অনলাইন শপিং,ফ্রিল্যান্সিং ও অন্যান্য কাজ করার জন্য এই ওয়েবসাইটে একটি একাউন্ট থাকতে হবে। একাউন্ট খোলা মানেই টাকা দিতে হবে এমন না। ফ্রিল্যান্সার অথবা বায়ার, এর যে কোন একটি চয়েজ করে একাউন্ট তৈরি করতে হবে।অথবা শপিং সেকশনের যে কোন প্রোডাক্টের এ্যাড টু কার্ট বাটনে ক্লিক করেও আপনি একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন।সাইনআপ করুন এবং কাজ পোষ্ট করুন। ফ্রিল্যান্সারগণ কাজ খুজুন ও বিড করুন।একাউন্ট তৈরি হলে আপনি আপনার দেয়া ইউজার আইডি ও পাসওর্য়াড ব্যবহার করে সাইটে লগইন করতে পারবেন। You must have an account on this website for online shopping, freelancing and other activities. Opening an account does not mean that you have to pay. Freelancer or buyer, you have to create an account by choosing one of them. Or you can create an account by clicking on the add to cart button of any product in the shopping section.Sign up and post work. Freelancers find work and bid. Once the account is created, you can login to the site using your given user ID and password.

We have 58 guests and no members online

All Posts

4786 posts found

National/International News Group
03 November 2021, 12:58

১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় আসছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি

১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় আসছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি
চলতি বছর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। ঢাকায় বিজয় দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। ভারতের রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর এটিই হবে তার প্রথম বাংলাদেশ সফর। শনিবার ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, তিন দিনের সফরে ১৫ ডিসেম্বর ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। ৬ ডিসেম্বর ভারতে ও ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে- দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফর ঘিরে প্রস্তুতি চলছে। এ সপ্তাহে এ নিয়ে দুই দেশের কূটনীতিকদের মধ্যে দিল্লিতে আলোচনা হয়েছে।
সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে ভারতের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো তার ঢাকা সফরের বিষয়টি ঘোষণা করা হয়নি।
কূটনৈতিক সূত্র বলছে, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল প্রতিবেশী ভারত। দিনটিকে স্মরণীয় করতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৬ ডিসেম্বরকে ‘মৈত্রী দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন। ৬ ডিসেম্বর দিনটিতে ভারত আয়োজিত মৈত্রী দিবসের অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট কন্যা শেখ রেহানাকে অতিথি হিসেবে নয়াদিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলও কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।
0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:57

আজ জেলহত্যা দিবস



আজ বুধবার ৩ নভেম্বর, জেলহত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নিরাপদ প্রকোষ্ঠে ঢুকে একদল দুষ্কৃতকারী হত্যা করে জাতীয় চার নেতাকে। পচাঁত্তরের পনেরই আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মম হত্যাকা-ের ৮০ দিনের মাথায় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এএইচএম কামরুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলীকে কারাগারের ভেতরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এর আগে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ঘাতকদের ইচ্ছায় গঠিত মন্ত্রিসভায় যোগদানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এই চার নেতা।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার আহবান জানিয়ে বলেছেন, এটাই হোক জেলহত্যা দিবসে অঙ্গীকার। আজ ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আজ এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ৩ নভেম্বর, জেলহত্যা দিবস। জাতীয় জীবনে এক শোকাবহ দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামান বন্দি অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে নির্মমভাবে শাহাদতবরণ করেন। তিনি তাঁদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
তিনি বলেন, ‘আমাদের স্বাধীনতা একদিনে আসেনি। বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দু’দশকের অধিককাল ধরে জাতিকে বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ করে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তাঁর আহ্বানে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান কারাগারে বন্দি থাকাবস্থায় তাঁর অবর্তমানে ১৯৭১ সালে জাতীয় চার নেতা মুজিবনগর সরকার গঠন, রণনীতি ও রণকৌশল প্রণয়ন, প্রশাসনিক কর্মকান্ড ও মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা, কূটনৈতিক তৎপরতা, শরণার্থীদের তদারকিসহ মুক্তিযুদ্ধকে জনযুদ্ধে পরিণত করতে অসামান্য অবদান রাখেন। জাতি তাঁদের অবদান চিরদিন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।’ আবদুল হামিদ বলেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করার পাশাপাশি জাতিকে নেতৃত্বহীন করার লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর স্বাধীনতা বিরোধী চক্র কারাবন্দি অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। ঘাতকচক্রের উদ্দেশ্য ছিল দেশে অগণতান্ত্রিক স্বৈরশাসনের উত্থানের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের চেতনা থেকে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে মুছে ফেলা। কিন্তু ঘাতকচক্রের সেই উদ্দেশ্য সফল হয়নি। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর আদর্শ চির অম্লান থাকবে। বঙ্গবন্ধু সুখী সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। রাষ্ট্রপতি জাতীয় চার নেতার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রবিরোধী অপশক্তির যে কোন অপতৎপরতা ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করার জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে। আজ ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী গতকাল এক বাণীতে বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রবিরোধী অপশক্তি এখনও নানাভাবে দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। এই অপশক্তির যে কোন অপতৎপরতা ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করার জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের ধারা সমুন্নত রাখা এবং সকলে মিলে জাতির পিতার স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক আমাদের সুদৃঢ় অঙ্গীকার। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবসকে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিন উল্লেখ করে বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে। কারাগারের অভ্যন্তরে এ ধরনের বর্বর হত্যাকান্ড পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন।
জাতীয় চার নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় চার নেতার আত্মত্যাগ বাঙালি জাতি চিরকাল শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘ আমরা আজ আত্মমর্যাদাশীল দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছি। আমরা জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছি। এই সময়ে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে। বর্তমান প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যেও আমরা আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে জাতীয় চার নেতার হত্যাকান্ড ছিল জাতির পিতাকে পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যসহ হত্যার ধারাবাহিকতা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও জাতীয় চার নেতার জঘন্য হত্যাকান্ডের মাধ্যমে স্বাধীনতাবিরোধী পরাজিত শক্তি ও দেশবিরোধী চক্র বাংলার মাটি থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নাম চিরতরে মুছে ফেলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস এবং বাঙালি জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল। ঘাতকদের উদ্দেশ্যই ছিল অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রাষ্ট্র কাঠামোকে ভেঙে আমাদের কষ্টার্জিত স্বাধীনতাকে ভূলুণ্ঠিত করা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী চক্র ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের পর থেকেই হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করে। আত্মস্বীকৃত খুনীদের রক্ষা করতে ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করে। জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে মার্শাল ল’ জারির মাধ্যমে গণতন্ত্র হত্যা করে। সংবিধানকে ক্ষত-বিক্ষত করে। হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনার পরিবর্তে পুরস্কৃত করে। বিদেশে দূতাবাসে চাকুরি দেয়। স্বাধীনতাবিরোধী-যুদ্ধাপরাধীদের নাগরিকত্ব দেয়। রাষ্ট্রক্ষমতার অংশীদার করে। ব্যবসা করার সুযোগ দেয়। বিপুল অর্থের মালিক করে দিয়ে তাদের রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে পুনর্বাসিত করে। ‘৭৫-এর সেই ষড়যন্ত্রকারী ও হত্যাকারীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদদাতারা পরবর্তী ২১ বছর ধরে দেশের ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখে। অবৈধ শাসকরা মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে বাংলাদেশকে পিছনের দিকে ঠেলে দেয়।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর সরকার গঠন করে জাতির পিতার হত্যার বিচার শুরু করে। কিন্তু বিএনপি-জামাত জোট সরকার ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে এই হত্যার বিচার কাজ বন্ধ করে দেয়। দেশের জনগণ ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে পুনরায় বিপুল ভোটে বিজয়ী করে। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে প্রতিহিংসার রাজনীতি বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে উল্লে¬খযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘আমরা সপরিবারে জাতির পিতা হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করার মধ্যে দিয়ে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেছি। জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। পলাতক খুনিদের খুঁজে বের করে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। জনগণকে দেওয়া ওয়াদা অনুযায়ী একাত্তরের মানবতাবিরোধী-যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর করা হচ্ছে। সংবিধান সংশোধন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পথ বন্ধ করা হয়েছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে দেশে শান্তি ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা দেশে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর।’
আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আজ সূর্য উদয়ের সাথে সাথে বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের সর্বত্র দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কালো পতাকা উত্তোলন এবং কালো ব্যাজ ধারণ। সকাল ৮ টা ৩০ মিনিটে ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। সকাল ৯টায় বনানী কবরস্থানে জাতীয় চার নেতার কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। একই ভাবে রাজশাহীতে জাতীয় নেতা কামারুজ্জামানের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে সকাল ১১টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:55

