে শ্যামল মাওলা নন্দিতাকে বিয়ে করেছিলেন। তিন বছরের সংসারজীবনে তাঁদের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।
0 Share Comment
Deshi Group
10 October 2020, 21:08

ফের বিয়ে করলেন শমী কায়সার

ফের বিয়ে করলেন শমী কায়সার
মঞ্চ ও টেলিভিশনের নন্দিত অভিনেত্রী শমী কায়সার ফের বিয়ে করেছেন। বরের নাম রেজা আমিন সুমন। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। অভিনেত্রীর পারিবারিক সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

রাজধানীর ইস্কাটনে শমীর বাসায় শুক্রবার রাতে দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী।

তাদের বিয়ের কয়েকটি ছবি ফেইসবুকে পোস্ট করে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চয়নিকা চৌধুরী। শমীর সহকর্মীদের মধ্যে অভিনেত্রী তারিন, রিচি সোলায়মান, শামীমা তুষ্টি ও মডেল নোবেলসহ বেশ কয়েকজন তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

জানা যায়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে শমীর। গেল ৭ অক্টোবর ছিলো গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান৷ আর ৯ অক্টোবর ছিলো বিয়ের রিসিপশন। এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বর-কনের দুই পরিবারের সদস্য ও কাছের মানুষেরা।

নব্বই দশক মাতানো অভিনেত্রী শমী কায়সারের এটি তৃতীয় বিয়ে।শমী-রেজার চেনা জানা বছর খানেক আগে থেকেই। পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে প্রেম ও বিয়ে।বর রেজা আমিন সুমনেরও এটি দ্বিতীয় বিয়ে। তার আগের সংসারে দুই সন্তান রয়েছে।

এর আগে তিনি ১৯৯৯ সালে ভারতীয় নাগরিক ব্যবসায়ী অর্ণব ব্যানার্জী রিঙ্গোকে বিয়ে করেন। দুই বছর পর তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।

পরবর্তীতে তিনি ২০০৮ সালের ২৪ জুলাই মোহাম্মদ আরাফাতকে বিয়ে করেন। নানা কারণে সেই সংসারও টেকেনি শমীর৷ এবার তিনি ঘর বাঁধলেন রেজা আমিন সুমনের সঙ্গে।
0 Share Comment
Bakar
10 October 2020, 01:13

নিউ নর্মাল যাপনে ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হতে
শুরু করেছে মানুষ। সতর্কবিধি মেনেই শুরু হয়েছে শুটিং, রেকর্ডিংয়ের কাজ।
সালমান খান থেকে টেলর সুইফট, অনেক তারকাই সিঙ্গেল গান রেকর্ড করেছেন। গান
গাওয়া শরীর ও মনের পক্ষে ভালো। তবে করোনা সংকটের এই আবহে গলা ছেড়ে গাওয়া
বিপজ্জনক হতে পারে। তাতে আরো বেশি করে ছড়িয়ে পড়তে পারে করোনা ভাইরাস।
এমনটাই বলছেন সুইডেনের লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।


কীভাবে করোনা ভাইরাস ছড়াতে পারে তা নিয়ে
অনেক মতামতই প্রকাশ্যে এসেছে। কখনও বলা হয়েছে জলবাহিত ভাইরাস এটি, কখনও
আবার বায়ুর মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে। সম্প্রতি
সুইডেনের লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে
গবেষকরা জানাচ্ছেন, জোরে গান গাওয়ার সময় মানুষের মুখ থেকে বেশি পরিমাণ
বাষ্প নির্গত হয়। যা আশেপাশের বায়ুকণায় মিলিত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে। এতেই করোনা
ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা বেশি থাকে।


একটি সমীক্ষার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে
উপনীত হয়েছেন গবেষকরা। এর জন্য ১২ জন সংগীতশিল্পীকে নির্বাচিত করা হয়েছিল।
যাদের মধ্যে আটজন অপেরা শিল্পী। এঁদের মধ্যে দু’জন আবার ছিলেন করোনা
আক্রান্ত। সমস্ত রকমের সুরক্ষা ব্যবস্থা করে একটি ঘরে ঢুকিয়ে প্রত্যেককে
দিয়ে গান গাইতে বলা হয়। অত্যাধুনিক ক্ষমতা সম্পন্ন এমন ক্যামেরা রাখা হয়
যাতে খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা যায়।