আশংকা: নিপা ভাইরাস সৃষ্টি করতে পারে আরেকটি মহামারি

আশংকা: নিপা ভাইরাস সৃষ্টি করতে পারে আরেকটি মহামারি
নিপা ভাইরাস কি নতুন মহামারি সৃষ্টি করবে? সম্প্রতি ভারতে এই ভাইরাসে সংক্রমিত একটি বালকের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে এমন প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। বলা হয়েছে, ভবিষ্যত হুমকির কথা মাথায় রেখে এখনই কি প্রস্তুতি নেয়ার সময়? অথবা এই মহামারির বিরুদ্ধে এখনই কি আমাদেরকে ‘সরঞ্জাম’ প্রস্তুত রাখা উচিত? ভারতের সরকারি বার্তা সংস্থা পিটিআই’কে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে অনলাইন লাইভমিন্ট। এতে বলা হয়েছে, নিঃসন্দেহে এটা বলা যায় যে, মহামারির ব্যাপক প্রস্তুতিতে ঘাটতি থাকার কারণে করোনা মহামারি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল। এর ফলে ভয়ঙ্কর এবং বিপর্যয়কারী পরিণতি ভোগ করতে হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। তারা ২০০৩ সালের সার্স ভাইরাসের অভিজ্ঞতার পর থেকেই আত্মরক্ষার কৌশল অবলম্বন শুরু করেছে। তাই সরকারগুলোর জন্য খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো, অন্যান্য ভয়াবহ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া থেকে আমাদেরকে রক্ষায় কৌশল নির্ধারণ করা।
ওই রিপোর্টে বলা হয়, সার্স-কোভ-২ বা করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে দ্রুততার সঙ্গে উদ্ভাবন করা হয়েছে টিকা। তা ব্যবহার করে এই মহামারি থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। তাই যদি অন্য তীব্রতা সম্পন্ন ভয়ঙ্কর ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা তৈরি করা যায় এবং তা মজুদ করে রাখা যায়, তাহলে ওই ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব টিকা ব্যবহার করা যেতে পারে। এমনটা হলে আরেকটি মহামারি এড়ানো সম্ভব হতে পারে।
এ প্রচেষ্টা বা মনোভাবকে প্রশংসা করতে হয়। তবে এ প্রক্রিয়ায় আগেভাগে মহামারি সৃষ্টিকারী ভাইরাস শনাক্ত হতে হবে, যা কোনো সহজসাধ্য কাজ নয়। এর ফলে একটি ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। তাহলো, উদ্বিগ্ন হবেন না। টিকা আসছে। এই মনোভাবের কারণে প্রতিরোধযোগ্য যেসব সহজ পদ্ধতি আছে, তাকে এড়িয়ে যাওয়ার মতো মানসিকতা সৃষ্টি হতে পারে।
১৯৯৮ সালে প্রথম মালয়েশিয়ায় শনাক্ত হয় নিপা ভাইরাস। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সম্প্রতি ভারতের কেরালায় একটি বালকের মৃত্যু হয়েছে। এতে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে যে, এই ভাইরাস রূপান্তরিত হতে পারে। তাতে সংক্রমণ ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে। আরো ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে এই ভাইরাস। যদি তেমনটাই হয়, তাহলে তা হবে ভীতিকর। কারণ, এই ভাইরাসে বর্তমানে মৃত্যুর শতকরা হার ৫০ ভাগের ওপরে। এই ভাইরাসের এখন পর্যন্ত কোনো টিকা আবিষ্কার হয়নি। এমনকি এর কোনো পরীক্ষিত চিকিৎসা পদ্ধতিও নেই। তাই বলে এই ভাইরাসের টিকা আবিষ্কারে বিনিয়োগ করা বা ঝাঁপিয়ে পড়ার আগে উচিত এর বাস্তবিক মহামারি সৃষ্টির ঝুঁকি কতটা তা নির্ধারণ করা। যদি তেমনটা হয়, তাহলে আরো অনেক ভাইরাস আছে। এসব ভাইরাসের মধ্যে এই ভাইরাস অগ্রাধিকারের দিক দিয়ে তালিকায় কোন র‌্যাংকে থাকবে তা বোঝা উচিত।
এ জন্য প্রয়োজন এই ভাইরাস কিভাবে সংক্রমণ ঘটায় এবং তার বংশ বিস্তার করে তা অনুধাবন করা। নিপা হলো একটি প্যারামাইসোভাইরাস। মানব দেহের প্যারাইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্কিত এই ভাইরাস। প্যারাইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস এমন এক ভাইরাস, যা সাধারণভাবে মানবদেহে ঠা-া লাগায়। প্রাকৃতিকভাবে এর পোষক হলো ফলখেকো বাদুর। ছোট এবং বড় খেকশিয়াল। এসব প্রাণি দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে দেখা যায়। মানবদেহে এখন পর্যন্ত যত নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে তার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আক্রান্ত বাদুরের সম্পর্ক আছে। বাদুরের দেহে এই ভাইরাস সাব-ক্লিনিক্যাল পর্যায়ে থাকে, যা আগে থেকে নোটিশ করা সম্ভব হয় না। এমনিতেই প্র¯্রাবের মাধ্যমে এই ভাইরাস নির্গত হয়। এসব প্রাণির মেলামেশা এবং গাদাগাদি করে অবস্থানের মধ্য দিয়েও ছড়ায় এই ভাইরাস। যেসব ফল বা ফলের রসে বাদুরের প্র¯্রাব মিশ্রিত অবস্থায় থাকে, তাই এই ভাইরাস মানবদেহে স্থানান্তরের প্রধান মাধ্যম।
এই ভাইরাস নিয়ে বাংলাদেশে দীর্ঘ মেয়াদী গবেষণা হয়েছে। এখানকার মানুষের মধ্যে নিয়মিতই এই ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেয়। এর কারণ বাদুরের ঘনবসতি। তাদের পর্যাপ্ততা। খেজুরের কাঁচা রস হলো এখানে এই ভাইরাসের বিস্তার লাভের প্রধান মাধ্যম। খেজুর গাছ কেটে তা থেকে রস সংগ্রহকালে এই রসে সংক্রমণ ঘটায় বাদুর। এই সংক্রমণ থামানো গেলে আরেকটি মহামারির ঝুঁকি থামানো যেতে পারে।
0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:55

শতভাগ বিদ্যুতায়ন শতভাগ হচ্ছে না

শতভাগ বিদ্যুতায়ন শতভাগ হচ্ছে না


শেষ সময়ে এসে শতভাগ বিদ্যুতায়ন প্রকল্পে ভাটা পড়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের সকল মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছিল সরকার। ডিসেম্বরেই এ সংক্রান্ত ঘোষণা আসবে বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড পিডিবি এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড আরইবি এখনও শতভাগ গ্রাহকের ঘরে বিদ্যুৎ নিতে পারেনি। অক্টোবরের সরকারি হিসাব বলছে এখনও দুই লাখ ২৭ হাজার ৫৩৬ গ্রাহকের ঘরে যায়নি বিদ্যুৎ।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড পিডিবি মন্ত্রণালয়ে যে হিসাব দিয়েছে তাতে দেখা যায়, ১১০ উপজেলায় তাদের বিতরণ নেটওয়ার্ক রয়েছে। এসব উপজেলায় আরইবির পাশাপাশি তারাও বিদ্যুৎ বিতরণ করছে। এসব উপজেলার ৯ হাজার ৭৯৫টি গ্রামে পিডিবি বিদ্যুৎ দিচ্ছে। গ্রামগুলোর মোট গ্রাহক ৩৫ লাখ ১১ হাজার। এরমধ্যে এক হাজার ৮৯৫টি গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে পিডিবি। যেখানে মোট গ্রাহক ৯৭ হাজার ৫৩৬ জন। পিডিবি তার অবিদ্যুতায়িত এলাকার ৯৭ দশমিক ২২ ভাগ গ্রাহকের ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছে। বাকি রয়েছে দুই দশমিক ৭৮ ভাগ গ্রাহক। পিডিবির এক কর্মকর্তা বলেন, আমাদের বেশিরভাগ অবিদ্যুতায়িত এলাকা পার্বত্য তিন জেলায়। এসব এলাকায় লাইন নির্মাণ বেশ জটিল। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় লাইন নির্মাণের জন্য খুঁটি ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ পরিবহন করা কঠিন কাজ। এরপরও চেষ্টা করে যাচ্ছি। সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমরা প্রতিমাসেই নতুন নতুন গ্রাম বিদ্যুতের আওতায় আনছি। গত সেপ্টেম্বরেও ২৮১টি নতুন গ্রামের ৯ হাজার ৫৪২ জনকে সংযোগের আওতায় এনেছি।
মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, পাহাড় ও নদীর কিছু বিচ্ছিন্ন চরে বিদ্যুৎ যায়নি। তবে গ্রিডের আওতায় রয়েছে এমন একটি এলাকাও বাকি নেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নদীর তলদেশ দিয়ে ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ নেওয়া হচ্ছে। এজন্য ব্যয় যেমন বেড়েছে, সময়ও বেশি লাগছে। মন্ত্রণালয়ে শতভাগ বিদ্যুতায়নের যে হিসাব আরইবি দিয়েছে তাতে দেখা যায়, ৪৬২ উপজেলায় ৮৪ হাজার ৭০০ গ্রামে বিদ্যুৎ দিতে পেরেছে সংস্থাটি। তাদের মোট গ্রাহক তিন কোটি ২২ লাখ। প্রতিষ্ঠানটির আওতায় থাকা ২৩৪ গ্রামের দেড় লাখ মানুষ এখনও বিদ্যুৎ সংযোগ পায়নি। তবে মোট গ্রাহকের ৯৯ দশমিক ৬০ ভাগই সংযোগের আওতায়। আরইবি সূত্র বলছে, গত সেপ্টেম্বরে ৫৫টি গ্রামের এক লাখ ৮৭ হাজার মানুষ সংযোগ পেয়েছে। আরইবির এক কর্মকর্তা জানান, পটুয়াখালীর উপকূলীয় উপজেলার একটি অংশ শতভাগ বিদ্যুতায়নের বাইরে রয়েছে। তবে চেষ্টা করছি দ্রুত কাজ শেষ করতে। এ ছাড়া দেশের দুই বিতরণ কোম্পনি ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) এবং নর্দার্ন ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) আওতায় কিছু দুর্গম এলাকা রয়েছে। অবশ্য এসব গ্রাহককে সোলার সিস্টেমে বিদ্যুতায়নের আওতায় আনা হয়েছে। -বাংলাট্রিবিউন

0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:54

পদ্মা সেতু: মূল সেতুর ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ

পদ্মা সেতু: মূল সেতুর ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ
পদ্মা সেতু প্রকল্পের সার্বিক কাজ গত রোববার (৩১ অক্টোবর) পর্যন্ত এগিয়েছে ৮৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ। আর মূল সেতুর কাজের অগ্রগতি ৯৫ শতাংশ। সেই হিসাবে মূল সেতুর মাত্র ৫ শতাংশ কাজ বাকি রয়েছে। মূল সেতুর কাজের চুক্তিমূল্য প্রায় ১২ হাজার ৪৯৪ কোটি টাকা। যার মধ্যে চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে প্রায় ১১ হাজার ৪০৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। গত সোমবার সন্ধ্যায় পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আবদুল কাদের এ তথ্য জানান। সেতুর প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা যায়, পদ্মা সেতু প্রকল্পের সর্বমোট বাজেট ৩০ হাজার ১৯১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। যার মধ্যে গত অক্টোবর মাস পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ২৬ হাজার ২৪৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকা বা মোট ব্যয়ের ৮৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আর মূল সেতুর কাজের চুক্তিমূল্য ১২ হাজার ৪৯৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। যার মধ্যে এ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ১১ হাজার ৪০৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। সেতু প্রকল্পের আওতায় নদী শাসনের অগ্রগতি হয়েছে ৮৬ শতাংশ। নদী শাসন কাজের চুক্তিমূল্য ৮ হাজার ৯৭২ কোটি ৩৮ লাখ টাকার মধ্যে ব্যয় হয়েছে ৭ হাজার ৩১ কোটি ৭১ লাখ টাকা। প্রকৌশল বিভাগ আরও জানায়, মূল সেতুর মধ্যে দুই হাজার ৯১৭টি রোডওয়ে স্লাব ও পাঁচ হাজার ৮৩৪টি শেয়ার পকেটের সবগুলো বসানো হয়েছে। ১২ হাজার ৩৯০টি প্যারপেট ওয়ালের মধ্যে ১০ হাজার ৩৭৭টি স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া মাওয়া ও জাজিরার ভায়াডাক্টে ৪৩৮টি সুপারটি গার্ডারের মধ্যে ৪৩৮টি ও ৮৪টি রেলওয়ে আই গার্ডারের সব স্থাপন করা হয়েছে। মূল সেতুর মোট ৪১টি ট্রাস রয়েছে, যার সবগুলো এরই মধ্যে স্থাপন করা হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ছয় হাজার ১৫০ মিটার বা ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার।
এদিকে, সেতুর সংযোগ সড়ক ও সার্ভিস এরিয়ার কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে এক হাজার ৪৯৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এছাড়া ভূমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন ও পরিবেশ খাতে বরাদ্দ চার হাজার ৩৪২ কোটি ২৬ লাখ টাকা। অন্যান্য (পরামর্শক, সেনা নিরাপত্তা, ভ্যাট ও আয়কর, যানবাহন, বেতনভাতা ও অন্যান্য) খাতে বরাদ্দ দুই হাজার ৮৮৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:53

বিদ্যুৎ বিতরণ থেকে এখনই পিডিবি সরে আসবে না

বিদ্যুৎ বিতরণ থেকে এখনই পিডিবি সরে আসবে না
দেশে এখন সরকারেরই ১৩টি কোম্পানি রয়েছে যারা বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন এবং বিতরণ করছে। ফলে পিডিবিকে অনেকেই মাথাভারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তুলনা করছেন। জানতে চাইলে পিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘পিডিবির এখনকার যে জনবল কাঠামো তা পিডিবি গঠনের শুরুর দিকে তৈরি করা হয়। এটি বেশ পুরনো। এখনকার কাজের ধরন আগের মতো নয়। এতে কাজের অসুবিধা হচ্ছে। এখন নতুন অনেক কিছু যুক্ত হচ্ছে। তাই অর্গানোগ্রাম পরিবর্তনের জন্য উদ্যোগ নিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘বিতরণ থেকে এখনই পিডিবি সরে আসবে না। অন্য কোম্পানিগুলোর তুলনায় পিডিবি ভালো করছে। নেসকোর চেয়ে পিডিবির সিস্টেম লস এখনও কম। কোম্পানি করে খুব বেশি লাভ হয়নি। বর্তমান চাহিদার কথা চিন্তা করে যুগোপযোগী একটি অর্গানোগ্রাম করতে চাচ্ছি।’ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) অর্গানোগ্রাম (জনবল কাঠামো) সংশোধন করা হচ্ছে। পিডিবি বলছে, ইতোমধ্যে সংশোধনের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনের পর পরামর্শকের সুপারিশও নেবে তারা। হুট করে কেন পিডিবির জনবল কাঠামো সংশোধনের প্রয়োজন পড়লো তা জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, আগে যেখানে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হতো, সেখানে বিপুল পরিমাণ জমি অধিগ্রহণ করে বড় আকারের অবকাঠামো নির্মাণ করা হতো। একটি ২০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার জন্য কয়েক শ’ মানুষকে নিয়োগ দেওয়া হতো। এতে প্রতিষ্ঠানের খরচ বাড়তো। অন্যদিকে দেশের বাইরে দেখা যায়, একটি ৬০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্রে ১৪ থেকে ১৫ জন মানুষ কাজ করে। তাদের আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য থাকে। আমাদের এখানে যা একেবারেই নেই। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র জানালো, সিরাজগঞ্জে নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (এনডব্লিউপিজিসিএল) এবং সিঙ্গাপুরের সেম্বকর্পের দুটি পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। সেম্বকর্পে কাজ করে ১৪ জন। অন্যদিকে এনডব্লিউপিজিসিএল-এ কয়েক শ’ কর্মী রয়েছে।
পিডিবি সূত্র বলছে, এখন তাদের অর্গানোগ্রামে ১৮ হাজার ৩৯৪ জনের কাঠামো রয়েছে। এরমধ্যে কাজ করছেন ১২ হাজার ৩১৬ জন। অন্যদিকে ছয় হাজার ৭৮ জনের শূন্যপদ রয়েছে। পিডিবি বলছে সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। সহকারী পরিচালক এবং হিসাব সহকারী পদে আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া উপসহকারী প্রকৌশলী, চিকিৎসক, ফার্মাসিস্ট, নিরাপত্তা পরিদর্শক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন।
পিডিবি সূত্র বলছে, সরকার অনেক দিন থেকেই দেশে পিডিবির অধীনে থাকা বিতরণ এলাকাগুলো ভেঙে নতুন কোম্পানি করার পরিকল্পনা নিয়েছে। কিন্তু পিডিবির শ্রমিক কর্মকর্তাদের আন্দোলনে সেটি সম্ভব হচ্ছে না। এরমধ্যে উত্তরাঞ্চলে বিতরণের জন্য নেসকো গঠন করা হলেও এখনও ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা এবং চট্টগ্রামের শহরাঞ্চল পিডিবির হাতে রয়ে গেছে। সরকার চাইছে পিডিবিকে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনে রেখে বিতরণ জোনগুলোতে পৃথক কোম্পানি করতে। পিডিবি সূত্র বলছে, গত ২৪ জুন জনবল কাঠামো সংশোধনে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১৯ আগস্ট ওই কমিটি বৈঠক করেছে। বৈঠকে অর্গানোগ্রাম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অভিজ্ঞ পরামর্শক নিয়োগের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রসঙ্গত, দেশে স্বাধীনতার পর পিডিবি এককভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন এবং বিতরণ করতো। কিন্তু পরে আরইবি গঠনের ফলে দেশের গ্রামীণ জনপদে বিদ্যুৎ বিতরণে পরিবর্তন আসে। এরপর ১৯৯৬ সালে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের সুযোগ দেওয়া হয়। দেশের মোট বিদ্যুতের অর্ধেকই এখন বেসরকারি উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে পাওয়া যায়। সরকারও নিজস্ব বিনিয়োগে কোম্পানি করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। এ ছাড়া পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি (পিজিসিবি) গঠন করে সঞ্চালনের কাজও পিডিবির কাছ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:50

আফগানিস্তানে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহার করলে কঠোর শাস্তি

আফগানিস্তানে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহার করলে কঠোর শাস্তি
আফগানিস্তানে বিদেশি মুদ্রা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তালেবান। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে গোষ্ঠীটি।