দেখা যায়, যখন শিল্পী জোর কণ্ঠে গান
গাইছেন তখন তাঁর মুখ থেকে অতি বড় মাপের বাষ্পকণা নির্গত হচ্ছে। তা তাঁর
আশেপাশের বায়ুস্তরের অনেকটা জায়গা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ছে। ধীর কণ্ঠে গান
গাইলে নিশ্বাস-প্রশ্বাসে জোর কম পড়ে। আর মুখ থেকে যে বাষ্পকণাগুলি বের হয়
তা খুবই ছোট হয়। ফলে বায়ুস্তরে বেশি দূর পর্যন্ত যেতে পারে না।


তাহলে কি কণ্ঠ ছেড়ে গান গাওয়া সম্ভব নয়?
সম্ভব হতেই পারে, যদি নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে তা গাওয়া হয়। আর মুখে মাস্ক
অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। এমনটাই মত গবেষকদের।

0 Share Comment
Bakar
10 October 2020, 01:12

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে রাজধানী
শহর মাদ্রিদ ছাড়াও আশপাশের আরো ৯ শহরে এ জরুরি অবস্থা জারি করেছে স্পেন
সরকার। এ অবস্থা থাকবে ১৫ দিন। সপ্তাহখানেক আগে কর্তৃপক্ষ যে আংশিক লকডাউন
বিধিনিষেধ জারি করেছিলে তার বিরুদ্ধে আদালত নির্দেশ দেয়ার পরই সরকার এমন
সিদ্ধান্ত নিল।


শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিবিসির এক
প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানী মাদ্রিদসহ আশপাশের ৯টি শহরে চলাচলের ওপর
নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে এই ১৫ দিন। দেশটির রাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রে
পরিণত হয়েছে রাজধানী মাদ্রিদ। কট্টর ডানপন্থী শহর কর্তৃপক্ষ সমাজতান্ত্রিক
সরকারের অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।


নগর কর্তৃপক্ষের লোকজন অবশ্য দাবি করছেন,
করোনার সংক্রমণ হ্রাস পেয়েছে এবং এই জরুরি অবস্থা অযৌক্তিক। মাদ্রিদের
স্বাস্থ্যমন্ত্রী এনরিক রুইজ এসকুয়েডেরো বলছে, ইতোমধ্যে জারি থাকা
বিধিনিষেধ কাজ করছে। জাতীয় সরকারের এই আদেশ এমন পদক্ষেপ যা মাদ্রিদের কোনো
বাসিন্দার কাছেই বোধগম্য নয়।

0 Share Comment
Deshi Group
10 October 2020, 01:08

মেসির গোলে ইকুয়েডরকে হারালো আর্জেন্টিনা

মেসির গোলে ইকুয়েডরকে হারালো আর্জেন্টিনা
কাতার বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে ইকুয়েডরকে ১-০ গোলে হারিয়েছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। দলের হয়ে এক মাত্র গোলটি করেছেন মেসি।

বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোরে বুয়েন্স আয়ার্সের লা বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১১ মিনিটেই এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনার। পারভিস এস্তুপিনানের কড়া ট্যাকলে ইকুয়েডরের বক্সের মধ্যে পড়ে যান ওকাম্পোস। পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। পেনাল্টি শট থেকে গোল করেন মেসি। প্রথমার্ধে কোনো দলই গোল করতে না পারলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।


দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল আর্জেন্টিনার। মেসির বাড়ানো বলে হেড করেছিলেন ওকাম্পোস। কিন্তু অতিথি গোলকিপার ডোমিঙ্গেজ আঙুলের ছোঁয়ায় বল মাঠের বাইরে পাঠালে কর্নার হয়।

আগামী মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্বের সর্বোচ্চ স্টেডিয়াম লা পাজের এস্তেদিও এর্নান্দো সিলসে বলিভিয়ার মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

আর্জেন্টিনার কাতার বিশ্বকাপের এই অভিযাত্রা শুরুর কথা ছিল মার্চে। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির কারণে তা স্থগিত হয়।
0 Share Comment
$
$