চলতি বছর ১৫ আগস্ট তালেবান ক্ষমতা দখলের পর সংকুচিত হয়ে পড়ে আন্তর্জাতিকভাবে আর্থিক সহায়তা ও লেনদেনের পথ। মুখ থুবড়ে পড়ে দেশটির অর্থনীতি। চরম খাদ্য সংকটে পড়েছে লাখ লাখ আফগান। এর মাঝেই এমন ঘোষণা এলো তালেবান সরকারের। খবর আল-জাজিরার।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) রাজধানী কাবুলে বৃহত্তম সামরিক হাসপাতালে গুলি ও বিস্ফোরণে অন্তত ১৯ জন নিহত ও ৪৩ জন আহত হওয়ার এক ঘণ্টা পর আকস্মিকভাবে তালেবান এ ঘোষণা দেয়।



তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতি অনলাইনে পোস্ট করে জানিয়েছেন, ইসলামিক আমিরাতের সব নাগরিক, দোকান মালিক, ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী এবং সাধারণ মানুষকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যে, সব ধরনের বিদেশি মুদ্রা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার জন্য। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

আফগানিস্তানে মার্কিন ডলার ব্যবহারের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সীমান্ত-সংলগ্ন এলাকায়, যেমন পাকিস্তানি মুদ্রা ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত ৩১ আগস্টের মধ্যে দেশটি থেকে সেনা প্রত্যাহার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই ১৫ আগস্ট কাবুল দখলে নেয় তালেবান। ভয় আর আতঙ্কে দেশ ছাড়তে থাকেন বহু মানুষ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের সেনা সদস্যসহ দোভাষীদের ফিরিয়ে নিতে জটিলতা তৈরি হয়। ভিড় বেড়ে যায় কাবুল বিমানবন্দরে। দেখা দেয় বিশৃঙ্খলা।

মার্কিন সেনা প্রত্যাহার কার্যক্রম শেষ করার কয়েকদিন আগে হামিদ কারজাই বিমানবন্দরে বোমা হামলায় নিহত হন ১৭৫ জন। এ হামলায় ১৩ জন মার্কিন সেনাও নিহত হন। এর পরপরই আফগান ইস্যুতে আরও কঠোর হয় যুক্তরাষ্ট্র। কাবুলে চালানো হয় পর পর দুটি রকেট হামলা। বন্ধ করে দেওয়া হয় সব ধরনের আর্থিক সহযোগিতা। ফলে চরম সংকটে পড়ে দেশটি। ধারণা করা হচ্ছে, তালেবানের দেশের অভ্যন্তরে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করায় আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক অবস্থা আরও চরম অবনতির দিকে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হলো।
0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:49

নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে দুই নিম্নচাপ, হতে পারে ঘূর্ণিঝড়

নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে দুই নিম্নচাপ, হতে পারে ঘূর্ণিঝড়
নভেম্বর মাসে বঙ্গোপসাগরে একটি বা দুটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। নভেম্বর মাসের আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।



মঙ্গলবার সকালে বিশেষজ্ঞ কমিটির নিয়মিত সভা থেকে নভেম্বর মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সভায় অক্টোবর মাসের আবহাওয়ার বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্ত পর্যালোচনা করা হয়।

এতে দেখা গেছে, অক্টোবর মাসে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হলেও নভেম্বর মাসে স্বাভাবিক হতে পারে বৃষ্টিপাত।

এদিকে নভেম্বর মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে আরো বলা হয়েছে, এ মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমবে। গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়া দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা বা মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। পাশাপাশি দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকতে পারে।
0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:48

ইথিওপিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা

ইথিওপিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা
ইথিওপিয়ায় দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে দেশটির মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, এই ঘোষণা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

এদিকে আল-জাজিরার খবরে বলা হয়, ছয় মাসের জন্য জরুরি অবস্থা কার্যকর করেছে দেশটির মন্ত্রিসভা। ফলে রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষের চলাচল ও পণ্য পরিবহন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। সামরিক বাহিনী যেসব এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে সেসব এলাকায় কারফিউ জারি রয়েছে। ঘর থেকে বের হলেই জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হচ্ছেন নাগরিকরা।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বলছে, দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় টাইগ্রে এলাকার বিদ্রোহীদের সঙ্গে গত এক বছর ধরে লড়াই করছে ইথিওপিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের বাহিনী। সম্প্রতি বিদ্রোহীরা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আমফারা অঞ্চলের দেসি এবং কোমবোলচা শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। সরকার বলছে সেনাবাহিনী এখনও নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার জন্য লড়াই করছে।

এদিকে ইথিওপিয়া সরকার এক ঘোষণায় জানায়, সন্ত্রাসী তাইগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট ( টিটিএলএফ) গ্রুপের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করা সরকারের দায়িত্ব।

সূত্র: আল-জাজিরা, এনবিসি নিউজ
0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:45

পরিত্যক্ত শিশুর তথ্য দিন।

0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:34

১২ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’

১২ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’


প্রথমবারের মতো কান চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশী ছবি হিসেবে অংশ নিয়েছে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’। আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ পরিচালিত ছবিটি ১২ নভেম্বর সিনেমা হলে মুক্তি পাবে। এখন পর্যন্ত ১২টা হল নিশ্চিত হয়েছে।

ছবিটির নির্বাহী প্রযোজক এহসানুল হক বাবু বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত ১২টি হল নিশ্চিত করতে পেরেছি। শিগগিরই হলের তালিকা আমরা আমাদের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করব। বাবু আরো বলেন, সারা দেশ থেকে অসংখ্য ফোন পাচ্ছি। হল মালিকরা যেমন ফোন করে তাদের আগ্রহ দেখাচ্ছেন, তেমনি ফোন করছেন তরুণরা। তাদের সবার জিজ্ঞাসা, আমাদের শহরে দেখতে পাব তো? আমরা চেষ্টা করছি যত বেশি হলে সম্ভব ছবিটি মুক্তি দিতে। এক্ষেত্রে আমরা সহযোগিতা পাচ্ছি প্রায় সব মহলের। রেহানা হয়ে ওঠা আজমেরী হক বাঁধন বলেন, ‘আমাদের সিনেমা নিয়ে যে সাড়া পাচ্ছি প্রতিদিন, তাতে আমি রীতিমতো আপ্লুত। আমি চেষ্টা করব যত বেশি হলে সম্ভব সরাসরি দর্শকের সঙ্গে বসে সিনেমা দেখার।’

কান চলচ্চিত্র উৎসবে হয়েছিল সিনেমার ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার। এরপর কিন্তু সেখানেই থেমে থাকেনি। এরই মধ্যে ঘুরে এসেছে মেলবোর্ন চলচ্চিত্র উৎসব, বিএফআই লন্ডন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, হংকং এশিয়া চলচ্চিত্র উৎসব, বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, সিডনি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবসহ মোট ১৩টি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব থেকে। অপেক্ষায় আছে সিঙ্গাপুরসহ আরো বেশকিছু দেশে যাওয়ার।
0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:33

শেষ দুই মাসে মুক্তির তালিকায় ১২ ছবি

শেষ দুই মাসে মুক্তির তালিকায় ১২ ছবি


প্রায় দেড় বছর ধরে স্থবির বাংলাদেশের চলচ্চিত্রাঙ্গন। মহামারী শুরু হওয়ার পর দুবার হল খুললেও বন্ধ ছিল বেশ কয়েক মাস। করোনা পরিস্থিতি এখন প্রায় স্বাভাবিক। সিনেমা হলও খুলেছে। তার পরও সেভাবে দর্শক টানতে পারেনি সিনেমা হলগুলো। এ কারণে বড় বাজেটের বেশ কয়েকটি সিনেমাও মুক্তির তারিখ পিছিয়ে দিয়েছে। কিন্তু বছরের শেষ সময়ে এসে সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে আসছে। বাড়ছে সিনেমা হলে ছবি মুক্তির সংখ্যা। বছরের শেষ দুই মাসে মুক্তির তালিকায় আছে ১২টি সিনেমা।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতির দেয়া তালিকা অনুযায়ী নভেম্বরে পাঁচটি ও ডিসেম্বরে সাতটি ছবি মুক্তির জন্য তারিখ নিয়েছে। তালিকা অনুযায়ী ৫ নভেম্বর মুক্তি পাবে এফআই মানিক পরিচালিত ‘এদেশ তোমার আমার’। অমি বনি কথাচিত্র প্রযোজিত ছবিটিতে অভিনয় করেছেন ডিপজল, দিতি, সোহেল রানা, রোমানা, আলীরাজ ও জায়েদ খান। নভেম্বরে মুক্তি পাবে দুটি ছবি—‘তোর মাঝেই আমার প্রেম’ ও ‘রেহানা মরিয়ম নূর’। তোর মাঝেই আমার প্রেম ছবিটি পরিচালনা করেছেন এমকে জামান। প্রযোজনা করেছে টিএইচ মাল্টিমিডিয়া। এর প্রধান চরিত্রে আছে রাফাত রউফ, রোজ, হাবিব খান, রেবেকা ও শাঙ্কু পাঞ্জা। অন্যদিকে কান চলচ্চিত্র উৎসব মাতিয়ে আসা রেহানা মরিয়ম নূর পরিচালনা করেছেন আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ। এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আজমেরী হক বাঁধন। প্রযোজনা করেছে মেট্রো ভিডিও।

নীরব-প্রিয়মণি জুটির ‘কসাই’ ছবিটি মুক্তি পাবে ১৯ নভেম্বর। ছবিটি প্রযোজনা করেছে অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট। ছবিটি গত ৯ জুলাই স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পেলেও করোনার কারণে হল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাত্র দুদিন চলেছিল। তাই পুনরায় মুক্তি দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রযোজনা সংস্থা।

‘আয়না’ মুক্তি পাবে ২৬ নভেম্বর। ছবিটি পরিচালনা করেছেন মনতাজুর রহমান আকবর। মোহনা মুভিজ প্রযোজিত ছবিটিতে অভিনয় করেছেন জয় চৌধুরী, আঁচল, আমান রেজা, তানহা মৌমাছি, বড়দা মিঠু ও সুব্রত। তবে ২৬ নভেম্বর রেজওয়ান শাহরিয়ার পরিচালিত ‘নোনাজলের কাব্য’ মুক্তির ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। ছবিটি এখনো প্রযোজক সমিতি থেকে মুক্তির তারিখ নেয়নি। এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, তিতাস জিয়া, তাসনুভা তিশা ও শতাব্দী ওয়াদুদ। ছবিটি প্রযোজনা করেছে হাফ স্টপ ডাউন।

ডিসেম্বরের প্রথম শুক্রবার তথা ৩ ডিসেম্বর মুক্তি নিশ্চিত করেছে দুটি ছবি। ‘ছিটমহল’ ও ‘অবাস্তব ভালোবাসা’। ‘ছিটমহল’ পরিচালনা করেছেন এইচআর হাবিব। প্রযোজনা করেছে কমন হোম এন্টারটেইনমেন্ট। এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন শিমুল খান, জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া, মৌসুমী হামিদ, মুরাদ ও ডন। ‘অবাস্তব ভালোবাসা’ পরিচালনা করেছেন কাজল কুমার। এসএ চলচ্চিত্র প্রযোজিত ছবিটিতে অভিনয় করেছেন জয় চৌধুরী ও মাহিয়ান চৌধুরী। ৩ ডিসেম্বর মুক্তির ঘোষণা দিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে বিগ বাজেট সিনেমা ‘মিশন এক্সট্রিম’। তবে ছবিটি এখনো প্রযোজক সমিতি থেকে মুক্তির জন্য তারিখ নেয়নি। সানী সানোয়ার ও ফয়সাল আহমেদের যৌথ পরিচালনায় নির্মিত ছবিটির প্রধান চরিত্রে আছেন আরিফিন শুভ ও ঐশী। এটি প্রযোজনা করেছে মাইম মাল্টিমিডিয়া ও ঢাকা ডিটেক্টিভ ক্লাব।

ছবিটির পরিবেশক দি অভি কথাচিত্রের কর্ণধার জাহিদ হাসান অভি বলেন, আমরা ছবিটি সেন্সরে জমা দিয়েছি। ছাড়পত্র পেলেই মুক্তির তারিখের জন্য আবেদন করব। আমরা ৩ ডিসেম্বর আসছি এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। প্রয়াত নির্মাতা সাইদুল আনাম টুটুল পরিচালিত ‘কালবেলা’ মুক্তি পাবে ১০ ডিসেম্বর। এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাহমিনা অথৈ, শিশির, ফখরুল বাশার, মাসুম আজিজ ও জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়। এটি প্রযোজনা করেছে আকার। ১৭ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে দুটি ছবি—‘বিয়ে আমি করবো না’ ও ‘পরানের পাখি’। রকিবুল আলম রকিব পরিচালিত ‘বিয়ে আমি করবো না’ ছবির প্রধান চরিত্রে আছেন তানহা তাসনিয়া, ইমন, কাজী হায়াৎ ও বড়দা মিঠু। এটি প্রযোজনা করেছে মোহনা মুভিজ। খোরশেদ আলম খসরু পরিচালিত ‘পরানের পাখি’ প্রযোজনা করেছে ভীর জ্বারা ফিল্মস। এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরমান, শীতল, ডন, লামিয়া ও সুব্রত। ২৪ ডিসেম্বরও মুক্তি পাবে দুটি ছবি—‘স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা’ ও ‘আগামীকাল’। মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা’ ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আদর আজাদ চৌধুরী, নিশাত নাওয়ার সালওয়া, মিথিলা, আলীরাজ, সুব্রত, রেবেকা ও মারুফ। অন্যদিকে অঞ্জন আইচ পরিচালিত ‘আগামীকাল’ প্রযোজনা করেছে মাসুদ মঞ্চ ইন্টারন্যাশনাল। এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মম, ইমন, টুটুল, শতাব্দী ওয়াদুদ ও সূচনা আজাদ।

দুই মাসে ১২ ছবি মুক্তির বিষয়টিকে মন্দের ভালো হিসেবে দেখছেন পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান। তিনি বলেন, ‘আমাদের অধিকাংশ সিনেমা হল এখনো বন্ধ। এর মধ্যে দুই মাসে এতগুলো ছবি মুক্তি আমাদের জন্য ভালো খবর। কিন্তু এর মধ্যে ভালো ছবির বেশ অভাব রয়েছে। সিনেমা হলে দর্শক ফেরাতে আমাদের ভালো ছবি দরকার। কারণ ভালো ছবি না হলে ব্যবসা হবে না। তবে আশা করছি এ ছবিগুলো ভালো ব্যবসা করবে। ফলে নতুন নতুন প্রযোজক আসবেন ছবিতে বিনিয়োগ করতে।’
0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:30

দ্বিতীয় প্রজন্মের টেনসর চিপ নিয়ে কাজ করছে গুগল

দ্বিতীয় প্রজন্মের টেনসর চিপ নিয়ে কাজ করছে গুগল
সম্প্রতি বাজারে পিক্সেল ৬ সিরিজের স্মার্টফোন উন্মোচন করেছে সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল। প্রথমবারের মতো এ সিরিজে নিজস্ব উৎপাদিত টেনসর চিপ ব্যবহার করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

নতুন প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, পিক্সেল ৭ সিরিজের স্মার্টফোনের জন্য দ্বিতীয় প্রজন্মের টেনসর চিপ নিয়ে কাজ করছে এ টেক জায়ান্ট। খবর গিজমোচায়না।

পিক্সেল ৬ বাজারে আসার পর সম্প্রতি নাইনটুফাইভগুগলের সদস্যরা ক্লাউডরিপার নামে নতুন পিক্সেল ফোনের কোডনেমের সন্ধান পেয়েছে। তাদের ধারণা পিক্সেল ৭ ও ৭ প্রোর তুলনায় ৭ সিরিজে শক্তি জোগানোয় এ নাম দেয়া হয়েছে। ডেভেলপার বোর্ডের জন্য ক্লাউডরিপার নামটি ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। যেটি দুই মডেলের স্মার্টফোনের হার্ডওয়্যার সম্পর্কিত।

পিক্সেল ৬ ও ৬ প্রোর জন্য স্লাইডার কোডনেমটি বহুল প্রচলিত ছিল। তাই ক্লাউডরিপার নামটি গুগলের দ্বিতীয় প্রজন্মের টেনসর চিপের সঙ্গে যুক্ত। যেটিতে জিএস২০১ সিরিয়াল নম্বরও রয়েছে। পিক্সেল ৬ সিরিজে ব্যবহূত টেনসর চিপে জিএস১০১ মডেল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছিল।

পিক্সেল সম্পর্কিত যেসব অ্যাপস রয়েছে, সেখানে ক্লাউডরিপারের নাম দেখা গেছে। তাই প্রযুক্তিবিদরা ধারণা করছেন গুগল এরই মধ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের জিএস২০১ মডেলের চিপসেট নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে। তবে গুগলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:29

চার্লি চ্যাপলিন কেমন ছিলেন?

চার্লি চ্যাপলিন কেমন ছিলেন?


মাথায় কালো রঙের ডার্বি হ্যাট, পরনে জরাজীর্ণ কোট-টাই, ঢিলেঢালা মলিন প্যান্ট, হাতে ছড়ি, পায়ে পুরনো এক জোড়া বুট ও ঠোঁটের উপরে গোঁফ—মানুষটাকে নিশ্চয়ই চেনা চেনা লাগছে। হ্যাঁ, তিনি আর কেউ নন, তিনি চার্লি চ্যাপলিন। যিনি বৃষ্টিতে কাঁদতে ভালোবাসতেন, যাতে কেউ তার চোখের পানি দেখতে না পায়। চ্যাপলিন বলেছিলেন, ‘আই অলওয়েজ লাইক ওয়াকিং ইন দ্য রেইন, সো নো ওয়ান ক্যান সি মি ক্রাইং।’

চ্যাপলিনের মতে যেদিন হাসা হলো না, সেদিনই বৃথা। তাই দর্শকদের জীবনভর হাসিয়েছেন চ্যাপলিন। তার অভিনয়ে হাসতে হাসতে কেঁদেছে দর্শক। হাসাতে হাসাতেই তিনি নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছেন পুঁজিবাদী সমাজের চিত্র। কৌতুক-হাসির মধ্য দিয়ে বিদ্রোহ আর বিপ্লবী মানুষটিকে শুধু কমেডিয়ান বললে ভুল হবে। তিনি ছিলেন মহাশিল্পী।

সম্প্রতি এ অভিনেতাকে নিয়ে নির্মিত ‘দ্য রিয়েল চার্লি চ্যাপলিন’ শীর্ষক ডকুফিল্মের ট্রেলার প্রকাশিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রিমিয়ার টেলিভিশন নেটওয়ার্ক শোটাইমের ১ ঘণ্টা ৫৪ মিনিটের এ ডকুফিল্মের পরিচালক জেমস স্পিনি ও পিটার মিডলটন। তারা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন বাস্তব জীবনে কেমন ছিলেন এ বিখ্যাত অভিনেতা।

সিনেমায় শোনা যাবে ধারণকৃত কিছু অডিও, যা আগে কখনো প্রকাশিত হয়নি। আরো ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন মুহূর্তের নাটকীয় পুনর্গঠন এবং তার ব্যক্তিগত অর্জন। অবিশ্বাস্যভাবে লন্ডনের বস্তি থেকে হলিউডের শীর্ষে পৌঁছা চার্লি চ্যাপলিনের উত্থানের গল্প বলা হয়েছে এ ডকুফিল্মে। চ্যাপলিনের ব্যক্তিগত আর্কাইভ থেকেও নানা উপাদান তুলে এনেছেন পরিচালকদ্বয়।

দ্য রিয়েল চার্লি চ্যাপলিনে দেখানো হয়েছে ভক্তদের হূদয়ে আজও চ্যাপলিন কীভাবে জায়গা করে আছেন। চার্লি চ্যাপলিন শুধু মানুষকে হাসাননি, তিনি পরিচিত ছিলেন যুদ্ধ এবং উগ্র জাতীয়তাবাদের বিরোধী হিসেবে। ফলে তিনি হয়েছিলেন অনেকের ক্রোধের শিকার। মহান এ শিল্পীকে সিটি লাইটস, দ্য গোল্ড রাশ, দ্য গ্রেট ডিক্টেটর, মডার্ন টাইমসসহ আরো অনেক সিনেমার জন্য চিরকাল মনে রাখবে ভক্তরা। অধিকাংশের মনে থাকবেন আইকনিক চরিত্র দ্য লিটল ট্রাম্পের স্রষ্টা হিসেবে। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:28

নতুন ২১ উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) পেল রাষ্ট্রায়ত্ত ১০ ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। মহাব্যবস্থাপক থেকে তাদের পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। গত সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
উপসচিব মোহাম্মদ সফিউল আলম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বেসিক ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথকে একই ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। এছাড়া রূপালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মো. মজিবর রহমানকে সোনালী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক করা হয়েছে, বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের মহাব্যবস্থাপক অরুণ কুমার চৌধুরীকে একই প্রতিষ্ঠানের ডিএমডি করা হয়েছে।
একইভাবে রূপালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক বেগম সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতি পেয়ে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ডিএমডি হয়েছেন। পদোন্নতি পেয়ে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ডিএমডি হয়েছেন জনতা ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মো. শহীদুল ইসলাম। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক চানু গোপাল ঘোষকে একই ব্যাংকের ডিএমডি হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।
রূপালী ব্যাংকের মো. আ. রহিম বেসিক ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। জনতা ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মো. কামরুজ্জামান খান সোনালী ব্যাংকের ডিএমডি পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। জনতা ব্যাংকের মো. মাহবুবর রহমানকে পদোন্নতি দিয়ে সোনালী ব্যাংকের ডিএমডি করা হয়েছে। রূপালী ব্যাংকের বেগম ওয়াহিদা বেগম পদোন্নতি পেয়ে আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ডিএমডি হয়েছেন।
জনতা ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ডিএমডি হয়েছেন। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মীর মোফাজ্জল হোসেন পদোন্নতি পেয়ে একই ব্যাংকের ডিএমডি হয়েছেন। রূপালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মো. শওকত আলী খানকে পদোন্নতি দিয়ে একই ব্যাংকের ডিএমডি করা হয়েছে। জনতা ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মো. হাবিবুর রহমান গাজীকে অগ্রণী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।

রূপালী ব্যাংকের খান ইকবাল হোসেনকে একই ব্যাংকের ডিএমডি করা হয়েছে। জনতা ব্যাংকের মো. কামরুল আহছান পদোন্নতি পেয়ে একই ব্যাংকের ডিএমডি হয়েছেন। একই ব্যাংকে ডিএমডি পদে পদোন্নতি পেয়েছেন অগ্রণী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মো. আনোয়ারুল ইসলাম। 

পদোন্নতি দিয়ে রূপালী ব্যাংকের শচীন্দ্র নাথ সমাদ্দারকে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ও বেগম সালমা বানুকে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ডিএমডি করা হয়েছে। এছাড়া বেসিক ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক আবু মো. মোফাজ্জেল ও অগ্রণী ব্যাংকের মো. মনিরুল ইসলামকে ডিএমডি পদে পদোন্নতি দিয়ে নিজ নিজ ব্যাংকে রাখা হয়েছে। 

রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মহাব্যবস্থাপক পদে নিয়োগ/পদোন্নতি ও পদায়ন বিষয়ক নীতিমালা-২০১৯ ও সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে জারি করা নীতিমালা ও প্রজ্ঞাপন দ্বারা পদোন্নতিপ্রাপ্ত এসব কর্মকর্তার চাকরি নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হবে বলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।

0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:28

বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন

বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন


এক দশক পর বাড়ল বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল। একই সঙ্গে টোল বাড়ানো হয়েছে মুক্তারপুর সেতুরও। গতকালই এ-সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সেতু বিভাগ। এর আগে গত জুনে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ১১০তম বোর্ড সভায় বর্ধিত টোলহার-সংক্রান্ত প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছিল সংস্থাটির পরিচালনা পর্ষদ। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে আজ দিনশেষে মধ্যরাত থেকে নতুন টোলহার কার্যকর করা হবে।

বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পর প্রথম টোলহার নির্ধারণ করা হয় ১৯৯৭ সালে। এর ১৪ বছর পর ২০১১ টোলহার ১৭ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দেয় সরকার। ওই ঘোষণার এক দশক পর নতুন করে ১৭ শতাংশ হারে টোল বাড়ানো হলো সেতুটির।

প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, এখন থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পারাপার হতে একটি মোটরসাইকেল থেকে ৫০ টাকা, কার-জিপের মতো হালকা যানবাহন থেকে ৫৫০ টাকা, মাইকো/পিকআপের মতো দেড় টনের কম ওজনের যানবাহন থেকে ৬০০ টাকা, ছোট বাস (৩১ আসন) থেকে ৭৫০ টাকা ও বড় বাস (৩২ আসনের বেশি) থেকে ১ হাজার টাকা টোল আদায় করা হবে। একইভাবে ছোট ট্রাক (পাঁচ টন) থেকে ১ হাজার টাকা, পাঁচ থেকে আট টনের মাঝারি ট্রাক থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকা ও আট থেকে ১১ টনের মাঝারি ট্রাক থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা আদায় করা হবে। অন্যদিকে ট্রাক ও ট্রেইলারের এক্সেল লোড হিসাবে ধরে সমজাতীয় যানবাহনের তিনটি নতুন শ্রেণী তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে তিন এক্সেলের ট্রাক থেকে ২ হাজার টাকা, চার এক্সেলের ট্রেইলার থেকে ৩ হাজার টাকা ও চার এক্সেলের বেশি ট্রেইলারের জন্য ৩ হাজার টাকার পাশাপাশি বাড়তি প্রতি এক্সেলের জন্য ১ হাজার টাকা করে টোল আদায় করা হবে। আর সেতু দিয়ে ট্রেন চলাচলের জন্য বার্ষিক ট্যারিফ ৫০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ১ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।

অন্যদিকে মুক্তারপুর সেতু পারাপারের ক্ষেত্রে তিন চাকার ভ্যান ও মোটরসাইকেল থেকে ১৫ টাকা, তিন চাকার সিএনজি অটোরিকশা থেকে ৩০ টাকা, কার/টেম্পো/জিপ/মাইক্রোবাস থেকে ৫০ টাকা, ছোট বাস থেকে ১৫০ টাকা ও বড় বাস থেকে ২৫০ টাকা করে টোল আদায় করা হবে। একইভাবে ছোট ট্রাক (পাঁচ টন) থেকে ২০০ টাকা, পাঁচ থেকে আট টনের মাঝারি ট্রাক থেকে ২৫০ টাকা ও আট থেকে ১১ টনের মাঝারি ট্রাক থেকে ৬০০ টাকা আদায় করা হবে। অন্যদিকে ট্রাক ও ট্রেইলারের এক্সেল লোড হিসাবে ধরে যানবাহনের তিনটি নতুন শ্রেণী তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে তিন এক্সেলের ট্রাক থেকে ৮০০ টাকা, চার এক্সেলের ট্রেইলার থেকে ১ হাজার টাকা এবং চার এক্সেলের বেশি ট্রেইলারের জন্য ১ হাজার টাকার পাশাপাশি বাড়তি প্রতি এক্সেলের জন্য ৫০০ টাকা করে টোল আদায় করা হবে। এর আগে মুক্তারপুর সেতুর টোলহার প্রথম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২০০৮ সালে। এরপর এবারই প্রথম বাড়ছে সেতুটির টোল।

দেশের গুরুত্বপূর্ণ এ দুই সেতুর টোলহার বৃদ্ধি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সেতু বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক বলেন, প্রায় এক দশক পর বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল বাড়ল। আর মুক্তারপুর সেতু চালুর পর এ প্রথমবার টোল বাড়ল। নতুন টোলহার কার্যকরের জন্য সফটওয়্যার হালনাগাদের কিছু কাজ বাকি আছে। আমরা আশা করছি আগামীকাল (আজ) রাত ১২টার পর থেকে নতুন টোলহার কার্যকর করা সম্ভব হবে।

0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:25

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও নিউজিল্যান্ডের সমঝোতা

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও নিউজিল্যান্ডের সমঝোতা


বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও নিউজিল্যান্ডের মিনিস্ট্রি অব প্রাইমারি ইন্ডাস্ট্রিজের মধ্যে মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়।

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এ সমঝোতা স্মারকে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাইউম সরকার এবং নিউজিল্যান্ডের মিনিস্ট্রি অব প্রাইমারি ইন্ডাস্ট্রিজের জুলি কলিন্স স্বাক্ষর করেন।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম এবং নয়াদিল্লিতে নিয়োজিত নিউজিল্যান্ড হাইকমিশনার ডেভিড পাইন সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় দুই প্রতিষ্ঠান আইন ও বিধিবিধান সম্পর্কে তথ্য বিনিময়, ঝুঁকি নিরূপণ, মনিটরিং, খাদ্য পরীক্ষাগার স্থাপন, খাদ্যবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব, খাদ্যের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মানোন্নয়ন, জনস্বাস্থ্য-সম্পর্কিত বিষয়ে সহায়তা, ইলেকট্রনিক সার্টিফিকেশন, শিক্ষাসফর ও বিশেষজ্ঞ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পাবে। বিজ্ঞপ্তি
0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:24

সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়লেন শিল্পা শেঠির স্বামী

সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়লেন শিল্পা শেঠির স্বামী


ইনস্ট্রাগ্রাম ও টুইটার থেকে অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দিলেন শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রা। গত জুলাইয়ে পর্নোগ্রাফি-কাণ্ডে গ্রেপ্তার হন তিনি। সেপ্টেম্বরে জামিন মঞ্জুর হয়। কিন্তু পর্নকাণ্ডে নাম জড়ানোর পর থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় চুপ হয়ে যান।

আগে যথেষ্ট সক্রিয় ছিলেন রাজ। নানা রকমের ভিডিও দেওয়া থেকে শুরু করে সপরিবার ছুটি কাটানোর ছবিও পোস্ট করতেন। কিন্তু গত তিন-চার মাস ধরে কোনো পোস্ট ছিল না তার।

অন্যদিকে, শিল্পা এখনো সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়। দীপাবলি উপলক্ষে ছেলে ভিয়ানের সঙ্গে কেনাকাটা করতেও বেরিয়েছেন। শিল্পার পোস্টে থাকছে না রাজের ছবি বা তাকে ঘিরে মন্তব্য। দার্শনিক উদ্ধৃতি থেকে সাহস সঞ্চয় করে কঠিন সময় কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন অভিনেত্রী। খবর আনন্দবাজারের।
0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:23

খাদ্যের অভাবে কন্যাশিশু বিক্রি করছেন আফগানিরা

খাদ্যের অভাবে কন্যাশিশু বিক্রি করছেন আফগানিরা


তালেবান সরকার ক্ষমতা দখলের পর থেকেই আফগানিস্তানে শুরু হয়েছে অর্থনৈতিক সংকট। যা এখন চরম আকার ধারণ করেছে। দিন দিন খারাপ হচ্ছে দেশটির খাদ্য পরিস্থিতি। কয়েক মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না চাকরিজীবীরা। অন্যদিকে, দেশটিতে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে কয়েক গুণ।

এ অবস্থায় দেশটির আশ্রয়শিবিরগুলোতে পরিবারের অন্যান্যদের খাদ্যের জোগান দিতে নিজের কন্যাশিশুদের বিক্রি করে দেওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

তেমনি এক শিশু পারওয়ানা মালিক। ধূসর চোখের এই শিশুর বয়স মাত্র ৯ বছর। তার পরিবার থাকে একটি অস্থায়ী শিবিরে। অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করে মায়ের কাছে ফিরে এসে সে জানতে পারে, ‘শিশুবধূ’ হিসেবে অপরিচিত এক ব্যক্তির কাছে তাকে বিক্রি করে দিয়েছে তার পরিবার।

পারওয়ানা সঙ্গে সরাসরি কথা বলে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সিএনএন। গেল মাসের ২২ তারিখে গণমাধ্যমটিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পারওয়ানা জানায়, লোকটি বুড়ো, তার চোখের পাতা ও দাড়ি পেকে গেছে। ঘরে নিয়ে মারধর ও জোর করে কাজ করিয়ে নেওয়ার ভয়ে আছে সে। পারওয়ানার বাবা-মা বলছেন, এ ছাড়া আর কোনো উপায় নেই তাদের।

সিএনএন জানায়, আফগানিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বাদগিস প্রদেশে বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য নির্মিত এক অস্থায়ী শিবিরে পারওয়ানার পরিবারের বসবাস। মানবিক সহায়তা ও অল্প রোজগারে নির্ভর করে বেঁচে আছে তারা, কিন্তু গত ১৫ আগস্ট তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতায় আসার পর তাদের জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে। অর্থের অভাবে খাবারের মতো দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে পারছে না অনেকে। পারওয়ানা তার পরিবারে প্রথম নয়, কয়েক মাস আগে তার তিন বছরের বড় বোনকে বিক্রি করা হয়।

২৪ অক্টোবর পারওয়ানার ঘরে আসে কোরবান নামের ওই ‘বুড়ো’ লোক। ভেড়া, জমি ও অর্থ মিলিয়ে পারওয়ানার বাবাকে দুই লাখ আফগানি মুদ্রা দেন। এ অর্থ মাত্র ২ হাজার ২০০ মার্কিন ডলারের সমান। পারওয়ানার হাত ধরে দরজা পেরিয়ে চলে যায় কোরবান। বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িতে বাড়ি ছেড়ে চলে যায় পারওয়ানা।

ওই শিশুর বাবা আবদুল মালিক সিএনএকে জানান, তিনি রাতে ঘুমাতে পারেন না। লজ্জা, অপরাধবোধ আর দুশ্চিন্তায় মন ভেঙে যাচ্ছে তার। মেয়েকে বিক্রি না করার সব চেষ্টা তিনি করেছেন। অনেক জায়গায় খুঁজেও কোনো কাজ পাননি তিনি। আত্মীয়স্বজনের কাছে ধার-দেনা করছেন। জীবন বাঁচাতে তাঁর স্ত্রী ভিক্ষাবৃত্তি করছেন।

এরপরও পরিবারের জন্য দুমুঠো খাবার জোগাতে পারছিলেন না আবদুল মালিক। তাই এ ছাড়া আর অন্য কোনো উপায় ছিল না তার। তিনি বলেন, আমাদের পরিবারের সদস্য আটজন। পরিবারের অন্যদের বাঁচাতে হলে (মেয়েকে) বিক্রি করতেই হতো।

এদিকে, পারওয়ানার ক্রয়কে কোরবান ‘বিয়ে’ বলতে নারাজ। তিনি বলেন, ‘আমার স্ত্রী আছে। সেই পারওয়ানাকে দেখাশোনা করবে। পারওয়ানাকে সে নিজের সন্তানের মতোই দেখবে। পারওয়ানার বাবা গরিব, তাঁর অর্থের প্রয়োজন। সে আমার বাসায় কাজ করবে। আমরা তাঁকে পেটাব না। সে আমাদের পরিবারের একজন হয়েই থাকবে।

দেশটির ঘোর প্রদেশে ১০ বছরের আরো এক কন্যাশিশুর সন্ধান পায় সিএনএন। তার নাম ‘মাগুল’। পাশের গ্রামের একজনের কাছে দুই লাখ আফগানি ধার করেছিল তার পরিবার। পরিবারের সেই ঋণ শোধ করতে ৭০ বছরের এক বৃদ্ধের কাছে তাকে বিক্রি করে দেওয়ার কথা জানায় মাগুল।

এমতাবস্থায় ধনী দেশগুলোর কাছে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন সাধারণ নাগরিকরা। এক আফগান নাগরিক বলেন, ৯৯ শতাংশ মানুষই দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে। এছাড়াও অর্থনৈতিক সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।

এক যুবক জানান, যেসব ধনী দেশ মানবাধিকার, সমতা ও ন্যায়বিচারের কথা বলে তারা যদি আমাদের সহায়তা করতে এগিয়ে না আসে, তাহলে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠবে।
0 Share Comment
National/International News Group
03 November 2021, 12:22

ইসলামের কিছু বিস্ময়কর তথ্য, যা জেনে রাখা দরকার

ইসলামের কিছু বিস্ময়কর তথ্য, যা জেনে রাখা দরকার
মানবতার মুক্তিদূত মোহাম্মদ (সা.)-এর ওপর মহান আল্লাহ তায়ালা নাজিল করেছেন মহাগ্রন্থ আল কোরআন। এ কোরআনই মানুষের সত্য ও সঠিক পথে চলার একমাত্র দিশারী। তাই যুগে যুগে বিখ্যাত মনীষীগণ ইসলামের খেদমত করতে গিয়ে পবিত্র কোরআন অধ্যয়ন ও গবেষণা করে নতুন নতুন তথ্য উদঘাটন করে মানুষের নিকট পৌঁছে দিয়ে ইসলামের মাহাত্ম্য ও সৌন্দর্য তুলে ধরেছেন ৷ মুসলিম বিজ্ঞানী কোরআনের উপর রিচার্জ চালিয়ে নানা বিস্ময়কর তথ্য পরিবেশন করেছেন এবং করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত; এমনকি অমুসলিম বিজ্ঞানীরাও আজ যে তথ্যগুলো আমাদের কাছে প্রকাশ করছেন— সবটাই কোরআনকেন্দ্রিক গবেষণা ৷ তাই, এমন কিছু তথ্য শেয়ার করার চেষ্টা করব যেগুলো স্কলারগণ তুলে ধরেছেন ৷ বিভিন্ন সোর্স থেকে নেওয়া বিস্ময়কর কোরআন ও আযানের তথ্য নিম্নে আলোচিত হল-

"আযানের অজানা পাঁচটি তথ্য"

১. আযানের ১ম শব্দ হল 'আল্লাহ' এবং শেষ শব্দও হল 'আল্লাহ' ৷ এর মানে আল্লাহ-ই শুরু এবং আল্লহ-ই শেষ ৷

২. আযান শব্দটি পবিত্র কোরআনে সর্বমোট রয়েছে ৫ বার ৷ আর আমারা প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করি ৷

৩. আযানের মধ্যে সর্বমোট শব্দ হল ৫০ টি ৷ আর আল্লাহ মিরাজের সময় হযরত মুহাম্মাদ (সঃ)-কে সর্বপ্রথম ৫০ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ দিয়েছিলেন ৷ পরে তা কমিয়ে ৫ ওয়াক্ত করা হয় ৷ আর সহীহ হাদিসে এসেছে, একজন ব্যাক্তি ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করলে আল্লাহ তাকে ৫০ ওয়াক্তের সাওয়াব দিবেন ৷

৪. আযানের মধ্যে সর্বমোট ১৭ টি ভিন্ন অক্ষর রয়েছে ৷

আর আমাদের প্রতিদিন ফরজ নামাজ হল ১৭ রাকাত ৷

(ফজর ২ + জোহর ৪ + আসর ৪ + মাগরিব ৩ + এশা ৪)

মোট- ১৭ রাকাত ৷

৫. আযানের মধ্যে সবচেয়ে ব্যবহৃত শব্দ হল 'আল্লাহ' ৷

আল্লাহ শব্দের 'আলিফ' অক্ষরটি সম্পূর্ণ আযানে আছে মোট ৪৭ বার, 'লাম' অক্ষরটি ৪৫ বার এবং 'হা' অক্ষরটি ২০ বার ৷

সুতরাং, (৪৭ + ৪৫ + ২০) মোট- ১১২

আর পবিত্র কুরআনের ১১২ নম্বর সূরা হল সূরা ইখলাস ৷ যে সূরায় আল্লাহ নিজের পরিচয় দিয়েছেন ৷


"মহাগ্রন্থ আল-কোরআনের অজানা কিছু তথ্য"

শাস্তি শব্দটি আছে মোট- ১১৭ বার ও ক্ষমা আছে মোট- ২৩৪ বার ৷ শাস্তির চেয়ে ক্ষমার ঘোষণা দ্বিগুণ (১১৭ x ২)= ২৩৪ বার ৷

ব্যাখ্যা: এটার দ্বারা বোঝা যাচ্ছে যে, আল্লাহ শাস্তির চেয়ে দ্বিগুণ ক্ষমা করে থাকেন ইত্যাদি ৷

আল্লাহ বললেন/তিনি বললেন শব্দটি- ৩৩২ বার ৷

তারা বলল শব্দটি- ৩৩২ বার ৷

( ৩৩২ = ৩৩২ ) বার

ব্যাখ্যা: আল্লাহ যতবার বলেছেন ততবার তার উত্তর এসেছে ৷

নারী বা মহিলা শব্দটি- ২৩ বার ৷

পুরুষ শব্দটি- ২৩

( নারী = পুরুষ )

ব্যাখ্যা: এটা দ্বারা বোঝা যায় আল্লাহ তা'য়ালার নিকট নারী-পুরুষ সমান ৷ এছাড়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল- উভয়ের যোগফল (২৩+২৩=৪৬) হয় ৷ আমরা জানি, একটি শিশু জন্মগ্রহণ করেন ৪৬টি ক্রোমোজোম নিয়ে, যার ২৩টি আসে পিতা থেকে আর ২৩টি আসে মাতা থেকে ৷

স্থল- ১৩ বার ৷

সাগর- ৩২ বার ৷

সাধারণত এটা দ্বারা তেমন কিছু বোঝা যাচ্ছে না ৷ কিন্তু, আমরা যদি এর যোগফল দেখি, তাহলে হবে (১৩ + ৩২ = ৪৫) ৷

ব্যাখ্যা: যদি ১৩ দিয়ে যোগফল ৪৫ এর সঙ্গে ভাগ করি, তাহলে হয় (১৩ ÷ ৪৫% = ২৮.৮৮) এবং ৩২ দিয়ে যোগফল ৪৫ এর সঙ্গে ভাগ করি, তাহলে হয় (৩২ ÷ ৪৫% = ৭১.১১)

> বিজ্ঞানীরা কয়েক বছর পূর্বে বের করেছে যে, পৃথিবীতে স্থলভাগের পরিমাণ ২৮.৮৮ ভাগ এবং পানির পরিমাণ ৭১.১১ ভাগ ৷

পৃথিবী বা দুনিয়া- ১১৫ বার ৷

আখেরাত বা পরকাল- ১১৫ বার ৷

শয়তান- ৮৮ বার ৷

ফেরেশতা- ৮৮ বার ৷

বেহেশত- ৭৭ বার ৷

দোযখ- ৭৭ বার ৷

যাকাত- ৩২ বার ৷

বারাকা বা কল্যাণ- ৩২ বার ৷

গ্রীষ্ম বা গরম- ৫ বার ৷

শীত বা ঠাণ্ডা- ৫ বার ৷

পৃথিবীর কয়েকটি স্তর রয়েছে ৷ একদম মাঝের স্তরটির মূল উপাদান হলো লোহা ৷

ব্যাখ্যা: আল-কুরআনে মোট ১১৪টি সূরা রয়েছে ৷ ১১৪ এর অর্ধেক হলো ৫৭ ৷ আর ৫৭ নং সূরাটির নাম হচ্ছে আল-হাদীদ যার অর্থ লোহা ৷

সব তথ্যই বিস্ময়কর ! আলহামদুলিল্লাহ ৷
0 Share Comment
আরও খুজুন। এজন্য নিচের বক্সে লিখে এন্টার চাপুন অথবা সার্চ আইকনে ক্লিক করুন। Find out more. To do this, type in the box below and press Enter or click on the search icon.
$
$

Image Product Price
Buy Prestige blender 4 100.00 BDT each
+
Add to cart
Buy 6 in 1 sunglasses 1 100.00 BDT each 9 items in stock
+
Add to cart
Buy 5 Piece Silicone Kitchen Spoons Set 870.00 BDT each 10 items in stock
+
Add to cart
Buy Table Pen Holder 520.00 BDT each
+
Add to cart
Buy Double Head Full Body Massager 2 300.00 BDT each 20 items in stock
+
Add to cart
Buy Neck Band Fan 600.00 BDT each 15 items in stock
+
Add to cart
Flower Candy Box 1 000.00 BDT each
+
Add to cart
MINI WIFI CAMERA A9 1 000.00 BDT each
+
Add to cart
Buy Instant Hot Water 1 300.00 BDT each
+
Add to cart
Buy Day and Night Vision Sunglass 500.00 BDT each
+
Add to cart
Buy Hot Water Tap 2 250.00 BDT each
+
Add to cart
Buy Sim Supported Land Phone Set 1 950.00 BDT each
+
Add to cart
Buy Electric Hot Water tap 1 990.00 BDT each
+
Add to cart
Buy water spray motor Car 1 550.00 BDT each
+
Add to cart
Buy Rechargeable Full HD Night Vision Camrea 1 000.00 BDT each 11 items in stock
+
Add to cart
Nova Multi Cooker 2 050.00 BDT each
+
Add to cart
Infrared Body Massager 1 000.00 BDT each
+
Add to cart
Sony Hearing Aid Japan 3 000.00 BDT each
+
Add to cart
Buy Phone Holder Stand 620.00 BDT each 14 items in stock
+
Add to cart
Buy Apple electric massager 400.00 BDT each
+
Add to cart
Yawgoo & Exercise Mat 650.00 BDT each
+
Add to cart
Buy Baby Bouncer 1 700.00 BDT each
+
Add to cart
Buy Self-Suction Sit Up Bars 910.00 BDT each 11 items in stock
+
Add to cart
Buy Baby Nail Trimmer 1 450.00 BDT each
+
Add to cart